আমরা জানি রেডশিফট এর তরঙ্গ হিসাব কইরা দেখা গেছে আমাগো মহাবিশ্ব জন্মের সময় একখান আন্ডা আছিলো আর সেইটা ফাটছে বইলাই আপনে আর আমি এইখানে বোলগাইতাছি!
তো বয়স হইলো মোটে ১৩ বিলিয়ন বছরের মতো! খুব বেশী একটা না!
এখন ধরেন আপনে একখান প্রোটন নিলেন। প্রোটন জানেন তো কি?
এই প্রোটনেরও কিন্তু ক্ষয় হয়। তো আপনে যদি একখান প্রোটন হাতে নেন আর তার বয়স মাপতে যান তাইলে এর বয়স পাইবেন হইলো ২১ এর পর ২৮ টা শূন্য লাগান। এই কয়টা বছর হবে। আমার কাছে কাগজ নাই, কেউ কি কাগজ দিয়া হিসাব কইরা কইবেন এইটা কয় কোটি কয় লক্ষ হইবো?
তাইলে কথা হইলো আন্ডা হওনের আগেও কি প্রোটন আছিলো? ইদানিং একেক প্রোটনের ক্ষয় হইয়া একেক রকম রূপ নিতাছে , তো বিগ ব্যাং আন্ডার আগেও কি প্রোটন আছিলো?
একটু ভাবেন, ফুড ফর থট!
আবার এই প্রোটনের ভিতর যেই টপ কোয়ার্ক আছে সেই টপ কোয়ার্কের ওজন নাকি একটা সিলভার অনুর সমান! অনেক বার মাপছে বিজ্ঞানীরা। মাগার কাহিনী বুঝতেছে না। কেমতে কি? পরমানু দিয়া অনু তৈরী হইছে। মাগার পরমানুর ভিতরে থাকা নিউক্লিয়াসের মধ্যে যেই প্রোটন সেইটা সেইটা দিয়া তৈয়ার হইছে সেইটার ওজন এতো বেশী হইলে এমনে সময় এই ওজন কই যায়?
মুশকিল! যদিও হিগস বাবাজী আসতেছেন এইটার উত্তর দেবার জন্য!
দুনিয়াতে সিজিয়াম হইলো এমুন একটা মৌল যেইটা অনেক দুর্লভ। দুর্লভের চার্টে এইটা ৪৫ নম্বরে। এইটা ধাতু হইলেও রুম তাপমাত্রায় এইটা নাকি তরল রূপ নেয়!
কথা এইটা না, কথা হইলো সিজিয়াম ১৩৫ নিয়া। এইটা নাকি ল্যাবে তৈয়ার করা মুশকিল, এইটা নাকি এটম বোমা ফাটাইলে তৈয়ার হয়। তো ১৯৪০ সালের আগে যতরকম মদ, আর্টিফ্যাক্টস আছে সব নাকি এই সিজিয়াম টেস্টে নিয়া আসে! তখনই বুঝন যায় আসলেই কাহিনী কি!
১৯৪০ সালের পর মেলা বোমা ফাটানো হইছে মেলা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট জ্বলছে নিভছে চলতাছে। তাই এর পর যতকিছু আছে এমনকি আপনে যে জাপানী চাউল দিয়া ভাত খাইছেন এইটার ভিতরেও সিজিয়াম আছে!
কেমতে কি?
আসলে কাম পাইতেছি না, তাই এই ব্লগ খান লেখলাম!
মাইক্রোন্ট্রোলারের সিডিসির লুফা কোড লেখা হইয়া গেছে মাগার সমস্যা হইলো বাগ আছে। আরেকটা সমস্যা হইলো ভার্শন কনফ্লিকট!
বড়ই মুসিবতে আছি এই এটমেগা ৩২ইউ৪ নিয়া!
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০১৬ রাত ২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


