somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিছু স্বীকারোক্তি উদাসী Reloaded Part 1

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মাঝে মাঝে নিজেকে নিয়ে চিন্তা করলে খুব অস্বস্তি লাগে...অন্তত নিজের অহংবোধটা যখন বাইরে বেরিয়ে যায় তখন মনে হয় আমি একটা ন গন্য মানুষ হয়ে কেনো এমন করি....বুলশীট ফর মি!

খুব ছোট বেলায় আমাকে এক শিক্ষক বলেছিলো মনে হয় তখন টুতে পড়তাম...বলেছিলো...এতো অমনোযোগী হলে কোনোদিন ভালো ছাত্রটি হয়ে উঠতে পারবো না।

সত্যি তাই হয়েছে....এখনো খারাপ লাগে যখন মনে পড়ে এইচএসসির রেজাল্ট টা খারাপ করে পুরা রাজাবাজার চোখে পানি নিয়ে কেদেছিলাম....বাসায় রাতে এসে দেখি বাবা আমাকে খুজতে এক৯্সিডেন৯ট করে পা কেটে ফেলেছিলেন..তখন মোবাইলের চলটা ছিলো না এবং খুব দামী হওয়ায় আমাদের সামর্থ্যের বাইরেই ছিলো। পরের দিন জাহিদের বাসায় গিয়ে শুনলাম ও নাকি সারা রাত সংসদ ভবনে শুয়েছিলো। দিপুর রেজাল্ট মোটামোটি ভাল হওয়ায় ও সবাইকে সান্তনা দিয়েছে।

মাঝে মাঝে নিজেকে নিয়ে খুব গর্ব করি অপন্তত যা পেয়েছি তাই বা কম কি...।কিন্তু তাতে একটা অহংবোধ চলে আসে। জিপিতে থাকতে নিজেকে একসময় গড এর মতো মনে হতো...অন্তত নিজের টিকেট সলভিং এ্যাবিলিট এত বেশী ছিলো কাউকে আর তেমন দাম দিতাম না। হয়তো তখন খুব কাছের এক কলিগ মনের মধ্যে বেশ ব্যাথাও পেয়েছিলো। বস আমাকে বলেছিলো....ক দিন ছুটি নাও তোমার কলিগের একটু সলভড টিকিটের সংখ্যাটা বাড়ুক...এসব কথা নে পড়লে খুব খারাপ লাগে...

একটা জায়গায় পড়েছিলাম অহংকার নাকি আল্লাহর জন্য এটা একমাত্র তারই পর্দা তাকেই এটা মানায়। বান্দার জন্য এটা না...কারন বান্দাকে তিনি শকল্তিহীন করে তৈরী করেছেন দিয়েছেন শুধু একটি ক্ষমতা নিয়ত করবার।

বিএসসি পাশ করবার পর যখন বসে বছিলাম তখন একবার এক কাজে মামতোর বাসায় গেলাম..সে বডি পাল্টাচ্ছিলো....।আমাকে যে কাজই করতে দিক না কেন আমি একটু অন্যভাবে করতে গিয়ে সব কিছুই ভন্ডুল করে দিতাম...।নিজেকে তখন আবিস্কার করলাম কায়িক পরিশ্রমে অথবা হাত দিয়ে যেসব খেটে খাওয়া কাজ আছে তাতে আমি কিছুই পারি না....যেমন বাসা বাড়ির যেকোনো কাজ। হয়তো কাজের মতো সুচারু লোক আমি নই।

চেস্টা করি সত্য বলতে..।সব কথা সবার সাথে শেয়ার করতে...কিন্তু এটা বুঝি না কিছু কিছু কথা কারো মন ভাংতেও পারে.....আমার কথায় মন ভেঙ্গেছে অনেক...পরে নিজেই আফসোস করেছি কেনো এটা বললাম...।কেনো মানুষকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলাম তুমি যা ভাবো তা তুমি নও.....যদি আমাকেও কেউ এভাবে দেখিয়ে দিতো সেটা নিশ্চয়ই আমারও ভালো লাগতো না।

নিজেকে নিয়ে চিন্তা ভাবনা করার অনেক সময় পাই মাঝে মাঝে...।তখন ভাবতে বসি হাতে এক টুকরো কাগজ কলম নিয়ে....লিখতে থাকি নিজের খুত গুলো...।এ পর্যন্ত যে কবারই করেছি সে কবারই কিছু কিছু ব্যাপার বার বার ঘুরে ফিরে আসে...অহংবোধ..নিজেকে নিয়ে অহংবোধ.....সাধারন মানুষের উচ্চতায় নিজেকে না নামিয়ে আনতে পারার বেদনা খুব প্রবল ভাবে গ্রাস করে।
যখন পারি তখন ঢলের পানির মতো বন্ধু জুটে যায় আর যখন পারি না তখন বন্ধুও শত্রু হয়ে যায়। নিজেকে শুধরাতে চাই....১ বছর ২ বছর ৩ বছর.....নিজেকে পার[হেকশনের পর্যায়ে আদৌ আনতে পারবো কি না জানি না তবে নিজের দোষ গুলোকে ছুড়ে ফেলতে আর কতো সময় লাগবে সেটা খুব জানতে ইচ্ছে করে। যদি এটা করতে করতেই জীবনের অধিকাংশ সময় চলে যায় তাহলে হয়তো একসময় নিজের মৃত্যুর জানাযার জনয় লোক খুজতে হবে এই আমাকেই।


জীবনটা খুবই স হজ কিন্তু আমরাই এটাকে কঠিন করি...।জটিল থেকে জটিলতর করে খুজতে থাকি তখন এটাকে কিভাবে পারফেক্ট সুন্দর করা যায়.....গাধা জল ঘোলা করে খায়...আমরাও তাই....অথবা আমরা না হলেও শুধু আমি তাই!


নিজেকে পাল্টাতে হবে, একটু শুধরাতে হবে....হতে পারে যেই চূড়াটার পিছনে ছুটছি এখনো পাগলের মতো সেটা প্রহেলিকা নাও হতে পারে......হতে পারে কুয়াশাটা কেটে গেলেই দেখা যাবে চূড়া!
১৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×