- আর কইয়েন না, রাইতের বেলা টুইটপাড়া হাটের থন মেলা করলাম। বেড়ীবাধের উপর জোরসে আমার ছুটো টা ধরলাম। চারিদিকে এমুন আন্ধার যে আমি আমার নিজেরই দেখি না। তাই লুঙ্গি উঠাইয়া শুরু কইরা দিলাম। শুরু করতেই দেহি ঠ্যাং ভিজা গেলো। আমি আরও কুতানি দিয়া শুরু করলাম, হায় হায় আমার মুত দেখি আমার ঠ্যাং এর উপর উইঠা গেলো। আমি চিন্তা করলাম আমার কি হইলো? একটু পর দেখি কোমড়া ভাইসা যাইতাছে। চিন্তা করলাম অখন থামামু না দৌড়ামু?
- হের পর? হের পর আপনে কি করলেন?
- যেই ভাবলাম দৌড়ামু অমনি দেখি আমার মুতের জোয়ারে আমি ভাইসা গেলাম। সকাল বেলা ঘুম থিকা উইঠা দেখি আমি তাল গাছে আর নীচ দিয়া পানির বান ছুটছে!ভাইজান, আমারে দেইখা কি মনে হয় আমার শরীরে এতপানি থাকবো যেইটা দিয়া তিন গ্রাম এক রাইতে ভাইসা যাইবো?
- হাটে কি গিয়া খাইছিলেন?
- কি খামু আর? দৈনিক যা খাই, দুই বোতল বাংলা। কানে ধরছি, আর খামু না, তিনবছর ধইরা এত বাংলা জইমা পুরা সোনার বাংলা ভাসাইলাইবো সেইডা ঠাহর করবার পারি নাই!
সাংবাদিক ভাইজান মনে মনে হাসতাছে আর কইতাছে," চান্দু বাধ ভাইঙ্গা বান ডাকছে আর তুমি ভাবছো তুমার মুতে আকাম হইছে, আজিব চিজ এই সুরত আলি!"
এদিকে চেয়ারম্যান কইছে এই ক্যাবলার ছবি প্রথম পেজে তুইলা বড় কইরা ছাপাইতে, নাইলে নাকি গমের বরাদ্দ আইবো না! এই ছাপানির লিগা ২০০০ টাকাও অগ্রিম নিছে এই পল্টিবাজ সাংবাদিক!
শেষ হইলো গ্রাম বাংলার সাক্ষাৎকার "দৈনিক টুটপাড়া!"
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


