somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পীড়িতের অফার - কই গেলা বন্ধু আমার?: হিন্দি সিনেমা গরম মসল্লা

১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

: কোথায় আপনি?
: আমি খাটে, খাট গরম করতাছি।
: খাট গরম মানে?
: মানে শুইয়া শুইয়া ভূড়ি নাচাইতাছি।B-)
: কি অশ্লীল কথা বলো তুমি! আপনার বাসায় আসছি এখনি।
: (শুইনা আমার মাথা চড়ক গাছ) আসতাছো মানে? আমি আমার খাট গরম করতাছি না, আমার বন্ধুর বাসায়। আমারে পাইবা না বাসায় গেলে।
: আপনি না থাকলেও চলবে। আমি আপনার মার সাথে একটু কথা বলবো!
: কইবা? (ঢোক গিল্লা কইলাম) কি কইবা?:((
: একটা খবর দিতে চাই, একটা সুসংবাদ আছে। যাই হোক, আমি ফোন রাখছি!

আমার কপাল দিয়া ঘাম ছুটতে লাগলো, এদিকে আমার বোন আমার সামনে আইসা বললো," মিথ্যা কথা এইবার কারে বললা?"
: শোন আমি তোকে একটা কথা বলি। আমি এখন বাইর হইতাছি। সিমি (ছদ্মনাম) অখন আইবো। অবস্হা খারাপ দেখলে আমি আগামী দুইদিন আরেক জায়গা থিকা অফিস করুম, বিকালে আমার জামা কাপড় নিয়া মিরপুর ১ দিয়া যাইস!
: আমি আগেই কইছিলাম এইসব ছাড়ো, অখন বুঝো মজা!:P

বাসা থিকা দুরত বাইর হইয়া গেলাম ভুতুর বাসায়। আমার স্কুলের দুস্ত, নাম অবশ্য শরীফ, ইদানিং শোনা যায় আইএসপি বসাইবো মনে হয় ভিওআইপি কেস! যাই হোউক, বাসায় নক করতে ওর চান বদন।:D
আমারে দেইখাই," বাসায় কুনো এ্যডাল্ট নাই! যাউকগা, তয় তর লিগা একখান জিনিস আছে। তার আগে আমার একটা হেল্প দরকার!"
: আগে ঢুকতে দে, জান নিয়া টানাটানি!X(
: কারো খুচাই আসলি নাকি? তোর পিছে কেউ নাইতো?:|
: আরে ধুর, বাসায় সিমি আইতাছে, আম্মাজানের লগে কথা কইবো!
: তর তো কথা আর আমি যে কি সমস্যায় আছি সেইডা কইবো কেডা?
: কি হইছে তোর? পুলিশ কেস নাকি?:|
: পুলিশের চেয়েও ভয়াবহ। এইজন্যই তোরে খুজতাছি। শুন ঢাকা ভার্সিটির সেতু (ছদ্মনাম) গত কাইল মেসে আসছিলো। ঐযে দেখ ওর ব্যাগ!
: মানে তোর রাইতে এক লগে আছিলি?:D
: আরে না, তয় কালকা ও আমারে কোর্টে বিয়া করবো। আজকা বাসায় গেছে চেকবই আর টাকা পয়সা নিয়া আসতে।
: দুস্ত, আমার তো এক ঢিলে দুই পাখি। তুমি পরশু বিয়া কইরা হানিমুন চইলা যাও, আর আমি তুমার বাসায় সেই হানিমুন টাইম পাহারা!
: আরে ভাগ, সমস্যা এইখানে না। এদিকে জয়ী গতকাইলকা আমারে ফুন দিছে, আজকা আশুলিয়া যাইতে হইবো ওরে নিয়া।;)
: যাও সমস্যা, কি?
: সমস্যা এইখানেও না। সমস্যা হইলো জেরিন আমার বাসার ঠিকানা যাইনা গেছে। আমার ওয়ারিদের নম্বর ওর ভাইরে দিয়াই ট্রেস করাইছে।/:)
: আমি আগেই কইছিলাম মামো, গ্রামের ফুন এর চেয়ে ভালা। ট্রেস করন এতো সহজ না।
: তোরা হইলি শুয়োর, টাকা খাবলা দিয়া খাইয়া ফেলাস। সমস্যা অখন যেইটা জেরিন যে কুনো সময় আইতে পারে।X(
: দুস্ত, তুমার আর কোনো সমস্যা আছে?
: তুমি আইছো ভালো করছো, ১৫০০ টাকা ছাড়ো, আমি বাড়ী যামু। তুমি তো সবাইরে চেনো, একটু ম্যানেজ করো।:|
: আমি কি ম্যানেজ করুম, আমি অখন নিজেই বাড়ী ছাড়া। যাউকগা দুস্ত আমি বাড়ী যাই!
: তুমি এমনে বিপদের সময় ছাইড়া যাইতাছো? তুমি কিসের দুস্ত আমারে কওতো?
: চিন্তা কইরা লই!:D

এদিকে আমি বাসা থিকা বাইর হইয়া চরম হতাশা লইয়া বাইর হইলাম। কিছুক্ষন কিছুক্ষন এদিক ওদিক ঘুইরা বাসায় গেলাম। বোইনে দরজা খুললো, আমি নিজের বাসায় উকি দিয়া কইলাম," ও আইছিলো?"
: হ্যা আসছিলো। কথা বইলা চইলা গেছে।:)
: বাসা এতো ঠান্ডা কেন?:-/
: ফ্যান বন্ধ কইরা দিবো?
: ভাগ, শয়তানী করিস না। কি কইলো?X((
: না কিছু না, একটা বিয়ার কার্ড ধরায় দিছে।
: কস কি? ও বিয়া করতাছে? এতো বড় খুশীর সংবাদ দিলো, আমি তো পাংখা! কই কার্ড খান আনতো, দেখি কুন পোলার লগে ওর বিয়া। সবকয়ডারই তো আমি চিনি,
: ব্যাপারটা কি কও তো? তুমার আসলে টার্গেট কি?
: যা ভাগ, প্যাক প্যাক না কইরা কার্ড আন।X((

কার্ড দেখলাম কমলা কালারের, মনে হইলো এইটা একটা নৌকা, কার্ডের সাথে আবার একটা পান্জ্ঞাবী। আমার হাতে দিয়া বললো," এই পান্জ্ঞাবীটা পইড়া কালকা হলুদে যাইতে কইছে।"

আমি দ্রূত কার্ড খুইলা যে দুইখান নাম দেখলাম দুইটাই অচেনা। সিমির ভালা নাম মাথায় আসতাছে না। যাই হোউক দিলাম ওরে ফুন," কংগ্রাচুলেশন, অবশেষে অনুষ্ঠান কইরাই ফেলাইলা।"B-)
: আবার জিগস। শোনো কালকে উল্লাসে চলে আসবা। একটু প্রিপারেশন নিবা কারন রাতে আমাদের বাসার ছাদে ডিজে আসবে।;)
: ওয়াও, আচ্ছা ছেলেটা কি করে?
: ছেলেটা স্টেটস এ, ন্যানোটেকনোলজিতে পিএইচডি করছে। তুমার সাবজেক্টে ও বস। ইলিনয়েসে থাকুক!
: ফাটাফাটি, তা বিয়ার কয় দিন পর দাড়াইতাছো এ্যাম্বাসীতে?;)
: আমরা মানে কি বলছো? এটা তো আমার কাজিনের বিয়ে সৈলীর (এইটাও ছদ্মনাম)।
: কও কি? আমিতো ভাবছিলাম.....
: তুমি এইসব কি বলছো? তুমি এখন কোথায় আছো, এখনই দেখা করো, তোমার সাথে আমার কথা আছে!
: হ্যালো.....হ্যালো.... কি বললা? শোনা যাচ্ছে না....হ্যালো...হ্যালো...

দিলাম ফুন কাইটা। মনখান আমার ব্যাফক খারাপ! গাম আঠার মতো লাইগা রইছে এই বালা, দূরও হয় না!/:)

এদিকে শম্পার(এইডাও ছদ্মনাম) লগে একটু পর বিকালে বাইর হইতে হইবো! দিনডাই কুফা!X(
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬
৬৩টি মন্তব্য ৬২টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×