somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিউরোসায়েন্সে ন্যানোটেকনোলজি- এই নাহইলে ডিগবাজী ১৮+!!

২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইদানিং নিয়মিত ভাবে সায়েন্স জার্নাল পড়ে একটা জিনিস খুব চোখে লাগলো সেটা হলো ব্রেন সেনসরী ইন্টারফেস অথবা নিউরো প্রসথেটিকস ডিসিপ্লিন। প্রায় প্রতিটা পাবলিকেশনেই ব্রেনের বিভিন্ন এরিয়ার রিসপন্স বিশেষ করে স্নায়ু তন্ত্রের সাথে স্পাইনাল কর্ডের জয়েন্টে কি পরিমাণ এবং কত প্রকারের ডিসটর্টেড ইলেক্ট্রিক্যাল সিগনাল সেন্ড বা রিসিভ করে তথ্যের আদান প্রদান ঘটে সেটা নিয়ে বিষদ তথ্য উপাত্ত নিয়ে বিশ্লেষন চলছে।

একটা সমস্যা মনে হয়েছিলো এরকম সূক্ষ্ম এবং সেনসিটিভ সিগন্যালের কি পরিমাণ পিক কি নির্দেশ করে এবং সেগুলো সেন্স করার মতো কোন কোন কন্ডাক্টিভ ম্যাটেরিয়াল অল্টারনেটিভ হিসেবে ব্যাব হার করা যায় সেটারও একটা চেস্টা চলছিলো।
যদিও বায়োলজী বা নিউরোসায়েন্স কোনোটাই আমার সাবজেক্ট না তবে যেখানেই ইলেক্ট্রিক্যাল সিগনাল নিয়ে কাজ হয় সেটাই পড়ার চেস্টা করি তবে আদতে কিছুই বুঝি না!এগুলো অবশ্য কগনিটিভ মোডালিটিতে পড়ে যেগুলো আরও জটিলতর অন্তত আমার জন্য!

তবে একটা তথ্য শেয়ার করতে চাই, সেটা হলো নিখিল স্বোয়ামিনাথন নামের একজন ইন্ডিয়ানের একটা জার্নাল পড়ে। কিছু দিন আগে একটা লেখা লিখেছিলাম সেটা কার্বন ন্যানোটিউব সুপার কন্ডাক্টিভ ম্যাটেরিয়ালের ধর্ম কি ভাবে সেখানে প্রয়োগ করা যায় আর এই ইন্ডিয়ানটা সেই জার্নালটা পড়ে আমার সেই লেখাটার কথাই মনে পড়ে গেলো। কিছু দিন আগে একটা খবর পড়লাম প্রথম আলোতে সেটা হলো আর মাত্র বছর দশেক লাগবে কৃত্রিম হিউম্যান ব্রেন বানাতে যদিও আমি যতদূর জানি বেশ কয়েক বছর আগে এমআইটির কয়েকজন প্রফেসর একটা টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যেটার কাজ হলো হিউম্যান ব্রেন সমতুল্য সুপার সার্কিট গড়ে তোলা। তবে এটা ঠিক হিউম্যান ব্রেনের সমতুল্য প্রসেসরের স্পিড ভার্চুয়ালী ন্যানোটেকনোলজীতে কুলোবে কি না সেটা নিয়ে ভাবনার অবকাশ আছে তবে কেউ যদি হাত তুলে কোয়ান্টাম এ্যানটেঙ্গলমেন্ট দিয়ে প্রসেসরের কথা বলে তাহলে মনে একটা আশা জাগে!

যাই হোক তথ্যটা শেয়ার করি। কার্বন ন্যানোটিউব গুলো এমনিতেই মাইক্রোস্লিম যেগুলো মূলত গ্রাফাইটের তৈরী যেগুলোকে যদি সুপারথিনের মতো কিছু চিন্তা করা যায় তাহলে তাও সম্ভব! স্পাইনাল কর্ড ইনজুরী বা ট্রমাটিক ব্রেন ইনজুরীর কারনে দেখা যায় স্পাইনাল কর্ডের বিভিন্ন নার্ভের সাথে ব্রেনের সিগন্যাল আদান প্রদান করতে পারে না মূলত ক্ষতিগ্রস্হ সেলের কারনে। যার ফলে পক্ষাঘাতের মতো বাকী জীবন মানুষকে দাপিয়ে বেড়ায়। অনেকদিন ধরেই স্টেম সেল রিসার্চ নিয়ে কথা হলেও আসলে টিস্যু কালচারে খুব একটা জুতসই ফল পাওয়া যাচ্ছিলো না, যদিও বিশ্বের বেশ কিছু দেশে (যেমন জার্মানীর মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয়ে একদল গবেষকের হাত জোড়া দেবার ব্যাপারটা অথবা স্পেনের উদাহরন) এটার দিকেই ঝুকতে চাচ্ছে।অবশ্য এমনও হতে পারে আদতে দুটো ব্যাপারই একই বিন্দুতে মিলিত হচ্ছে!

নেচার টেকনোলজীতে ছাপানো একটা জার্নালে দেখানো হয়েছে যে এসব হাইলি কন্ডাক্টিভ মানে অতিউচ্চ পরিবাহী ন্যানোটিউবস গুলোর দ্বারা একটা শক্ত কানেকশন তৈরী করা সম্ভব নিউরনের সেল মেমব্রেনগুলোর মধ্যে যার ফলে ঐস্হানের তড়িৎ প্রবাহ বেড়ে যায় আর তথ্যের আদানে প্রদান দ্রুততর হয় (ইলেক্ট্রিকাল সিগনাল আপাতত) যার ফলে ডীপ ব্রেন সিমুলেশনে উন্নততর নিউরো প্রসথেটিকস বেশ কাজে লাগবে!

এখন আপনারা হয়তো বলতে পারেন নিউরোপ্রসথেটিকস কি?

বায়োমেডিক্যাল ইন্জিনিয়ারিং একটা সাইড আছে যেখানে মানুষের ক্ষতিগ্রস্হ ব্রেনের ডেমেজড টিস্যুর কারনে বিভিন্ন অনুভব ইন্দ্রিয়ের সমস্যা হয়। আর সেই সব সেন্সরী প্রোসেস গুলোর সাবস্টিউট নিয়ে কাজ করাই হলো এই সাইডের উদ্দেশ্য। নিউরো প্রোসথেটিকস হলো সেই ডিসিপ্লিন যেখানে এইসব ডিভাইস নিয়ে কাজ করা হয়!
আর এইখানেই ন্যানোটেকনোলজীর সাথে নিউরো সায়েন্স হাতে হাত মিলালো যদি সত্যিকার ভাবেই এই ন্যানো টিউব কাজ লাগে!
অবশ্য ডাক্তারীতে পড়ছে এইসব পুলাপান আরো ভালো করে বলতে পারবে!
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬
৩০টি মন্তব্য ২৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×