আমার প্রিয় পোস্ট

আসেন দুর্নীতি করি। আর এই দুনিয়াটাকেই খুচাই!

জঙ্গী বিস্ফোরণ: সবারই জানা দরকার এর ভয়াবহতা আর কিভাবে বাচতে পারি তার কিছু ব্যার্থ প্রয়াস!

২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

শেয়ারঃ
0 0 0

কেন পড়বে সবাই এই পোস্ট?

একটা ঘটনা বলি। ঘটনাটা দু'তিন দিন আগের। বাসায় ফিরছি তখন রাত ১০ টা বাজে বারিধারা থেকে। একটু পার্টি টাইপ ছিলো। তিন জন ক্যাব নিয়ে একসাথে মিরপুরের দিকে আসছি।ক্যাব নিয়ে গুলশানে ঢুকতেই এক দঙ্গল পুলিশ আর সাদা পোশাক ধারী ডিবির লোক পথ আটকালো। তাদের মধ্যে কিছু লোকের হাতে ওয়ারলেস এবং কিছু ক্ষণ পর পর গাড়ির নম্বর জানা্ছে যেসব গাড়ি তৎক্ষনাৎ চেক করছে। আমাদেরকে নামতে বললো। আমার সামনের জনের শার্ট পর্যন্ত খোলালো। আমাকে দেখে কি মনে করলো, পারলে পুরো প্যান্ট খুলে ফেলে। হাতের ল্যাপটপের ব্যাগটা কখন যে হাত থেকে নিয়ে গেলো বুঝতে পারলাম আমার সাথের দুজনের মুখ কালো হয়ে গেছে।আমি একটু জোরে স্বরে আমার আইডি আর অনেক আগের একটা পাশ যেটা কার্ফ্যুর সময় নেয়া ছিলো সেটার একটা কপি বের করলাম।
: এটা আমাদের জন্য নয়, আপনাদের জন্য। একটু সহোযোগিতা করুন।
ক্যাবের পিছনের দিকে, বনেট পারলে এরা সব কিছু ফেলে। আমরা সবাই হতবুদ্ধ কেনো হঠাৎ এতো তৎপরতা, আর্মি নেমে গেলো নাকি?
সব কিছু ফিরিয়ে দিয়ে বললো একজন লোক এগিয়ে এলো সাদা পোশাক ধারী, মনে হলো কোনো এক সংস্হার হাই অফিসিয়াল," সরি, ডিস্টার্ব করার জন্য, আসলে আপনারা যদি রমনা বটমূলের কথা মনে রাখেন তাহলে এরকম অবাক হতেন না!"
আমরা সবাই না গা না করে বেচারার মতো গাড়ীতে ঢুকে চলে আসলাম।

আমার কিছু বিশেষ জায়গায় বিশেষ কিছু বন্ধু আছে যারা এসব নিয়ে নাড়াচাড়া করে। তার পরের দিন ফোন দিতেই বললো ভয়াবহ কিছু কথা বললো যেটা অনেকটা নিম্নরূপ:
আগে জঙ্গীদের মূর্খ মনে করে আর কোমড় ভেঙ্গে দিয়েছে বলে তেমন কেউ গা করেনি। কিন্তু রিসেন্টলি বেশ কিছু ব্যাপার যেমন কোনো এক জঙ্গীর রাসায়নিক ডেটনেটর ব্যাব হার, দলের মধ্যে বুয়েট, অন্যান্য ভার্সিটির ছেলে মেয়েদর সম্পৃক্ততা প্রমান করে তারা এখন যেকোনো জায়াগায় বিচ্ছিন্ন নাশকতা করবেই। সেটা কখন কিভাবে করবে কেউ জানে না!

হয়তো এ কারনেই লেখাটা পড়বেন সবাই আশা করি!

কি আছে?

এখানে আমি যেটা বলবো কি ধরনের আঘাত আসতে পারে আর আমরা কি কি সতর্কতা মূলক ব্যাবস্হা নিতে পারি আর যদি দুয়েকটা আঘাতের শিকার হই তাহলে কি করবো!

কি ধরনের আঘাত:

জঙ্গীরা কখনোই রাস্তায় রাইফেল নিয়ে উল্টা পাল্টা গুলি করবে না, কারন এতে খুব বেশী লোক জখম করা যাবে না। একটা গুলি দিয়ে শুধু একজন লোক, তাও তার খুব বেশী ক্ষতি হবে না যদি তা না মাথায় বা বুকে বা নিম্নাঙ্গে না লাগে।
জঙ্গীরা এমন কিছু করবে যার এক আঘাতে বেশীর ভাগ লোক এমন কি ঐ সংঘটিত অংশের সাথে সরাসরি দেখার পয়েন্টে যতদূর যায় ততদূর বিস্তৃতি হবে। মানে ধরুন আঘাতটা করা হলো রাস্তার মাঝে। রাস্তায় যারা দেখছে বা আশে পাশে আছে তাদের বেশীর ভাগ লোক আঘাত প্রাপ্ত হবে এবং আশে পাশের ফ্লাটের জানালা বা বারান্দা দিয়ে যারা দেখছে বা দেখা যায় সেখানকার লোকজনও আহত হবে।
এর জন্য সবচেয়ে কার্যকর হচ্ছে বোমা।

কেমন বোমা?

নিউক্লিয়ার বোমা এরা ব্যাবহার করবে না এটা আপাতত নিশ্চিত থাকেন, কারন তালেবানরা পাকিস্তান খেতে পারলেও এখনও নিউক্লিয়ার অস্ত্র ছুতে পারেনি। আর ইরান আর উত্তর কোরিয়া যেহেতু এখনও আক্রমনের শিকার হয় নি সেহেতু এসব তারা ব্লাক মার্কেটে ছাড়বার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ যদি তাদের কাছে এরকম কিছু থেকে থাকে।আরো কিছু খবর হলো তারা যা ব্যাব হার করছে তার মধ্যে টিএনটি বা সি৪ এর এক্সপ্লোসিভস ব্যাব হার করছে না। অবশ্য তার দরকারও নাই।

তারা যেই বিস্ফোরকই ব্যাবহার করুক না কেন এসব জঙ্গীদের বোমায় কিছু জিনিস ব্যাব হার করা হয় সেটা হলো স্প্লিন্টার। স্প্লিন্টার হিসেবে কাচা লোহার পেরেক, পিন, ভাঙ্গাচূড়া কাচা লোহা টাইপ সূচালো অংশ।
এগুলো ব্যাবহার করার কারন এগুলো ৪০০-৫০০ ডিগ্রীতে বেশ গরম এবং নরম হয়ে যায়। যখন গরম এবং নরম হয়ে যায় এগুলো ভঙ্গূর হয়ে যায় এবং অনেকটা ভেঙ্গে চূড়ে সাধারনত পেয়াজের খোলসের মতো সূচালো ধারের হয়ে পড়ে। এগুলো যেকোনো কিছুর সাথে বিক্রিয়া করতে পারে এবং অক্সিজেনের সাথে খুব দ্রূত জং পড়ে যায়। তখন চুম্বকেও খুব একটা কাজ করে না।

আমাদের রক্তে কিন্তু হিমোগ্লোবিনে ফ্রি রেডিক্যাল মানে অক্সিজেন রেডিক্যালের পরিমাণ বেশ ভালো পরিমাণেই আছে আরো আছে আয়রন সহ আরো কিছু যৌগমূলক।

তাহলে আসেন একটা বোমা ফাটাই:

বোমা একটা ফাটিয়ে দিলো জঙ্গী। তখন কি হতে পারে? বোমাটা যখন ফাটানো হয় তখন কেমিক্যাল রিএ্যাকশনে কিছু ব্যাপার ঘটে- বেশ ভালো পরিমানে শক্তির বিচ্ছুরণ ঘটে যেগুলো নানা রূপে পাই।
শক ওয়েভ ব্লাস্ট: সোজা বাংলায় এই শক্তিটা একটা বাতাসে প্রচন্ড ধাক্কার সৃস্টি করে। পিসিআই এর একক। বাতাসে ৫ পিসিআই চাপের একটা ধাক্কা খেলে আমাদের শ্রবনেন্দ্রীয় নস্ট হবে। ১৫ পিসিআই হলে হ্রৎপিন্ড সরাসরি আঘাত পেয়ে কর্ম ক্ষমতা নস্ট হবে। ৩০ হলে ৫০% শতাংশ মানুষের মৃত্যু ঘটবে আঘাত জনিত কারনে।


তাপ বিকিরণ: এখানে আবদ্ধ জায়গায় ফাটলে জিনিসটা খুব ভালো ভাবে সবাইকে আঘাত করে। এবং সবার মধ্যে খুবই দক্ষ ভাবে এটা প্রভাব ফেলে। এজন্য জঙ্গীরা সাধারনত মার্কেট প্লেস অথবা প্রচন্ড ভীড়ের জায়গায় এটা ফাটাতে পছন্দ করে। জিরো পয়েন্ট মানে হলো যে পয়েন্টে এটা ফাটলো সেখানে সাধারন ডেটোরনেটর দিয়ে ২ থেকে ৩০০০ সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপ উঠানো সম্ভব। এর বেশী উঠানোর জন্য আর্জেস বা বেশ ভালো পরিমাণের টিএনটি দিয়ে ফাটালে কয়লা খনির মতো কাজে দেবে। তবে জঙ্গীরা এতো তাপ চায় না। এতো তাপে স্প্লিন্টার পুড়ে যায়। তাদের দরকার খুব ভালো পরিমানে ব্লাস্ট আর ৮০০-৯০০ ডিগ্রী।

শব্দ এবং স্প্লিন্টার: শব্দটা খুব বেশী না হলেও বুড়ো দের জন্য এটা ক্ষতিকর। তবে বাইরে সাধারন যারা ঘোরে ঢাকা শহরে তাদের ডেসিবেল স হ্য ক্ষমতা বেশ তাই কিছু ক্ষণ তব্ধা লেগে থাকলেও সমস্যা হয় না। পরে তা ঠিক হয়ে যায়। স্প্লিন্টার খুব গুরুত্বপূর্ন। দেখা গেলো বোমা ফুটছে ২০০ হাত দূরে। আপনে বেশ সেফ পজিশনে থাকলে সামান্য একটা ছোট স্প্লিন্টার ধরেন ১০ মিলিমিটার বা ১ মাইক্রোমিটারের একটা স্প্লিন্টারের টুকরা আপনাকে সারা জীবনের জন্য ভুগাতে পারে।

ধাপ সমূহ একটু ডিটেলসে!:

বিস্ফোরণের ঢেউ বাতাসে উচ্চ চাপের দমকা হাওয়ার উদ্ভোব ঘটাবে।এই ক্ষেত্রে একজন লোক প্রন্ড ধাক্কার অনুভব করবে যার ফলে তার আভ্যান্তরীন ক্ষত দেখা দেবে। এই শক ওয়েভ মাধ্যম দিয়ে সামনে এগিতে থাকবে।এই শকওয়েভ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ দিয়ে ছড়িয়ে দিয়ে ক্ষতের বিস্তৃতি ঘটায় এবং এর ফলে প্রচন্ড শব্দের উৎপত্তি ঘটে যার ফলে সামটুক বয়রা ভাব অথবা স্হায়ী বয়রা হয়ে যেতে পারে মানুষ জন। বোমার খন্ডাংশ শার্পনেল বা স্প্লিন্টার ছুড়ে মারবে প্রচন্ড গতিতে।এগুলোর গতি এতই বেশী যে কংক্রীটের দেয়াল পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্হ করে ফেলে। বিস্ফোরণ থেকে এই সময় তাপ এবং আগুণ উৎপন্ন হবে। অতিরিক্ত তাপ চারিদিকে আরো আগুন ধরিয়ে দেবে যেটা আসলে অগ্নিকান্ডের সৃস্টি করে। ব্লাস্ট ওয়েভ চারিদিকে ভ্যাকুয়ামের সৃস্টি করে যেটা পরে চারিদিকের বাতাসকে শুষে নেয় শূন্য স্হান পূরন করবার জন্য!এর ফলে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র স্প্লিন্টার ছড়ানোতে আরো সহায়ক হিসেবে কাজ করে।



কেন এই স্প্লিন্টার খারাপ:

বাংলাদেশের সব ডাক্তারই টিভিতে আসলে বলে ফেলে গর্ব করে তারা অনেক কিছু পারে যা আমেরিকনরা পারে। কিন্তু বাস্তবে তারা কিছুই পারে না। আপনি সরকারীতে যান এইসব স্প্লিন্টারের তেমন ভালো চিকিৎসা দিতে পারে না। গুলির সমান অথবা ১০ মিলিমিটার হলে পারবে তবে এর চেয়ে ছোট হলে তারা হার মানবে। আর যদি স্কয়ার বা এ্যাপোলোতে যান তারা আপনাকে ৫ স্টারের সুখ দেবে কিন্তু সাথে এটাও বলবে এখানে যখন আসছেন ব্যাটার থাইল্যান্ড যান। থাইল্যান্ডে মাইক্রোমিটার স্কেলে চিকিৎসা দিতে পারে যদি স্প্লিন্টারের চুম্বকত্ব না হারায়। কিন্তু যদি স্প্লিন্টার লোহা ব্যাব হার না করে জিংকের খাদ দেয়া ভেজাল লোহা অথবা প্লাস্টিকের চামচ অথবা কাসার বা পিতলের টুকরা ব্যাব হার করে তখন আপনার রক্ত কিছু দিন পর পর ওয়াশ করেও খুব একটা লাভ হবে না। দেখা যাবে যেটা পায়ে ঢুকেছে সেটা হ্রৎপিন্ডে আটকেছে অথবা যকৃতে ইনফেকশন দেখা দিয়েছে!


কি করবেন তখন শুধু যন্ত্রনা উপভোগ করা ছাড়া অথবা মৃত্যুর আশায় জায়নামাজে বসে থাকা ছাড়া? একটা কাজ করতে পারেন, সমান্য পায়ের আঘাতের জন্য পাটা কেটে ফেলেন, বরন করে নিন পঙ্গূত্ব। কি হবে এত সুন্দর পা দিয়ে, বডি বিল্ডিং করেন না যেহেতু সেহেতু এক পায়ই যথেস্ট.....হা হা হা হা হা...

বাচার কিছু ব্যার্থ উপায়:

আসলে আমি এগুলো ব্যার্থ উপায়ই বলবো! কেউ যদি ফাইনাল ডেস্টিনেশন সিরিজের মুভী দেখে থাকেন তাহলে বুঝবেন মৃত্যু যদি সত্যি আপনার সামনে এসে দাড়ায় তাহলে কেউ বাচাতে পারবে না। কেউ না!


আপনি সুপার কন্ডিশনের ফুস ফুস আর হ্রৎপিন্ড নিয়ে অথবা ঝাক্কাস মিস্টার অলিম্পিয়া হলেও আপনার মৃত্যু যদি লেখা থাকে যদি আল্লাহ চান তাহলে মরতে হবেই!

তবু আমার মতো যারা উজবুক যারা টাইম মেশিন বানানোর জন্য এখনও ব্যার্থ স্বপ্ন আর গোডলের মতো কিছু ব্যার্থ ক্যালকুলেশন করে যাই তাদেরকে বুঝাবে কে?

তাই ফিজিক্সের বা ডাক্তারীর আশ্রয় নিলাম (যদিও আমি তেমন কিছু জানি না, তাই যদি কমেন্টে আপনাদের মতামত জানা শোনার মধ্যে লিখে দেন তাহলে সবাই উপকৃত হবে)

১) খুবই কড়া ভীড় যেখানে কেন্দ্রের মানুষ দেখা যায় না এসব জায়গায় কোনো জঙ্গী বোমা ফাটাবে না। বোমা ফাটাবে যে ভীড়ের মধ্যেও হাটার রাস্তা থাকে। যেমন ধরেন ফার্মগেটের কোচিং সেন্টার গুলোর সামনে খুব কড়া ভীড় হলেও একটু এগুলেই এটা হালকা। অথবা গাউছিয়া মার্কেটের ভিতরে যেখানে ভীড় গুলো ভাগ হয়ে আছে। তাই পারলে করা ভীড়ে থাকুন অথবা হালকা ভীড় এভয়েড করুন।

তবে একটা ক্যালকুলেশন করতে পারি। ধরা যাক একটা ভীড়ে ১৫০ জন লোক আছে যার ঠিক মধ্যখানে একজন জঙ্গী। ভীড়ের ধরন সার্কুলার শেপ। তাহলে ১৫০ জন লোক যদি রাউন্ড শেপে ওয়েল ডিস্ট্রিবিউট থাকে এবং সবার মাঝে ফাকা থাকে আর আপনি যদি সবার বাইরের দিকে থাকেন তাহলে জঙ্গী থেকে আপনার দূরত্ব হবে ৬ জন লোকের সমান। এখানে ডিস্ট্রিউবিশনটা সমান ভাবে ২ এর ২ ঘাত কে ১ দ্বারা যোগ করেছি যাতে করে গ্রাউন্ড জিরোর সাথে আপনার পয়েন্ট অব কন্টাক্ট থাকে।
যখন বোমা ফাটে তখন স্প্লিন্টার গুলো সার্কুলার আকারে সরল রেখা বরাবর ছড়িয়ে পরে আবং তা মোটা মুটি ৫০ থেকে ৬০ মিটার ব্যাসার্ধের এলাকা যেতে সক্ষম একটা মাঝারি আকারের বোমা যদি চিন্তা করি।

যদি বোমাটা বিস্ফোরনের সাথে সাথে চারিদিকে সার্কুলার ভাবে (যদি স্প্লিন্টারের ক্ষেত্রফল ৭৮ বর্গসেন্টিমিটার) সর্বোচ্চ ৭০০০ - ৮০০০ কণা (ধরা যাক ১ বর্গমিলিমিটার )ছুটে যাবে চারিদিকে আর আপনার দিকে এর ১% ও ছুটে আসে তাহলে এর পরিমাণ হতে পারে ৭০- ৮০ টা। সংখ্যাটা কি ভয়াবহ না?

সবচেয়ে ভালো হয় যখনই কোনো আওয়াজ পান এরকম তখন জায়গায় মাথাটা ঢেকে বসে পড়া। কারন বোমা বিস্ফোরনের পাশে শব্দের গতির চেয়ে স্প্লিন্টারের গতি কিছুটা বেশী থাকলেও অপেক্ষা কৃত ভরী গুলো যেমন যেগুলো ২-৩ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের সেগুলোর গতি কম থাকে। তাই বসে পড়ুন।

আরো একটা কাজ করতে পারেন রাস্তা পারাপারের সময় ওভার ব্রীজ ব্যাবহার করুন, কারন এখানে জঙ্গীরা কেনো যেনো ফুটাইতে চায় না।
অথবা একটু দ্রূত হাটুন এতে আপনি অনেক গুলো মার থেকে বেচে গেলেন। এতো গেলো হঠাৎ ফেটে গেলো সেটার কথা।

আপনি যদি বিল্ডিং এর ভিতরে থাকেন তাহলে আপনার জন্য সবচেয়ে মারাত্নক হলো দুটো জিনিস: অনেক দূর হতে ছুটে আসা স্প্লিন্টার আরেকটা শক ওয়েভের কারনে আপনার জানালার কাচ ভেঙ্গে ছুটে আসার খন্ডাংশ।
তাই যখনই এমন কিছু হয় তখনই হয় টেবিলের তলে না হলে মাটিতে শুয়ে পড়ুন।

২) ধরা যাক আপনার হাতে বাস্ট হবার কিছু সময় আছে। কারন বেশীর ভাগ জঙ্গী বোমা ফাটানের আগে সবাইকে কলেমা তলেবা তইয়েবা শোনায় তার পর আল্লাহু আকবর বলে ফাটায় দেয় তার আগে চুপ চাপ দরুদ পড়ে মোনাজাত পড়ে নেয়।
(সেই সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ন আপনার জন্য) যতটুকু পারেন মাটিতে শুয়ে হাত দিয়ে এমন ভাবে মাথা আর কান ঢাকুন যাতে ওখানে আঘাত লাগার আগে হাতদ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়।
খ) যদিও খারাপ শোনায় আশেপাশে মানুষকে শিল্ড হিসেবে ব্যাব হার করুন যাতে করে আপনার দিকে আসা স্প্লিন্টার গুলো আপনার সামনে দাড়ানো লোকের উপর দিয়ে যায়। যদি দেয়াল বা স্হাপনা কিছু পান তাহলে ওখানে লুকোতে পারেন।
গ) যদি সময়ই না পান, দেখা গেলো হাতে ১ সেকেন্ডও নাই কিন্তু জঙ্গী খুব সামনে তাহলে দূরত্ব তৈরী করুন।যদিও বাচার আশা কম।

৩) বাসে উঠবার আগে কিছু জিনিস খেয়াল রাখুন। যারা দাড়িয়ে আছেন তারা বেশী ঝুকিতে থাকবেন। যে ফাটাবে তার পাশে যারা থাকবে তারা সবচেয়ে বেশী ঝুকিতে। সবচেয়ে কম ঝুকিতে যদি জঙ্গী মহাশয় বাসের মাঝখানে আর আপনি বসলেন একেবারে পিছনের সীটে সবচেয়ে কোনার সীটে।

৪) আ.লীগ বা বিএনপি বা অন্য যেকোনো দলের সভা সমাবেশ বা মিছিলে না যাওয়া। তবে জামাত শিবিরের মিছিলে কোনো দিন বোমা ফাটবে না। কি কারনে ফাটবে না আমি জানি না, মনে জঙ্গী কুকুরেরা আরেক কুকুরের গোস্ত খাবে না!

তবে যাই ঘটুক না কেন, যদি আপনি আঘাত প্রাপ্ত হন তাহলে দেখুন আপনার আঘাত কিরকম? যদি খুবই খারাপ হয় তাহলে চুপচাপ বসে থাকুন। কারন বের হতে গেলেই হার্টের বিপি বাড়বে জন গন আর দৌড়াদৌড়ি আর মোচড়া মোচড়ির চাপে আপনার অবস্হা খারাপ হবে। এখনকার বোমায় অগ্নীগোলক বা বাসে আগুন তেমন ধরে না। যদি সেটা হয় তাহলে আস্তে আসতে বের হতে হবে অপেক্ষা করতে হবে সাহায্যের জন্য। সাহায্য আপনি পাবেন অবশ্যই। যদি অতিরিক্ত ধূলো বা ধোয়া হয় তাহলে চেস্টা করুন ভীড়ের মধ্যে না ছুটে যে জায়গায় ভীড় কম সেদিক দিয়ে বের হতে করে এতে করে আপনার নড়া চড়ার অংশে আরো কম চাপ লাগবে। বেশী দুশ্চিন্তা করে কিছুই হবে না, যা হবার হয়ে গেছে।

৫) বাসে উঠার সময় আপনার পাশের লোকদের দিকে খেয়াল রাখুন। চাপ দাড়ী অথচ প্যান্ট শার্ট, কিন্তু খুবই দুশ্চিন্তা গ্রস্হ আর কিছু ক্ষণ পর পর শরীরের কিছু জায়গায় বেশ ভালো ভাবে হাতাচ্ছে

অথবা কথা নেই বার্তা নেই নফল নামাজ বা দোয়া দরূদের হার বেড়ে গেলো এবং শরীরটা অস্বাভাবকি ভাবে কাপড়ে সাথে খাপ খাচ্ছে না।

অথবা দেখুন হাতে কি নিয়ে আছে? কারন রাসায়নিক ডেটোনেটরে টাইমার ৫ থেকে ৩০ মিনিট রাখা যায় তবে অতিরিক্ত গরমে হিসাবে গোলমালও হয়। তাই হাতে কি আছে সেটা বুঝবার কিছুটা সময় পাবেন।

৬) আপনার অফিস বা মার্কেটে অতিরিক্ত সিকিউরিটি যেনো অবশ্যই থাকে। আর কাচের বিল্ডিং এ কাচটাকে একটু এ্যাভয়েড করবেন। আপনার পয়েন্ট অব আই কন্টাক্ট নাই কিন্তু শক ওয়েভে কাচ ভেঙ্গে ঢুকে গেলো চোখে!


একটা ইরাকী গল্প: গল্পটা শুনেছিলাম আমার এক আত্নীয়ের কাছে সে রিসেন্টলি সৌদি থেকে এসেছেন। তখন যুদ্ধ শেষ হয়েছে মাত্র, বুশ ঘোষনাও দিয়ে দিছে। যেই পরিবারের গল্প এটা: ওরা ছিলো শিয়া, তবে যুদ্ধে ওদের বাড়ীর সাথে কেড়ে নিয়েছে ওর ছোট ভাইকেও। পরিবারে তখন বেচে বাবা মা আর ঐ মেয়েটি। বয়স আনুমানিক ২২ এর মতো। খুব কস্ট করে ইজ্জত বাচিয়ে সিরিয়ার ক্যাম্পে জায়গা করে নিয়েছে। বাবা নিয়মিত ইরাকের বর্ডারের পাশের একটা এলাকায় যেতেন যেখানে মার্কিন সেনা দ্বারা খুব কড়া গার্ড দেয়া। একটা কাজ পেয়েছে যেটা হলো একটা বাসা তৈরী করে দিতে হবে। মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছে ঐ শরনার্থীরই এক শিয়া ছেলের সাথে। বাবা সেদিন কাজ করে বাসায় ফিরার কথা, কিন্তু তার দুদিন পরও ফেরেননি। পরে জানা গেলো আমেরিকান কনভয়ের পাশ দিয়েই যাচ্ছিলেন উনি। এক আমেরিকান সোলজার হঠাৎ তার পথ রোধ করে সার্চ করছিলো। সবার বন্দুক তার দিকেই তখন তাক কড়া, সেদিন খুব কড়া নিরাপত্তা ছিলো চারিদিকে। সার্চের মাঝখানেই একটা গাড়ী ছুটে আসলো তাদের ট্যাংকের দিকে। এসেই প্রচন্ড বিস্ফোরন। লাশের কার কোন অংশ বোঝা না যাওয়ায় আমেরিকানরা সবকিছু নিয়ে গেছে। ডিএনএ টেস্ট করে তারপর সৈন্যদের কবর দেয়া হবে। এটা জানতে পারে ৩ দিন পর এবং খবরটি এনে দেয় সেই ছেলেটি। মেয়েটা অথর্বের মতো হয়ে যায় আর মা হয়ে যায় পাগল। গায়েবী জানাযা দেয়া হয় কিন্তু কবরের ব্যাপারটা হয় কিছু রক্তাক্ত কাপড় কুড়িয়ে এনে। কারন ওখানে এসব ছাড়া তেমন কিছুই ছিলো না!

পরিনাম:

যারা স্প্লিন্টারের ক্ষুদ্রাংশে আঘাত প্রাপ্ত হয় তাদের নাকি এটা ঘোরা ফেরা করে। যেখানে ইচ্ছা সেখানে গিয়ে মাসেল পেইন অথবা ইফেকশন ঘটায়। বড় বড় স্প্লিন্টার বের করা গেলেও এগুলো বের করা যায় না এগুলো কিডনি, লিভাবর, হ্রৎপিন্ড সব জায়গাতেই বাগড়া বাজায়। একসময় নানা জায়গায় এই সব ডাইলুটেড স্প্লিন্টার অভ্যন্তরীন ক্ষতের সৃস্টি করে। তাই সাবধান হোন একটু


আর ইসলামী জঙ্গীদের প্রতি জিরো টলারেন্স শো করুন!

 

প্রকাশ করা হয়েছে: মূর্খ উদাসীর জ্ঞানী কথা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১০

লেখক বলেছেন: আমারও মনে হয়!

২. ২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯
জুল ভার্ন বলেছেন: লেখাটার বিশগয়বস্তু খুব সুন্দর-কিন্তু অনেক বেশী লম্বা লেখা হওয়ায় গুরুত্বপুর্ণ বিশয়টা অনেকটা ঝুলে গিয়েছে!

গুড পোস্ট। +
২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: আমি এটা ইচ্ছা করেই করেছি। কারন এ ব্যাপারটা আমার কাছে এতই সেনসিটিভ লাগলো যে এরকম একটা পোস্ট যদি ডিটেলসে না বলি তাহলে মানুষ ঠিক বুঝবে না। আবার অনেকেই ব্যাপারগুলো জানে, তাদের কে জাস্ট একটু পিন্ঞ্চ করা!

আর ব্লগ তো ভাই অল্প লিখে হিট খাওনের জন্য না, যেহেতু সবার জানার জন্য সেহেতু আমার মনে হয় সাইজ কোনো ব্যাপার না!

৩. ২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন: জুল ভার্ন বলেছেন: লেখাটার বিশগয়বস্তু খুব সুন্দর-কিন্তু অনেক বেশী লম্বা লেখা হওয়ায় গুরুত্বপুর্ণ বিশয়টা অনেকটা ঝুলে গিয়েছে!

পরে পড়ব, সকেসে রাখলাম।
২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি এটা ইচ্ছা করেই করেছি। কারন এ ব্যাপারটা আমার কাছে এতই সেনসিটিভ লাগলো যে এরকম একটা পোস্ট যদি ডিটেলসে না বলি তাহলে মানুষ ঠিক বুঝবে না। আবার অনেকেই ব্যাপারগুলো জানে, তাদের কে জাস্ট একটু পিন্ঞ্চ করা!

আর ব্লগ তো ভাই অল্প লিখে হিট খাওনের জন্য না, যেহেতু সবার জানার জন্য সেহেতু আমার মনে হয় সাইজ কোনো ব্যাপার না!


ধইন্যা এক্সট্রা লাইনের লিগা!;)

২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩

লেখক বলেছেন: আবার কেন মন খারাপ? কি হইছে? খুইলা কও!

৫. ২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২২
অনিগিরি বলেছেন: ওরাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু!! ওদের এখনই প্রতিহত করতে হবে!!
২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন: তাইনি? ওরা কি জানে, যদি জানে তাইলে যেই সীটে বইবেন সেই সীটের নীচেই......

তখন দেখবেন বাইচা থাকলেও টয়লেটের সমস্যা হইয়া যাইবো;) (ফান মারলাম, মনে কিছু লইয়েন না বস!)

৬. ২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩
আকাশ_পাগলা বলেছেন: গত ৬ মাসে আমার পড়া শ্রেষ্ঠ পোস্ট।

দেখায়া দিছেন ভাই।

অসাধারণ।

আর প্রিয়তে ত গেলই।
২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন: ৬ মাস আগে কি পড়ছিলেন, হেইডাও কন, পাবলিক ঝানতে না চাইলেও আমি জানবার চাই!

ব্লগে সমস্যা হইলে মেইলাইবার পারেন যদি ওরকম কিছু হয় তাইলে আছি;)

৭. ২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৪
চানাচুর বলেছেন: এমনি ভালো আছি আমি। কিন্তু এই পোস্ট পড়ে খারাপ লাগছে।:(
২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: খারাপ লাগার কিছু নাই, একটা কাম করো, বাইরে যাও ফুড়ফুড়া হাওয়া খাও! গরমের দিনে বিকালের বাতাসে একটা অন্যরকম স্বাদ আছে! স্বাদটা কেমন আমারে পরে জানাইয়ো!

৮. ২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮
দুঃখবিলাস বলেছেন: আমাদের দেশে এখন জনসংখ্যা ১৭ কোটিরও বেশি। বেশির ভাগ মানুষই অশিক্ষিত ও গরীব কিন্তু প্রতিনিয়ত বাচ্চা উৎপাদনের এক একটা নন-স্টপ মেশিন। যেদেশে নির্দিষ্ট সম্পদের চেয়েও অশিক্ষিত জনসংখ্যার পরিমাণ বেশি, সেদেশে জঙ্গীবাদ থাকবেই। এর পরিত্রাণ নেই।

বর্তমান সময়ে যতগুলো জঙ্গী উৎপাদন উর্বর দেশ রয়েছে, তার সবকটাই অশিক্ষিত ও গরীব। এখানে উল্লেখ্য, ইসলামে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণকে মোটেই উৎসাহিত করা হয় না। স্বভাবতই, জঙ্গী উৎপাদনে মুসলিমরা এগিয়ে।

ধন্যবাদ, উদা। তোমার সময়োচিত পোস্টের জন্য।
২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: তোমার লগে আমার এই জায়গায় মিলে আর মোল্লাগো লগে এইডা নিয়া আরো অনেক জায়গায় মেলে না!

অখন কও কৈ যাই?

৯. ২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯
চানাচুর বলেছেন: দুস্ত নেটের লাইন আজকে ভালো।মাত্র একবার ডিসি খাইছি। থ্যাঙকু। :)
২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: তাইলে কাম হইছে, ঠিক না?

এইবার পোস্ট ফিরাও!

১০. ২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: মাথা গরম করা পোষ্ট। মনে চায় একটা এ কে ১০৭ নিয়া সব কুত্তার বাচ্চাগুলিরে মারি। এর পর যদি আমার ফাসি হয় তাও ভাল। এই শুয়োরের বাচ্চাগুলিরে ঝাঝরা কইরা ফালাইতে মনে চায়। এরা শুধু নিজেরাই নোংরা না, সমাজটারেও নোংরা কইরা ফালাইতাছে। খালি ভার্সিটি, বুয়েট না এরা স্কুল এমনকি পাড়ার কোচিং সেন্টার পর্যন্ত এদের নোংরা দূর্গন্ধ ছড়াইয়া ফালাইছে ইতিমধ্যে। আমি এদের হাড়ে হাড়ে চিনি। এরা যে কি পরিমান ভয়ংকর হয়ে ঊঠবে আমি তা আগেই টের পাইছিলাম ক্লাস নাইনে থাকতেই অথচ আমাদের মেরুদন্ডহীন স্বার্থলোভী সরকার কিছুই করে নাই। আমি ছিলাম আমাদের স্কুলের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল শিবিরের প্রথম সভাপতি। তখন থিকাই আমি এদের দেখতাছি। আমি যতদূর পারছি স্কুলের পোলাপানরে এই শিবিরের হাত থিকা বাচানির চেষ্টা করছি। আমি বাদে আর কেঊ সভাপতি হইলে স্কুলের বারটা বাজাইয়া দিত। কারন এরা যেভাবে আল্লাহর নামে ঘ্যানর ঘ্যানর করে তাতে নিচের ক্লাসের পোলাপান যারা সিক্স সেভেন এইটে পড়ে তারা সহজেই প্রভাবিত হয়। বাইড়াইয়া খেদাইতে পারি নাই স্কুল থিকা কারন রগ কাটার ভয় ছিল, আর কিছু শিক্ষক তাদের পক্ষে ছিল। আমি ছিলাম মাত্র নাইনের একজন ছাত্র। তাই সভাপতি হইয়া যতটুকু পারছি অকার্যকর রাখছি এদের। এরা একসময় আমার কার্যক্রমে নিষ্ক্রান্ত হইয়া স্কুলে যাতায়াত কমাইয়া দেয়। স্কুল ছাড়ার পর কি অবস্থা জানি না। এরা পুলাপানরে শিবির বানানি আরম্ভ করে সেই ফাইভ থিকাই। পারলে মার পেট থিকা বাইর হওয়ার পর থিকা। সুন্দর সুন্দর ভিওকার্ড দিত আমারে পুলাপানরে বিলানির জন্য। কাজী নজরূলের কবিতা লেখা থাকত সেইখানে। কুত্তার বাচ্চারা কবির কবিতারে এইসব নষ্টামির কাজে ব্যাবহার করত। কিছু কিছু কার্ডে লেখা থাকত শহীদ হতে হবে জিহাদ করে। এই কার্ডগুলি পুলাপানরে কখনই দিতাম না। এরা পিচ্চি বয়স থিকাই পুলাপানের মাথায় শহীদ হওয়ার, আত্মঘাতী হওয়ার চিন্তা ঢুকাইয়া দেয়। আরো বহুত কথা আছে। এই বুয়েটের ছাত্রের ইতিহাস দেখলে দেখবেন সেও হয়ত স্কুল থিকাই শিবির করে। আর এরা বাইছা বাইছা ভাল ছাত্রগুলিরে দলে ঢুকায়। আমাগোর মাদারচোত আওয়ামী বিএনপি বাইছা বাইছা কুত্তার নষ্টগুলিরে দলে ঢুকায়। তাইলে এরা শক্তিশালী হইব না কি ওরা হইব? আমি ব্লগে কোনদিন গালাগালি করি নাই। আজকে আর মাথা ঠিক রাখতে পারলাম না। আমারে ক্ষমা করবেন। আমার দেশ আমার মা। নিজের চোখের সামনে মায়ের ধর্ষণদৃশ্য কোন সন্তানের পক্ষেই সহ্য করা সম্ভব না। গালি দিছি তো কম দিছি। খুন করতে পারলে শান্তি পাইতাম শুয়রের বাচ্চাগুলিরে।
২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: ভাইজান, বুঝছি মাথা গরম! কিন্তু দোহাই লাগে গালাগালি কইরেন না। অখন আর এই সব ভালা লাগে না!

তয় একে ৪৭ এর নাম শুনছি মাগার একে ১০৭ কোনডা? এইডার নামতো জানি না!

তয় একটা কথা কইবার মন চায়, রাজাকার-জামাত-শিবির-জঙ্গী: এদের কোনো বিচারের দরকার নাই। নামকা ওয়াস্তে সামরিক আদালতের মতো কিছু করে দেন গলায় দড়ি। তার আগে ২০ টাকার চপ্ল দিয়া জন গন দিয়া ১ ঘন্টা বাইড়ানি! এই ২০ টাকার চপ্পল আমি স্পন্সর করুম। তারপর এগো মারনের পর ঐখানেই পুইতা গন টয়লেট। ইডানিং ঢাকা শহরের টয়লেটের বড়ি সমস্যা! এইসব টয়লেটের নাম ও তাদের নামে যেমুন: গো.আ টয়লেট;)

২৩ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: অলাইকুম!

২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:০২

লেখক বলেছেন: এম সিক্সটিন চিনতাম, মাগার এই এম ফোরটা কি?

১৩. ২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:১৩
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: একই গোত্রের জিনিস দুইডাই। আরো ভেরিয়েন্ট আছে। কিছু কিছু পার্থক্য আছে। যেমন পিছনের বাট, অটো, সেমি-অটো, লেন্স, লেজার এইসব হাবিজাবি আর কি।
২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:১৯

লেখক বলেছেন: অস্তো শস্ত্রো নিয়া পড়ি নাই। এইডা ম্যাকনিক্যাল ইন্জিনিয়ারগো সাবজেক্ট। যদিও কোয়ান্টাম ম্যাকানিক্স আর ফিজিক্সের বেশ কিছু ডাইনামিক্স ইত্যাদি এতে লাগে কিন্তু আমার এতো টাইম আছিলো না। তয় ডিজাইনের খুব শখ আছিলো। টাইম পাইলে এই সব ম্যাকানিক্স নিয়া বসুম বইলা ৩ বছর ধইরা অখনো একখান বই কিন্যা পড়বার পারি নাই!

আফসুস!

১৪. ২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:১৭
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: বস একটু সাবধানে।

http://www.somewhereinblog.net/blog/opiakther
Click This Link



এর থিকা চলেন বুলক করছি যে তার পোষ্টে গিয়া জ্ঞান ঝাড়ি। বেচারী মাইনাস খাইতে খাইতে শেষ। একটু দয়া করেন।
২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: জ্ঞান আর ঝারুম না। এমনেই আমি মূর্খ মানুষ। কার কাছে কি ঝারতে গিয়া বুলক খাওনের প্রশ্নই আসে না। তয় মামা, আপনের চোখ দেখি পুরাই .....

১৫. ২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:২৪
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: এই মুহুর্তে সবচে বড়ো চাওয়া বাংলাদেশে যেনো কোনভাবেই এই সংস্কৃতি (বোমাবাজি) শুরু না হয়। ঐসব পদভ্রষ্টদের অংকুরেই ধ্বংস করে দিতে হবে। এইজন্য চাই জনসচেতনতা।
২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: জনসচেতনতা করনের টাইম নাই। গরম আর কারেন্টের ঠেলায় আর চাকরির টালামাটাল পরিস্হিতীতে মানুষের মাথা এমনেই খারাপ!

এই সংস্লৃতি নিয়া তখনই মাথা খারাপ হইবো যখন দুই তিনডা বোমা ফাটবো!

যেমনে টিভি আর পেপারে খবর আহে কাইলকাই না জানি আমি কাইত হই আল্লা মালুম!

১৬. ২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:৩৯
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: গরম আর কারেন্ট তো নতুন কিছু না। হাজার না হোক, শত না হোক, কয়েক দশকের এইসব সমস্যায় এখনো অভ্যস্ত হতে পারেন নাই দেখে দু:খ লাগতেছে :(। তালের হাত পাংখায় অভ্যস্ত হয়ে যান। কাপড় খোলে জঙ্গলবাসী হয়ে পুর্বপুরুষের মতো হয়ে যান। সব সমস্যার সমাধান।

বোমা ফাটলে তো কয়েকজন মরবে। কিন্তু কথা হচ্ছে এই টেকনোটা ঐসব লোকের হাতে পড়লে আর রক্ষে নাই।

আপনার চাকরির কি হলো? আপনে তো একটা ছাড়লে আরও তিনটা এসে দরজার দাড়িয়ে থাকে :)
২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: হুমমম....কোন জামানায় আছেন, জঙ্গীরা এখন এমুন জিনিস বানায় যে আর্মীরাও বুঝে না এরা না পইড়া না জাইনা এত কিছু শিখলো কেমনে?

১৭. ২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:৫২
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: মরলে মরমু...এতো টেনশন নিতে ভাল্লাগে না/:)
২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: টেনশনের চিন্তায় এখন মানুষ টেনশনে পইড়া যায়, সেইক্ষেত্রে আপনে কানে তুলা দিলে টেনশন আপনেরে নিয়া পইড়া যাইবো!;)

১৮. ২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:০৫
চরণ দাস বলেছেন: এক ইসলামী জঙ্গীরেও যদি হাতের কাসে পাই, মাইরতে মাইরতে চান্দে পাঠায়া দিমু, এই হালার এচলামিক টেররিজম দুইনাডারে পুরা শ্যাষ কইরা ফালাইলো।
২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: কথা ঠিক, মাগার কেউ বুঝলো না, আফসুস!

১৯. ২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:২৯
অলস ছেলে বলেছেন: পুরোটাই একটানে পড়লাম রে ভাই। অডিও ভিজুয়াল দেখে বহুত ট্রেনিং নিলেও রিডিং ম্যাটেরিয়াল এই প্রথম পাইলাম। তয়, হক কথা হৈল, কপাল খারাপ হৈলে কোন বাচন নাই। কুদরতের জায়গায় থাকলে আপনার দশটা পোষ্টও বাচাইতে পারবো না ভাইজান। আমার শরীরে পুলিশের ছররা গুলা দেশে বাইর করতে পারে নাই, এখন টাইম গেছে গা, মাঝে মাঝে তারা বেড়াইতে বাইর হৈলে হালকা ব্যাথা পাইরে ভাই।

আমার মন চায়, জঙ্গি গুলার দলে চীফ বস হৈয়া যাই, তাহলে একটা আইন তাগো লাইগা ফরজ কৈরা দিতাম। কালেমা তাইয়েবা আর দরুদ পরার পর জায়গায় দুই রাকাত নফল নামায পড়ন লাগবো। হৈ সুযোগে ;)

আমার লাগি দোয়া কৈরেন ভাই। চিন্তা করেন ফার্মগেটের সিড়ির গোড়ায় সিজান পয়েন্টের সামনে একজন নামাযে দাড়াইছে। কি মহব্বতের দৃশ্য।
২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: ভাইজান, আমি যাই। আমারে ক্ষমা করেন!অখনও বিয়া শাদী করি নাই!

২০. ২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:৩০
আকাশ_পাগলা বলেছেন: পোস্ট টা আবার পড়লাম। আবারো মাথায় আটকালাম। আবারো ভাল লাগল। এখন, ত ভাল পোস্ট অনেক কম আসে। এটা দেখে ভাল লাগতেছে।
২৩ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: কে কইছে কম আসে, বরংচ মিয়া আপনেই কম আসেন! বি পজিটিভ ম্যান!;)

২১. ২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৩
আগামি বলেছেন: আগে একটা পিলাচ দিয়া সোকেসে রাখলাম । পরে সময় কইরা পড়ুমনে । মন্তব্যে বুঝছী গুড পোস্ট । হিহিহিু
২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: মাগার মন্তব্যের লগে তো পোস্টের মিল কিছু দেখি না!

২২. ২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:০১
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: আপনেরে বিশ্লষন জট্টিল হইছে পিলাচ পিলাচ, প্রিয়তে নিলাম আবার পড়ুম মনে জাগলে...
২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: পিলাচ রাখনের এতো পকেট আমার নাই!;)

২৩. ২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:১৪
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: ভালো পোস্ট। তবে খোদা না করুক, এতো প্রতিভা দেখে উদাসী স্বপ্নকে জেএমবি যেন আবার হায়ার করে না বসে! বুয়েট কানেকশন তো তাক লাগিয়ে দিল রীতিমতো।
২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: আগে বেতন কতো দিবো আর কি কি কর্পোরেট সুযোগ সুবিধা দিবো এইডা নিয়া চিন্তা করুম!

মাগার আপনে না লোকাল টক? আপনের তো আমার পোস্টে আসন উচিত হয় নাই!

২৪. ২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৫০
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: ক্যান রে ভাই? আমি আবার কি দুষ কর্লাম?
২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: লুকাল টুকের পুলাপাইন আর আপুনি সকল তো আবার আমারে দেখবার পারে না, এই জন্য কইলাম আর কি!

আমি আবার বুলগীয় পলিটিক্স বেশী বুঝলেও কম জড়াই! এত ময়লা জিনিস জড়াইতে ভালো লাগে না;)

২৫. ২৪ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৪৫
রোহান বলেছেন: জঙ্গীদের প্রতি জিরো টলারেন্স শো করুন! রাজাকার-জামাত-শিবির-জঙ্গী: এদের কোনো বিচারের দরকার নাই। নামকা ওয়াস্তে সামরিক আদালতের মতো কিছু করে দেন গলায় দড়ি। তার আগে ২০ টাকার চপ্ল দিয়া জন গন দিয়া ১ ঘন্টা বাইড়ানি! এই ২০ টাকার চপ্পল আমি স্পন্সর করুম। তারপর এগো মারনের পর ঐখানেই পুইতা গন টয়লেট।
------------------------------------------------------------------------------
আইডিয়া সেরম মনে ধর্ছে :)

তয় উদাসী মামু রে কইলাম বুমা মিজানে খুজবার পারে, হের গুপন টেকনিক উপেন করনের লিগা :)

বেফক গিয়ানে ভর্তি পোষ্টডা জোস হইছে কয়া গেলাম :-B
২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০০

লেখক বলেছেন: এই আইডিয়া নিয়া ২০০৭ সালে একখান প্রোজেক্ট দাড় করাইয়া পোস্টাইছিলাম। তখন এইটা নিয়া ব্যাফক আলোচুনা হইছিলো।

তয় আপনের কওন আমি মাথা পাইতা নিলাম!

২৬. ২৪ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৩২
ফিরোজ-২ বলেছেন: উপকারি পোস্ট, ভালো লাগলো জীবনে কাচজ আসবে।
সোকেসে রাখলাম।
২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: জীবনে না, জান বাচাইতে কাজে আসবে। এইপোস্ট টা এজন্য দিলাম যে জঙ্গীরা এখন যেকোনো জায়গায় যেকোনোভাবে এ্যাটাক করবে। সবাই এটা নিয়া চিন্তিত!

২৭. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১৭
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: গুড জব

ছোট কৈরা একটা পোস্ট দেও ... যাতে পাব্লি পোস্ট বড় দেইখা ডর না খায় :)
২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন: এইখানে টেকনিক্যাল জিনিস লেখছি যাতে কইরা টেকি পুলাপানের আশা মিটে। আবেগ দিছি আর স হজ করছি যাতে ননটেকীরাও বুঝে। বড় করছি এই জন্যই যে যারা শুধু জানতে চায় তাগো লিগা। ছোট করলে ক্যাচালের স্কোপ থাকে।

যেমন নীচে তাকাইয়া দেখেন সাইলেন্সার নামক একজন নাচতে নাচতে টুপি ঝুলাইয়া ক্যাচাল করতে আইছে!;)

আর

জো ডর গ্যায়া, সমঝো মার গ্যায়া-----গব্বর সিং (সোলে)

২৮. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮
নাজনীন১ বলেছেন: ভাই, আপনার হলের পোস্ট কই গেল? ভাবলাম কমেন্ট করবো :(

এই পোস্টে অনেক কিছু জানলাম। আপনাকেই কেমন যেন সন্দেহ লাগতেছে আমার, যা দিনকাল পড়ছে......:(


[জাস্ট কিডিং ;)]
২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: পোস্ট টা মুছে দিলাম। কারন ওখানে একান্ত কিছু কথা যেগুলো এভাবে লিখতে চাই না। নিজে লেখার পর ২ বার পড়লাম। পরে মনে হলো এখানে একটা অহংবোধ আছে যেটা আমি নিজেই পছন্দ করি না। অহংকার পতনের মূল।

নিজের লেখায় গন্ডগোল।

২৯. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯
সাইলেন্সার বলেছেন:

''আর ইসলামী জঙ্গীদের প্রতি জিরো টলারেন্স শো করুন!''

ইসলামী জঙ্গি কেন লিখলেন?

শুধু জঙ্গি বা ধর্মের নামে সন্ত্রাসকারী লিখতে অসুবিধা কোথায়?

ভারতের হিন্দু জাতীয়তাবাদী উগ্র গোষ্ঠী, শ্রীলংকার বৌদ্ধ তামিল টাইগার বা আয়ারল্যান্ডের খৃষ্টান গেরিলারা কী একই কাজ করে নাই?
২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫২

লেখক বলেছেন: আয়ারল্যান্ডের আইআরএ এখন নাই। একটু খোজ খবর নিলেই জানতে পারবেন। শ্রীলংকার তামিলেরা এখন শেষ। এরা দেশেই ফালাফালি করতো আর ইন্ডিয়া। অন্যদেশে যাইয়া আকাম কুকাম করতো না।

আর ইসলামী জঙ্গী বা তালেবান বা অন্যান্য কুয়েতী, সৌদী উগ্রবাদীদের নীল নকশা শুনলে বুঝবেন একমাত্র এই ইসলামী উগ্র মৌলবাদী মুসলিম জঙ্গীরাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শত্রু! এটা কিন্তু সবাই বুঝে শুধু জঙ্গী মদদ দাতা ছাড়া!

আপনি কি বুঝেছেন?

৩০. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১১
সাইলেন্সার বলেছেন:

''আয়ারল্যান্ডের আইআরএ এখন নাই। একটু খোজ খবর নিলেই জানতে পারবেন।''
................... আপনার কী মনে হয় আপনি একাই জানেন?
আমার মন্তব্যটির ভাষা খেয়াল করুন।

''শ্রীলংকার তামিলেরা এখন শেষ। এরা দেশেই ফালাফালি করতো;;
................... আপনিতো ভাই বিশাল ভবিষ্যত দ্রষ্টা!

''আর ইন্ডিয়া। অন্যদেশে যাইয়া আকাম কুকাম করতো না।''
.................. ইন্ডিয়াই তাহলে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি!!

একটা উদাহরণ দেই : মালয়েশিয়ায় যখন প্রথমবার গেলাম তখন শুধু ইন্ডিয়ান তামিলদের থেকে সাবধান থাকতে বলা হয়েছিল।

''আর ইসলামী জঙ্গী বা তালেবান বা অন্যান্য কুয়েতী, সৌদী উগ্রবাদীদের নীল নকশা শুনলে বুঝবেন একমাত্র এই ইসলামী উগ্র মৌলবাদী মুসলিম জঙ্গীরাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শত্রু! এটা কিন্তু সবাই বুঝে শুধু জঙ্গী মদদ দাতা ছাড়া!''
...................শেষ পর্যন্ত সবই বুঝতে পারলাম।

আজকের আফগানিস্তান বা ইরাক কার সৃষ্টি, কারা বর্তমান বিশ্বে ইসলামী মৌলবাদ ছড়ানোর জন্য দায়ী এগুলো যদি বুঝতেন....

২৪ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯

লেখক বলেছেন: লাদেন বানাইছে। টাকা দিছে বুশ! পুরান কথা!

৩১. ২৪ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:২১
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: সকালে না দেখলাম একটা নতুন লেখা ছাড়ছেন!!

কোথায় গেলো??
২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: কিছু অহংবোধ বাদ দেয়ার সময় হয়েছে, বস! খোদা অহংকার পছন্দ করে না। তার অপছন্দের ব্যাপার গুলো আমি রাখতে চাই না!

৩২. ২৫ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:১০
অ্যামাটার বলেছেন: ব্যাপক! তয় আমার কিন্তু সন্দ লাগতেছে, আপ্নে আবার জেম্বিতে যুগ দিলেন না-তো?? না হইলে এ'গুলাম নিয়া হঠাৎ গবেষনা শুরু কর্লেন ক্যান?;)

অট: আপনে কি ইইই, কেমি, মেকা না সিভিল? ভুইলা গেছি :(

লেখাটা বেশ বড় হয়ে গেছে, আর একটু সংক্ষেপ হলে ভাল হত।
২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:২৮

লেখক বলেছেন: জ্বে.....আমি বাসুদ (বাংলাদেশ সুবিধাবাদী দল)। করেন্টের মিস্ত্রি হওনের লাই পড়ালেখা করছি, মাগার হইছি বকলম।

লেখাখান বড় করছি কারন কাম কাইজ নাই, আজাইড়া গীত গাই, আঙ্গুলে গুলকজের অভাবও নাই, তাই লিখা হালাই!

৩৩. ২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৩৮
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: এইটা পুরা মিসফায়ার। ১. ছাগু এবং ২. ব্লগে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী - এই দুটি দল ছাড়া আমাদের লক্ষ্য কোনো কালেই অন্য কেউ ছিল না। এখনো নেই। আমি ভাবতেছি, এইরম একটা কথা কিভাবে রটে গেল যে, আমরা আপনার/আপনাদের বিপক্ষে ছিলাম? দুই একটা উদাহরণ দিতে পারেন? হাসতেই আছি।
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: ইদানিং নাকি চিঠি চালাচালি, ফুনাফুনি আর মেইলা মেইলি হয় যাতে আমার বিশেষ গল্পে পুস্টানো না হয়। আবার ঘটনাগুলো যে মিথ্যা সেটা প্রমান করার জন্য নিজের নিক বা অন্যনিক দিয়ে পোস্ট দিয়ে মিছা মিছি পোস্ট দিয়ে ব্লগ থেকে ব্লগান্তরে পুস্টানো হয়। আমি খালি দেখি আর হাসি!

সব কিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে আমিই! আর যখন সে গ্রুপের মধ্য থিকা আপনের মতো বিশেষ কেউ কমেন্টায় আমার নিষিদ্ধ জায়গায় তখন আশ্চর্যান্বিত হই! তয় কেন জানি মনে হয় আমি আপনেরে চিনি!

৩৪. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
রোহান বলেছেন: কাইলকা টিভিতে ২১শে আগষ্টের পল্টনে বোমায় এক আহত মহিলার কথা শুনতে শুনতে আপনার পোষ্টের কথা মনে পইড়া গেলো। আঠারোশো স্প্লীন্টার ঢুকছিলো হের গায়ে। কাঁত হলেও সারা শরীর ব্যাথা করে, মহিলা কাঁদতে কাঁদতে বলছিলো এভাবে প্রতিদিন বেঁচে থাকার নামে মরন আর সহ্য হয় না... :( :(

জঙ্গী কুত্তার বাচ্চাগো লিগা ঘৃণা :(
২২ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: ভাইজান, এই মহিলার একেকটা দিন হইলো চামড়ার নীচে জোক ছাইড়া দিলে যেমুন হইবো ঠিক সেমুন বেদনা অনুভব করবো!

এর কস্ট এ নিজেই বুঝবো! আর কেউ বুঝবো না!

২২ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০

লেখক বলেছেন: কেডায়?;)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৪৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ছেলেটি পথে নেমেছিলো একদিন নীল মায়ার হাতছানিতে। নিঃসঙ্গতায় হেটে যেতে আবিস্কার করে নিঃশব্দ চাদ তার সঙ্গী। এখন সে হাতড়ে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ