আমার প্রিয় পোস্ট
- গ্লোবাল ভয়েসের সপ্তাহের ব্লগার হিসাবে নির্বাচিত রেজওয়ান ভাইয়ের অনন্য সাক্ষাৎকার - কৌশিক
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- বাংলা ব্লগের বিবর্তন ও সম্ভাবনা - রেজওয়ান
- বাংলা ব্লগ ও ব্লগ পলিটিক্স - রেজওয়ান
- বাংলাদেশের সিনামার নাম এবং পোস্টারের বাহার!! (মধ্য রাতের প্রকাশনা ১৮+) - চাচামিঞা
- সিনেমা বিষয়ক ওয়েবসাইট তালিকা - ইশতিয়াক জিকো
- পোস্ট ব্রাত্য রাইসুর, মরীয়া বিতর্ক মানস চৌধুরীর এবং আমাদের ব্লগারকূল - ফাহমিদুল হক
- সাংবাদিক নামের আজিব জীবগুলোর জন্য মমতা ( আরিফ জেবতিক) - আরিফ জেবতিক
- সংবাদপত্রগুলোর কার অবস্থান কেমন - কাঙাল
- ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- আগুণের পরশমনিতে ফাহমিদুল হক ও তার সাহিত্যের সুবাস - কৌশিক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- আমেরিকা!!! - লাল দরজা
- অর্থনীতির সহজ পাঠঃ বিষয়- বিদেশি বিনিয়োগ - দিনমজুর
- শহরে ষোল জনা বোম্বেটে / করিয়ে পাগলপারা / নিলো তারা সব লুটে - মাহবুব মোর্শেদ
- যারা কথা বলার সময় বাংলার সাথে ইংরেজী মিশায় - তাদের কেন যেন বাটপার ধরনের মানুষ মনে হয়! - এস্কিমো
পোস্ট ব্রাত্য রাইসুর, মরীয়া বিতর্ক মানস চৌধুরীর এবং আমাদের ব্লগারকূল
২০ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৭
ব্রাত্য রাইসুর সাম্প্রতিক একটি পোস্টকে (অধিকার বিষয়ে ব্লগের বুদ্ধিজীবীরা কী বলেন?) ঘিরে যূথবদ্ধ ব্লগারকূলের সঙ্গে বিতর্ক করলেন মানস চৌধুরী। এর পরিস্কার দুইটা অংশ আছে, রাইসুর উত্থাপিত প্রশ্ন ও মানসের মন্তব্যপরবর্তী ব্লগারকূলের আক্রমণ। কিন্তু এসবের কেন্দ্রে রয়েছে সামহোয়ারইন-এর চিরাচরিত আগুনইস্যু (একমাত্র চলমানও) মুক্তিযুদ্ধ বনাম জামাত-শিবির চক্র। আমার বিশ্লেষণ মোটা দাগে পুরো বিষয়টায় আলো ফেলার চেষ্টা করবে, কিন্তু সবকূল রক্ষা করতে পারবে, এমনটা আগাম দাবি করছে না। মানসকে আক্রমণের একপর্যায়ে আলম ভাই নামক ব্লগার 'মনে হয় ভুল হচ্ছে, মানস আসলে ওরকম নয়, ফাহমিদুল ভাইয়ের মতো বলা যায়' -- এরকম একটা মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছেন। তবে আমার নাম চলে আসাটাই এই পোস্টের পয়দার পেছনের অন্যতম কারণ নয়, বলা দরকার।
প্রথমে ব্রাত্য রাইসুর পোস্ট সম্পর্কে বলি। একাত্তরের রাজাকার জামাত নেতা কামরুজ্জামানের পুত্র ওয়ামীকে ব্যান করা হয়েছে। কারণ তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সভায় উপস্থিত কয়েকজনের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন, এই সংবাদের রেশ ধরে মুক্তিযোদ্ধাদের 'সিংহের (নাকি বাঘের?) মুখোস পরা কুকুর'-এর সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। রাইসু প্রশ্ন তুলেছেন যে ওয়ামীকে কোন নীতিমালায় ব্যান করা হয়েছে? তার দৃষ্টিতে এখানে কর্তৃপক্ষের আচরণ পক্ষপাতমূলক হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের গালি দিলে যদি ব্যান করা যায়, তাহলে অ-মুক্তিযোদ্ধাদের গালি দিলেও ব্যান করা উচিত। অধিকার সমানভাবে বরাদ্দ থাকা উচিত। তবে তিনি স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যান-এর পক্ষে, যদি কর্তৃপক্ষ তা ন্যায্য মনে করে।
এই পোস্টের বিপরীতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যারা আবেগাক্রান্ত এবং জামাতীদের ঘৃণা করেন, তারা রাইসু সাহেবকে আক্রমণ করেছেন, আর মানস চৌধুরী কিছু সমর্থনবাচক মন্তব্য করায় পরবর্তী যাবতীয় আক্রমণ তার দিকে গিয়েছে। মানস চৌধুরী সেই সম্মিলিত আক্রমণ একাই মোকাবেলা করেছেন, রাইসুর সাহায্য ছাড়াই। বলাবাহুল্য আক্রমণটা বরাবরের মতোই পয়েন্টে থাকেনি এবং অশালীন অনেক গালির ময়লা তার প্রতি নিক্ষেপ করা হয়েছে। প্রাসঙ্গিক হোক বা না হোক, রাজাকারসমর্থনকারী কয়েকজন সু শীলের তালিকা তৈরী হয়েছে
১. ব্রাত্য রাইসু
২. মাহবুব মোর্শেদ
৩. মিরাজ
৪. মানস চৌধুরী
প্রেক্ষাপট বর্ণনাটা দীর্ঘ হয়ে গেল। এসব আপনাদের বেশিরভাগেরই জানা। তবু গুছিয়ে বলার চেষ্টা করলাম, নিজের জন্য ও পাঠকের জন্য (যারা জানেন এবং জানেননা)।
ব্রাত্য রাইসু একসময়ের নিয়মিত ব্লগার, আমি যখন রেজিস্ট্রেশন করি, ২০০৭ সালের অক্টোবরে, তার নাম সর্বোচ্চ ব্লগারের লিস্টে শোভা পেত। সেই ফিচারটি এখন নেই। আর আমি ব্লগে নিয়মিত হবার পরেই লক্ষ করি তিনি এখানে অনিয়মিত। নিশ্চয় কোনো কারণ আছে: বিডিনিউজ আর্টসের ব্যস্ততা হতে পারে, ব্লগিং বস্তুটা তার কাছে পানসে হয়ে যেতে পারে বা অন্য কিছুও হতে পারে। গত কয়েক মাসে তার পোস্টের সংখ্যা ৪, ১, ১, ২ ...। এই মার্চ মাসে তিনি ৩টি পোস্ট দিয়েছেন, বিষয় একটাই। তার অধুনাদুর্লভ পোস্টসমূহের মধ্য থেকে যখন তিনটিই থাকে 'মুক্তিযোদ্ধাদের গালি দেবার কারণে রাজাকারপুত্রের ব্যান'-এর যৌক্তিকতাসম্পর্কিত, তখন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অবসেসড ব্লগাররা যে তাকে সন্দেহ করবেন, সেটা আমার কাছে স্বাভাবিক মনে হয়। সন্দেহটা তৈরী হয়েছে আগেই, তার অতি বিখ্যাত ও বিতর্কিত পোস্ট 'রাজাকারপুত্রদের ঘৃণা'সংক্রান্ত একটি পোস্টের কারণে। তাদের দিক থেকে মনে হওয়া স্বাভাবিক যে তাকে তো ইদানীং দেখাই যায়না, ওয়ামীর ব্যান নিয়ে সরব হবার কারণ কী? তিনি কি রাজাকার বা তার পুত্রদের বিষয়ে দরদী? এই জামাতী লোকজনের উস্কানির ফাঁদে পা দিয়ে গালিগালাজ করতে গিয়ে কিছু দিন আগে যখন কিছু ভালো ব্লগার ব্যান হন, তখনই বা তিনি কোথায় ছিলেন?
তবে আমি ব্রাত্য রাইসুকে যেভাবে পাঠ করি, তিনি জাতীয়তাবাদ অপছন্দ করেন। (বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দলের চাইতে অনেক বেশি জাতীয়তাবাদী দল হলো আওয়ামী লীগ, কারণ তাদের নেতৃত্বে যে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন হয়েছিল ষাটের দশকে ও ১৯৭১ সালের যুদ্ধ হয়েছিল, তার ফলেই একটি জাতির [বাঙালি-মুসলমান] জন্ম হয়েছিল। বিএনপির জাতীয়তাবাদ তাত্ত্বিকভাবে খুব সবল নয়)। সেহিসেবে মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক আবেগ জাতীয়তাবাদী, (আওয়ামী লীগার না হয়েও এই আবেগের বশবর্তী হতে পারেন কেউ) তার উগ্ররূপ সামহোয়ারে প্রকটিত। যেকউ এখানে ঢুকলে এরকম ধারণা পাবেন, ইহা এমন একটি পাবলিক ব্লগ যেখানে ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধারা সর্বদা ছাগু তাড়ানোর নাম করে জামাতিদের গালমন্দ করেন। আর (হাতে গোনা) জামাতীরা ঠাণ্ডা মাথায় তাদের অতি রক্ষণশীল মতবাদ প্রচার করতে থাকেন। আমি মোটামুটি নিশ্চিত জনাব রাইসু এই উগ্র জাতীয়তাবাদবিরোধী, যার সাইড ইফেক্ট হিসেবে তাকে জামাতীদের প্রতি দরদী বলে প্রতিভাত হয়। আর বাকি যা ইমেজ, তা ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের দ্বারা গায়ের জোরে প্রতিষ্ঠিত।
এই বলপ্রয়োগ সমানভাবে লক্ষ করা গেছে মাহবুব মোর্শেদের ক্ষেত্রে, মিরাজের ক্ষেত্রে এবং সম্প্রতি মানস চৌধুরীর ক্ষেত্রে। ব্রাত্য রাইসুকে আমি সামান্য চিনি, মাহবুব মোর্শেদকে কখনও চোখে দেখিনি কিন্তু লেখার মাধ্যমে চিনতাম, মিরাজ ঢাবির সহকর্মী হয়েও চিনেছি সামহোয়ারে এসে। কেবল মানস চৌধুরীকে আমি 'ভালমতো' চিনি -- মানে যেরকম পরিচয় থাকলে এরকম দাবি করা যায় সেরকম। তিনি আমাদের 'যোগাযোগ' পত্রিকায় নিয়মিত লেখেন। এদের প্রত্যেকের সু শীল ও জামাতী খেতাব জুটেছে। আমি জানি এরা কেউই জামাতী নন, এদের একমাত্র অপরাধ এরা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অবসেসড নন। ব্রাত্য রাইসু তো বলেইছেন তিনি জাতীয়তাবাদ অপছন্দ করেন, উগ্র জাতীয়তাবাদ যুগে যুগে দেশে দেশে অনেক রক্তপাত, জাতিঘৃণা সৃজন করেছে। সামগ্রিক মানবতাবাদকে করেছে খণ্ডবিখণ্ড।
যেপ্রক্রিয়ায় সামহোয়ারে জামাত/ছাগু খেদানো হয় কাঁঠালপাতার ছবি দিয়ে, তাতে জামাতকে খর্ব করা যায় কিনা তাতে আমার সন্দেহ আছে। জামাতীরা মুক্তিযুদ্ধ, প্রগতিশীলতা, বাঙালিত্বকে অবমাননা করে একের পর এক পোস্ট দেন, আর মুক্তিযোদ্ধারা দেন গালি। আমি খুব কম ব্লগারকে দেখেছি জামাতীদের উদ্ভট আদর্শিক কথাবার্তাকে যুক্তি-তথ্য-ব্যাখ্যা দিয়ে খণ্ডন করতে। এস্কিমো, অমি রহমান পিয়াল, রাশেদ এরকম হাতে গোনা কয়েকজনকে দেখা যায় এই পরিশ্রম করতে। বাকিরা আছেন গালিগালাজের জন্য। এই গালিগালাজের বিরোধিতা করেই মিরাজ হয়েছেন কোপের শিকার (গালিগালাজ সম্পর্কিত মিরাজের পোস্টে আমার কিছু দ্বিমত ছিল, তা আমি তাকে জানিয়েছি)। অথচ ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধাপরাধ সম্পর্কিত পরিশ্রমী লেখা মিরাজের মতো করে কেবল পিয়ালই লেখতে পারেন। মাহবুব মোর্শেদও কর্তৃপক্ষীয় ভাষায় তাদের 'ইরিটেটিং গুণ্ডা' বলে 'শীর্ষ সু শীল' হয়েছেন। অথচ মাহবুবের ব্লগিং-এর যে ডাইভার্সিটি, যেকোনো ইস্যুকে বিশ্লেষণের যে ক্ষমতা, তা কয়জন ব্লগারের আছে?
আমি বিস্মিত হলাম মানস চৌধুরীকে যেভাবে হেনস্তা করা হলো তা দেখে। তার অপরাধ তিনি ব্রাত্য রাইসুকে ডিফেন্ড করে মন্তব্য করা শুরু করেন। অতএব তিনিও জামাত। তিনিও সুশীল। এবং দ্রুত লিস্টি করা হলো। তার ভাগ্যে নাম্বার ৪। তবে তিনি যেভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পাল্টা জবাব দিয়েছেন, তাতেও আমি বিস্মিত। তার ভাষায় 'বিষম তর্কের পাটাতন', তার চুলদাড়ি নিয়ে কমেন্ট করা যাচ্ছে, কিন্তু যারা করছেন তাদের টিকিটি বোঝার উপায় নেই নিকের কারণে (এক হাসিব বা রাশেদ ছাড়া)। আমি বলছি মানস চৌধুরী মোটেই জামাতসংবেদনশীল নন, (তার হিন্দু পরিচয় ভুলে গেলেও), তিনি যদি ব্রাত্যর কোনো কথা সমর্থন করেন তবে, তার পেছনে একটা কারণ না খুঁজে ভিন্ন কোনো কারণ খোঁজার অবকাশ রাখা উচিত ছিল।
ব্রাত্যর ওয়ামীকেন্দ্রিক আপত্তি সন্দেহের জায়গা তৈরি করে (কিন্তু বিশ্বাস করি তিনি মগবাজারপুষ্ট নন)। তবে তার উগ্র জাতীয়তাবাদবিরোধিতা আমি সমর্থন করি। আর সমর্থন করি জামাতীদের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যানের দাবি (সেহিসেবে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকেও)। যদিও এই দাবিটির প্রতি কারও কোনো সমর্থন দেখা গেলনা। ব্যক্তিগতভাবে আমিও আমার আদর্শিক ভাবনা মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে আটকে রাখতে চাইনা। আমি ৪৭-এর দেশবিভাগ, বঙ্গভঙ্গ, ব্রিটিশ শাসন, মুসলমানদের আগমন হয়ে সর্বভারত থেকে সর্ববিশ্বের ঘটনাবলী বুঝতে চাই। আমি এই সময়ে বুঝতে চাই এদেশে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া, বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের তৎপরতার হেতু কী? এই কারণেই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অন্ধ থাকতেও চাইনা আমি। পাকিস্তানীরা বাঙালি নিধন করেছে, রাজাকাররা মিলিটারিদের সহযোগিতা করেছে এটা যেমন সত্যি, আবার বাঙালিরা বিহারী মেরেছে এই সত্যিও বেমালুম ভুলে যেতে চাইনা। তাহলে তো আমাকে পাহাড়িদের কথাও ভুলতে হবে, নারীর অবমাননায় নিশ্চুপ থাকতে হবে, নিম্নবর্গের মানুষকে তাচ্ছিল্য করতে হবে।
আমার মনে হয় সামহোয়ারের ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধাদের দৃষ্টিভঙ্গি আরও প্রসারিত করা দরকার। আমার পর্যবেক্ষণে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এখনও সংকীর্ণ রয়েছে, যে সংকীর্ণতা দাড়ি-টুপি মানেই রাজাকার, মোল্লা এই ভাবনার জন্ম দেয়। অথচ আমি ফরেন প্রেসের মুক্তিযুদ্ধের কাভারেজ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি যে রাজাকার হিসেবে ঐ সময়ে যাদের ছবি ছাপা হয়েছে তাদের অনেকেরই কোনো দাড়ি ছিলনা। পাড়ার মাস্তান টাইপ, বখাটে চেহারা। এধরনের সরলীকরণে ধর্মভীরু সাধারণ মানুষ ধীরে ধীরে জামাতের প্রতি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। আমি 'মাটির ময়না' ছবির কাজী চরিত্রটির কথা এক্ষেত্রে স্মরণ করতে চাই। কাজীরা ব্রিটিশ-হিন্দুদের সম্মিলিত বঞ্চনা এড়াতে পাকিস্তান আন্দোলন করেছিল। তার মধ্যে গলদ ছিল দ্রুত প্রমাণ হয়েছে, কিন্তু সেই পাকিস্তান ছিল তাদের আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন খান খান হয়ে যেতে দেখে তিনি হতাশ হয়েছেন, জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে মানতে পারেননি, কিন্তু তিনি তো রাজাকারদের মতো মুক্তিযুদ্ধবিরোধিতা করেননি। তিনি গোঁড়া ছিলেন, ছেলেকে মাদ্রাসা পাঠিয়েছেন হিন্দুয়ানি প্রভাবমুক্ত রাখতে, কিন্তু তিনি শেষপর্যন্ত রাজাকারি করেননি। মুক্তিযুদ্ধের সময় টুপিওয়ালা এরকম অনেক লোক ছিলেন, কিন্তু আপনি যদি তাকে রাজাকার বলেন, তবে আপনার শত্রুসংখ্যা আরও বাড়লো।
এই পোস্টের পর আমার প্রিয় অনেক ব্লগার যেমন এস্কিমো, রাশেদ, জেনারেল, হাসিব, মুকুলসব আরও অনেকে আমাকে আর আগের মতো দেখবেননা, ভাববেননা জানি; তাদের নির্বাচিত পোস্ট বা লিঙ্ক থেকে আমাকে সরিয়েও ফেলতে পারেন, আমার ভাগ্যে অনেক গালাগালি ও নাম্বার ৫-ও জুটতে পারে। কিন্তু একথাগুলো আমি বলেছি বিশ্বাস করে।
জামাতী মতবাদে যারা বিশ্বাস করেন, তাদের প্রতি অনুরোধ, অকুণ্ঠ সমর্থন বা বাহবা দেবেন না।
প্রকাশ করা হয়েছে: অন্যান্য বিভাগে ।
===========
আমরা ইসলামি মতবাদে বিশ্বাস করি।
সামথিং ইজ বেটার দ্যান নাথিং।
চমতকার লেখাটার জন্য ধইন্যবাদ
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
বিশাল আলোচনার ইচ্ছা রাখি এই পোস্টে । তবে বটমলাইন হলো বিশ্লেষণ ব্যক্তিগত পরিচয় (অথবা ব্যক্তিপাঠ, যেটাই বলেন) ছাপিয়া উঠতে পারেনি ।
লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম।
দস্যু বনহুর বলেছেন:
খুবই গোছানো অকপট লেখার জন্য ++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন:
"আমি জানি এরা কেউই জামাতী নন, এদের একমাত্র অপরাধ এরা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অবসেসড নন। "আপনিও তো মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অবসেসড না, কিন্তু আপনাকে তো কেউ কখনো জামাতী বলে নি।
লেখক বলেছেন: কাউকে দ্রুত জামাতী বলাটায় আপত্তি আছে আমার। একটা রায় দেবার আগে তো সাদাকালে বিচার করলে হবেনা। ধূসর জায়গাগুলোকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
সাগর নীল বলেছেন:
Thanks for a nice post. Everybody should respect the 'Freedom of expression' and that is the beauty of the democracy.
মানস চৌধুরী বলেছেন:
প্রিয় ফাহমিদ, আপনার সময় দিয়ে এই পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। একটা ছোট টীকা ছাড়া আমার আলাদা কিছু বলবার নেই। "মরিয়া" শব্দটা নাছোড়বান্দা অর্থে ব্যবহৃত যেমন হতে পারে তেমনি হতাশ-অনন্যোপায় অর্থেও পারে। দ্বিতীয় অর্থে আপনি করেছেন কিনা আমি নিশ্চিত নই। ক্লিনিক্যাল সংশয় নিয়ে স্পষ্ট করছি। ভার্চুয়াল পরিসর ভার্চুয়ালই। লগ অফ করবার স্বাধীনতা সকলেরই আছে। আমারও ছিল। আমি করিনি। যে ভাষা/প্রত্যয়/লেক্সিক্যাল-মালার মধ্যে সবাই কাজ করছিলেন সেখানে আমার কিছু জায়গা ছিল। যদি জানতে চান সারারাতের পর আমার পরিতাপ আছে কিনা -- নেই। তেমনি কেউ কেউ থাকতে পারেন "পাছামারা"র প্রস্তাব দেবার অধিকারটাও (অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ থাকবার সুবিধা নিয়ে, এবং নিকাবধারী থেকে) তাঁদের রয়েছে বলে মনে করেন। আমি করি না। কেন ব্লগের এসব মুক্তিযোদ্ধাদের ব্লগিং অথরিটির দরকার মিডিয়া বিশ্লেষক হিসেবে আপনি তা অনুভব করেন। আমি কেবল এসব পরিসরের আগামী ব্যবহার নিয়ে অধিকতর আগ্রহী/সংশয়ী। ধন্যবাদ জানবেন।
লেখক বলেছেন: পরিস্কার করেই বলছি, দ্বিতীয় অর্থে 'মরীয়া' ব্যবহার করেছি।
আমিও এসব পরিসরের আগামী ব্যবহার নিয়ে অধিকতর আগ্রহী/সংশয়ী।
আমি ব্যাপকভাবে আশাবাদী ছিলাম, থাকতে চাই।
ক্যাচাল বলেছেন:
রাজাকারসমর্থনকারী কয়েকজন সু শীলের তালিকা তৈরী হয়েছে :১. ব্রাত্য রাইসু
২. মাহবুব মোর্শেদ
৩. মিরাজ
৪. মানস চৌধুরী
ঠিকই আছে। তবে মানস এখনো পুরোপুরি সুশিল হতে পারে নি। তাকে ব্রাত্য রাইসুর চামচামি থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ব্যাক্তিগতভাবে ব্রাত্য রাইসুর সাথে পরিচয় না থাকাতে উনার স্পস্ট অবস্থান সম্পর্কে নিঃসন্দেহ হতে না পারলেও ব্লগে উনার মতামতের ভিত্তিতে উনার অবস্থান সব সময়ই ধোঁয়াটে বলে মনে হয়। ওয়ামী সম্পর্কে উনার দুটো পোস্টেই উনার অবস্থান উনি স্পস্ট না করে কথার মার প্যাঁচে বরাবারই উনি সেটাকে ধোঁয়াটে করেছেন,যার ফলশ্রুতিতে সাধারন আবেগপ্রবন ব্লগারদের ব্যক্তিগত আক্রমনের শিকার উনাকে হতে হয়েছে বরাবর যার প্রতিউত্তর উনিও ব্যক্তিগতভাবেই দিয়েছেন ভাষার মারপ্যাঁচে। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আবেগপ্রবন ও স্পর্শকাতর ব্লগারদের আক্রমন উনার প্রতি সবমসয়ই। উনার ভাষার মার প্যাঁচে ওয়ামীর প্রতি উনার বন্ধুভাব প্রকাশিত হয়েছে যার মাধ্যমে উনি ওয়ামীর ব্যানের কারন জানতে চেয়েছেন, কিন্তু কারনটি উনার মতো মানুষের বোধোগম্য হওয়াটি কি স্বাভাবিক নয় ?
ব্লগে জামাতিরা বাহিরের জামাতিদের মতোই ইসলামকে তাদের প্রয়োজনে অতীতের মতোই ব্যবহার করছে, জামাতকে আক্রমন করতে গিয়ে অনেক ব্লগারই ইসলামকে আক্রমন করছে বাহিরের মতোই। এ বিষয়ে আপনার ব্যাক্ষার সাথে আমি একমত।
গালাগালী ও যুক্তির কথা আপনি বলেছেন। অতীতে অনেকবারই যুক্তি দেয়া হয়েছে। কাজে আসেনি। এ বিষয়ে কি করা যায় বলে আপনি মনে করেন ?
আলোচনা আগাতে থাকুক, চেস্টা করবো অংশগ্রহন করতে।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ওয়ামীকে ব্যান করার পেছনে নীতিমালার সমর্থন আছে। আবার বিজ্ঞ বিচারকরা সবসময় আইনের ধারায় সীমিত থাকেন না। ওয়ামীকে ব্যান করায় আমিও অভিনন্দন জানিয়েছিলাম।
জামাতীরা যদি ঠাণ্ডা মাথায় আপনাকে উত্যক্ত করে, তবে আপনিও উত্তেজিত হবেন কিনা। ইগনোর করাই কি শ্রেয় নয়, যখন যুক্তি কাজে আসেনা?
সামহোয়ারের সব আলোচনা/পোস্ট যদি এখানেই আটকে থাকে তবে এর অস্তিত্ব বা ভবিষ্যত কী দাঁড়াবে?
ডাক্যাইত বলেছেন:
আপনেরে ধন্যবাদ দেওন ছাড়া কিচ্ছু করার নাই। এইটা আমার মত প্রকাশের স্বাধীনতার ব্যাপার। এতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়া অবসেসড ইরিটেটিং গুন্ডারা আপনেরে সুশীল বা রাজাকার বললেও আমার কিছু করার নাই। তাই আবারো বলতেছি ... ধন্যবাদ ... অকুন্ঠ সমর্থন করছি আপনার বক্তব্যকে।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
ক্যাচাল, এই একই আপনাদের প্যাচাল! আপনার পূর্বসূরীরা এইরকম একাধিক তালিকা তৈরি করেছিল। তবে তালিকা তৈরিতে জামাতীরা এখনো আপনাদের থেকে দক্ষ। তাদের তালিকাতে থাকার কৃতিত্ব/অভিজ্ঞতাও আমার আছে। এবং একাধিকবার। ১৯৮৯ থেকে শুরু। আমার ধারণা তখন আপনার জন্ম হয়েছিল। আপনার চামচামি যে করব সেইরকম তো কিছু পাওয়া যায় না আপনার মাথায় .. কী করি আমি! ;-)
ক্যাচাল বলেছেন:
প্রিয় মানস।আমার বয়স ধরতে পারেন নি। আমার জন্ম ১৯৭৭ সালের জানুয়ারী মাসের ২ তারিখ। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কয়েকটা ডিগ্রী আমার আশা করি সেগুলির ধারে কাছে আসতে পারবেন না।
বুঝতে পারছেন?
মানস চৌধুরী বলেছেন:
ফাহমিদ, আমি ভেবে দেখলাম "নাছোড়বান্দা"টাই বরং বেশি সম্মানজনক। ...হুম্। ক্যাম্পাস কালচারে "চামবাজি" বলে একটা শব্দের সঙ্গে পরিচিত। এখন এই "চামবাজি" সংস্কৃতি যেটাকে ধরবে সেটার কপালেই দুঃখ আছে। আল্লাহ না করুন, সেটা মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরেও অতীতে ঘটেছে। ফলে বিস্ময়ের না যে ব্লগাব্লগিতেও ঘটছে। কিছু নারী অংশগ্রহণকারীদের ব্লগে কী অভিজ্ঞতা হচ্ছে আমি একটু ঘুরে ঘুরে দেখলাম। পরিস্থিতি সেই অর্থে বাইরের চলমান "চামবাজি" থেকে ভিন্ন কিছু না। নাছোড়বান্দাই ছিলাম আসলে ... :-)
লেখক বলেছেন: আমি ভেবেছি নিরুপায় ছিলেন আপনি।
রাশেদ বলেছেন:
পড়লাম। যেই চারজনের কথা বলছেন তাদের থেকে আপনাকে অনেক বেশি সন্মান করি, আপনার লেখা ভালো লাগে, আপনার প্রতি আমার শ্রদ্ধা কমার কোন কারন নাই।
লেখক বলেছেন: একজনের কাছ থেকে পাস করলাম। হা হা হা
রাতুল" বলেছেন:
হায়রে ডিগ্রি টুমার কয়টা আচে, আমরে একডা দাও না, টেকা চাই না, পয়সা চাইনা, শুধু ডিগ্রি চাই। হায়রে কপাল ! ক্যাচলের অনেক ডিগ্রি, উনাকে অভিনন্দন জানান সবাই। হাততালি।
ইয়র্কার বলেছেন:
বস, মিরাজকে আমি জামাতি বুদ্ধিজীবী বলেছি, অ্যান্ড আই স্টিল মেইনটেইন দ্যাট। পরের মন্তব্যে আমি কারণ ব্যাখ্যা করছি, আপনার সাথে আলোচনা করা যাবে আমার ব্যাখ্যায় ভুল থাকলে।তার আগে আপনার পোষ্টের দুইটা টার্ম একটু বুঝিয়ে বলেন, ১) মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অবসেসড, ২) ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধা।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অবসেসড বলতে বোঝাতে চেয়েছি, যারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে খুব আবেগপ্রবণ থাকেন।
ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধা মানে এই ভার্চুয়াল ব্লগে যারা মুক্তিযুদ্ধ করেন। মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে জামাতীদের সঙ্গে লড়াই করেন।
মানস চৌধুরী বলেছেন:
কী কাণ্ড! আপনার ডিগ্রি জানতে চাইল কে ক্যাচাল। আপনার বুদ্ধির কারণে বয়সটা আরও নবীন ভেবেছিলাম। তো, এখন তো ভুল ভেঙে গেলে। রাইসুর তো কোনো ডিগ্রিই নাই। তাঁর চামচামি করতে কি আমার বাধছে? আপনার টা নিয়ে ভাবব কেন? নেহায়েৎ অন্যান্য লক্ষণ আর কি ...!!!
রাশেদ বলেছেন:
ইচ্ছে আছে কিছু বলার। দেখি সময় করে বলব। ভার্চুয়াল মুক্তিযোদ্ধা শব্দটায় আপত্তি জানাইলাম।
লেখক বলেছেন: আপত্তিটা জানলাম।
ক্যাচাল বলেছেন:
এইসব নি-বিগ্গান মারকা সাবজেক্ট কে আমরা লিপস্টিক ডিপাটমেন্ট বলেই ডাকতাম। আপনে যে রাইসু+ ওয়ামী এর পক্ষ সাপাই গাইছেন এইডা সবাই দেখছে।
লেখক বলেছেন: আপনার কথাবার্তা কেমন অপ্রকৃতস্থের মতো শোনাচ্ছে। অকারণ অশালীন কথা থাকায় আপনার নিচের একটি কমেন্ট ডিলিট করতে বাধ্য হচ্ছি।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
আপনার এই পোস্টটি দেখে লগ ইন করলাম ! অনেক আলোচণার উপকরণ আছে ।তবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে চেয়ে যারা এখানে লড়ে যাচ্ছেন, তাদের সেই লড়াকু স্টাইলটা,সবার স্টাইলটা আপনার পছন্দ নাও হতে পারে । কিন্তু সবাইকে গড়পড়তা গালিবাজ হিসাবে চিহ্নিত করাটাতে আমার আপত্তি আছে । চরম আপত্তি । বিষয়টির এতো সরলীকরণ করা হয়তো সম্ভব না ।
ভার্চুয়াল রাজাকারদের অপমতকে যুক্তি দিয়ে খন্ডনের চেষ্টা হয়নি, এটাও ঠিক না । অসংখ্য ব্লগার এ-কাজটা করেছেন এবং বিফল হয়েছেন । রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রচারের নিমিত্তি যারা আসে, তাদেরকে বুঝানোতে আপনি অক্ষম হবেন, কারণ সবকিছু বুঝেও তারা অবুঝ । তাদের কাজ তারা চালিয়ে যাবে । সেজন্য হয়তো তারা দলীয় অফিস থেকে 'পুরস্কার'ও পেয়ে থাকে ।
এমন সব উস্কানীমূলক পোস্ট আর কমেন্ট এরা প্রচার করে, যা দেখলে অনেকেরই প্রথমেই গালিটাই মনে আসে । আপনাদের মতো ব্যতিক্রম দু'একজন ছাড়া ।
লেখক বলেছেন: আপনার অবদান এক্ষেত্রে আমার ভুলে যাওয়া ঠিক হয়নি। এরকম আরও কয়েকজন থাকতে পারেন।
যাদের যুক্তি দিয়ে বোঝানো যায়না, তাদের ইগনোর করাই কি ভালো না? কিংবা একযোগে মাইনাস দেয়া?
জেনারেল বলেছেন:
প্রথমতঃ জামাতিদের ব্যান করলেই মাহবুব মোর্শেদ আর রাইসুর গায়ে ফোঁসকা পরে। আর এই ফোঁসকার পানি গলাতে ব্লগে পোষ্ট ছাড়েন। অন্য কোন বিষয়ে এদের কখনও হারিকেন দিয়ে খুঁজে পাওয়া যায় না। একটা কথা বলেছেন, "অথচ মাহবুবের ব্লগিং-এর যে ডাইভার্সিটি, যেকোনো ইস্যুকে বিশ্লেষণের যে ক্ষমতা, তা কয়জন ব্লগারের আছে? " আপনার হয়ত মনে নাই যে দুর্জন বিদ্বান হলেও পরিতাজ্য। মামোর জন্য এর থেকে আর অন্যকিছু বলা যায় না। রাইসুর একই অবস্থা।
আর ছ্যার মানস, ব্লগে আইসাই রাইসুর পক্ষে ঝাপাইয়া পরল কোন কারন ছাড়াই। হুদাই টাইনা নিয়া আসল ধর্মকে। কঠিন কিছু শব্দে এমন কিছু বাক্য লিখলেন যার কোন মানে নাই। বোধকরি, উনিও পরে বুঝতে পারে নাই ঘোরের মধ্যে কি লিখতে কি লিখেছেন। ছ্যার মানস প্রগতিশীল নয়, অতিপ্রগতিশীল। আর শীল নিয়ে উনার আলোচনা থেকে যা বুঝলাম যে উনি বহুত সমোঝদার। এই বেশী সমোঝদারীতেই সমস্যা ।
লেখক বলেছেন: রাইসুর বিষয়টা আমি কীভাবে বুঝি, এই পোস্টে বলেছি। মামোরটা আমার কাছে প্রমাণিত না। আমি যে-ধূসর এলাকার কথা বলেছি, মামো সেইখানে অবস্থান করেন বলে বিশ্বাস করি।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ফাহমিদ ভাই,আমি ব্রাত্য রাইসুর অবস্থানের কথা বলতে চাইছি, আপনার নয়। আপনার অবস্থান সম্পরকে কোন রকম সন্দেহ কেউ প্রকাশ করতে পারবে না। ব্রাত্য রাইসু কোন সময়ই উনার অবস্থান পরিস্কার করেন না।
জামাতিদের বই পত্র পড়ার দূর্ভাগ্য হয়েছে যদিও বইগুলো মন দিয়েই পড়েছি। ব্লগে উস্কানী ও অপ্রচারগুলো ওগুলোর সারসংক্ষেপ। এসব ক্ষেত্রে যুক্তি-প্রমান দিয়ে হাজারবার চেস্টা চালিয়েও লাভ হয়নি, হবেও না। সব সময় আবেগ নিয়য়ন্ত্রন করা আসলে সম্ভব হয় না, এজন্য গালী দিতে না চাইলেও চলে আসে।
হাঁ, এদের ইগনোর করা যায় এবং আজ কাল তা করিও। বিগত কিছুদিন এদের উস্কানীমুলক লেখাগুলো কাজের ফাঁকে ফাঁকে দেখতে পেলেও ইগনোর করেছি।
সামহোয়্যারইনের সবকিছুই এখানে থেমে থাকতে পারে না। এজন্যই মনে হয় ব্লগে তথ্যবহুল ও বিচিত্রধর্মী লেখা কদাচিত চোখে পরে। অন্য সব ব্লগ দেখলে হিংসেই হয়।
তবে ব্লগে এখন যা চলছে তা দূর না করতে পারলে আশার কিছু দেখছি না।
লেখক বলেছেন: রাইসুর বিষয়টা আমি কীভাবে বুঝি, এই পোস্টে বলেছি।
বিচিত্র লেখা চাই। ছাগুতাড়ানি লেখা দেখে ক্লান্ত হয়ে যাই।
নেমেসিস বলেছেন:
পোস্ট পর্যবেক্ষনে রাখল
















তাইলে আমরা যে কী আল্লাহ মালুম...!!
আমাদের ড়াজাকাড়ের পক্ষ থেকে দাবী
========
আমাগো লিগা একটা বধ্যভুমি বানান।
ব্রাশফায়ার কইরা মারেন আমাগো।]
--আর খুন করতে না পারলে আর কী করবেন!
এক কাম করেন।
আমগো পড়াশুনা করতে দিয়েন না। আমগো আবার লেখাপড়া!!?? হাহঃ
চাকরি দিয়েন না। কোটা বানাইয়া রাখেন।
উঠতে বসতে লাথি-ঝাটা-বৈঠার বাড়ি-কিরিচের কোপ-গুলি কইরেন।
এইটাই আমগো প্রাপ্য।
আমগো জন্মেই ভুল আছে। জন্মগত রাজাকার না আমরা!!
আমরা রাজাকাররাতো বাংলাদেশেরই নাগরিক না!