আমার প্রিয় পোস্ট

মাধ্যম ও সংস্কৃতি অধ্যয়নের পাঠশালা। সঙ্গে সাহিত্যের সুবাস ...

ইউটিউবে আপনারা কি মাস্টারপিস সিনেমাগুলো দেখেন?

১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমি দেখি, এবং ইউটিউবের প্রতি এজন্য আমি কৃতজ্ঞ। কৃতজ্ঞ সেইসব ইউটিউব আপলোডারদের প্রতিও, যারা এগুলো আপলোড করে রেখেছেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ সব পরিচালকের গুরুত্বপূর্ণ সব ছবি দেখার সাধ খানিকটা পূর্ণ হবার পরও দেখি অপূর্ণতা যাবার নয়। ছাত্রজীবনে ক্লাসিক বা মডার্ন ক্লাসিক সব সিনেমা দেখতাম ঢাকার ফিল্ম সোসাইটিগুলোর নানা আয়োজনে হাজির হয়ে। সিনেমা নিয়ে একটু-আধটু পড়াশুনার পাশাপাশি কোনো কোনো সিনেমা দেখে দিউয়ানা হয়ে যাবার মতো অবস্থা হতো তখন। দু-চারদিন কিংবা সপ্তাহ ধরে একেকটি সিনেমার অনুরণন চলতে থাকে নিউরনে। পরে ডিভিডি সার্কিটে সেইসব নানান দেশের (বিশেষত মার্কিন ও ভারতীয় ছবির বাইরের) ছবি সহজলভ্য হলে উদ্বেলিত হই, প্রতি মাসে ৮০ বা ১০০ টাকায় একটি দু-টি ছবি সংগ্রহ করতে থাকি। বাড়তে থাকে নিজস্ব সংগ্রহ, গড়ে উঠতে থাকে ক্ষুদ্র অডিওভিস্যুয়াল লাইব্রেরি। একেকটি মণিমানিক্য যোগাড় করতে থাকি, যা নেড়েচেড়ে দেখার আনন্দই আলাদা। এইতো সেদিন এক জাপানি মেয়ে আমার সংগ্রহ থেকে আকিরা কুরোসাওয়ার কিছু ছবি ধার নিয়ে গেল। জাপানিকে জাপানি সিনেমা ধার দেবার যে আনন্দ, সেটাও বা কম কি!

কিন্তু অনেক সিনেমাই তো দেখা হয়নি। নাম শুনেছি, কাহিনী জেনেছি, কিন্তু কোথাও পাইনা, বা বাজারে থাকার পরেও কেনা হয়নি। ইউটিউবে একসময় এটা ওটা সার্চ দেয়া শুরু করলাম। প্রায় সব ছবিরই অন্তঃত ট্রেলার পাওয়া যায়। কিন্তু তাতে তো চলবে না, মন ভরবে না। এরপর পদ্ধতিগতভাবে সার্চ দেয়া শুরু করলাম। ধরুন চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বারংবার পড়েছি, এমনকি পড়িয়েছি, কিন্তু দেখার সৌভাগ্য হয়নি -- কারণ এগুলো বাজারে যেমন পাওয়া যায়না, কারও সংগ্রহে আছে এমনও শুনিনি -- এরকম ছবি খোঁজা শুরু করলাম। এভাবে ধরে ধরে সার্চ দিয়ে দেখলাম। বিস্ময়ের পালা শুরু হলো। পেয়ে গেলাম বিশের দশকের বিখ্যাত জার্মান এক্সপ্রেশনিস্ট ছবি 'দি কেবিনেট অব ড. ক্যালিগরি' (১৯২০, পরিচালক রবার্ট ভাইন)। আর পেয়ে গেলাম চার্লস চ্যাপলিনের 'মডার্ন টাইমস' (এই ছবিটা ঢাকার বাজারে পাইনি, মালয়েশিয়ার বাজারেও নেই)। 'ক্যালিগরি' ছবিতে বিকৃতমস্তিষ্ক ডাক্তার ক্যালিগরির একজন বিশ্বস্ত একজন স্লিপওয়াকার, সিজার আছে, যে ক্যালিগরির কথামতো বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করে থাকে। 'মডার্ন টাইমস' ছবিতে চ্যাপলিন শিল্পসভ্যতা বা যান্ত্রিক সভ্যতাকে তীব্র ব্যাঙ্গ করেছেন। এখানে চ্যাপলিন হলো এক ইন্ডাস্ট্রির এমন একজন শ্রমিক যার কাজ কেবল একজায়গায় দাঁড়িয়ে রেঞ্জ হাতে বেল্টে আসতে থাকা সব নাট-বল্টু টাইট করা। এটা ক্রমাগত করতে করতে তার এমন অবস্থা হয় যে তার মানবসত্ত্বাকে যন্ত্র গ্রাস করে ফেলে। সে নাটসদৃশ কিছু দেখলেই তা টাইট দিতে চায় (যেমন এক মেয়ের জামায় বড়ো বড়ো বোতাম সে একবার টাইট দিতে যায়)। দারুন চলচ্চিত্র।

এরপর একে একে দেখলাম:

১. 'গুডফেলাস' (১৯৯০), পরিচালক মার্টিন স্করসিস। স্করসিস আমার প্রিয় পরিচালক, কিন্তু এই ছবিটি আমার ভালো লাগেনি। ছবিটি অস্কারে বেশ কয়েকটি নমিনেশন পায়। একজন অপরাধী হেনরী ও তার দু’জন সঙ্গীর কাহিনী এই ছবিটি। স্করসিসের ছবি মানেই রবার্ট ডি নিরো, তবে এখানে তিনি মূল চরিত্রে নেই।
২. 'ডেইজ অব বিয়িং ওয়াইল্ড' (১৯৯০) এবং 'ইন দ্যা মুড ফর লাভ' (২০০০), পরিচালক ওং কার ওয়াই। হংকংয়ের বিখ্যাত এই পরিচালকের ২০৪৬ আমার সংগ্রহে ছিল আগেই। এই তিনটি ছবি মিলে আবার একটি ট্রিলজি। সত্তর দশকের হংকংয়ের তারুণ্য, তাদের নাগরিক বিচ্ছিন্নতা, নৈতিকতার সঙ্কট -- এইসব এই ট্রিলজির কমন থিম। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ছবিতে আছেন হংকংয়ের আর্ট ফিল্মের বিখ্যাত অভিনেতা টনি লেয়ুং।
৩. 'অন্তরমহল' (২০০৫), পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ। ঋতুপর্ণের এই ছবিটির নাম তেমন উচ্চরিত হয়না। কিন্তু এর কাহিনী দেখে আমি হতবাক। ব্রিটিশ আমলের নিঃসন্তান এক জমিদার পুত্রসন্তান ও রায়বাহাদুর খেতাবের জন্য কোথায় নামতে পারে, তা দেখানো হয়েছে ছবিটিতে। স্বাভাবিকভাবেই তার এই দুই খেয়ালের শিকার তার দুই স্ত্রী। বড়ো স্ত্রী ব্রাহ্মণ্যবাদেরও শিকার হয়। জমিদারের চরিত্রে আছেন জ্যাকি স্রফ আর দুই স্ত্রীর চরিত্রে আছেন রূপা গাঙ্গুলী ও সোহা আলী খান। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন অভিষেক বচ্চন।
৪. 'চরাচর' (১৯৯৩), পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। তাকে বলা হয় সত্যজিৎ পরবর্তী সময়ের নির্মাতাদের মধ্যে সত্যজিতের সবচাইতে কাছাকাছি। 'তাহাদের কথা' (১৯৯২), 'উত্তরা' (২০০০), 'নিম অন্নপূর্ণা' (১৯৭৯), 'মন্দ মেয়ের উপাখ্যান' (২০০২) ইত্যাদি আগেই দেখা ছিল। চরাচরের নাম অনেক শুনেছি, এইবেলা দেখলাম। গ্রামের যুবক লখাইয়ের পেশা পাখি ধরা ও তা বিক্রি করা। কিন্তু তার পাখিপ্রীতি তার পেশাগত উন্নয়নে বাধাস্বরূপ। সে পাখি ধরে আর ছেড়ে দেয়। স্ত্রী এজন্য উঠতি ব্যবসায়ী যুবকের সঙ্গে প্রেম করে, শরীরের বিনিময়ে টাকাপয়সা এনে সংসার চালায়, একসময় ভেগেও যায়। লখাইয়ের এই অতি পাখিপ্রীতি তার চরিত্রের মধ্য দিয়ে ন্যাচারালি আসেনি, এই রোমান্টিসিজম পরিচালকের এবং তা এক পর্যায়ে আরোপিত মনে হয়েছে। লখাই চরিত্রে আছেন রজত কাপুর এবং স্ত্রীর চরিত্রে লাবণী সরকার। বলা যায় ছবিটা বুদ্ধদেবের অনান্য ছবির তুলনায় তত ভালো লাগেনি।
৫. 'এ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ' (১৯৭১), পরিচালক স্ট্যানলি কুব্রিক। কুব্রিক আমেরিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিচালকদের একজন। তার সবচাইতে বিখ্যাত '২০০১: আ স্পেস অডিসি' (১৯৬৮) দেখেছিলাম। তার দ্বিতীয় বিখ্যাত ছবি 'এ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ' (এজন দায়িত্বশীল মানুষ) ইউটিউবেই দেখলাম। লন্ডনের এক বিপথগামী তরুণের কাহিনী এটি, যে তার তিন বন্ধুকে নিয়ে সন্ধ্যার পরে নানা 'আকাম' করে বেড়ায় -- ভবঘুরেকে পেটায়, ধর্ষণোদ্যত পোলাপানকে খেদায় এবং নিজেও ধর্ষণ করে, খুন করে। অন্যদিকে সে আবার বিটোভেনের সিম্ফনির ভক্ত। একপর্যায়ে সে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হয়। জেলে তার ওপরে নানা সংশোধনী কার্যক্রম চলে। একটি বিশেষ পদ্ধতির সংশোধনী কার্যক্রম তার ওপরে সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়, একপর্যায়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। সংশোধিত হয়ে সে সমাজে স্বাভাবিকভাবে চলতে চায়, কিন্তু তার শিকার হয়েছিল যে যে মানুষ, এবার তারা তাকে তাড়া করতে থাকে। এই ছবিটার বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডে ব্যাপক সমালোচনা হয়, কুব্রিক একপর্যায়ে প্রদর্শনী বন্ধ করে দেন। বিখ্যাত চিত্রসমালোচক রজার এবার্ট ছবিটিকে পাঁচের মধ্যে দুই রেটিং দিয়েছেন। তার ভাষায়, ইটস এন ইডিওলজিকাল মেস।

হয়তো খুব অপ্রাসঙ্গিক নয়, তাই বলি, আমেরিকায় গ্যাংস্টার/অপরাধ জঁরার অনেক ছবিই নির্মিত হয়েছে এবং তাদের মধ্যে বেশ কয়েকটি খুব বিখ্যাতও হয়েছে। কিন্তু এগুলোর বেশিরভাগই আমার ভালো লাগেনা/লাগেনি (যেমন এখানে আলোচিত 'গুডফেলাস' বা 'এ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ')। তবে খুব ভালো লেগেছিল ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলার 'গডফাদার' ১,২,৩ (১৯৭২, ১৯৭৪, ১৯৭০), স্করসিসের 'ট্যাক্সি ড্রাইভার' (১৯৭৬) ও তারান্তিনোর 'পাল্প ফিকশন' (১৯৯৪)। পশ্চিমের নাগরিক বিচ্ছিন্নতা বা নৈতিক সঙ্কট জঁরার ছবিগুলোও আমাকে মুগ্ধ করেনা। হয়তো আমাদের মানসিক গড়ন অপশ্চিমা বলেই, ওই সংস্কৃতি হজম করতে কষ্ট হয়। মানে সিনেমা দেখার পর মনে প্রশান্তি আসেনা, অস্বস্তিকর অনুভূতি তাড়া করে। গদারের 'ব্রেথলেস' (১৯৬০) বা ফেলিনির 'লা ডলচে ভিটা' (১৯৬০) তাই আমার মন হরণ করতে পারেনা। একই ধাঁচের হংকঙের ছবি 'ডেইজ অব বিয়িং ওয়াইল্ড' তাই অস্বস্তিকর, অথচ একই পরিচালকের ২০৪৬ ভালো লাগে। এই ছবিতে নৈতিক/যৌন অস্থিরতার পাশাপাশি সায়েন্স ফিকশনের চমৎকার ব্যবহার ছবিটিতে ভিন্ন মাত্রা এনে দেয়।

খুঁজতে খুঁজতে আরও অনেক নামকরা-অথচ-অদেখা ছবি ইউটিউবে পেয়ে যাবো আশা করি। ভালো লাগুক বা না লাগুক, অতি বিখ্যাত এইসব ছবিগুলো যাদের দেখার ইচ্ছে আছে/ছিল তারা ইউটিউব থেকে এগুলো দেখে নিতে পারেন। যা আমার ভালো লাগেনি, তা আপনার খুব ভালো লাগতেও পারে। কারণ প্রচুর মানুষের এইসব ছবি ভালো লেগেছে বলেই ছবিগুলো এত বিখ্যাত হয়েছে।

বলা দরকার পুরো ছবি সাধারণত কয়েকটি পার্ট-এ ভাগ করা থাকে। এই ছবিগুলোর সার্চ দিন এবং পার্ট ১ থেকে দেখা শুরু করুন। ভালো হেডফোন বা সাউন্ডবক্স ব্যবহার করুন, সাউন্ড ইফেক্টের জন্য। এনজয়!

 

প্রকাশ করা হয়েছে: চলচ্চিত্র  বিভাগে ।

 

  • ৬৬ টি মন্তব্য
  • ৭৪৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৭ জনের ভাল লেগেছে, ৩ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৭
comment by: ক্যালী বলেছেন: পোষ্ট পরে কিছু ভাল ছবির তালিকা পেলাম।
সেগুলো দেখার ইচ্ছা রইল।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: হুমম। আরও আছে, নজরে পড়েছিল, হয়তো আমার ইতোমধ্যে দেখা বলে মনে রাখি নাই।

২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৭
comment by: ক্যালী বলেছেন: পড়ে*
৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৮
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফাহমিদুল ভাই ।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও।

৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৯
comment by: তানজু রাহমান বলেছেন: য়ুট্যুবে দেখতে ভালো লাগে। আবার অন্যান্য ওয়েবসাইটেও দেখতে ভালো লাগে। veoh.com এর প্রিন্ট খুব ভালো। যদিও veohtv ইন্স্টল করা লাগে। তবে ভালো স্পীডি নেট সংযোজন থাকলে সমস্যা হয় না।
ভালো লেগেছে লেখাটা।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: veoh.com ট্রাই করবো। ধন্যবাদ সন্ধান দেবার জন্য।

১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: আমি মালয়েশিয়া থেকে ব্লগিং করছি। বলছে মালয়েশিয়ায় ভেয়হ নো লঙ্গার এভেইলেবল ইন মালয়েশিয়া।

৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২১
comment by: নাভদ বলেছেন:
দু:খিত, অন্তর মহল মোটেও ভালো লাগে নাই। ছবিটির চিত্রায়ন নোংরা বলে মনে হয়েছে।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে। কিন্তু আমার মনে হয়েছে ঐ 'নোংরামি' দিয়ে চূড়ান্ত আঘাতটা করতে পারা গেছে।

৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৪
comment by: আবু সালেহ বলেছেন: দেখার ইচ্ছে থাকে কিন্তু সময় যে হয়ে উঠে না...
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: সেটা একটা সমস্যা বটে। সিনেপাগল হয়ে যান, সময় হয়ে যাবে।

৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৫
comment by: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: ভালো সংবাদ দিলেন। আরও কিছু ছবির নাম দেন যেগুলো দেখা দরকার। ধন্যবাদ।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: আরও কিছু দেখেছিলাম পাওয়া যায়, কিন্তু হয়তো ইতোমধ্যে দেখা হবার কারণে নাম মনে রাখি নাই। আপনি নিজেও খুঁজে দেখতে পারেন। হিন্দি বাংলা ভাষারও অনেক ছবি পুরোটাই পাওয়া যায়।

৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: থ্যাঙ্কস আপনাকে।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও।

৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩০
comment by: আরিফ থেকে আনা বলেছেন: দেখার চেষ্টা করব, ধন্যবাদ ফাহমিদুল ভ্রাতা :)
১০. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩১
comment by: বাফড়া বলেছেন: ফাহমিদ ভাই, নেটে ছবি দেখার জন্য http://www.watch-movies.net এই সাইট টি ইউঝ করতে পারেন। আমার দেখা বেস্ট সাইট। এদের সবচে বড় সুবিধা হল ভিডিও যে সাইটে হোস্ট করা সেটা ভাল কি না তা লিংকের নিচে লেখা থাকে। যেমন বলা থাকে 74 percent said bad
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: বাহ, নতুন নতুন কিছু ওয়েব এড্রেস পাওয়া যাচ্ছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩১
comment by: তানজু রাহমান বলেছেন: আমি দুঃখিত, আমার ধারনা ছিল না।
তবে সময় পেলে 66stage.com/zoox.net দেখতে পারেন। খুব ভালো ছবি হয়তো কম কিন্তু একটা দুটো ভালো ছবি পেতে পারেন।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ।

১২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩২
comment by: নাভদ বলেছেন: লেখক বলেছেন: ঠিকাছে। কিন্তু আমার মনে হয়েছে ঐ 'নোংরামি' দিয়ে চূড়ান্ত আঘাতটা করতে পারা গেছে।
-----------------------------------------------------------

বক্তব্যধর্মী এই টাইপ সিনেমাগুলো তাদেরই ভালো লাগবে যারা চিন্তাশীল। সো এই চিন্তাশীল মানুষদের জন্য এতটা ভালগার দৃশ্য না দিলেও বোধহয় হত। যদিও জানি 'ভালগার' এর কোন ইউনিভার্সাল স্ট্যান্ডর্ড নেই। আমার কাছে যা ভালগার মনে হয়েছে অন্য কেউ হয়তো বলবেন 'সেটা শিল্পের প্রয়োজনে এসেছে।'
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: এইবার আরও ঠিকাছে।

১৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৯
comment by: লাল দরজা বলেছেন: মাইরি, দাদা কত জানেনগো/ দাদা কত দেখেনগো! :)
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: দাদা এইটা কী কইলেন? পোস্টটা উঠায়ে নেব?

১৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪১
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: দেশে থাকতে দেখতাম..এখন হাই কোয়ালিটির নানা সাইট থেকে দেখি..

ইউটিউবে পুরান বাংলা ছবির এক বিশাল কালেকশন ছিল স্ম্যাশহিট নামক এক আইডির, সম্প্রতি ব্যান হয়েছে সেটা..অনলাইন এ ধরনের কালেকশন আর কোথাও নেই
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: স্ম্যাশ হিট মনে হয় আলাদা সাইট হিসেবে আছে। একদিন কেমনে কেমনে পেয়েছিলাম, সন্দ্বীপের বোম্বাইয়ের বোম্বেটে দেখে ফেললাম। প্রিন্ট মহা ভালো।

১৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৩
comment by: বাফড়া বলেছেন: ইউ আর ওয়েলকাম। তবে সত্তি কথা হল মুভি দেখার জন্য আমার সোনার বাংলা টাই স্বর্গ। আমি যখন লন্ডন আসি তখন ভাবলাম যাহ, এইবার মুভি দেখে ফাটায়ে দিব। যতসব পুরনো ছবি সব দেখে ফেলব। কিন্তু এসে দেখি ঘটনা উল্টো। এখানে পুরনো মুভির ডিভিডি হে হে। আর তাছাড়া দাম ও মারাত্মক... শুরু হয় ৬.৯৯ পাউন্ড থেকে।

তারচেয়ে বরং বাংলাদেশে বসে ১০০ টাকায় মুভি দেখার মজাই আলাদা। আর আপনি যেহেতু কপিলেফটের পক্ষে তাই পাইরেটেড মুভি দেখায় গিল্টি ফিলিং ও হইল না ;)
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন। কপিরাইটের কড়াকড়ি আমাদের দেশে থাকলে এতগুলা ছবি দেখা-কেনা সম্ভব হতো বলেন? ইউটিউবেও বা এগুলো আসতো কীভাবে।
মালয়েশিয়ায় দেখছি এরা পাইরেসিকেও একটা শিল্পে পরিণত করেছে। এখান থেকেই সম্ভবত পাইরেটেড ডিভিডি বাংলাদেশে যায় মাস্টারপ্রিন্ট হিসেবে এবং আরও অনেক কপি হয়। তবে এদের হাতে টাকা থাকায় কপিরাইটেড জিনিসও ভালো বিক্রি হয়।

কপিলেফট জিন্দাবাদ।

১৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
comment by: লাল দরজা বলেছেন: ধুর অ, একটু এম্নি এম্নি ও কিছু কইতে পারুমনা! আপনের লগে কথা-স্বাক্ষাত নাই সেই কতদিন যাবত, তাই ভাবলাম কিছু একটু লিখি। আমার কথায় মোটেও মাইন্ড খাওয়া চলবে না আপনার। আমি আপনার নিয়মিত পাঠক নই বটে তবে নিঃসন্দেহে একজন নিয়মিত সমজদার। শুভেচ্ছা রাইখা গেলাম, দোয়া রাইখেন দীর্ঘ্য দিনের জন্য দেশে অবস্থানের নিমিত্তে এক মাস আগে ঢাকা শহরে ফাকা হাতে নাজেল হইয়াছি :) বাকী ইশ্বরের কৃপা।
১৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৯
comment by: ফাহমিদুল হক বলেছেন: ও তাহলে আপনি এখন দেশে থাকবেন? পরিকল্পনা জানান। সিনেপ্রজেক্ট? অভাগা দেশে কোন পেশাতেই বা বলবৎ থাকিবেন?
১৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩০
comment by: লাল দরজা বলেছেন: কি করবো জানি না, বহুত দিন ধইরা ঘ্যানর ঘ্যানর করতে ছিলাম, এইবার বৌ কইল যাও ভাইগা যাও। পারলে কিছু ছিড় গিয়া। তাই সব ছাইড়া ছুইড়া চইলা আইছি। আপাতত নিজের চুল ছেড়া ছাড়া আর কিছু করছি না। দোয়া রাইখেন। :)
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: তার মানে এই ছেঁড়াছেঁড়ির সময় বৌ পাশে নেই? ভালোই, এবার নিজের মতো করে কিছু ছেঁড়েন।
দোয়া করি ছেঁড়াছেঁড়িতে সফল হউন।

২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: টিভির জন্য ঠোঙা নাটক ছেঁড়া শুরু করতে পারেন। স্ক্রিপ্ট লাগলে আওয়াজ দিয়েন।

১৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২০
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ফাহমিদ ভাই,আমার হার্ডডিস্কে মডার্ন টাইমস্‌ কপি করা ছিলো।আপনি এবং আমি একই
সাথে ঢাকায় অবস্থান করলে আপনাকে দিতে পারতাম।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৪২

লেখক বলেছেন: ওহ, ধন্যবাদ।

২০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৪৯
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সিনেমাউইকি নামের একটি সাইট আছে যেখানে প্রচুর ফিল্ম দেখার ব্যবস্থা আছে। বলা যায় সব ফিল্মই এখানে পাবেন। ঢু মেরে দেখতে পারেন। এছাড়াও আরও কটা সাইট আছে যারা ভাল মানের প্রিন্ট দেয় এবং বিনামুল্যে।
২১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৫১
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: চমৎকার একটা সাইট দেই। আশা করি এটার পর আর কোন সাইট খোজা লাগবে না ফিল্ম দেখার জন্য, তা সে যে ভাষারই হোক।
http://www.ovguide.com
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:১০

লেখক বলেছেন: দারুণ তো! অনেক অনেক ধন্যবাদ। এই পোস্ট দিয়ে দেখি অনেক বোনাস পাচ্ছি। ওভিগাইড নেটের ফেভারিট লিঙ্কে নিয়ে নিয়েছি।

২২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:১৭
comment by: অনিন্দিতা ০১ বলেছেন: অনেক কাজে লাগবে ধন্যবাদ
২৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:২১
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আমি ৫০০ ফিল্ম ডাউনলোডের টার্গেট নিয়েছি। সবই ডিভিডি প্রিন্টের। নেট কানেকশনে ডাউনলোড লিমিট আছে। একেকটা মুভি প্রায় ৭০০ মেগা থেকে ১.৫ গিগা। তাই আপাতত ওভিগাইডে সার্চ দিয়ে লোকেশন বের করে ফেবারিট করে রাখছি। পরে এক এক করে ডাউনলোড করছি। বেশ ভাল একটা কালেকশন হয়ে যাবে। দেশের নেট লাইনে তো ১.৫ গিগা মুভি ডাউনলোড চিন্তা করাটা দুস্কর।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন: ভালো পরামর্শ। আবারও ধন্যবাদ।

২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৩০

লেখক বলেছেন: ভালো পরামর্শ। আবারও ধন্যবাদ।

২৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৪২
comment by: নুশেরা বলেছেন: ইউটিউবে কিছু ফিল্ম তৈরির পিছনের গল্প নিয়ে বানানো ডকুমেন্টারিও আপলোডেড আছে। "বেন্ড ইট লাইক বেকহ্যাম" নিয়ে বিবিসির করা ডকুমেন্টারিটি উপভোগ্য লেগেছিল।

Streaming Movie দেখার জন্য নীচের সাইটগুলো নাকি অসাধারণ:
1. http://www.bedroommedia.com
2. http://joox.net/
3. http://www.messagefromme.com/

প্রথম সাইটটিতে সব ছবি; ২ আর ৩ নং এ হাই কোয়ালিটি মুভি।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: লিঙ্কগুলোর জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪১
comment by: ঘাসফুল বলেছেন: http://www.watch-movies.net
আমার কাছে ভালৈ রাগে :)
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: পাল্প ফিকশনটা দুর্দান্ত,টারান্টিনোর অনেক দিক থেকে মাকড়সার জালের মত এনে একজায়গায় মেলানোর কায়দাটা অদ্ভুত লাগে আমার। ঐ একই বছর ফরেস্ট গাম্প আর শশ্যাংক রিডেম্পশান বের হয়েছিল,এতগুলো ভাল মুভি একই বছরে বের হওয়া ঠিক কিনা কে জানে!
ইউটিউবে মুভিগুলোর প্রিন্ট কেমন একটু জানাবেন?
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: কিছু প্রিন্ট বেশ ভালো।

২৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৭
comment by: লাল দরজা বলেছেন: ভাইজান আওয়াজ দিলাম :) ইমেইল কইরেন
২৮. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: ইউটিউব ঘাটাঘাটি সম্ভব হয় না। কারণ দেশে নেট স্পীড কম। দেশেও হাইস্পীড লাইন অনেক জায়গায় দেখেছি। তারা কিন্তু অনেক পয়সা প্রতিমাসে খরচ করে। ধন্যবাদ লেখাটির জন্য...
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩১

লেখক বলেছেন: স্পিডবিট সফটওয়্যারটা ওয়েব থেকে ডাউনলোড করে নিলে ইউটিউব খানিকটা ভালো চলে।

২৯. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৫৮
comment by: দূরন্ত বলেছেন: ভালো লাগলো।
প্রিয় পোস্টে রাখলাম।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩০. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩২
comment by: মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: বলা দরকার পুরো ছবি সাধারণত কয়েকটি পার্ট-এ ভাগ করা থাকে। এই ছবিগুলোর সার্চ দিন এবং পার্ট ১ থেকে দেখা শুরু করুন। ভালো হেডফোন বা সাউন্ডবক্স ব্যবহার করুন, সাউন্ড ইফেক্টের জন্য। এনজয়!-এটাই আসলে ইউটিউবে দেখতে গেলে একটা সমস্যা,বারবার সিলেক্ট করতে হয়।

যাহোক,যে ফিল্মগুলোর কথা বললেন সেগুলোর লিংক দিলে উপকৃত হতাম।

ধন্যবাদ।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩২

লেখক বলেছেন: লিংক এজন্য দিইনি যে, ছবিটার নাম লিখে এন্টার দিলেই তো লিঙ্ক চলে আসে।
আপনাকেও ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: আর আমার উল্লেখ করা ছবিতেই যে আপনি কেবল আগ্রহী হবেন, এমন মনে করিনি। আপনার প্রিয় বা অদেখা যেকোনো ছবির নাম দিয়েই দেখতে পারেন। সব নাও পেতে পারেন তবে অনেকগুলোই পাওয়া যায়।

৩১. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৮
comment by: শাহারিয়ার আহমেদ বলেছেন: ভাই, ডা:লো: দিলে ১০ ঘন্টা আর দেখতে গেলে এবার লোড দিয়ে দো মানে ১১ ঘন্টা। দেখমু কেমনে?
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৯

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ভাই, এটা বলা দরকার ছিল যে, নিটস্পিড ভালো থাকলেই কেবল এগুলো দেখা যাবে।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৯

লেখক বলেছেন: নিটস্পিড=নেটস্পিড

৩২. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪১
comment by: শাহারিয়ার আহমেদ বলেছেন: একবার*, দেখা* ।
৩৩. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

ব্যাপক উপকৃত হইলাম , ভাইজান । সুযোগ পাইলে কামে লাগানোর খায়েশ রাখি ।
৩৪. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২০
comment by: ফজলুল কবিরী বলেছেন: ইউটিউব এর ব্যবহার করা হয়নি বললেই চলে। প্রযুক্তির এই সুবিধাটা আমার জন্য সহজলভ্য ছিলনা এতদিন। ঠিকসময়ে আপনার পোস্টটা আগ্রহ বাড়াল। দরকারি কিছু ছবির নামগ্রাম সহ আলোচনা লেখাটার মর্যাদা আরো খানকটা বাড়াল।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। দেখা শুরু করুন।

৩৫. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:২৫
comment by: হামোম প্রমোদ বলেছেন: দরকারী পোষ্টটি দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। পাশাপাশি আপনার দেওয়া পোষ্ট এর লেজ ধরে আবার অনেকে অনেক গুরুত্বপূর্ন তথ্য দিয়ে বিষয়টাকে আরও পরিপুর্ণতা দিল। ধন্যবাদ আপনাকে।
৩৬. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৫
comment by: নিশ্চুপ নিরবতা বলেছেন: ইউটিউব এর মত চরম জিনিস ইন্টারনেটের দুনিয়ায় কমই আছে। এমন কোন জিনিস নাই যেটা ইউটিউবে পাবেন না। যেকোন ধরনের টিউটোরিয়াল, মুভি, হোম ভিডিও, অ্যাড.................. সব।
কিন্তু একটাই সমস্যা। সব flv format এর। ছোট করে দেখতে হয়।

 



 


আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াই। ফিকশন ও নন-ফিকশন দুই ধরনের লেখাই লিখি। গল্প লিখি, প্রবন্ধ লিখি, অনুবাদ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৭০৩৫৮