ব্লগার রাজসোহান:
সোহানে নকাইলো
: ভাই কেমন আছেন?
: জীবিতই আছি তাই পদার্থের কঠিন অবস্হায়, মরনের পর জৈবিক রূপ নিমু।
: ভাইজান আমারে চিন্তে পারছেন?
: মনে হয়, আপনে রাজসোহান।আমারে চিনছেন?
: আবার জিগস, আপনে উদাসী স্বপ্ন।
: আয় আইজকা।
: বারামদী ভাইয়ের খবর জানেন, উনারে অনেক দিন ধইরা ব্লগে দেখি না।
: সামনে সামার আইতাছে, মনে হয় আমলনামা নিয়া টানাটানি। পড়ালেখা নিয়া কিন্ঞ্চিৎ সমস্যায় পড়নের টাইম অখন উনার।
: হইতারে। বস, আমি তারে খুব ভালা পাই, আপনেরে যে সে অনেক ভালা পায়, এইটা কি জানেন?
: না জাননের কি আছে? সমস্যা হইলো কি জানেন, আপনে তারে খুব ভালা পান, সে আমারে খুব ভালা পায়। সমস্যা হইলো বারামদী পোলা। মাইয়া হইলে আর কুনো সমস্যা হইতো না!
: হ, কথা ঠিক কইছেন!
: ভাইজান কি স্টুডেন্ট?
: হ।
: কিসে পড়েন?
: পড়ি একটাতে, আপনে ট্রিপল ই র না?
: হ। মাগার আপনে কুন ইউনিতে পড়েন? প্রাইভেটে পড়লে সমস্যা নাই, আমার প্রাইভেট নিয়া এলার্জী থাকলেও চুলকানী নাই।
: পড়ি একটাতে, আচ্ছা যান, আমি এ্যারোনোটিক্যাল ইন্জ্ঞিনিয়ারিং এ পড়ি উত্তরায়।
: আপনে তো দেখি মেলা পড়ুয়া পোলা। মানুষ একখান পইড়া শহীদ মিনারের মতো কাইত হইয়া যায়, মাগার আপনে তো দেখি সমানে কোপায়া যাইতাছেন।
: হ, আমার পড়ালেখা করতে ভালো লাগে। খালি পড়তে মন চায়।
: আপনে তো দেখি এ যুগের শেরে বাংলা, এতদিন কই আছিলেন? আপনের মতো গুনী লোকই তো মানুষ খুজতাছে। আমার মিয়া এক পাতা পড়তে গেলে দুইবার চক্কর দেয়, মাগার আপনে দেখি পাতার পাতা পইড়া সাবার!
এইখানেই তার সাথে আমার বাতচিত শেষ হয়! মনে হয় তার ঐখানে কারেন্ট চইলা গেছে নাইলে আমার ওয়াই ফাই ছুইটা গেছে। ইদানিং জানালার পাশের মার্কেটের মাগনা ওয়াই ফাই দিয়া কাম চালাই!
ব্লগার বাঙ্গী!
[এই বোলগারে খোজ আমি জানি না, কবে কই থিকা আমারে এ্যডাইছে হেইডাও জানি না, অখনো ভয়েস চ্যাট করবার পারি নাই, অখনও বুঝলামও না এইটা আসলে মাইয়া না পোলা নাকি আমারে ব্লাফ মারতাছে। এই নিকের উপর আমি ব হুৎ বিলা!]
: জান, কি খবর?
: http://www.dailysangram.com/এবং http://www.jaijaidin.com/
: এগুলো কিসের লিংক?
: তুমি খবর চাইলা পত্রিকা স হ লিংক দিলাম: দৈনিক সংগ্রাম আর দৈনিক যায় যায় দিন!
: ওহ জান, তুমি কি করো সেইটা বলো।
: খাটে বইসা কীবোর্ড টিপাই।
: ইস, কি সুন্দর দ্রূত টিপছো!
: কামের কথা কও, ভয়েস চ্যাট করতে গেলে ফোন ধরো না তিনমাস ধইরা, গলা শুইনা মনে একখান আশ দিতাম, অখন তুমারে দেখলে বাশ দিতে মন চায়! মাগার চ্যাটে ঘন্টার পর ঘন্টা থামো না, কাহিনী কি?
: আগে এটা বলো তুমি আমার বোনের সাথে কালকে কি কথা বলেছো?
: আলতু ফালতু কথা রাখো! ঐডা তোমার বোন নাকি? এইডা তো জানতাম না। কথা কিছু না, কেমুন আছো, কি খাইছো কই গেছো, টর্চ লাইট কো, এইসব আরকি!
: এসবের মধ্যে টর্চ লাইট আসলো কোথা থেকে?
: কারেন্ট গেছিলোগা তোমাগো বাড়ি, তাই তারে জিগাইছিলাম টর্চলাইট কো?
: কারেন্ট গেলে চ্যাট করলা কিভাবে? আমাদের তো আইপিএস নাই।
: মুসিবত, চ্যাটের মধ্যে টেকনিক্যাল জিনিস আনো কেন?
: জান, আগে বলতো তুমি আমার জন্মদিনে উইশ না করে আমার বোনের জন্মদিনে উইশ করলা কেন?
: সর্বনাশ, এইটাও ও পেটে রাখতে পারে নাই? ও আর কি কি কইছে?
: আগে আমার প্রশ্নের উত্তর দাও।
: কেমনে দিমু? তুমি তো সামনে নাই। সামনে থাকলে তোমার হাতে নাতে দিতাম।
: দুস্টামি করবানা। আগে বলো আমার বোনের সাথে তোমার সম্পর্ক কয় বছরের?
গুষ্টি কিলাই চ্যাটের। কথা কয় না, জান কইয়া ফাটায় ফেলায়! কি চায় এই দুই বোইনে মিল্লা আল্লা মালুম! অখনও বুঝবারি পারলাম না এই দুইটা পোলা না মাইয়া না হিজড়া!
ব্লগার দুরন্ত স্বপ্নচারী
দুরন্ত স্বপ্নচারী: আচ্ছা স্কুলের খুকূীদের সাথে তোর সম্পর্ক কিসের?
: কুন স্কুলে পড়ে?
: আরে রাখ তোর স্কুল! প্রত্যেকদিন সকালে আল্লাহ খোদার নাম নাই চ্যাটে বইলেই জিগায়, রনির খবর কি? ওর শরীর কি ভালো? আমি বলি আমি তোর সংবাদদাতা হইলাম কবে? একদিন ভয়েস চ্যাট করতে গিয়ে শুনি পুরা স্কুলের পিচ্চির গলা বলে,"রনির শরীর খারাপ আর আপনে কিছুই জানেন না?" বলি তোর বয়স কতো, স্কুলের পুচকিরা তোর নাম ধইরা ডাকে?
: মনে হয় টিউশনির লিগা শিক্ষক খুজতাছে।ব্লগে আমার সঙ্গীত বিষয়ক লেখা পইড়া মেটাল গান শিখবার চায়।
: কথা ঘুরাইস না, তোর কথা ঘুরানি আমি অনেক দেখছি।
: দোস্ত, তুমি তো কয়দিন পরে টাউকা হইয়া যািবা, যখনই কথা কই কেরোসিন বেগুনে জ্বইলা আগ্নেগিরি হইয়া যাও, আল্লাই জানে মুখ দিয়া লাভার বদলে অন্যকিছু বাইর করো কিনা! ঠান্ডা হও! তুমি ইদানিং কি করো বলতো, খালি চ্যাটই করো নাকি? চাকরি কেমুন চলে?
: চাকরি করুম না। বেসরকারি চাকরি আর ভালা লাগে না। সরকারি চাকরি করুম।
: সরকারি চাকরি কইরা কি ঘুষ খাইবা?
: তোর খালি আজে বাজে চিন্তা, যেই বয়সে মানুষ বিয়াশাদী কইরা পোলাপান পয়দা কইরা স্কুলভর্তি করে তুই সেই বয়সে স্কুলের মাইয়াগো লগে টান্কি মারস। তুই তো ঢাকার কিছু বাদ দিবি না। তোর বাসায় কেউ জানে?
: বাসায় ইয়াহু নাই, তাই কিছু জানে না, তয় ফেসবুক আছে সেইখানে আবার আমি নাই। দেশে কি মেলা গরম পড়ছে, গরম পড়লে বিয়া করি ফেলাও আর লগে জনরেও নিয়ো। দুই বন্ধুর এক লগে বিয়া, কি সোন্দর তমশা!
: তোর সমস্যা কই? সমস্যা থাকলে ডাক্তার দেখা। তোর রুম মেটগুলাও তো সমানে বিয়া করতাছে। আমাগোই কিছু হইলো না, তোর ঐখানকার কি খবর? কাজ বাজের ধান্ধা আছে?
: এইখানকার খবর নিয়া তুই কি করবি? পত্রিকা তো সব লোকাল ভাষা, তুই পড়বি কেমতে?
: আরে ধুর, দেশে থাকতে ভালা লাগে না।
: কেন লবন কি পাওয়া যায় না?
এই বইলা সেদিনকার মতো চ্যাট বন্ধ করলাম। ইদানিং বড়ই আচানাক চ্যাটে আসে সবাই।ধূপ ধাপ কথা কয়, মনে হয় সবাই এই পালপিটিশনে আছে কখন একখান যুদ্ধ লাগবো আর লুঙ্গী পইড়া ব্যাকতে ঝাপাই পড়বো। মাগার আমি এইডা বুঝি না খালি ঃাতে তো যুদ্ধ হয় না!
ব্লগার গুবলী
: বস নতুন চাকরী পাইছি, কিন্তু কুনো কাজ নাই, সারাদিন বইসা বইসা চ্যাট করি!
: করছো কি? এতবড় অপচয় কেমনে করো তুমি? অফিসের বিদ্যুৎ পানি খরচা কইরা কি তুমারে চ্যাটের জন্য রাখছে? কেউ কিছু কয় না?
: একটু আগে বস ঝাড়ি দিছে।
: বাহ, কি সোন্দর। আমার একখান ক্যামেরা থাকলে ভিডো করতাম, টোমার বস তোমার কান ধইরা কইতাছে,"কাম কাইজ রাইখা তুমি চ্যাট করতাছো? খাড়াও দেখাইতেছি তোমারে কত ধানে কত খড়!"
: ধুর শয়তান। ঐ আমি যাই, বস ডাকে!
ব্লগার হায় ঈশ্বর:
: মামা, বড় সমস্যায় আছি।
: কি সমস্যা, বয়ান করো।
: পুলাপান তো দেখি সবাই আমারে ফেসবুকে ব্লক করতাছে।
: কেন, সবাইরে ইয়াহুতে ইনভাইট দিয়া উল্টা পাল্টা কিছু দেখাইছো নাকি?
: আরে না, ঘটনা শোন আমাগো যে চিকনা মারুফ (ছদ্মনাম), সেইদিন ওর এ্যাকাউন্টে গিয়া দেখি অনেকগুলান সুন্দর সুন্দর মাইয়া। আমি সমানে কয়েকটারে রিকোয়েস্ট পাঠাইলাম। দেখলাম একটা এ্যাডও করলো। ওর লগে বেশ কিছু দিন চ্যাট করলাম, কইলাম একদিন আই লাভ ইুউ, দেখি সে কিছু কয় না। তয় কথা বার্তা শুইনা মনে হইলো সেও রাজী। আমি একদইন কইলাম তোমার চেহারার মতো জামার ভিতরেও কি সব কালা? দেখলাম তার পরের দিন আমারে ব্লক করলো। আমি সেইদিনই মারুফ্যারে ফুন দিয়া কইলাম ওর এ্যাকউন্টে ঐ মাইয়াটা কেডা? অয় উল্টা জিগায় কি ল্লিগা। আমি তখন সব ঘটনা ওরে বিস্তারিত কইলাম। ব্যাটা শুইনা ফুনের মধ্যে ঝাড়ি দিয়া কয় ঐটা নাকি ওর বৌ। একটু পর দেখি ঐ ব্যাটাও ব্লক করছে আমারে।
: কস কি মোমিন, তুমি তো দেখি মামা ডেন্জ্ঞারাস চীজ হইয়া গেছো!
: আরো কাহিনী আছে। আমাগো ৯৭ এর হাফিজ ভাইয়ের (ছদ্মনাম) বৌ। ভাবীরে এ্যাডাইলাম। নানা কাহিনী কইলো নানা কথা কইলো। আমি ত হনও জানি না হেয় হাফিজ ভাইয়ের বৌ, আমি তো সমানে একদিন কইলাম আই লাভ ইু, সে কয় তার নাকি একটা ছেলে আছে পিচ্চি।আমিও নাছোড়বান্দা। একদিন শুনি সে নাকি দেশে চইলা যাইতাছে জামাইয়ের লগে। আমি কইলাম আমি অখনোই আইতাছি, খালি চান্সে জিগাইলাম জামাইয়ের নাম কি! যখনই কইলো আমাগো সিভিলের হাফিজ ভাই তখন মনে হইলো, কই যাই! তারপর আমি হেরে এ্যাভোয়েড করতাম। একদইন দেখি ম্যাসেজ পাঠাইছে আমি নাকি বদ, সেইজন্যই তার বিয়া হইছে এই কথা শুইনা আমি পিছায় গেছি। ইতায় আমারেও ব্লক করছে!
: মামা তুমি যেমনে অকাম শুরু করছো ফেসবুকে, অচিরে ফেসবুকের কুনো মাইয়া বাদ যাইবো না তোমার প্রেমের অফার থিকা। শুনছি খালেদা জিয়া শেখা হাসিনাও নাকি ফেসবুক আইডি রাখছে। দেইখো তাগো অফার কইরা জেলের ভাত কনফার্ম কইরো না!
: মামা, তুমাগো জি ৮ এর কি খবর? শুনছি সব নাকি সোন্দর সোন্দর। কাম কাইজ করন যাইবো নাকি?
: এই ঠান্ডায় খালি দেখবা সবাই পর্দানশীল হইয়া ঘুইরা বেড়ায়। বাইরে যেই ঠান্ডা করে, তাগো লগে ঘরে গিয়া দেখি নাই যে কেমনে কাম কাইজ করে! তয় তোমারে স্বাগতম। তো মামা, ফেসবুকে আমি ২০১১ তে আসতাছি, আমার এ্যাকাউন্টের সবাইরে কি বইখসা দেওন যায়?
: কিযে কও মামা, আমি কি অতো খারাপ নাকি? কোনো কাম কাইজ নাই। কোম্পানীর হাতে কোনো কাম নাই। তাই সময় কাটাই আজাইরা।
: কেন কাম কাইজ নাই কেন? অন্য জায়গায় ট্রাই করো নাই?
: করছি, মামা ডাকে না, ডাকলেও সব একই অবস্হা!
: আরে সমস্যা নাই, মিডল ঈস্টে গেছো একটা কিছু হইবোই!
মামা, দিন কতক পরই নতুন চাকরি তে জয়েন করে। কোম্পানীর ওয়েবসাইট পাঠায়, দেখলাম গ্রুপ অব কোম্পানীজ। এইবার মামার কপালে আসল কাজ জুটবো।
মামা সম্পর্কে অনেক কথা কইতে মন চায়। একদিন কমুও, তবে মামা এইটা জানে না যেইদিন শুছিলাম মামা দেশ ছাইড়া চইলা গেলো, সেইদিন রাতে আমার ঘুম আসে নাই। ভালো থাকো মামা!
ব্লগার জুন:
: তুমি আমার জন্মদিনে উইশ করলা না কেন?
: আপনে যেইদিন পয়দা হইছিলেন সেইদিন আমি দুনিয়াতে আছিলাম কি না সেইটাও একখান প্রশ্ন সাপেক্ষ ব্যাপার।
: দেখো উদাসী, এটা কিন্তু খারাপ, ব্লগের সবাই উইশ করলো কিন্তু তুমি পোস্টে কোনো কমেন্টই করলানা।
: মরছি, আসলে সেইদিন আমার কীবোর্ডে কালি আছিলো না। যাই হোউক, মুরগী ডাকে ভে পু, হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ!
: তুমি আমার বার্থ ডেকে মুরগীর ডাকের সাথে তুলনা করলা কেন? আমি কিন্তু রাগ করলাম।
: মারছে, কই যাই! কই কেক খাওনের আব্দার করুম, তানা কবিতা কইয়া ফাইসা গেলাম। বস, আসলে আপনের হ্যাপি বার্থডের দিন মুরগীর ফ্রাইড চিকেন খাইতাম। আপনের বার্থডে কুন তারিখ?
: থাক আর কিছু করা লাগবে না!
: ওকে, জাতী ভারমুক্ত হোক।
: আচ্ছা উদাসী, ইদানিং তুমি আমার ব্লগেও আসো না, কারনটা কি?
: পকেটে টাকা নাই, তাই বাস ভাড়া দিবার পারি না, তাই আপনের ব্লগেও যাই না।
: সবসময় কি তুমি এভাবেই এড়িয়ে যাও?
: ভাইজান, কই? জুম্মার নামাজে যায় নাই?
: একটু পর যাবে পাশে ল্যাপটপে কাজ করছে।
: তারে আমার একখান সালাম দেন।
: দিলাম, সে উত্তরও দিয়েছে।
: শুকুরালহামদুলিল্লাহ। তা উনার জন্য আমার একখান ম্যাসেজ আছিলো, যদি তারে পৌছায় দিতেন খুব উপকার হইতো।
: কি বলো, আমি ওকে বলে দেবো।
: পাশ কইরা চাকরি বাকরি পাওনের খুব একটা সম্ভাবনা দেখতে পাইতেছি না, যাও আশার আলো দূর হইতে যায় তাও আবার ভালো কইরা মাইপা দেখলাম ৩০ মাইল দূরে একখান মোমবাতী তাই আবার টর্নেডোর কবলে। তো দেশে আসলে একখান চাকরি দিয়া এই গরীবের দোয়া যেনো উনি লুইফা নেন এই ম্যাসেজটাই আরকি!
: কিন্তু ইউএন এ তো ইন্জ্ঞিনিয়ার লাগে না।
: অভাগা যেইখানে চায় সেইখানে পদ্মানদীর চর জাইগা মানুষ টয়লেট বানায়, কেন যে ইন্জ্ঞিনিয়ার হইলাম, কেউ বুঝায়া দিলো না। তো ওস্তাদ, আপনের কুনো আত্মীয় স্বজন আমেরিকায় নাই?
: অনেক আছে, বিক্রমপুরের অনেক আত্মীয় এখন আমেরিকায় স্যাটেল।
: আরে বাপ, আপনে দেখি আমার দেশী হইয়া গেলেন। যাই হোউক, সেইসব আত্মীয় স্বজনের মধ্যে কোনো কন্যা দ্বায়গ্রস্হ নাই? থাকলে তার একটু উপকার যদি করতেন?
: কার জন্য, তোমার জন্য?
: আবার জিগস, বয়স বেশী হইলেও ডাইনোসরের চেয়ে অখনো ছোট আছি।
: কিন্তু উদাসী, তুমি না একবার বলেছিলে তুমি আর ঐ মেয়েটাকে নাকি কোনোদিন ভুলতে পারবেনা, তাহলে আমি কিভাবে একটা মেয়ের সর্বনাশ করতে পারি?
মাথায় কিছু আসলো না উত্তর কি দিমু। এরপরও তার লগে আমার অনেক চ্যাট হইছে, কিন্তু এই বিষয় আনি নাই। অনেক সময় সবার সাথে একটু বেশী দুস্টামী করি। যখন ধরা খাই তখন নিজের কাছেই খারাপ লাগে কেনো এসব ক্ষত নিজে থেকেই ডেকে আনলাম!
__________________________
ঠ্যাংলেখা: উপরোক্ত চ্যাটগুলি নানা সময়ে চ্যাটাইয়িতো হইয়াছে আমার খাটে বইসা। কিছু কিছু চ্যাটাংশ কিয়দ পরিবর্তন করিয়া চুইঙ্গামের মতো পরিবর্ধিত করিয়া কারো অনানুমতি সাপেক্ষে ছাপানো হইয়াছে। যদিও ইহাতে আমার বাংলাদেশ সরকারের মতো মনোভাব প্রকাশ হইয়াছে যেমন আগে অকাম করো পরে দেখো পাবলিক কি কয়! যাই হোউক, কারো আপত্তী থাকিলে জানাইবেন, আমি উহার অংশখানি মুছিয়া ফেলিবো! তয় মাইনাস দিতে মন চাইলে সানন্দে!মাইনাস খাইতে ভালোবাসি!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

