আমার প্রিয় পোস্ট
- বাংলা ব্লগ ও ব্লগ পলিটিক্স - রেজওয়ান
- বাংলাদেশের সিনামার নাম এবং পোস্টারের বাহার!! (মধ্য রাতের প্রকাশনা ১৮+) - চাচামিঞা
- সিনেমা বিষয়ক ওয়েবসাইট তালিকা - ইশতিয়াক জিকো
- পোস্ট ব্রাত্য রাইসুর, মরীয়া বিতর্ক মানস চৌধুরীর এবং আমাদের ব্লগারকূল - ফাহমিদুল হক
- সাংবাদিক নামের আজিব জীবগুলোর জন্য মমতা ( আরিফ জেবতিক) - আরিফ জেবতিক
- সংবাদপত্রগুলোর কার অবস্থান কেমন - কাঙাল
- ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- আগুণের পরশমনিতে ফাহমিদুল হক ও তার সাহিত্যের সুবাস - কৌশিক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- আমেরিকা!!! - লাল দরজা
- অর্থনীতির সহজ পাঠঃ বিষয়- বিদেশি বিনিয়োগ - দিনমজুর
- শহরে ষোল জনা বোম্বেটে / করিয়ে পাগলপারা / নিলো তারা সব লুটে - মাহবুব মোর্শেদ
- যারা কথা বলার সময় বাংলার সাথে ইংরেজী মিশায় - তাদের কেন যেন বাটপার ধরনের মানুষ মনে হয়! - এস্কিমো
শিক্ষকদের শাস্তি দেয়া হলো
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০৭
রাজশাহী, ডিসেম্বর ০৪ (বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম)- আগস্টের ছাত্র বিক্ষোভে উস্কানি দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের মলয় ভৌমিক, গণযোগাযোগ বিভাগের সেলিম রেজা নিউটন, দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস ও আব্দুল্ল¬াহ আল মামুনকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।
অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সাইদুর রহমান খান ও ফলিত পদার্থ বিদ্যা বিভাগের শিক্ষক আব্দুস সোবহানকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার রাজশাহীর অতিরিক্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় হাকিম রুহুল আমিন এ রায় দেন। রায়ে বলা হয়, জরুরি বিধিমালা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চার শিক্ষককে এ কারাদণ্ড দেয়া হল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র বিক্ষোভের রেশ ধরে আগস্টে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোর মধ্যে এটাই প্রথম রায়।
প্রকাশ করা হয়েছে: অ্যাক্টিভিজম বিভাগে ।
মুহিব বলেছেন:
দুঃখজনক
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
@ফাহমিদুলআপনার বিশ্লেষণ সহ দিলে আরো ভালো করতেন, তথাপি এহেন বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য ধন্যবাদ।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
আমি খুব মর্মাহত। তাই কিছু লেখার মতো অবস্থায় নেই। কিছু সময় পরে কিছু লেখা যেতে পারে।
ৃৃমম বলেছেন:
জানি না কি অভিযোগ এবং কি তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে এ সাজা। হাজার হাজার মাইল দুরে বসে তবু এ সংবাদ শুনে খারাপ লাগছে। নিউটনের স্ত্রী সুস্মিতা এবং পুত্র লালন সহ দন্ডপ্রাপ্ত অন্যদের পরিবারবর্গের এবং বন্ধু সহকর্মীদের জন্য রইলো সহানুভুতি এবং উচ্চ আদালতে আপীলের প্রেরণা।
শাহীন - চট্টগ্রাম বলেছেন:
শিক্ষকের জন্য অবশ্যই শ্রদ্বা, সহমর্মিতা, সহানুভুতি। তবে অভিযোগ প্রমানিত হলে কাউকেই বিচারের উর্ধ্বে বিবেচনা করা উচিত নয়। আমরা তো ফুল টাইম রাজনীতিবীদ কাম পার্ট টাইম শিক্ষক কম দেখিনি। যাদের ইন্দ্বনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অচল হয়েছে, শিক্ষা ও শিক্ষার্থীর জীবনও বিপন্ন হয়েছে।
যীশূ বলেছেন:
প্প্বক্ষ্মপ্প্ব্নপ্প্ম প্প্ব্নপ্প্বজ্জ ...............
যীশূ বলেছেন:
লজ্জা
সাদিক তাল বলেছেন:
শালার দ্যাশ!! শিক্ষকরা দুবছরের কারাদণ্ড এ দণ্ডিত.... আর পুলিশ আর্মি যারা পোলপাইন ইচ্ছা মতো বানাইল তারা ??
মো: খায়রুল বাসার বলেছেন:
সত্যিই দুঃখজনক ।তবে শিক্ষাংগনকে রাজনৈতিক মুক্ত রাখা উচিত । এতে পড়াশুনার পরিবেশ তৈরী হবে, সেই সাথে সেশন জটও থাকবে না ।
পজিটিভ বলেছেন:
কবে যে খুলনা ভার্সিটির টিচার গুলোরে ধইরা জেলে দিব, হেই দোয়াই করি। আওয়ামী লিগের সময় আওয়ামী লিগের অযোগ্য সাপোর্রটার রা টিচার, বিনপির সময় বিনপি জামাতের অযোগ্য টিচার (কিছু যোগ্যও ছিল দুই আমলেই) নিয়োগ জঘন্য করে তুলচে ঐ সুন্দর প্রতিস্ঠানটাকে।লেজুরভিত্তিক টিচার রাজনীতি বন্ধ হোক।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
সবাই দেখি শিক্ষকদের উপর ক্ষ্যাপা।আমার ধারনা শিক্ষকরা অবশ্যই রাজনীতি করবে।রাজননৈতিক মতাদর্শের হবে।তবে সেটা যেন সূবিধাভোগী রাজনীতি না হয়।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
সেই শান্ত, ছাত্রদের সমর্থন দিয়ে শিক্ষকরা মতাদর্শিক রাজনীতিই করেছেন। এখানে সুবিধাবাদিতার কোনো স্থান ছিলনা। যেকোনো কারণেই হোক পাবলিকে শিক্ষকদের ওপরে ক্ষ্যাপা। কিন্তু সেই ক্ষোভ ভুল সময়ে ভুল ঘটনায় দেখাচ্ছে।
এস্কিমো বলেছেন:
মো: খায়রুল বাসার বলেছেন :২০০৭-১২-০৪ ১২:৪৯:৪৮
সত্যিই দুঃখজনক ।
তবে শিক্ষাংগনকে রাজনৈতিক মুক্ত রাখা উচিত
- তাইলে রাজনীতিক তৈরী হবে কোথায়, ক্যান্টনমেন্টে?
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
ফাহমিদ ভাই সামনে এমন সময় আসবে যে কেউই পাবলিক ইউনিভার্সিটির শিক্ষক হতে আগ্রহী হবেনা।এই ঘটনার ফলে আগামীদিনে শিক্ষকদের মধ্যে চরম হতাশা কাজ করবে।যেটা ছাত্র শিক্ষক ও সমাজ সবার জন্যই ক্ষতিকর।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
'পাবলিক' ইউনিভার্সিটির ভালো কেউই চায়না। না সরকার, না ব্যবসায়ী, না বিশ্বব্যাংক, না মিডিয়া, না 'পাবলিক'। কেবল গরিব মানুষেরাই একে ঘিরে সন্তানের উচ্চশিক্ষার কথা ভাবে। কিন্তু সরকার-বিশ্বব্যাংক-ব্যবসায়ী-মিডিয়ার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গ্রামের গরিবদের সেই স্বপ্নও ধীরে ধীরে ধুলিসাৎ হয়ে যাবে। বেতন বাড়ছে/বাড়বে, অন্যান্য ফি ইতোমধ্যে বেড়ে গিয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতি হয়ে গেছে ভাবমূর্তির। শিক্ষকরা অবশ্যই অনেকাংশে দায়ী, কিন্তু তার চাইতে বেশি দায়ী ঐ চক্র (বিশ্বব্যাংক-সরকার-মিডিয়া-ব্যবসায়ী)। আপনি কেমিক্যাল কেনার পয়সা দেবেন না আর বলবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরাট ল্যাব থেকে কোনো কেমিস্ট তৈরি হচ্ছেনা। আর বলবেন, শিক্ষকরা রাজনীতি করে, ক্লাস নেয়না।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
এস্কিমো, দলীয় লেজুড়বৃত্তির রাজনীতি আর মতাদর্শিক রাজনীতির মধ্যে অনেকে পার্থক্য করতে পারেন না। তারা বলেন আমেরিকায়-ব্রিটেনে কোনো পলিটিক্স নেই। এইটা একটা ফালতু কথা। ইরাক আগ্রাসন নিয়ে ঐসব ভার্সিটির পোলাপান কি চুপাচাপ বসে ছিল? আর ঐসব দেশের আর্থ-রাজনৈতিক-সামাজিক ব্যাকগ্রাউন্ড আর আমাদের ব্যাকগ্রাউন্ড কি এক? ওখানে সমাজের সর্বস্তরে যতটুকু ট্রান্সপারেন্সি আছে, আমাদের কি তার সামান্যও আছে। পুলিশ এসে মেয়েদের হোস্টেলে ছাত্রী পেটাবে, আর শিক্ষকরা ক্লাসরুমে তত্ত্ব আওড়াবে? হুমায়ুন আজাদকে কোপ দেয়া হবে আরা শিক্ষকরা নিজের ঘাড় রক্ষায় অধিক সচেষ্ট হবে? যারা শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি বন্ধে সোচ্চার, তারা চায় ঐ মতাদর্শিক রাজনীতিও যাতে কখনো মাথাচাড়া না দিতে পারে, তার ব্যবস্থা করতে। আর পাবলিকে না বুঝেই ফাল পাড়ে। লেজুড়বৃত্তির রাজনীতি বন্ধ করতে হবে উপর থেকে। তলায় আগাছা সাফ করলে আবার আগাছা জন্মাবে।
অেমাঘ অনল বলেছেন:
আমার মনে হয়, শিক্ষাঙ্গনে অবশ্যই রাজনীতির প্রয়োজন আছে। এবং বর্তমানে যে 'দলীয় লেজুরবৃত্তি' শব্দদ্বয় যত্রতত্র ব্যবহার করা হয়- তাহা শাসকগোষ্ঠী এবং তাদের বংশবদ মিডিয়ার তৈরি বিভ্রান্তিসৃষ্টিকারী প্রচারণা - যে প্রচারণায় আমরা বেশির ভাগই প্রভাবিত এবং ইহা শাসকগোষ্ঠীর রাজনীতির মধ্যে যে অন্তসারশূণ্যতা তাহাকে টিকাইয়া রাখিবার অস্ত্র।
অেমাঘ অনল বলেছেন:
রাজনীতি করিবার অধিকার, মত প্রকাশের অধিকার আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, রাজনৈতিক অধিকার। তাহা প্রচলিত কোন রাজনৈতিক দলের অনুসারি হইয়াই হউক অথবা কোন রাজনৈতিক দলের সহিত যুক্ত না থাকিয়াই হউক। ইহাতে কাহারো বাঁধা প্রদান মোটেও গণতান্ত্রিক হয় না।ফলে, একজন ছাত্র বা একজন শিক্ষক রাজনীতি করিতে চাইলে তাহা তাঁহার করিতে পারাই উচিত। এমনকি তাঁহারা কোন রাজনৈতিক দলের অনুগত থাকিয়া করিতে চান- তাহাও তারা করিতে পারেন। এইখানে দলীয় লেজুরবৃত্তি শব্দখানিই আপত্তিকর।
কিন্তু, যেইসব কারণে এই রাজনীতির বিষোদগার করা হয়, অনেকে- রাজনীতির প্রয়োজনীয়তার কথা বলিয়া লেজুরবৃত্তির বা বহিরাগতদের কথা বলিয়া থাকেন- তাহাদের বুঝা উচিত যে ইহাতে সেই সব মূল কারণ আড়ালে পড়িয়া যায়। সেই সন্ত্রাস বলেন, আর দূর্বৃত্তায়ন বলেন আর নীতিহীনতা বলেন- সেইগুলোকে নির্মূলই সর্বাগ্রে প্রয়োজন।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
অমোঘ অনল, আমার অবস্থানকে সমর্থন করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনার প্রথম কমেন্টের সঙ্গে আমি পুরোপুরি একমত। "বর্তমানে যে 'দলীয় লেজুরবৃত্তি' শব্দদ্বয় যত্রতত্র ব্যবহার করা হয়- তাহা শাসকগোষ্ঠী এবং তাদের বংশবদ মিডিয়ার তৈরি বিভ্রান্তিসৃষ্টিকারী প্রচারণা।"-- এই কমেন্টটি দারুণ লাগলো। আর দ্বিতীয় কমেন্টের সঙ্গে বোঝাপড়া প্রয়োজন। বিশেষত দলীয় রাজনীতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কী ফর্মে করবেন তা স্পষ্ট হওয়া দরকার। কারণ, বিশেষত সরকারী দলের অঙ্গসংগঠনের দাপটে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অনেক হয়রানি-বঞ্চনার শিকার হয়।
অেমাঘ অনল বলেছেন:
ধরেন, একজন ছাত্র প্রচলিত একখানা বড় দলের সহিত যুক্ত এবং সেই দলের প্রভাব খাটাইয়া চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি-সন্ত্রাসী কার্যকলাপে লিপ্ত। তাহলে- সেই ছাত্রকে কোন কর্মকান্ডের জন্য অপরাধী করিব? দলীয় রাজনীতির সহিত যুক্ত থাকা নাকি ঐ সকল অপকর্ম করা?
অেমাঘ অনল বলেছেন:
বিশেষত সরকারী দলের অঙ্গসংগঠনের দাপটে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অনেক হয়রানি-বঞ্চনার শিকার যদি হয়, তবে সেক্ষেত্রে কাহাকে অপরাধী করিবেন, কোন অপরাধে অপরাধী করিবেন?
অেমাঘ অনল বলেছেন:
আমার মতে অপরাধী করা উচিত- যাহারা দাপট দেখাইলো, যাহারা হয়রানি করিল, যাহারা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বঞ্চনা করিল- তাহাদিগকে, যাহারা নেপথ্যে মদত দান করিল তাহাদিগকেও।কিন্তু, এই কারণে রাজনীতিকে বা লেজুরবৃত্তির রাজনীতিকে দোষারোপ করিলে- বুঝিতে হইবে ইহাতে অন্যরূপ অসত ইনটেনশন বিদ্যমান। এই অসত ইনটেনশন সকলের না থাকিলেও, শাসকগোষ্ঠী এই ইনটেনশন লইয়াই এই ধরণের প্রচারণায় সকলকে প্রভাবিত করিতে চায়।
অেমাঘ অনল বলেছেন:
আর সবচেয়ে বড় বিপদ এই খানে যে, এইভাবে বলিলে- মূল হোতারা পর্দার আড়ালেই থেকে যায়, বা তাহাদের বিরুদ্ধে প্রকৃত কোন প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়না বা এই সমস্যা সমূহের প্রকৃত সমাধান সম্ভবপর হয় না।সরকারি দল বা প্রধান বিরোধীদলসমূহই তো এহেন অপকর্মের হোতা। তাহারা জাতীয় রাজনীতিতে, জাতীয় ক্ষেত্রে সর্বস্থলে, এবং একইভাবে শিক্ষাঙ্গনেও দূরবৃত্তায়ন কায়েম করিয়াছে।
তাহাদের সর্বোত্ত প্রকারে প্রতিরোধ না করিয়া শুধু শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতি বা লেজুরবৃত্তি বন্ধ করিলে লাভের লাভ কি হইবে?
অেমাঘ অনল বলেছেন:
শিক্ষাঙ্গনে যে সন্ত্রাস, যে নীতিহীনতা, তাহার সহিত অনেকাংশেই আর্থিক কর্মকান্ড জড়িত।ইহার রুট সমূলে উত্পাটিত না করিলে কি, শুধু লেজুরবৃত্তি বন্ধ করিলে বা রাজনীতি বন্ধ করিলেই - সেই টেন্ডারবাজী, চাঁদাবাজী বন্ধ হইবে?
অেমাঘ অনল বলেছেন:
এই সমস্যাসমূহ রাজনৈতিক সমস্যা, সমাধানও একমাত্র রাজনৈতিক উপায়েই সম্ভব।গণমানুষের, ছাত্রের, কৃষকের, শ্রমিকের আন্দোলন-লড়াই-সংগ্রামের ভিতর দিয়েই এর সমাধান সম্ভব, এর মধ্য দিয়েই নেতৃত্ব তৈরি হবে- ইহার কোন বিকল্পই দেশকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে না- সেনা ক্যু, আর্মি ও সাম্রাজ্যবাদীদের আহ্বানে আসা কেয়ারটেকার বা সেনা-ব্যাকড কোন সুশীল সরকার- কোনটাই জনগণের জন্য কোন কল্যাণ বহিয়া আনিবে না।


















