somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধ্বংসযজ্ঞের দুই দিক: বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ, পর্ব ৪৫)

২৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নিউ স্টেটসম্যান, ১৬ জুলাই, ১৯৭১

রেগ প্রেনিটস

[মি. প্রেন্টিস হলেন বর্তমান পরিস্থিতি বুঝতে সম্প্রতি পাকিস্তান ও ভারত সফর করা সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সদস্য।]

আমরা রাওয়লাপিন্ডি ত্যাগ করার আগে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার ব্যক্তিগত নিশ্চয়তা পেয়েছিলাম এইভাবে যে আমরা পূর্ব পাকিস্তানের যেকোনো স্থানে ও যেকোনো কিছু দেখতে পারবো। কিছু পরেই আমাদের কাছে এটা পরিস্কার হয়ে গেল যে আমরা সবকিছুর কত কম দেখতে পারবো। অবশ্যই আমরা যেখানে যেতে চেয়েছি সেখানে যেতে পেরেছি, বেশ কয়েকটি জেলা আমরা সফর করি এবং আমাদের উড্ডয়নকালে নিচু হয়ে গ্রামাঞ্চলও দেখে নিয়েছি। কিন্তু আমাদের একটা গ্রাম দেখতে দেয়া হলো না যেখানে সেনাবাহিনী সম্প্রতি ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে (আমাদের তারা দেখতে দিতে চায়নি তা নয়, কিন্তু যতক্ষণ না আমরা দেখার উৎসাহ হারিয়ে ফেললাম, ততক্ষণ আমাদের নানা টালবাহানায় দেরী করানো হচ্ছিল)। আমরা যেখানে যেতে চেয়েছি সেখানেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু সেগুলো ছিল একেকটি সাজানো সফর। আমাদের সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনীর লোকজন ছিল, আমরা স্থানীয় 'শান্তিকমিটি'-র সঙ্গে কথা বলতে পারলাম এবং সরকারী ভাষ্যই সব জায়গায় পেলাম। আমরা সাধারণ প্রশ্ন করতে গেলে দ্বিধাগ্রস্ত ও ভীত-সন্ত্রস্ত উত্তর পেয়েছি। জনসমক্ষে কেউ প্রকাশ করলো না যে সেনাবাহিনী বাড়াবাড়ি করেছে। বরিশালের একজন স্কুলশিক্ষক বেদনার্তভাবে স্বীকার করলেন যে যুদ্ধ শুরু হবার পর কোনো হিন্দু ছাত্রই স্কুলে ফিরে আসে নি। ঢাকায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা নিরুপায় হয়ে শেষ পর্যন্ত স্বীকার করলেন যে পুলিশ বিভাগে শেষ যে-ব্যাচ ভর্তি হয়েছে তারা সবাই অবাঙালি। সব স্থানে আমরা একটি ভীতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর সাক্ষাৎ পেলাম।

এই ভীতির কারণ পরে আমাদের দলের সবাই জানতে পারলাম যখন আমাদের কাছে লোকজন চুপি চুপি, নিচুস্বরে সবকিছু জানালো। আমাদের সামনে একটি পরিস্কার চিত্র ফুটে উঠলো। আমরা নানা ধরনের লোকজনের কাছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও গোপন তথ্য পেলাম। তারা সবাই একই কথা বললো: সেনাবাহিনী কেবল মার্চ/এপ্রিল সময়েই ব্যাপকভাবে হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতা চালিয়েছে তা নয়, এখনও চালিয়ে যাচ্ছে। খুন নির্যাতন ধর্ষণ বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে ফেলা সবকিছুই এখনও চলছে। একাহিনীর সত্যতা খুব সহজেই পাওয়া যায়, কারণ এসবের কারণেই ভারতে ব্যাপকহারে উদ্বাস্তু গমন করেছে।

দেশটির ওপর দিয়ে হেলিকপ্টারে উড়ে যেতে যেতে আমরা বিধ্বস্ত গ্রাম ও শহর দেখতে পেলাম। অবশ্য সব স্থানেই সবকিছু ধ্বংস হয়েছে এমন নয়। ওপর থেকে সব বোঝা হয়তো যায় না, তবে এমন হয়েছে আমরা কয়েক মাইল ওড়ার পরে হয়তো পর পর কয়েকটি বিধ্বস্ত গ্রাম দেখতে পেলাম। এধরনের সবচেয়ে আক্রান্ত একটা অঞ্চল দেখলাম কুমিল্লা-চট্টগ্রাম রেললাইনের কাছে। সেখানে দু-টো ব্রিজ বিধ্বস্ত উড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু বড়ো যে-ব্রিজটি, সেই ফেনী ব্রিজের দক্ষিণে ৩০ থেকে ৫০টি গ্রাম একেবারে ধ্বংস করা হয়েছে। মনে হয় ব্রিজ উড়িয়ে দেয়ার পাল্টা জবাব দিয়েছে সেনাবাহিনী।

দেশটিতে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে এসেছে, এরকম বহুল প্রচারণা লক্ষ করা গেছে। কিন্তু সত্য তা থেকে বহু দূরে। এমনকি যে-অঞ্চলে মার্চের পর থেকেই সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, সেখানেও অর্থনৈতিক ও সামাজিক জীবন সাংঘাতিকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ভারতে পালিয়ে যাওয়া ছাড়াও শহরের শ্রমিকরা গ্রামে চলে গেছে এবং তারা আর ফিরে যাচ্ছে না। রাস্তাঘাটে খুব কম লোকজন দেখা যায়, অনেক দোকানপাট বন্ধ, যে-সব ফ্যাক্টরিতে তিন শিফটে কাজ হতো, সেখানে এক শিফটে কাজ হচ্ছে -- তাও উপস্থিতির হার খুব কম। চট্টগ্রামের ইস্পাহানি জুট মিলে গিয়ে জানা গেল ৭,০০০ শ্রমিকের মধ্যে ৮০০ জন উপস্থিত রয়েছে। জাহাজঘাটে লোকজন নেই, পরিবহণ চলাচল তেমন নেই, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি কম, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন শিক্ষাবর্ষ পিছিয়ে গেছে। আর সবচেয়ে বড়ো কথা, এ-অঞ্চলে ধানের আবাদ খুবই কম হয়েছে।

ভারতে পালিয়ে যাওয়া উদ্বাস্তুদের সম্পর্কে তাহলে আমাদের কী বলা হলো? ক্ষমতাসীনরা এরকম কিছু ঘটেছে তা অস্বীকার করতে চেয়েছে। আমাদের সফরের সময়ে তারা স্বীকার করেছে কিছু লোক চলে গিয়েছে কিন্তু এর সর্বোচ্চ সংখ্যা হবে ১২ লক্ষ। তারা জানান, সেনাবাহিনী যখন ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি’ নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য গুলি ছুঁড়েছে, তখন ভয় পেয়ে অনেকে পালিয়ে গেছে। এছাড়া বাকিরা ভারতীয় বেতারের প্রচারণায় দিকভ্রান্ত হয়ে দেশ ছেড়েছে। এরপরও উদ্বাস্তুরা দেশে ফিরে আসতে চায়, কিন্তু ভারতীয়রা তাদের ফিরে আসতে বাধা প্রদান করছে। আমরা ফিরে আসা উদ্বাস্তুদের জন্য তৈরী অভ্যর্থনা-কেন্দ্র দেখতে চাইলে আমাদের পশ্চিম সীমান্ত এলাকার চুয়াডাঙার একটি কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলো। প্রতিদিন ৫০০ জনকে অভ্যর্থনা জানাবার জন্য কেন্দ্রটি তৈরী হয়েছিল। কিন্তু চালু হবার পর ১০ দিনে এখানে মাত্র ২২৬ জন উদ্বাস্তু ফিরেছে। আমরা ২০ জনের একটি দলের সঙ্গে দেখা করলাম যারা সেই সকালে ফিরে এসেছে। এদের মধ্যে সবাই নারী ও শিশু। দোভাষীর সাহায্য নিয়ে জানতে পারলাম তাদের সঙ্গের পুরুষদের 'হিন্দু'রা ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। তারা আর বেশি কিছু বলল না এবং বোঝা গেল না কোথায় ব্যাপারটা ঘটেছে, আর এই হিন্দুরাই বা কারা। আমরা গভীরভাবে সন্দিহান হয়ে পড়লাম যে এটা কোনো সাজানো নাটক কিনা। কিন্তু আমাদের নিমন্ত্রণকারী প্রশাসকরা এই উদাহরণাটাই ব্যবহার করে বোঝাতে চাইলেন যে হিন্দুরা উদ্বাস্তুদের দেশে ফিরে না আসার জন্য বলপ্রয়োগ করছে।

চারদিন পরে ভারতে আমরা শরণার্থী-পরিস্থিতি দেখতে পেলাম। এব্যাপারে পাকিস্তানের ভাষ্য বিশ্বাস করার যে সামান্য প্রবৃত্তিও অবশিষ্ট ছিল, প্রকৃত বাস্তবতা দেখে তা নিমিষে উবে গেল। আমরা কলকাতা থেকে ৭০ মাইল উত্তর-পূর্বে বয়রা সীমান্তের দিকে যেতে যেতে রাস্তার উভয় পাশে হাজার হাজার নবাগত উদ্বাস্তুকে কোলাহল করতে দেখলাম। মাইলের পর মাইল জুড়ে সব বয়সের উদ্বাস্তুদের দেখতে পেলাম। তাদের হাতে পোঁটলা ও ঘটিবাটি। ছোট বাচ্চাদের কোলে দেখা গেল কয়েক সপ্তাহ বয়সের শিশুকে। কোনো কোনো মানুষ অসহায়ভাবে গর্তের মধ্যে শুয়ে আছে। উদ্বাস্তুদের সংখ্যা এত বেশি ছিল যে আমাদের বহর রাস্তা ঠেলে যেতেই বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। এভাবেই আমরা যাচ্ছিলাম। প্রতিদিন ভারতে ১০০,০০০ নতুন উদ্বাস্ত এসে পৌঁছছে।

আমরা দু-দিন ধরে শিবিরে, হাসপাতালে, পথিপার্শে উদ্বাস্তুদের সঙ্গে দেখা করলাম। এদের মধ্যে কিছু লোক শিবিরে গাদাগাদি করে আছেÑ ভাগ্যবানরা তাঁবু ও ত্রিপল পেয়েছে বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য। বাকিদের ভাগ্যে কেবল ছনের ছাউনি জুটেছে, তাদের মেঝে কাদায় থিকথিক করছে। কেউ কেউ বন্ধু ও আত্মীয়ের বাসায় উঠেছে, কেউ আবার স্কুল বা অফিস-ভবনে ঠাঁই নিয়েছে। কেউ বড়ো বড়ো নর্দমার পাইপে বাসা বেঁধেছে, কারো সেটুকুও জোটে নি। প্রত্যেক স্থানে আমরা নির্বিচারে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি, সব স্থানে একই উত্তর মিলেছে। সেনাবাহিনী তাদের গ্রামে বা পার্শ্ববর্তী গ্রামে এসেছে। মানুষকে গুলি করে আহত বা নিহত করা হয়েছে, বাড়িঘর ও ফসল পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মেয়েরা ধর্ষিত হয়েছে। সৈন্যরা লুটপাট করেছে অথবা অবাঙালিদের উৎসাহ দিয়েছে (বিশেষত হিন্দুদের সম্পদ) লুট করার জন্য। এসব এখনও চলছে। এজন্যই তারা পালিয়ে এসেছে। তারা ফিরেই আসতে চায়, কিন্তু কেবল তখনই যখন তারা নিরাপদ বোধ করবে; যখন সৈন্য চলে যাবে অথবা মুজিব বলবেন এখন ফিরে যাওয়া নিরাপদ।

কলকাতা থেকে ড্রাইভিং-দূরত্বের মধ্যে একদিন পরিদর্শনের পর আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দূরবর্তী স্থানে উদ্বাস্তু-পরিস্থিতি দেখতে গেলাম। ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় যে-হাসপাতালের ২৪০ জন রোগী ধারণক্ষমতা, সেই হাসপাতালে আহত ও অসুস্থ ৬৪০ জন রোগী ভর্তি হয়ে রয়েছে। রোগীরা বেডসমূহের মধ্যবর্তী স্থানে এবং যেখানে একটু জায়গা পেয়েছে, শুয়ে আছে। ১৫০ জনের শরীরে বুলেট ও বেয়নটের আঘাত রয়েছে। এরা সবাই খুব সম্প্রতি নির্যাতনের শিকার হয়েছে, এদের মধ্যে আবার ৮০ জনই শিশু। ডাক্তাররা ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদান করছেন, উদ্বাস্তুদের মধ্যকার বেশ কিছু ডাক্তার তাদের সাহায্য করছেন। জানা গেল, উদ্বাস্তুদের মধ্যকার ২,০০০ জন ডাক্তার কাজ করছেন।

৭০ লক্ষ উদ্বাস্তুর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে আছে ৫০ লক্ষ শরণার্থী (দুই সপ্তাহের আগের হিসাব এটি)। আর পশ্চিমবঙ্গের সাড়ে ৪ কোটি অধিবাসী এমনিতেই দরিদ্রতম ও জনবহুল। ত্রিপুরার দেড় কোটি অধিবাসীর সঙ্গে উদ্বাস্তু যোগ দিয়েছে ১১ লক্ষ। ত্রিপুরার সমস্যা পশ্চিমবঙ্গের মতো মাত্রাতিরিক্ত জনবহুল হয়ে পড়া নয়, কিন্তু দূরবর্তী স্থানে অবস্থিত হওয়ায় প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহে ব্যাপক অসুবিধা রয়েছে। ত্রিপুরায় সবচেয়ে নিকটবর্তী রেলস্টেশন ১২০ মাইল দূরে অবস্থিত। লাইনের অবস্থাও বেশ খারাপ।

এই দুই রাজ্যেই স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, ডাক্তার এবং নার্সরা সব উদ্বাস্তুকে বাঁচিয়ে রেখে অসম্ভবকে সম্ভব করে চলেছেন। কিন্তু তারা যে যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন তা দিনে দিনে বেড়ে চলেছে। উদ্বাস্তুর সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। দিল্লির এবং বহির্বিশ্বের সহযোগিতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা চলে না, কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম এবং খুবই দেরীতে এসেছে। এর কারণ হলো, ইতোপূর্বে কাউকেই এই আকারের বিপর্যয়ের মোকাবেলা করতে হয় নি। ভারত সরকার এই বিপর্যয় মোকাবেলার ছয় মাসের খরচের একটি হিসাব বহির্বিশ্বকে দিয়েছে। এপর্যন্ত যা বৈদেশিক সাহায্য পাওয়া গেছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক মাত্র। কিন্তু এদিকে উদ্বাস্তুর পরিমাণ বেড়েই চলেছে। আর কয় দফায় ছয় মাসের বৈদেশিক সাহায্য লাগবে তাই বা কে জানে?

উদ্বাস্তুদের বাঁচিয়ে রাখার খরচ যাই হোক না কেন, ভারতকে এসবকিছুর জন্য অনেক মূল্য দিতে হবে। তাৎক্ষণিক মূল্য হলো উদ্বাস্তু-শিবিরের জন্য স্থান ছেড়ে দিতে হয়েছে, অন্যান্য কর্তব্য থেকে জনবলকে এক্ষেত্রে নিয়োজিত করতে হয়েছে, স্থানীয় উন্নয়ন-প্রকল্পসমূহ বন্ধ হয়ে আছে এবং ছাত্রদের স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে। পশ্চিমবঙ্গের মতো দরিদ্র এলাকার জন্য এধরনের অচলাবস্থা যথেষ্ঠ ক্ষতিকর। কিন্তু ভবিষ্যতের হিসেব কী? মাসের পর মাস যে-লোকগুলো বসে বসে খাচ্ছে তাদের কী হবে? দিনে দুই রুপিতে কাজ করা স্থানীয় শ্রমিকদের মনোভাবই বা সেক্ষেত্রে কেমন হবে, যেখানে তারা কাজ করেও পরিবারের সদস্যদের উদ্বাস্তুদের চেয়ে ভালো কিছু খাওয়াতে পারে না? কিন্তু শিবিরের বাইরে উদ্বাস্তুদের কর্মসংস্থানই বা কীভাবে হবে, যেখানে বেকারত্ব একটা বিরাট সমস্যা? তাদের কি প্রতিদিনের ঐ দুই রুপিতে ভাগ বসাতে হবে না? স্থানীয় লোকজন যথেষ্ট সহানুভূতি ও দয়া দেখাচ্ছে। কিন্তু তা কতদিন পর্যন্ত থাকবে, পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে কি এটা বজায় থাকবে? অবনমিত পরিস্থিতিতে কি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হবার সম্ভাবনা নেই? পশ্চিমবঙ্গের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিই বা কী দাঁড়াবে, যখন আরও একটি রাজ্য-সরকারের পতনের পর এখানে দিল্লির শাসন চলছে?

আমি এই উপলব্ধি নিয়ে ফিরে এসেছি যে গত কয়েক মাসের মর্মান্তিক পরিস্থিতি উভয় দেশের জন্য ভবিষ্যতে ভয়াবহ ফলাফল নিয়ে আসবে। এটা এড়ানো যেতে পারে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের জন্য একটি রাজনৈতিক সমাধান আনা গেলে। তবে সময় এখন আর কারও পক্ষেই নেই।
৯টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকাল

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫১



আজকাল আমার মনে হয় -
আমাকে কেউ পছন্দ করে না,
কারো কাছে গেলে, সে বিরক্ত হয়।
পোশাক অগোছালো, এলোমেলো চুল,
চোখের দৃষ্টি কেমন ঘোলাটে!
বীরত্ব দেখানোর কিছু নেই।
চতুর পুরুষ স্ত্রীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে ৯টি বছরঃ একজন লিলিপুটিয়ান থেকে সত্যিকার ব্লগার হয়ে উঠার গল্প

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২৮

আজ আমার ৩য় বইয়ের জন্য চুক্তি করতে প্রকাশক আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। প্রকাশনা সংস্থা 'উত্তরণ'-এর মাসুদ ভাইয়ের বাংলাবাজারের অফিসে ঘণ্টাখানেক ছিলাম। তাঁর সাথে কথা বলতে বলতেই আমার মনে একটি বোধোদয় আসে! আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×