একটা সমস্যা মনে হয়েছিলো এরকম সূক্ষ্ম এবং সেনসিটিভ সিগন্যালের কি পরিমাণ পিক কি নির্দেশ করে এবং সেগুলো সেন্স করার মতো কোন কোন কন্ডাক্টিভ ম্যাটেরিয়াল অল্টারনেটিভ হিসেবে ব্যাব হার করা যায় সেটারও একটা চেস্টা চলছিলো।
যদিও বায়োলজী বা নিউরোসায়েন্স কোনোটাই আমার সাবজেক্ট না তবে যেখানেই ইলেক্ট্রিক্যাল সিগনাল নিয়ে কাজ হয় সেটাই পড়ার চেস্টা করি তবে আদতে কিছুই বুঝি না!এগুলো অবশ্য কগনিটিভ মোডালিটিতে পড়ে যেগুলো আরও জটিলতর অন্তত আমার জন্য!
তবে একটা তথ্য শেয়ার করতে চাই, সেটা হলো নিখিল স্বোয়ামিনাথন নামের একজন ইন্ডিয়ানের একটা জার্নাল পড়ে। কিছু দিন আগে একটা লেখা লিখেছিলাম সেটা কার্বন ন্যানোটিউব সুপার কন্ডাক্টিভ ম্যাটেরিয়ালের ধর্ম কি ভাবে সেখানে প্রয়োগ করা যায় আর এই ইন্ডিয়ানটা সেই জার্নালটা পড়ে আমার সেই লেখাটার কথাই মনে পড়ে গেলো। কিছু দিন আগে একটা খবর পড়লাম প্রথম আলোতে সেটা হলো আর মাত্র বছর দশেক লাগবে কৃত্রিম হিউম্যান ব্রেন বানাতে যদিও আমি যতদূর জানি বেশ কয়েক বছর আগে এমআইটির কয়েকজন প্রফেসর একটা টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যেটার কাজ হলো হিউম্যান ব্রেন সমতুল্য সুপার সার্কিট গড়ে তোলা। তবে এটা ঠিক হিউম্যান ব্রেনের সমতুল্য প্রসেসরের স্পিড ভার্চুয়ালী ন্যানোটেকনোলজীতে কুলোবে কি না সেটা নিয়ে ভাবনার অবকাশ আছে তবে কেউ যদি হাত তুলে কোয়ান্টাম এ্যানটেঙ্গলমেন্ট দিয়ে প্রসেসরের কথা বলে তাহলে মনে একটা আশা জাগে!
যাই হোক তথ্যটা শেয়ার করি। কার্বন ন্যানোটিউব গুলো এমনিতেই মাইক্রোস্লিম যেগুলো মূলত গ্রাফাইটের তৈরী যেগুলোকে যদি সুপারথিনের মতো কিছু চিন্তা করা যায় তাহলে তাও সম্ভব! স্পাইনাল কর্ড ইনজুরী বা ট্রমাটিক ব্রেন ইনজুরীর কারনে দেখা যায় স্পাইনাল কর্ডের বিভিন্ন নার্ভের সাথে ব্রেনের সিগন্যাল আদান প্রদান করতে পারে না মূলত ক্ষতিগ্রস্হ সেলের কারনে। যার ফলে পক্ষাঘাতের মতো বাকী জীবন মানুষকে দাপিয়ে বেড়ায়। অনেকদিন ধরেই স্টেম সেল রিসার্চ নিয়ে কথা হলেও আসলে টিস্যু কালচারে খুব একটা জুতসই ফল পাওয়া যাচ্ছিলো না, যদিও বিশ্বের বেশ কিছু দেশে (যেমন জার্মানীর মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয়ে একদল গবেষকের হাত জোড়া দেবার ব্যাপারটা অথবা স্পেনের উদাহরন) এটার দিকেই ঝুকতে চাচ্ছে।অবশ্য এমনও হতে পারে আদতে দুটো ব্যাপারই একই বিন্দুতে মিলিত হচ্ছে!
নেচার টেকনোলজীতে ছাপানো একটা জার্নালে দেখানো হয়েছে যে এসব হাইলি কন্ডাক্টিভ মানে অতিউচ্চ পরিবাহী ন্যানোটিউবস গুলোর দ্বারা একটা শক্ত কানেকশন তৈরী করা সম্ভব নিউরনের সেল মেমব্রেনগুলোর মধ্যে যার ফলে ঐস্হানের তড়িৎ প্রবাহ বেড়ে যায় আর তথ্যের আদানে প্রদান দ্রুততর হয় (ইলেক্ট্রিকাল সিগনাল আপাতত) যার ফলে ডীপ ব্রেন সিমুলেশনে উন্নততর নিউরো প্রসথেটিকস বেশ কাজে লাগবে!
এখন আপনারা হয়তো বলতে পারেন নিউরোপ্রসথেটিকস কি?
বায়োমেডিক্যাল ইন্জিনিয়ারিং একটা সাইড আছে যেখানে মানুষের ক্ষতিগ্রস্হ ব্রেনের ডেমেজড টিস্যুর কারনে বিভিন্ন অনুভব ইন্দ্রিয়ের সমস্যা হয়। আর সেই সব সেন্সরী প্রোসেস গুলোর সাবস্টিউট নিয়ে কাজ করাই হলো এই সাইডের উদ্দেশ্য। নিউরো প্রোসথেটিকস হলো সেই ডিসিপ্লিন যেখানে এইসব ডিভাইস নিয়ে কাজ করা হয়!
আর এইখানেই ন্যানোটেকনোলজীর সাথে নিউরো সায়েন্স হাতে হাত মিলালো যদি সত্যিকার ভাবেই এই ন্যানো টিউব কাজ লাগে!
অবশ্য ডাক্তারীতে পড়ছে এইসব পুলাপান আরো ভালো করে বলতে পারবে!
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




