somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশের সাংবাদিকতার বাজারমুখিনতা (পর্ব ৪)

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

[ফাহমিদুল হকের নিবন্ধটি বিগত তিনটি পোস্টে উপস্থাপিত হয়েছে। ঐ নিবন্ধটি যে-সেমিনারে উপস্থাপিত হয়েছিল, তার একজন আলোচক, প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদকের প্রতিক্রিয়া এখানে উপস্থাপিত হলো]

তত্ত্ব ও স্বপ্নের কাঠগড়ায় সংবাদপত্রের বাস্তব

মশিউল আলম


গত সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের যোগাযোগ অধ্যয়ন চক্র আয়োজিত এক সেমিনারে আমন্ত্রিত হয়েছিলাম। সাংবাদিকতার শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে ওই সেমিনারটি ছিল সংবাদপত্র কর্মী হিসেবে আমার জন্য একটি কাঠগড়ার মতো। সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক ফাহমিদুল হকের লেখা ও পঠিত মূল প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল 'বাংলাদেশের সংবাদপত্রের বাজারমুখিনতা ও বিকল্প [ভিন্ন] ভাবনার প্রস্তাবনা'। বাংলাদেশের সংবাদপত্রের জগৎ অত্যন্ত বাজারমুখী হয়ে পড়ছে, এই ব্যাপারটি ফাহমিদুল হকের পছন্দ নয়। তার মনে হয়েছে সংবাদপত্র আর সংবাদপত্র নেই, বিজ্ঞাপনপত্র হয়ে গেছে। এখন আর সংবাদের ফাঁকে ফাঁকে বিজ্ঞাপন থাকে না, বরং বিজ্ঞাপনের জঙ্গলের আনাচে-কানাচে সংবাদের অন্বেষণ করতে হয়। অর্থাৎ সংবাদ হয়ে পড়েছে গৌণ, মুখ্য হয়ে উঠেছে বিজ্ঞাপন।

এই অভিযোগের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ রয়েছে। ক্ষোভের কারণটি বুঝতে খুব বেশি অসুবিধা হয় না: সংবাপত্রের কাছে মানুষের প্রত্যশা বেশি। এত বেশি যে, সংবাদপত্র প্রকাশের আর্থিক দিকগুলো নিয়ে কেউ সচরাচর ভাবেন না। সাংবাদিকরাও মনে করেন, তাদের কাজ সংবাদ সংগ্রহ করা এবং তা প্রকাশ করা। এর পেছনে যে বিপুল আর্থিক বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়, তা কোথা থেকে আসবে তা তাদের ভাবনার বিষয় নয়, সে ভাবনা সংবাদপত্রের মালিক বা প্রকাশকের। সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম সম্পর্কে পড়াশোনা-গবেষণার ক্ষেত্রে সংবাদপত্র প্রকাশের আর্থিক দিকগুলোর জায়গা নেই। সংবাদপত্রকে সাধারণভাবে একটি জনসেবামূলক ব্যাপার হিসেবে দেখা হয়। এবং বাস্তবে সংবাদপত্রের কাছ থেকে জনগণ কিছু সেবা পেয়েও থাকে।
কিন্তু সংবাদপত্র সর্বোপরি একটা শিল্প। সংবাদপত্র প্রকাশের খরচ এখনকার বাজারে বিপুল। এত বিপুল খরচ করে শুধু জনসেবার উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসার মতো বিনিয়োগকারী এদেশে নেই; সম্ভবত পৃথিবীর কোনো দেশেই নেই। তাই সংবাদপত্র একটা ব্যবসায়িক ভেঞ্চার হতে বাধ্য; অনেক বিনিয়োগকারীর ক্ষেত্রেই এটা অ্যাডভেঞ্চারে পর্যবসিত হয়। এই রাজধানী থেকে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক-কর্মচারীরা মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছেন না। কয়েকটি সংবাদপত্র বন্ধ হয়ে গেছে, বন্ধ হওয়ার মতো অবস্থা চলছে আরো কয়েকটির। কারণ, আর কিছু নয়, এসব সংবাদপত্রের আয়ের চেয়ে ব্যয় অনেক বেশি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কোনো সংবাদপত্রকে ব্যবসায়িকভাবে সফল হতে হলে কি বিজ্ঞাপন ছাপতেই হবে? সংবাদপত্র বিক্রি থেকে যে টাকা আসে তা-ই কি যথেষ্ট নয়? ফাহমিদুল হকের প্রবন্ধে নোয়াম চমস্কির উদ্ধৃতিতে এই প্রশ্নের উত্তর আছে। চমস্কি ধরিয়ে দিয়েছেন, গণমাধ্যমসমূহের প্রাথমিক কাজ হলো বিজ্ঞাপনদাতার কাছে অডিয়েন্সকে অর্থাৎ পাঠক ও দর্শক-শ্রোতাদের বিক্রি করা। তারা তাদের সাবস্ক্রিপশন থেকে মুনাফা অর্জন করে না।

১৬ পৃষ্ঠার ও ২০ পৃষ্ঠার সংবাদপত্রের গড় হিসাব করলে এক কপি সংবাদপত্রের প্রকাশনার খরচ হয় ৭ টাকা ১০ পয়সা। আর প্রতি কপির গড় বিক্রয়মূল্য ৭ টাকা ৪৩ পয়সা। কিন্তু হকারদের কমিশন, অবিক্রিত পত্রিকার মূল্য ইত্যাদি বাদ দিয়ে সংবাদপত্রের মালিকের হাতে আসে গড়ে ৪ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাৎ প্রতি কপির পেছনে লোকসান গড়ে ৩ টাকা। কোনো সংবাদপত্রের প্রচারসংখ্যা যদি হয় ২ লাখ, তাহলে প্রতিদিন তার লোকসানের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬ লাখ টাকা। মাসে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। প্রচারসংখ্যা যত বেশি হবে লোকসানের পরিমাণ ততই বাড়বে। এত বিপুল লোকসান দিয়ে দিনের পর দিন সংবাদপত্র চালানো কারো পক্ষেই সম্ভব হবে না যদি বিজ্ঞাপন ছাপা না হয়।

বেশি বিজ্ঞাপন ছাপতে হয়, আরো বেশি বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন বিভাগের কর্মীদের ছুটোছুটি করত হয় তার কারণ আমাদের দেশে বিজ্ঞাপনের মূল্য অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশ কম। মূল্য বেশি হলে কম বিজ্ঞাপন ছাপিয়েও ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন সম্ভব। শিল্পোন্নত দেশগুলোতে, এমনকি পার্শ্ববর্তী ভারতেও সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপনের মূল্য অনেক বেশি। তারা কম বিজ্ঞাপন ছাপিয়ে বেশি টাকা পায়। সে কারণে তারা সংবাদপত্রের দামও কম রাখতে পারে, 'টাইমস অফ ইন্ডিয়া' তারা মাত্র ২ রুপি ২০ পয়সায় পাঠকদের হাতে তুলে দিতে পারে, আবার বিজ্ঞাপনের ভারসাম্যও রা করতে পারে। এটা আমাদের দেশের দুর্গতি যে এখানে পর্যাপ্ত শিল্প-বাণিজ্য গড়ে উঠেনি, বিজ্ঞাপনের বাজার খুবই সঙ্কীর্ণ। আর সা¤প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কয়েকটি প্রধান দৈনিক পত্রিকার মধ্যে বেশি কমিশন দিয়ে বিজ্ঞাপন ছাপানোর প্রতিযোগিতা চলছে।

তাহলে একটা উপায় হচ্ছে সংবাদপত্রের বিক্রয়মূল্য বাড়ানো। এখন যে সংবাদপত্র ৭ টাকায় কিনতে পাওয়া যাচ্ছে, তা যদি পাঠকরা ১১ টাকা দিয়ে কিনতে রাজী হন, তাহলে সংবাদপত্রের মালিকরা বিজ্ঞাপনদাতাদের মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দিয়ে বিজ্ঞাপনশূন্য সংবাদপত্র পাঠকদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে পারবে এবং তা করে সাংবাদিক-কর্মচারীদের মাইনেপত্র সময়মতো দিতে পারবে। কিন্তু পাঠকরা কি তাতে সম্মত হবেন?
মনে হয়, রাষ্ট্র পরিচালনা ও সম্পদবণ্টন ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক কোনো পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত, মানুষের জীবনযাপনে ও চিন্তাভাবনায় বাজারের দাপটের এই বাস্তবতায় সংবাদপত্র সম্পর্কে আদর্শ দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে বাস্তবতার এই ফারাক থেকেই যাবে। স্বীকার করা ভালো যে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সংবাদপত্র কোনো ননপ্রফিট ইনস্টিটিউশন নয়। আগের একটি কলামে আমি আরেকবার লিখেছিলাম যে, সংবাদপত্রের একজন কর্মী হিসেবে আমি নিজেকে এমন এক পেশাজীবী মনে করি, যে এমন অবস্থা মানতে পারে না যে, সে যা উৎপাদন করছে তা বিক্রয় করে তার মাইনে জোগাতে পারবে না।

আত্মমর্যাদাসম্পন্ন যেকোনো ব্যক্তির পক্ষেই এটা গ্লানিকর। আর শিল্প হিসেবে সংবাদপত্রের জন্য তো এটা বিনাশের সামিল। আপেক্ষিক অর্থে বললেও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বা নিরপেক্ষতার কথা যদি আমরা বলি, তবে তার জন্যে একটি সংবাদপত্রের সবকিছুর আগে প্রয়োজন আর্থিক স্বনির্ভরতা। ভর্তুকি দিয়ে সংবাদপত্র চলতে পারে না, কারণ তাতে তার মাথা বিক্রি হয়ে যায়। তখন আর সে সংবাদপত্র থাকতে পারে না, হয়ে যায় কোনো-না-কোনো মহলের প্রচারপত্র, দুষ্কর্মের সাফাইযন্ত্র অথবা অন্যায় ও অবৈধ চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার। সত্য প্রকাশের শক্তি আর সাহস থাকতে হলে এবং জনগণের জন্য কাজ করতে হলে সংবাদপত্রকে অবশ্যই আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হতে হবে। ওই স্বনির্ভর হওয়ার চেষ্টাই সংবাদপত্রের ব্যবসা, যে ব্যবসার পণ্য সত্য খবর, যে পণ্য বিক্রির মধ্যেই আছে একটা বড় সামাজিক অঙ্গীকার।

ওই সেমিনারেই অধ্যাপক আহাদুজ্জামান বলেছেন, বিদ্যমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থার মধ্যেও সংবাদপত্রগুলো অনেক ভালো ভূমিকা পালন করছে। উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে বেশ ভালো সাংবাদিকতা হচ্ছে। বিনয়ী ও নিম্নকণ্ঠ অধ্যাপক আহাদুজ্জামান বিপবাত্মক স্বপ্ন্গুলোকে নাকচ না করেই বলেছেন, এখন বরং আমাদের জোর দেওয়া উচিত ভালো সাংবাদিকতার ওপর। সেমিনারের সভাপতি অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খানও একই মতের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। আমার মনে হয়, আমরা যখন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, ষাটের দশকের জাতীয় মুক্তি আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং তারও পরবর্তী স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক লড়াই-সংগ্রামের দিনগুলো পার হয়ে এসে এখন সাংবাদিকতাকে একটা পেশা হিসেবে গ্রহণ করার মতো অবস্থায় কিছুটা পৌঁছেছি, তখন পেশাদারিত্বকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে নেওয়া উচিত। অধ্যাপক আহাদুজ্জামান যে গুড জার্নালিজম আর ব্যাড জার্নালিজমের কথা বললেন সেটাকে আমি পেশাদারিত্বের দৃষ্টিতেই দেখতে চাই। আর পেশার মধ্যে তো নৈতিকতাও অবশ্যই থাকে। গুড জার্নালিজম অবশ্যই হবে একটা গুড বিজনেস এবং এই গুড বিজনেস একটা বিশেষ ধরনের ব্যবসা যার কিছু সামাজিক দায়িত্বও রয়েছে।

২. ফাহমিদুল হক তার প্রবন্ধের শুরুতে হাসান আজিজুল হকের একটি উদ্ধৃতি দিয়েছেন, সেখানে বলা হয়েছে, খবরের কাগজ পড়ে পাঠকের মনে কোনো ঢেউ জাগে না, ক্ষোভ জাগে না, কিছুতেই ঝাঁপিয়ে পড়ার উদ্যম সৃষ্টি হয় না। কিন্তু বাস্তবে তাই যদি হবে, তাহলে সরকারগুলো কেন খবরের কাগজকে বশ বানাতে চায়? বশ মানাতে না পারলে নানাভাবে মুশকিলে ফেলার চেষ্টা করে? ওসমানী উদ্যানের গাছ কেটে আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্র নির্মাণের সরকারি উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত বাতিল হওয়া বা মাত্র দু-মাসের মধ্যে কিশোরী তৃষা হত্যা মামলার রায় ঘোষণার মতো ঘটনাগুলোতে যে প্রবল জনমতের চাপ ছিল, তা সৃষ্টিতে সংবাদপত্রগুলো বিরাটা ভূমিকা পালন করেছে। সা¤প্রতিক বছরগুলোতে দেখা যাচ্ছে, সুশাসনের অভাবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে অন্যায়-অবিচারের কোনো প্রতিকার না পেলে সাধারণ মানুষ সংবাদপত্রকে শেষ আশ্রয় বলে মনে করে, সংবাদপত্রের দ্বারস্থ হয়। সুতরাং এটা বোধহয় ঠিক নয় যে, সংবাদপত্র পাঠককে নির্বিকার ও নিরুদ্যম করে ফেলে।
তথের নিরপেতার ব্যাপারে যে আপত্তি, সেটার সঙ্গে একমত হওয়া কঠিন। তথ্যের নিরপেতা, যেটা আসলে বস্তুনিষ্ঠতা, সেটাই সবচেয়ে গোড়ার কথা। তথ্য নিরস, নিরক্ত হলেই সঠিক তথ্য হয়। তার সঙ্গে তথ্য-প্রচারকের বা সাংবাদিকের মনের রঙ-রস-মাধুরী যুক্ত হলে বিপদ ঘটতে পারে, সাংবাদিকতা হলুদ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। গ্যাস বিক্রির ব্যাপারে সংবাদপত্রগুলো কেন শুধুই বিরুদ্ধমত ছাপেনি, কেন পরে মতগুলোও ছেপেছেনÑ এই আক্ষেপ করেছেন ফাহমিদুল হক। তার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন সেমিনারের আরেকজন আলোচক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাবেরী গায়েন। তারা ধরে নিয়েছেন যে, গ্যাস রফতানির বিরুদ্ধের মতটাই ন্যায্য মত। সুতরাং সেটাই ছাপা উচিত। উল্টো মতকে জায়গা দেওয়া উচিত নয়। কিন্তু গ্যাস বিক্রি করলে দেশের তি হবে না লাভ হবে সে ব্যাপারে সাংবাদিকরা রায় না দিয়ে যদি উভয় পরে মতামত প্রকাশ করে তাহলে কি সাংবাদিকতার ন্যায্য কাজটি করা হয় না? তা যদি না হয়, তাহলে সাংবাদিকতার কাজ কী হবে তা নিয়ে আবার নতুন করে চিন্তাভাবনা শুরু করতে হবে। মনে হয়, কী ভালো আর কী খারাপ তা গণমাধ্যম নিজে নির্ধারণ না করে যদি এমন কাজ করে যে, জনগণ নিজেই ভালো-মন্দ, প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বুদ্ধিবৃত্তিক মতা অর্জন করে, তাহলে গণমাধ্যমের অন্যতম বড় কর্তব্য সাধিত হয়। সংবাদমাধ্যমের যে একটা শিক্ষাদানের ভূমিকা আছে বলা হয়, সেটাকে আমি এইভাবেই দেখি। বিশ্ববিদ্যালয় বা সাধারণভাবে শিক্ষা যেমন মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সামর্থ্য তৈরি করে, সংবাদপত্রও তেমনিভাবে সঠিক তথ্য ও তার বিভিন্নরকম বিশেষণ প্রকাশ করার মধ্য দিয়ে পাঠকের মধ্যে একটা বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা তৈরি করতে পারে। শিক্ষিত করে তোলা মানে কোনো নির্দিষ্ট মত বা দৃষ্টিভঙ্গির অন্ধ অনুসারী করে তোলা নয় বরং শিক্ষার্থীর নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার বুদ্ধিবৃত্তিক সামর্থ্য তৈরি করা, মানুষকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে মুক্ত বা স্বাধীন করা।

(আরও প্রতিক্রিয়া আছে, চলবে)
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×