আমার প্রিয় পোস্ট

Wish you were here-'RICK' (1943-2008)

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১১

শেয়ারঃ
8 0


Richard William 'Rick' Wright (Jul 28, 1943-Sep 15, 2008)
ছবিটি দেখুন। চিনতে পারছেন?
মরনব্যাধি ক্যান্সার কখনো কি ওই ধুসর চোখ দুটির আভা ম্লান করতে পারে! কার হৃৎপিন্ড না জমে গিয়েছিল যখন সবাই জেনেছিল উনি আর এই ধরাতে নেই! বুকে হাত দিয়ে কোন মানুষ (যারা নুন্যতম সংগীত ভালবাসেন) বলতে পারবেনা তাঁর কিবোর্ডের জাদুকরী ছোঁয়া তাকে অতল গহ্ববরে টেনে নিয়ে যায়নি!

PINK FLOYD একটি ব্যান্ডের নাম।
PINK FLOYD একটি আবেগের নাম।
আর যার জন্য এই PINK FLOYD সবচেয়ে বেশি PINK FLOYD তাঁর নাম Richard William “Rick” Wright !

আজ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী।

যাবেন আজকে 'রিক' এর কাছে? শুনবেন কেমন ছিলেন তিনি?

উনি ছিলেন স্বশিক্ষিত একজন পরিপূর্ন মিউজিশিয়ান...যাকে বলে self-taught pianist and keyboardist. জন্মেছিলেন হ্যাচএন্ড, লন্ডনে। পড়াশুনা করেছিলেন Haberdashers’ Aske’s School এ এবং পরে Regent Street Polytechnic College of Architecture (এ কারনেই বোধহয় তার মিউজিকে আমরা আর্কিটেকচারাল কিছু টেক্সচার ফিল করতাম!)


সেখানে থাকতেই ভাব হয় আরও দুজন বিস্ময়ের সাথে। তাঁরা ছিলেন
Roger Waters এবং Nick Mason। গঠন হল "The Pink Floyd Sound"। সঙ্গে ছিলেন Syd Barrett। তৈরী হল ইতিহাস! যদিও 'রিক' আগে কাজ করেছিলেন Sigma 6 এবং The Abdabs এ। এবং ব্যান্ডে Syd এর আগে ছিলেন Bob Klose কিন্তু এবার নিজেকে নিজে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রয়াস পেলেন। তার পান্ডিত্য যদিও সিডের কারনে একটা নিদির্ষ্ট সময় পর্যন্ত সুপ্ত ছিল। কিন্তু তাকে সিডই আবার টেনে আনেন। সিড ছিলেন 'চিফ সং রাইটার'। তিনিও যে খুব তাড়াতাড়ি ওপারের ডাক শুনবেন ব্যান্ডের আর কেউই ঘুনাক্ষরে বুঝতে পারেননি। মৃত্যু এখানেও একটা দাগ টেনে দিয়ে বলল..."চেষ্টা করত তোমার মিউজিক দিয়ে সিডকে আবার ফিরিয়ে আনতে?"
(হ্যাঁ সিড এসেছিলেন...সে গল্প পরে বলছি)।

ইতিহাসের আগের ছোট্ট ইতিহাস

PINK FLOYD এর সব রকম ঘটনার সাথে রিকের সম্পৃক্ততা একটি অপরিহার্য এবং অনিবার্য বিষয় হয়ে দাড়িয়েছিল। যদি রিককে নিয়ে কিছু বলতে চাই তাহলে পাশাপাশি এমন অনেক বিষয় চলে আসবে যা না বললেই নয়। এ প্রসংঙ্গে পিংক ফ্লয়েডের নামকরন ইতিহাস না বললেই নয়।

Pre Gilmoure team

আসলে আগে নাম ছিল The Tea Set. সময়টা ছিল ১৯৬৩ সাল। লাইন আপে ছিলেন রাইট/মেসন/ওয়াটার্স/ক্লোস। কিন্তু নামটি নিয়ে কিছু বির্তক তৈরী হওয়ায় তা বাদ দিয়ে রাখা হয় The Pink Floyd Sound.
এই Pink Floyd আসলো দুজন বিখ্যাত ব্লুজ মিউজিশিয়ান Pink Anderson এবং Floyd Council এর নাম থেকে এসেছে। তাঁরা যে ধনের ব্লুজ মিউজিশিয়ান ছিলেন সেধরনের ব্লুজকে বলা হয় East Coast Blues এবং ওয়াটার্স, বিশেষ করে রিক এ ধরনের ব্লুজে আসক্ত ছিলেন। তৈরী হয় The Pink Floyd Sound এবং পরে এক সময় Sound ঝরে যায়। রয়ে যায় শুধু ইতিহাস।

রিক এবং সিড

Bob Klose ছিলেন অতিমাত্রায় jazz আসক্ত। ব্লুজ এবং রক নিয়ে ঠিক সে সময় ব্যারেটের আগমন। লাইনআপটা দাড়াঁয় তখন এরকম --
ব্যারেট-----------গিটার + লিড ভোকাল
ওয়াটার্স---------- বেজ গিটার + ভোকাল
মেসন------------- ড্রামস + পারকাশন
রাইট--------------- কিবোর্ড (অর্গান) + ভোকাল

সংগীত লেখা শুরু করেন সিড এবং শুরু হয় psychedelic rock এর উত্থান। একই সাথে তিনি প্রয়োগ করেন তাঁর বিখ্যাত whimsical humour. ফলে লন্ডনের আন্ডারগ্রাউন্ডে একটা ছোটখাট মুভমেন্ট শুরু হয়। ক্রিটিকরা বলেন art rock; কেউবা progressive rock.

August এর 1967 সালে বের হয় "The Piper at the Gates of Dawn" এলবামটি। এতে রিক সিডের লেখা সেই বিখ্যাত Astronomy Domine এবং Matilda Mother গান দুটি গান। (আমার কাছে গান দুটি তেমন পছন্দ না...কারন আমার জন্ম তার ৯-১০ বছর পরে বলেই হয়তো। সকল পিংক ফ্লয়েড ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি)

এই এলবামটির মুল সাফল্যের পিছনে কাজ করে রিকের যাদুকরি ও শ্রমসাধ্য stereo panning, tape editing, echo effects। ভক্তকুল চিন্তা করেন সেই আমলে কতই বা আর কি করতে পেরেছিলেন কিন্তু তাই চলে গিয়েছিল সম্পূর্ন অন্য মাত্রায়। কিন্তু আমেরিকায় এই এলবামটি তেমন সাফল্য পায়নি। তবে Jimi Hendrix এর সাথে ট্যুর তাঁদেরকে বেশ জনপ্রিয়তা এনে দেয়।

ব্যারেট বিয়োগ

বাড়াবাড়ি যে কোন কিছুই খারাপ। চিন্তা করেন কনসার্টের সময় গানের মাঝখানে হঠাৎ কেউ যদি গিটার ডি টিউন (de-tuning) করে বসে কিংবা ক্রমাগত একই কর্ডে গিটার বাজতে থাকে তবে কেমন হবে সেই কনসার্ট? মরননেশা LSD ব্যারেটকে এভাবেই খাদের কিনারায় এনে ফেলল। তিনি বলতেন এটা নাকি psychedelic drugs. সে সময়ই তিনি কম্পোজ করেন Have You Got It, Yet? গানটি। এই গানটি করতে যেয়ে ব্যান্ড মেম্বারদের খবর হয়ে যায়। ক্রমাগত মেলোডির উত্থান পতন কিংবা সামঞ্জস্যহীন কর্ড প্রগ্রেশন এই গানটির বৈশিষ্ট্য হওয়ায় ব্যান্ড মেম্বাররা একটি দ্বিধাহীন সিদ্ধান্তে উপনিত হন আর তা হল ব্যারেটকে দিয়ে আর হবে না। মঞ্চে তখন আগমন ঘটে দুজন অসাধারন প্রতিভাবান মানুষের; একজন Steve O'Rourke (১৯৪০-২০০৩), দলের ম্যানেজার হিসেবে যার আত্মপ্রকাশ এবং অপরজন David Gilmour, ব্যারেটের বিকল্প হিসেবে লিড গিটারিস্ট। যদিও Gilmour মনে করতেন Jeff Beck এর কাছে তিনি কিছুই না। (Jeff Beck আমারো একজন প্রিয় গিটারিষ্ট)।

Set the controls for the heart of the sun

সময় গড়িয়ে যায় আর নতুন লাইন আপ নিয়ে (রিক, ডেভিড, ওয়াটার্স, মেসন) দলের সাফল্যের দিকে মনোযোগী হন ম্যানেজারসহ বাকী সবাই। Experiment অনেক হয়েছে ভেবে তাঁরা আর সিংগেল রিলিজ না করে ট্যুর আর এলবামের দিকে ঝুঁকে পড়েন। ওয়াটার্স তাঁর জ্যাজি মেলডি নিয়ে বেইজ লাইন তৈরী করতে থাকলেন আর সাথে দিতে থাকলেন সিম্বলিক লিরিকস, সাইকাডেলিক মেলডি নিয়ে রিক হেভী নাম্বারগুলো করতে থাকলেন আর রিককে যোগ্য সহায়তা দিতে থাকলেন ডেভিড তার বিখ্যাত ব্লুজ রক লিড গিটারে। সৃষ্টি হতে থাকলো A Saucerful of Secrets, Soundtrack More, Ummagumma(Live), Atom Heart Motherএর মতো বিখ্যাত এলবামগুলি। এই এলবামগুলোর বেশিরভাগ গানে ভয়েস বা ব্যাকিং ভয়েস দিতে থাকলেন রিক। Hammond organ, piano, electric piano এমনকি মাউথ অর্গান এর কৌশলী ব্যাবহার রাইটকে এক নতুন পরিচিতি এনে দিতে থাকে। মনে পড়ে কি Meddle এর সেই বিখ্যাত কম্পোজিশন One of these days এর কথা ?

বিশ্বরেকর্ড, Crazy Diamond Barrett এর ভুত আর Michael Jackson কে চোখ রাঙানী

১৯৭৩ সালে রিলিজকৃত 'The Dark Side of the Moon' ছিল একটি বিস্ময়! একটু বলি। এই এলবামটি তখন পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিল ৪৫ মিলিয়ন কপি। Billboard Top 200 এ তখন ৭৪১ সপ্তাহ রাজত্ব করেছিল (এর মধ্যে ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৮ পর্যন্ত ছিল ৫৯১ সপ্তাহ )! যা ছিল একটি বিশ্বরেকর্ড...চিন্তা করা যায়! এটি UK তেও ছিল ৩০১ সপ্তাহ। worldwide হিসেবে Michael Jackson (RIP) এর Thriller এবং AC/DC‘র Back In Black (অসাধারন একটি এলবাম আপনারা সবাই জানেন) পিছনে পড়ে যায়। রাইট তার যাদু দেখালেন যেন! তাঁর Jazz influence, Saxophone এর পরিমিত ও পরিনত ব্যাবহার, গিলমোরের মেলোডি, ওয়াটার্সের শক্তিশালী Bass লাইন ও লিরিকস, মেসনের পারকাশন ব্যবহারের অসাধারন দক্ষতা এই এলবামটিকে একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।
(সারারাত ভোর হয়ে যাবে বলে আমি এই এলবামটি সম্পর্কে এতটুকুই বলব। মনে রাখবেন Pink Floyd এর এক একটি এলবামের পিছনে রয়েছে অনেক অনেক গল্প। আশা রাখি এই গল্পগুলি ব্লগে একদিন তুলে ধরব।)

স্কুলে আজ বন্ধুটি আসেনি। মনে মনে নিশ্চয়ই তার জন্য আপনাদের চিন্তা হত! হ্যাঁ...অনুপস্থিতি! একটি অনুপস্থিতিই আপনি অনুভব করবেন ঠিকই কিন্তু ঠিকমতো তুলে ধরতে পারবেন না যেন! তুলে ধরতে পেরেছিলেন রিচার্ড আর তাঁর সহযোদ্ধারা। কার অনুপস্থিতি জানেন। Syd Barrett এর! 'Wish you were here' এলবামটি তাঁকেই উৎসর্গ করা হয়েছিল! ৯ পর্বের একটি Song Suite ছিল এই এলবামটিতে... you crazy diamond! পুরো এলবামটিতে রিচার্ড এক মোহনীয় আবেশ তৈরী করেছিলেন যাতে গিলমোর নিজেকে উজার করে দিয়েছিলেন।


রিচার্ডের মুখেই শুনুন তাহলে গল্পটা-"...Shine on সেশনের সময় স্টুডিওতে গিয়েছিলাম। আমার ঠিক এক হাত দুরে অদ্ভুত একজনকে দেখতে পেলাম...মাথাটা প্রায় মেঝের কাছে ঝুলে আছে! পুরো শরীরে তার কোন চুল নেই! মাথা...হাত...এমনকি ভুরুতেও নেই! অবিশ্বাস্য! আমি তাকে চিনতে পারিনি। জিজ্ঞেস করলাম, ‘কে?’ উত্তর এল ‘ব্যারেট।’ আমি অবশ হয়ে গেলাম। রজারের দিকে তাকালাম, দেখলাম ওর চোখে পানি! এই সাত সাতটি বছর পর কোথা থেকে হঠাৎ করে এস উজার হলো, তাও আবার ঠিক সেই গানটির সময়! এটা ভাগ্য নাকি কাকতালীয় ব্যাপার!"

রজারের রাজনীতি, রিচার্ডের অর্ধচন্দ্র দর্শন আর একটি দেয়ালের গল্প

সেই বিখ্যাত হ্যামার যা একটি আইকন

অল্প কয়দিন পরেই রজারের ভিতর রাজনীতির পোকা ঢুকল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পিতার মৃত্যু, মার্গারেট থ্যাচার, ফকল্যান্ড ষড়যন্ত্র, নিউক্লিয়ার যুদ্ধ...কি না নিয়ে এলেন তিনি তাঁর গানে আর কথায়। Animals এর সেই বিখ্যাত giant inflatable pig তো তাঁদের ICON হয়ে উঠল। পেটমোটা রাজনীতিবিদ আর শুয়োর যেন মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। এ সময় ট্যাক্স সংক্রান্ত ঝামেলায় সবাই সরকারী নির্বাহী আদেশে এক বছরের জন্য লন্ডন ছেড়ে চলে গেলেন। দুটি নতুন প্রজেক্ট তৈরী হল। The Pros and Cons of Hitch Hiking, রজারের সলো এবং The Wall. The Wall কে বলা হল শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ rock opera. আর এই প্রজেক্টের সাফল্যের কথা তো সবাই জানেন। (অনেক লেখাও হয়েছে। কাজেই আপনাদের আর ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটাবো না।) এ পর্যন্ত সবই ভাল ছিল। কিন্তু ভুত এসে আবার কিল বসিয়ে গেল রজারের পিঠে। Columbia Records এর ভুত বলে গেল Wright কে বের করে দাও। ব্যাস তিনি হয়ে গেলেন ‘বেতনভুক’ কর্মচারী। এটাও বোধহয় একধরনের রাজনীতিই ছিল!

হাত বাড়ালেন ‘Sir?’ David Gilmour


রজার চলে গেলেন...আর দলের হাল ধরলেন David Gilmour. আমাদের মতন জেনারেশন আসলে ডেভিডকেই বেশি চেনে। তাঁর মায়াবী কন্ঠ, ব্লুজ টাচ আর রকের সংমিশ্রন, শক্তিশালী লিরিকস এর সাথে এবার যোগ হল রিচার্ড। হ্যাঁ...রিচার্ডের ভক্তদের হতাশ করলেন না ডেভিড...হাত ধরে টেনে আনলেন আর সৃষ্টি করলেন Momentary Lapse of Reason আর The Division Bell. এবার আর একবার মিউজিক বিশ্বকে দেখিয়ে দিলেন তাদের মিলিত শক্তি কিভাবে লীন ছিল এতদিন। আর হ্যাঁ, এভাবেই তিনি অর্জন করলেন Most Excellent Order of the British Empire সংক্ষেপে CBE. বৃটিশ রাজপ্রাসাদে এই দুর্লভ সম্মান অর্জন করলেন তিনি। আর কারন হলো for service to music. পাশে থেকে সারাক্ষন তাকেঁ সংগ দিয়ে গেছেন রিচার্ড রাইট।

রিচার্ড যে কারনে তুলনাহীন
রিক ছিলেন তাঁর সময়ে সবচেয়ে অগ্রসর মিউজিশিয়ান। The Great Gig in the Sky একটা বড় প্রমান যে তিনি কি মাপের কম্পোজার ছিলেন! আর তাঁর অসাধারন ভয়েস কোয়ালিটি, সময়ের চাহিদায় নিজেকে মেলে ধরার ক্ষমতা, ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেয়া ইত্যাদি তো ছিলই। মনে পড়ে Echoes সেই মোহণীয় কন্ঠটি?

উনি বাজাতেন Yamaha SY 77 Series যা অনেক কিবোর্ডিস্টের স্বপ্ন ছিল (এর একটি আমি কিবোর্ডিস্ট শাওন ভাইকে বাজাতে দেখছি)। পরবর্তীতে Kurzweil এর ফ্যান হয়ে উঠলেন। উনি স্টুডিওতে ঢুকলে নাওয়া খাওয়া ভুলে যেতেন। একটি tone create এর জন্য উনি অনেক পরিশ্রম করতেন যা অন্য কেউ আর তৈরী করার কথা ভাবতেও পারত না। কিছু কিছু tone তো ছিল একেবারে রিচার্ডের পেটেন্ট করা 'মাল' এর মত। একেই বোধহয় বলে Art of noise.


শেষের কথা

এই ব্লগটি লেখার আগে বুঝতেও পারিনি কতখানি আবেগ জমা ছিল এই মানুষটির প্রতি...পুরো ব্যান্ডের প্রতি! কত কিছু যে মাথায় আসছে...কিছুতেই ছোট করতে পারছি না। আমি জানি না কতজন ব্লগার আমার এই ব্লগটি পড়বে, আমি এও জানি না কতজন ব্লগার প্রকৃত Pink Floyd ফ্যান। কিস্তু এতটুকু বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করে এই সামুতে Pink Floyd এর বিশাল এক ফ্যান ক্লাব তৈরী হবে।

২৪ বছর পর তাঁরা যখন আবার মিলিত হলেন

সময় আর নেই, তা কি কেউ বুঝতে পারছেন! ছবিগুলো দেখুন...ধুসর চুলগুলো বুকে কাঁপন ধরিয়ে দেয়...কবে না আবার কোন দুঃসংবাদ শুনতে হয়!

যাদের কাছে এই লেখাটির ব্যাপারে আমি কৃতজ্ঞঃ

১. কবীর ভাই (রেইনবো): অনেক ব্যাস্ততার ফাঁকেও যিনি গান নিয়ে আড্ডা মারতে ভালবাসতেন। Gilmoure আর DIO বলতে উনি ছিলেন অজ্ঞান।

২. সুমন ভাই (বেইজ বাবা): তাঁর সাথে আড্ডাটা বেশির ভাগ সময়ই হতো রেইনবোতে নয়তো স্টুডিওতে।

৩. মেহেদী ভাই (গিটারিস্ট): উনার কাকতাড়ুয়া এলবামটি আমার খুব প্রিয়।

৪. নিলয় দাসঃ উনি এখন শুধুই স্মৃতি। নিক মেসনের দুর্লভ সাক্ষাৎকারটি উনি ভিডিওতে দেখেছিলেন।

৫. তমাল (আমার বন্ধু): বন্ধু বলে নয়, তমাল একজন অসাধারন গিটারিষ্ট। নিলয়দা আর তমালের জ্যামিং সেশন সারারাত তন্ময় হয়ে শুনতাম।

৬. জিয়া: আমার প্রিয় লেখক এবং সমালোচক। একজন বিশুদ্ধ সংগীত প্রেমিক।

৭. ইন্টারনেট: ছবি গুলোর জন্য

সবশেষে রিককে নিচের এই ভিডিওটি উৎসর্গ করলাম। এখন এই আধুনিকতার যুগেও কেউ কেউ পুরোনো কিছু নিয়ে পড়ে থাকে ভিডিওটি তার প্রমান।


আমার ব্লগ পড়ে কেউ যদি আবেগতাড়িত হন তাঁদেরকে বলব আবেগটি ধরে রাখুন...আর পরের প্রজন্মকে শেখান পুরোনো সব কিছুই ফেলনা নয়।

আপনাদের জন্য Pink Floyd discography দিয়ে দিলাম। এর মধ্যে আমার সবচেয়ে বড় দুঃখটা হল ২০০৭ সালে রিলিজকৃত এলবামটি আমার হাতছাড়া হয়ে গেছে।

Year Album details

1967 The Piper at the Gates of Dawn
1968 A Saucerful of Secrets
1969 Soundtrack from the Film More
Ummagumma (live + studio)
1970 Atom Heart Mother
1971 Meddle
1972 Obscured by Clouds
1973 The Dark Side of the Moon
1975 Wish You Were Here
1977 Animals
1979 The Wall
1983 The Final Cut
1987 A Momentary Lapse of Reason
1994 The Division Bell

Live albums
Year Album details

1969 Ummagumma (see studio)
1988 Delicate Sound of Thunder
1995 Pulse
2000 Is There Anybody Out There? The Wall Live1980–81


Compilations
Year Albums

1970 The Best of the Pink Floyd
1971 Relics
1974 Masters of Rock
1981 A Collection of Great Dance Songs
1983 Works
1997 1967: The First Three Singles
2001 Echoes: The Best of Pink Floyd

Box sets
Year Box sets

1973 A Nice Pair
1992 Shine On
2007 Oh, by the Way

 

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৪
হঠাৎ বলেছেন: চমৎকার এক বিশ্লেষণধর্মী পোস্ট। প্রিয়তে অবশ্যই। জানতাম না কিন্তু এখন জানলাম। ইচ্ছে করছে আরও জানতে।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন:
আপনি কি জানতেন না তা কিন্তু বললেন না। কি কি ইচ্ছা করে জানতে তা একটু যদি বলতেন?
পোষ্ট পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ!

২. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: এক বছর হয়েই গেলো!...

পিঙ্ক ফ্লয়েড আর তাদের সুরের মধ্যে কত বিনিদ্র রাত জমিয়ে রেখেছি। জ্বলজ্বলে সব স্মৃতি এই গানগুলোর সাথে!...

লেখাটা খুব খুব ভালো লেগেছে। কিছুদিন আগে আমি নিজেও দু'টো লেখা লিখেছিলাম সীড ব্যারেট আর পিঙ্ক ফ্লয়েডকে নিয়ে। সেখানে ব্লগারদের রেসপন্স দেখে অবাক হয়েছি, খুশিও হয়েছি! দেখার অনুরোধ রইলো।

Click This Link

Click This Link
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১১

লেখক বলেছেন:
আপনার বিনিদ্র রাতগুলো যাতে পরের প্রজন্ম ফিরিয়ে দিতে পারে সেই কামনা করি!

এত যখন রেসপন্স হয় চলুন কিছু একটা করি...এই যেমন একটা ফ্যান ক্লাব বা ওই জাতীয় কিছু।

অনেক ধন্যবাদ।

৩. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৫
দ্রোহি বলেছেন:
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনার তথ্যবহুল পোস্টটির জন্য। পিন্ক ফ্লয়েড তো পিন্ক ফ্লয়েড ই। আর রিক? তার জন্য বলতে পারি - "Wish You Were Here".

আবারও ধন্যবাদ।

অট: এই তমাল কি আইবিএ'র তমাল?
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন:
ঠিক!

না এই তমাল আমার বন্ধু। একজন অতি রহস্যময় মানুষ। পরে কোন একদিন তার সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব।

ভিডিওটা দেখেছেন বস!

৪. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৮
ত্রেয়া বলেছেন: এই ব্যন্ডটির ব্যপারে কেন যেন সবসোময়ই আমি খুব আগ্রহ বোধ করি,,অনেক অজানা কিছুই জানলাম।ভালো লাগলো পড়ে।ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্যে।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪২

লেখক বলেছেন:
শুধু আগ্রহ থাকলে হবে না! এদেরকে পারলে এখনই ফ্রেমে বাধিয়ে রাখুন!

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪

লেখক বলেছেন:
আপনার মতে অমতকার! পিংক ফ্লয়েড শুনুন, ভাল থাকুন!

৬. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৫
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টটার জন্য ।

++++++
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন:
পোষ্টটি পড়ার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৭. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২১
অন্যরকম বলেছেন: আপাতত প্রিয়তে.. বাকী কথা পরে হবে! +
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪

লেখক বলেছেন:
বাকী কথা তাড়াতাড়ি বলে ফেলুন!

৮. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪১
চাচামিঞা বলেছেন: ধন্যবাদ ফয়সালরকস আপনার অসম্ভব সুন্দর আর্টিকেলটির জন্য.....।অবশ্যই প্রিয়তে রাখলাম। আর যদি দিনের সেরা লিখা টাইপের কোনো ক্লাসিফিকেশন থাকতো, তাহলে এই লিখাটা নিশ্চই দিনের সেরা লিখা হিসেবে নির্বাচিত হতো।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন:
দিনে লিখিনি কারন আমি চেয়েছি রাতেরটা রাতেই হোক। বারোটা মানে বারোটা তাই।

তাছাড়া রিকও দেখলো রেসপন্স কিরকম আসে।

আমার ধারনা আপনি লেখাটা মনোযোগ দিয়ে তেমন পড়েননি।
আপনার হলেন বিশুদ্ধ লেখক। সব্যসাচী প্রায়। তেমনি আবার সংগীত প্রিয়। ভুলভাল নিশ্চয়ই ছিল। আপনি ধরেননি...আপনার উদারতা!

৯. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
শিরোনামহীন বলেছেন: ফাটাফাটি বিশ্লেষণ। সরাসরি প্রিয়তে। :)
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন:
বিশ্লেষনের কিছু নাই। এর ওর কাছ থেকে শুনে, পড়াশুনা করে যতটুকু মাথায় ছিল ঢেলে দিয়েছি। তেমনভাবে সাজাতেও পারিনি।

এনিওয়ে আপনার শোকেসটাও খুব সুন্দর! একজনের শোকেস থেকে তার রুচির পরিচয় পাওয়া যায়।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!

১০. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
চাচামিঞা বলেছেন: আচ্ছা....পিংকফ্লয়েডের ওমাগোমা এলবামটি আপনার কেমন লেগেছে?
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন:
ও মাগো মা... না
উমাগুমা

এটার লাইভ ভার্সনের একটা গান এই ব্লগের একটি প্যারার শিরোনাম।
বলুনতো কি?
ওই গানটাই কবীর ভাইয়ের কাছে শুনি!

এছাড়াও Astronomy Domine এর অর্ধেক আর A Saucerful of Secrets এই গান দুটো শুনেছি।

দুঃখজনক ভাবে আমি স্টুডিও এলবামটি শুনিনি ।

আপনার আগ্রহ দেখে আমি চমৎকৃত ও যারপরনাই খুশি হলাম। +

১১. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৭
চাচামিঞা বলেছেন: ওদের এনিম্যাল এলবামটা ভোগাস লাগসে......হুদাই আতলামি;)
১২. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩০
ফয়সালরকস বলেছেন:
হ...তা ঠিক কইছো। আসলে রাজনীতির ভুত বইলা কথা।
আসলে রজার ছিল মুল আতেল!

মামা এত রাইতে কাহিনি কি?

আমারে মনে রাখার জন্য ধন্যবাদ! এহনও তুমি কমেন্ট কইরা যাইতাছো! আমার সাত জনমের ভাগ্য!
১৩. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: পড়লাম। অনেক পরিশ্রম করেছেন লিখতে গিয়ে, সেটা লেখায় আপনার আবেগ দেখেই বুঝেছি। চমৎকার পোস্ট!

শুনবো শুনবো করেও পিংক ফ্লয়েডের গান শোনা হয়নাই.......আপনার পোস্ট পড়ে আরো একবার আগ্রহ জাগলো।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন:
আমি প্রথম শুনি ১৯৮৬ সালে এফএম রেডিওতে। তখন RJ ছিল মুন্না (অসম্ভব সেক্সি কণ্ঠ ছিল আর এখনকার মতন ঢং করতো না কেউ), তন্ময়, রেজা ইত্যাদি সব বিখ্যাত জনেরা। আর সেটা ছিল ব্লগের টাইটেল সং। আর আমার প্রথম প্রেম।

দয়া করে পিংক ফ্লয়েড শোনা শুরু করুন, ভাল থাকুন।

কষ্ট করে লিংকে ক্লিক করে আসার জন্য ধন্যবাদ।

১৪. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১০
নুশেরা বলেছেন: অনেক পরিশ্রমসাধ্য কাজ করেছেন। অভিবাদন ফয়সালরকস। এই লিজেন্ডদের নিয়ে বাড়তি কিছুই বলার নেই। Wish you were here!

প্রিয় পোস্টে যোগ করলাম।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩০

লেখক বলেছেন:
শুধু এরাই নয়, আপনি যাদের নিয়ে ব্লগ লিখেছেন তারাও একটা লিজেন্ড ছিল।

আসলে অনেক কিছুর আগেই আমি পিংক ফ্লয়েড শোনা শুরু করেছিলাম বলে অনেক অনেক গানের ভীড়ে আমি সঠিক জিনিসটা খুজে পেতাম।

তাছাড়া একটা সময় আমি গান নিয়েই পড়ে থাকতাম। আমার প্রিয় ব্যান্ডের বা শিল্পীর লিষ্ট অনেক বড়। কোন একদিন সেসব না হয় আপনাদের সাথে শেয়ার করা যাবে।

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ!

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৪

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাম ইমন। আপনি আমার ব্লগে কমেন্ট করেছেন! নিজেকে আমার কেউকেটা গোছের কিছু মনে হচ্ছে।

আরও অসাধারন কিছু করার ইচ্ছা আছে।

+ এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

১৬. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৪
ফেরারী পাখি বলেছেন: ব্লগে এত সঙ্গীত পিপাসু মানুষ আছেন জানতাম না। দারুণ কাজ আপনার।

ইমন জুবায়ের, ছন্নছাড়ার পেন্সিল, নুশেরা, আকাশ অম্বর এবং আজকে ফরসালরকস।

দারুণ কাজ দেখিয়েছেন আপনারা। এরকম প্রয়াস চলুক। আমরা আরও ঋদ্ধ সুরে এবং সুর স্রষ্ঠাদের অজানা ভান্ডার নিয়ে সেই প্রত্যাশাই রইল এবং সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২০

লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ...এইসব সঙ্গীত পিপাসু মানুষেরাই অপরকে অনুপ্রেরণা দেয় আরও সঙ্গীত শোনার জন্য, (আরও ভাল ব্লগ লেখার জন্য), আরও কালচার্ড হওয়ার জন্য।

আসলে রুচির সাথে রুচির মিল না থাকলে কিছু হয় নি। যেমনি তৈরী হয় না ব্যান্ড। একারনেই একটা অদ্ভুত ব্যাপার খেয়াল করলাম।

সেটা হল সবাই প্লাস না দিলেও মাইনাস নেই একটিও(এখনও পযর্ন্ত)।

ফলে হঠাৎ করে একটা অদ্ভুত খেয়ালের উদ্ভব হল। (অনেক স্পর্ধা প্রকাশ হয়ে যাবে বলে আপনাদের কাছে এই খেয়লের জন্য আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি)।

যদি ব্লগটি স্টিকি হত তাহলে কি হত!!!!!!

সব সঙ্গীত পিপাসুদের এক কাতারেই এনে ফেলা যেত!!!! তাই নয় কি?

ধন্যবাদ!

০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন:
Showcased করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!

১৮. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আরেক কালজয়ী গায়ক আর তার ব্যান্ড ...
১৯. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: সেভাবে শোনা হয়নি, কিন্তু খুব ইচ্ছে করে শুনতে। অনেক ভালো লাগলো পোস্টটা। অনেক ধন্যবাদ, ফয়সালরকস! :)
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন:
দেরি না করে এখনই শুনতে শুরু করুন! ইচ্ছেটাকে মরতে দিয়েন না আরও কেউ মরার আগে!

আপনাকে ধন্যবাদ।

২০. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩
চাচামিঞা বলেছেন: রিক সম্পর্কে ডেভিড গিলমোর যা বলেছেন
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন:
শেষ দিকে ডেভিডের গলা কি একটু কাঁপলো!
রিকের শেষ ইচ্ছা ডেভিডরা সবাই মিলে কি পূরণ করতে পারবে?

সফল হোক ওদের প্রয়াস!

২১. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩
চাচামিঞা বলেছেন: the haberdashers' aske's boys' school...... এখানেই কেটেছিলো রিকের সোনালী বাল্যজীবন
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ...এটা খুব নাম করা একটি প্রতিষ্ঠান। আর ছবিটি বোধহয় এখনকার। সবাই মিলে কি সুন্দর ক্রিকেট খেলছে।

২২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৯
চাচামিঞা বলেছেন: জিনা.....ভালো কইরা তাকায় দেখন.....রিক ভাই ফাস্ট স্লিপে দাঁড়ায় আসে।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০০

লেখক বলেছেন:
হ...সিড ব্যারেট স্কুলের জানালায় দাড়ায়া মাথা চুলকাইতে আছে! আগে ক্যান বুঝি নাই!

নিজেরে 'খালি ফিডাইতে ইচ্ছা করে'। (আপনি জানেন কি এই নামে একটি নিক আছে।)

জোশ interaction চলতে আছে!

২৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০১
প্রিয়তমেষু বলেছেন: অসাধারন লিখেছেন,এক কথায় যা প্রকাশ কর্তে পারছি না।

মনে হল যেন কোনো উপন্যাস পড়ে উঠলাম।সত্যিই অনেক সুন্দর লিখেছেন।

পিঙ্ক ফ্লয়েডের নাম অনেক শুনেছি বড়দের কাছে,কখন এদের গান শুনিনি।আজকে মনে হচ্ছে শুনা দরকার,আসলেই শুনা দরকার।শুনতে থাকব আর আপনার লেখাটার মধ্যে উপস্থাপিত টুকরো ঘটনা গুলো ভাবতে থাকব।

প্লাস এবং "আমার এক্সক্লুসিভ শোকেইস" এ নিলাম!!!
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন:
পুরোনোদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। আপনি তো ওদের হাত ধরেই হাঁটতে শিখেছেন।

আপনার গানভক্তি প্রশংসনীয়। কিছুটা সময় ব্যায় করুন...

Pink Floyd
Queen
White Snake
Deep Purple
Def Leppard
Malmsteen
Yes
Crosby Steel Nash Young
Kansas
Scorpions
AC/DC
Eagles
Camel
Alan Persons Project

এদের নিয়ে। আশা করি নতুন অনেক জানালা খুলবে।
(যে কয়টা নাম দিলাম তা আসলে মুল অংশের ২% ও হবে কিনা সন্দেহ। আমার ব্লগ আসছে শিঘ্রই)

২৪. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০৯
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: অসাধারণ। আগে মিস করলাম কিভাবে এই লেখা?
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন:
এই লেখাটি রাতে দেওয়া হয়েছিল। আমি ভেবেছিলাম ঠিক ১২টার সময় দিব। কারন তাহলে ১৫ তারিখ হয়। কিন্তু এসেছে আরও পরে। ভোরের দিকে। তাই হয়তো চোখে পড়েনি।

তাছাড়া আরও ভাল ভাল ব্লগ সেদিন প্রকাশিত হয়েছিল। তাই হয়তো আপনি 'মিস' করেছেন। (আমি কম লিখি, অজনপ্রিয়-এটাও বোধহয় একটা কারন হতে পারে।)

"লেখাটি আপনার ভাল লাগলে পরিশ্রম সার্থক হয়েছে" - এই জাতীয় কথা না হয় আর বললামনা।

ধৈর্য্য সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন:
এমন উপলব্ধির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ!

২৬. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪২
চাচামিঞা বলেছেন: Malmsteen এর গান শুতে হপে?:|
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন:
আগে শুন নাই...!

তুমারে মাইনাস! !!!!

২৭. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫০
গোয়েবলস বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম। The Wall গানটা গানটা খুব খুব বেশি ভাল লাগে
২৮. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
ফয়সালরকস বলেছেন:
এত তাড়াতাড়ি পড়লা ক্যামতে...টিজরানি! লিংক দিলাম ৩মিনিট আগে।

যাউগ্গা তুমারে আবারো +!
২৯. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
কিষান বলেছেন: আমি পিংক ফ্লয়েড এ পুরা অবসেসড। অনেক ধইন্যা পোস্টানোর জন্য
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৫১

লেখক বলেছেন:
আশ্চর্য....! আপনি এতদিন কোথায় ছিলেন?

আমি শুধু রিকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ওকে স্মরন করে একটি পোষ্ট দিয়েছিলাম। বুঝতে পারিনি ওর এত ফ্যান।

আপনাকে ধন্যবাদ।

৩০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬
চাচামিঞা বলেছেন: তুমিতো দেখি কমেন্টে র গাছ লাগাইসো....খালি কমেন্ট ধরতাসে গাছে......
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন:
আপনাদের দোয়া, দয়া আর বদান্যতা আমাকে আরও অনুপ্রানিত করছে!

চলতে থাকুক...নাকি?

৩১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৫
গোয়েবলস বলেছেন: ৩ মিনিট মানে ব্যাফক সময়? বুজলেন? /:)
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন:
আরে তুমি আবার আসছো! দারুনতো!

ঠিক বলেছো। এটাকে বলে 'থিওরি অব রিলেটিভিটি'! একজন সুন্দরী নারীর সান্নিধ্যে থাকলে ১ ঘন্টাকে ৩ মিনিট মনে হয়। কিন্তু চুলার ধারে থাকলে ৩ মিনিটকে মনে হয় ১ ঘন্টা ।

হয়তো লেখাটাই খুব 'বোরিং' ছিল :( :( (এটা আমার ব্লগ জীবনে প্রথম এ্যাড করা ইমো...আমি ইমো সংক্রান্ত কিছু সুযোগ সুবিধার আশায় এতদিন বইসা ছিলাম)

তুমি আবার আইসো ক্যামন!

৩২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: প্রোগ্রেসিভ রকের বেশ কয়েকটা জেনেরীতে অসম্ভব দারুন কাজ ওদের! আমার মনে হয় রকের উপর সবচেয়ে গেবষনা মূলক দারুন কাজ গুলো ৭০ আর ৮০ এর দশকে তুঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলো পিংক ফ্লয়েড তাদের অন্যতম!
৩৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৩
দারাশিকো বলেছেন: ব্যাপক পুস্ট দিসেন দেখছি ... প্লাস
অফটপিক: আমার নামটা ভুল লিখছেন :((
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন:
ধৈর্য্য সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ! আপনি + লিখেছেন কিন্তু বাটনে মনে হয় চাপ দেননি!

নামটা ঠিক করে ফেলব। অনেক আগের কথা...তখন বাংলা লেখা পারতাম না। আমি লিখি কম, পড়ি বেশি।

৩৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:২৮
দারাশিকো বলেছেন: হে হে বুইঝা ফেলসেন দেখি... এইবার দিয়া দিলাম
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন:
আপনার নামের বানানটা ভাবছি ঠিক করুম না। একটা ক্লাসিক জিনিস হিসেবে থাকুক লিংক আকারে!

৩৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫
কক বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন.....প্রিয়তে যোগ না করে পারছি না।++++++++++++++++++++++
রিকের পার্সোনাল লাইফ নিয়ে কিছু লিখলে আরো ভালো হইতো
৩৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন: :
দূর্দান্ত পোস্ট!!! এ বিগ এপ্লজ ।
৩৭. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন: আমার কপাল!!!!! এই লেখা আমি আগে পড়ি নাই। নিজেরে ফিডাইতে ইচ্ছা করতাছে।

ফয়সাল ভাই, আপনার এই লেখার তাত্ক্ষণি প্রতিক্রিয়ায় যা যা কপালে জটেছে তা তা হল, ভিশন আবেগে আক্রান্ত হওয়া। আমি ভাই খুব আবেগী মানুষ। এখনো না কি 'বাবু', ও তাই বলতো। কথা ঠিক। অনেক কিছুর সাথে এইটাও ও বুঝুতে পারেছিল। আমিও ওরে বলেছিলাম, কামিং ব্যাক টু লাইফের কথা। বলেছিলাম, উইশ উই ওয়ার হিয়ার, কর্ম্ফটেবল নাম্ব এর কথা। তবে গিলমোরের প্লেইং, রিক এর ওরেগানের তিব্রতার অনুভব রক্তে ধরণ না করে পি. এফ. এর গনের কথা বলা বা লিরিকের উল্লেখ নিতান্তই অর্পযাপ্ত।

আপনার লেখাটা খুবই ভালো লাগলো। অসাধারণ। তবে সংক্ষেপে এক গোপন কথা বলি, এটা আমার ব্যক্তিগত অনুভব।

লেখাটায় যতটা আবেগ আমি তুলে ধরেছেন, তার চাইতেও তিব্র আবেগ আপনি ধারণ করেন। আপনার ওই আবেগের কিছুটা এই লেখায় আমি অনুভব করেছি। আপনার প্রতি অনুরোধ, যতটা পারেণ আবেগ আমাদের সাথে শেয়ার করবেন।

ধন্যবাদ। আরো কয়েক বার পড়ে, তারপার আবার মন্তব্য করবো আশা করি। ভালো থাকবেন।
২৫ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন:
জবাব দিচ্ছি! মনোযোগ দিয়ে পড়বে কেমন! ( তুমি করে বললাম কারন তুমি এখনও 'ও' কে 'ও' বল!)

আমি তখন অনেক ছোট। প্রচুর গান শুনতাম। Rap বাদে সব গিলছি। শুরুটা যেভাবেই হোক (আমার পরবর্তী পোষ্টে থাকবে সেসব...ভাই এক বছরের প্রজেক্ট হাতে নিতে হবে মনে হয়) আমার ভেতর সবসময় একটা শূণ্যতা কাজ করত।

কি যেন হিসেব মিলছে না। কি যেন খুজঁছি পাচ্ছি না। ১৯৭৭ থেকে শুরু করে খুজঁতে খুজঁতে পেলাম ওঁদেরকে। পেলাম এসে ৮৭ সালে। যখন পেলাম মনে হলো দেরী হয়ে গেছে অনেক। কারন তখন আমার কোন গাইড ছিল না। সবাই গড্ডালিকা স্রোতে প্রবাহিত ছিল। কেউ আমাকে ভিন্ন কোন স্বাদের ব্যাপারে উৎসাহিত করেনি। সবাই ভাবতো ইংলিশ গানই তো শুনছি। তাতেই তো বেশ আধুনিক লাগছে।

আর আমি প্রথমেই শুনি Wish you were here...তাও লাইভ! ডেভিডের গলায়! মাথা খামচে ধরে বসে পড়লাম! লিরিকসটা ধরতেই পারছিলাম না কিন্তু মনে হচ্ছিল একটা মেসেজ দেয়া হচ্ছে।

সবকিছু ছেড়েছুরে চলে গেলাম টাইম মেশিনে করে ১৯৬০ সালে। মিক জ্যাগার থেকে শুরু করে সব খাওয়া শুরু করে দিলাম।

মূল ব্যাপারটা কি জানো? এই শুন্যতাটা কখন তৈরী হয়? যখন বুঝবে এইসব ধাঁধা পুরোনো...কোনো রহস্য নেই! ঠিক যেমন 'নিও' শেষ মুহুর্তে বুঝতে পারলো ম্যাট্রিক্স প্রোগ্রামটা কি ল্যাংগুয়েজে তৈরী। তখন তোমার তৃষ্ণা আরও বাড়বে! করো না কারো কাছে গিয়ে তোমাকে আশ্রয় নিতেই হবে। সমর্পন করতে হবে। নোঙর থাকতে হবে একটাই। যেখানেই যাও আবার আপন ঠিকানায় ফিরে আসবে ঠিক তেমন। (তোমার 'ও' ও যেন তেমন হয়!)

রক্তে ধারন করাঃ
এটা একটা অসম্ভব উঁচুমানের মন্তব্য করেছো। শুধুমাত্র সেই পর্যায়ে গেলেই তুমি বলার অধিকার পাবে "ভাই...এইডা সুন্দর...এইডা পঁচা!"

এবার ধাঁধা মিলাও....
১. সবাই মিলাকে কেন পছন্দ করে?
২. মমতাজের একটা ওয়ার্ল্ড রেকর্ড আছে কি সেটা? কেনো?
৩. বাচ্চু ... জেমস্ সংগীত জগত কে কতটা সমৃদ্ধ করেছে?
৪. আমাদের দেশে কয়জন আন্তজার্তিক মানের শিল্পী আছে?

আমি আমার লেখায় কিন্তু গানকে হাইলাইট করিনি। একটা জগৎকে হাইলাইট করতে চেষ্টা করেছি।

(পুরো পোষ্টে খেয়াল করে দেখো কতগুলো চন্দ্রবিন্দু আছে?)

২৮ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৭

লেখক বলেছেন:
ভাবছি প্রিয়তমেষু এই কমেন্ট এর জবাব পড়লে কেমন ফিল করতো? ওরও একটা ফিডব্যাক আশা করছি!

৩৮. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন: ভাই শেষে, লেখাটায় আপনি হবে..........

আবেগ তারিত হয়ে গেছি, তাই অনেকগুলো বানান ভুল হয়েছে। ক্ষমা করবেণ।
৪০. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২৫
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: ডেভিড গিলমোর বস জিনিষ ...
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন:
ঠিকই বলেছেন! রেকর্ড বলে....

Comfortably Numb, Time এবং Money এ তিনটিরই সলো "Top 100 Greatest Guitar Solos" এ ছিল। এর মধ্যে প্রথমটা ছিল ৪ নাম্বার এ।

What an honor!

৪১. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন:
প্রিয় ফয়সাল ভাই,

ঈদের আগে ও পরে বেশ কয়েক দিন নেটের বাইরে ছিলাম। গিয়েছিলাম নানু বাড়িতে ঈদ করতে। ছোট মামার বিয়েও ছিল। আমার নানু বাড়ির স্মৃতি আমার এক ভিন্ন জগৎ। তাই ফিরে আসার পর থেকে এক ধরণের বিষণ্নতায় ভুগছি যা কি না এমন Camel এর Rajaz এলবামের Straight to My Heart এর মত তীব্রতায় ভরা। লিরিকটা একটু দেই....

I was born in '49, in a family of four.
Father had his own band just after the war.

My brother and I had a radio and every night we'd share,
Waves from Luxembourg that came though the air

Days were full of music and nights were the same
And though the songs are different now some things never change...

I can't explain the way I feel. Why, event to this day,
I steel love the sound of that red guitar. It takes my breath away
and goes straight... to my heart.

Straight to my heart.
Straight to my heart.

এই গানটা লিরিক্যাললি এতটাই বিষণ্ন, নষ্টলজিক এবং সেই সাথে Latimer এর এমন বিষণ্ন প্লেইং যা কখনও কখনও রক্তে, মস্তিষ্কে, শিরায়-উপশিরায় ধারণ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। আশা করি আপনি গানটা শুনছেন।

একটা লেখা পোষ্ট করেছি। একটু পড়ে দেখবেন। আর আপনার কমেন্টের উত্তর পরে দিচ্ছি।
ঈদ কেমন কাটলো, এই প্রশ্নের উত্তরে আমার যা যা বলার আছে....
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৮

লেখক বলেছেন:
তোমার কমেন্ট দেখেই ভাল লাগছে!

Rajaz গোটা এলবামটাই একটা রহস্যময় এলবাম। হঠাৎ করে তোমার কাছে শুনে অনেকদিন পর এই এলবামের ব্যাপারে একটা ভয়াবহ তৃষ্ণা তৈরী হল।

এখন আর কিছুই ভাল লাগছে না!

৪২. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন:
এখন তো আর কিছুই ভালো লাগবে না।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন:
ঠিক!!!

এখন তো আর কিছুই ভালো লাগবে না।

৪৩. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন: গতকাল বাসায় ফিরেই 'ক্যামেল' শুনেছি। প্রথমে শুরু করেছি 'স্ট্রেইট টু মাই র্হাট' দিয়ে। তারপর শুনলাম আমার ফেভারিটের ফেভারিট 'লরেন্স'। এই গানটা মধ্যে এমন অদ্ভুত বিষণ্নতা আছে যা আর একই সাথে সঙ্গ দেয়। গানটা শুনলে একা একাও লাগে আর মনে হয়, না গানটা তো আছে। গানটাতো আমাকে সঙ্গ দিচ্ছে। যাই হোক তার পর 'রেজাজ' এবং 'ফাইনা এনকোর' শুনে একদম শুরু থেকে 'থ্রী উইসেস্' দিয়ে পুরো এলবামটা শুনলাম। তখন অবস্য আপনার কথা মনে হচ্ছিল। আপনিও কি 'রেজাজ' শুনছিলেন??? হয় তো।

'রেজেজ' একটা রহস্যময় এলবাম, তাতে কোন সন্দেহ নাই। 'এ নড এন্ড উইন্ক' ও তো জোস। কি বলেন?
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০

লেখক বলেছেন:
তুমি আর একটা কাজ করতে পারো।

Alan Persons Project এর Try anything once এলবামটা শুনে দেখতে পারো।

সমসাময়িক ব্যান্ডের মধ্যে এরাও অনবদ্য।

৪৬. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন:
ভাই দেহেন তো পরিচিত লাগে নি.........

"Turn it up. turn it up, make it louder
Turn it up. turn it up, make it louder"

গতকাল বাসায় ফিরেই এলান পারসরেন 'ট্রাই এনিথিং ওয়ান্স' এলবমাটা শুনলাম। আমার কাছে ওর ১৪টার মত এলবাম আছে। তবে আমি বেষ্ট আফটা ছাড়া অন্যগুলা শোনার মত টাইম কইরা উঠতে পারি নাই। তারপরে শুনতাম যদি কেউ আপনের মত স্পেশাললি কইতো। আপনে কওনে কিন্তু দেরি করি নাই। ঠিকই হুনলাম। তয় পুরা এলবাম সর্ম্পকে একটু ভালো কইরা কওনের লইগা টাইমা লাগবো। মাত্র একবার হুনলাম। ১০/১২বার হুইন্না লই, তারপর পুরা এলবাম নিয়া আপনের লগে আলাপ করমু।

তয় এই গানটা, 'র্টাণ ইট আপ', ভালো লাগেছে। এইডা গাইছে, 'Chris Thompson'। ও এই এলবামে আরো গাইছে, 'ব্যাক এ্যগেইনস্ট দা ওয়াল'। ওর ভোকালটা জোস। একটু প্রেসার দিয়া গায়। ভোকালটা কানে লাগার মত। আর বিশেষ কইরা ইন্সট্রুমেন্ট ট্রেক, 'ড্রিমএসকেইপ' জোস লাগেছে। এই ট্রেকটায় ক্যাসিকেলের দারুন প্রেভাব আছে, আর তার সাথে গিটারের মিক্সডআপ তো জটিল।

ধন্যবাদ ভাই। এই এলবামটার নাম লওয়ার লইগা। এমনে আরো এলবামের নাম লইয়েন।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন:
'Dreamscape' আমার অক্সিজেন সিলিন্ডার! ঠিক ক্লাসিকাল না...ওরা মাত্র দুটো Mode ব্যবহার করেছে। Home থেকে একসময় সরে গিয়ে নানা জায়গা ঘুরে এসে আবার ফিরে এসেছে। চিন্তা করত একটা জিনিস...এরকম একটা কম্পোজিশন এখনকার কেউ বিশেষ করে বাংলাদেশে কেউ করতে পারবে?

আরেকটা হল 'Siren song'! অবশ অবশ লাগে যখন সলোটা শুনি! সেই আমলে হারমোনাইজার দিয়ে সিম্পল নোট সিলেকশন!

আসলে মিউজিক করতে যেটা লাগে সেটা হলো...ইচ্ছা আর প্রচুর জ্ঞান। সুইপ পিকিং, ড্রিল পিকিং, পাওয়ার রিফ, কর্ড ব্রেক ফর্ম, আরপিজিও এতসব জিনিস না জানতে পারো ক্ষতি নেই....কিন্তু জ্ঞান হতে হবে কি করে মিউজিক দিয়ে জনগোষ্ঠির বিশাল একটা অংশের হৃদয়ে প্রবশ করা যায়...তাদের মাথা নষ্ট করা যায়!

৪৭. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫
অন্যরকম বলেছেন: অবশেষে অনেকদিন পর পিংকসদের নিয়ে একটা আজাইরা লেখা লিখলাম ভাইয়া! সময় হলে একটু দেখে আসবেন! :)
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১১

লেখক বলেছেন:
সময় হবে না মানে...অবশ্যই!

৪৮. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৯
কিষান বলেছেন: ও ভাই , গিলমোর মামারে নিয়া একটা কিছু লিখেন না। কমফোর্টেবলি নাম্ব শুনলে তো শরীর অবশ হয়া আসে...
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন:
খালি অবশ...আর কিছু হয় না?

আপনেই একটা লিখেন না ক্যান মামা...আপনের তো মনে হয় ভাল প্যাশন আছে!

আপনার লেখা আর কেউ না পড়ুক আমি পড়ুম...

লিখবেন কি?

৪৯. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৪
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন: এই পোষ্ট এতদিন পরে পড়লাম কেনে???
অসাধারণ, জটিল, বহু কিছু জানলাম। সরাসরি প্রিয়তে...
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৫

লেখক বলেছেন:
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!

আপনার সঙ্গীতপ্রীতি আমার ভাল লাগে। তাছাড়া আপনি একজন সঙ্গীত প্রেমি পরিবার থেকে উঠে এসেছেন! সায়েন্স ফিকশনও আপনার প্রিয়।


আমার বিশ্বাস এই ব্লগের মাধ্যমে সকল সঙ্গীতপ্রেমীরা একদিন একই প্ল্যাটফরমে আসতে পারবে। তখন হয়তো শুরু হবে অভিজ্ঞতা বিনিময় আর বিশুদ্ধ সঙ্গীতচর্চা!

আমার ব্লগে আপনাকে সবসময় স্বাগতম!

আবারো অনেক ধন্যবাদ...

(+ কি আর বাড়বো না?)

৫০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৪
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন: আমি যে সাই ফাই এর ভক্ত তা জানলেম ক্যাম্নে!!!
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন:
প্রায় ৪ যুগ ধরে সৌরজগতের ৩য় গ্রহে নিশ্বাস ফেলছি...
৩ যুগেরও বেশি সময় ধরে শিল্প সুধা উপভোগ করছি!

বই, গান, চলচ্চিত্র, চিত্রকলা, ফটোগ্রাফী...
ক্রিকেট, দাবা, এফপিএস গেমস...
নারী, শিশু, ষ্টক মার্কেট...
কম্পিউটার, টেলিকমিউনিকেশন, নেটওয়ার্কিং, ডেটাবেইজ সার্ভার...
এ্যাডমিনিষ্ট্রেশন, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট...

above all...mystery of science

এগুলো হল আমার area of interest...

প্রশ্ন হলো..আমার চোখ কি তাহলে ভুল দেখলো...ব্রেইন কি কাজ করছে না! কিছুই কি বুঝতে পারবো না?

১৩ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫৭

লেখক বলেছেন:
আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম...

এবার ভাল লাগার কারনগুলো না হয় আমাদের সবার সাথে শেয়ার করুন!

২১ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:১৭

লেখক বলেছেন:
এইডা একটা মারাত্মক কাম হইছে!

(তয় খালি সামুতেই কিন্তু থাইকো...কারন এইহানে আমরা আছি!)

৫৩. ২০ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩
অপার্থি্ব বলেছেন: Pink Floydকে তো Psychedelic Rock এর জনক বলা হয়,আচ্ছা Pink Floyd ছাড়া আর কোন ব্যান্ড আছে যারা Psychedelic Rock ঘরনার গান গাই?? আমি এখন পর্যন্ত পাইনাই :(
"PINK FLOYD একটি ব্যান্ডের নাম।
PINK FLOYD একটি আবেগের নাম।"
এর পরে আসলেই আর কিছু বলার থাকে না।
আমি ব্লগে নতুন।আমি ডিও'কে নিয়ে একটা পোষ্ট দিছি ৩/৪ দিন আগে,চাইলে দেখে আসতে পারেন আমারটা।
অনেক ধন্যবাদ এমন ১টা পোষ্টের জন্য। :D
৫৪. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৩০
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন:
@ অপার্থিব এবং অন্য যারা 'পিংক ফ্লোয়েড' এর মত ব্যান্ড আর আছে কিনা খোজেন:

'পিংক ফ্লোয়েড' শুনে, ওদের মত আরো কেউ ময়দানে আছে কি না, এইটা জানা এবং থাকলে তাদের গান শুনে দেখা- এই রকম ইচ্ছা আমারো প্রবল। বাট, সমস্যা হলো, 'সাইকেডেলিক রক' লিখে গুগোলে র্সাচ দিলে আরো অনেক ব্যান্ডের নামই পাওয়া যায় বাট, আমি শুনে দেখছি, 'পিংকি'দের মত ফিল আসে না। আসলে এই জায়গায় 'পিংকি'রাই বেষ্ট। তবে, আপনি যদি ধারাবাহিক ভাবে 'পিংকি'দের গান শুনে থাকেন সেই ক্ষত্রে আমি হয়তো কিছুটা হ্যাল্প করতে পারবো। তার আগে আপনাকে অবস্যই 'পিংকি'দের গান, প্রথম থেকে ধারাবাহিক ভাবে শুনে আসতে হবে- বিশেষ করে প্রথম দিকের ৩/৪টা এলবাম।

ব্যক্তিগত ভাবে আমি মনে করি, আমার মনে হয়, 'র্ডাক সাইড আব দ্যা মুন' হলো 'সাইকো' এলবমের সব চেয়ে সফল আউটপুট। এরপরের দুইটা, 'উইশ ইউ ওয়্যার হিয়ার' আর 'এ্যানিমেল' এ কিছু মিশ্রণ আছে- সাইকোর সাথে এই এলবামগুলোতে 'সিম্ফোনিক' ও 'প্রগ্রেসিভ রক' (!) ঢুকে পড়ছে। 'প্রগ্রেসিভ রকে'র পাশে বিস্ময় বোধক চিন্হ দেয়ার কারণ হলো, অনেক বিস্মিত হবেন- তাই। তারপরেও আমার কাছে তাই মনে হইছে। বিষেশ করে 'এ্যানিমেল' এলামামের 'ডগস' গানটার উদাহরণ টানা যায়। গানটা ঠিক মত শুনে এতে- 'সাইকো'র সাথে 'প্রগ্রেসিভে'র চমত্কার মিশ্রণ আমি পাই। আর, 'ওয়াল' তো 'রক অপেরা' হিসেবেই বিখ্যাত।

এরপর যদি 'ওয়াটার্স' যুগের সমাপ্তি পর 'গিলমোর' যুগের এলবাম- 'এ ম্যামোরি ল্যাপস্ অব রিজন' আর 'দ্যা ডিভিশন ব্যাল' কে ধরেন- তবে এইগুলাকে পুরাপুরি সাইকো বলা যাবে কি না, তা নিয়ে আমার ব্যাপক সন্দেহ আছে। যদি 'পিংকি'দের আপনি কালের সব চয়ে সফল 'সাইকেড্যালিক রক' ব্যান্ড ধরেন, তবে তার ধারাবাহিকতায় 'ডিভিশন ব্যাল' পর্যন্ত যে নানান চারাই-উতরাই, তিন মহারথির যে যুগ- 'ব্যারেট', 'ওয়াটার্স' আর 'গিলমোর'; এই গুলোর ঐতিহাসিক একটা উপসংহারে আসেতে হলে, সেই উপসংহারটাকে সুনির্দিষ্ট করা কঠিন।

আমার মতে আসল 'সাইকেড্যালিক রক' কি জিনিস তার বুঝেতে হলে, প্রথম চারটা এলাবাম ভালো করে শুনেতে হবে। আবার এই শোনাটা যেন একাডেমিক হয়ে না যায়। শুনতে হবে হূদয়ের গভীর থেকে। আর এর সাথে ভালো করে শুনেতে হবে 'সিড ব্যারেটে'র সল। এই ক্ষেত্রে 'ব্যস্ট আফ সিড ব্যারেট - উডে'ন্ট ইউ মিস মি' ঠিক-ঠাক শুনেলে আশা করা যায় পরিস্কার হবে।

এই বিষয়টা নিয়ে আমার ভাবনা গুছানোর জন্য আরো সময় দরকার এবং পারস্পারিক আলোচনা চালতে হবে। সামনে করবো। আর অন্য কেউ চাইলেও এই আলাপটা চালানো যায়। ফয়সাল ভাইকে এই ব্যাপরে বলবো ভাবনা শেয়ার কারতে।

আর আপনার জন্য আপাদত দুইটা এলবামের নাম নেই, ব্রিটিশ ব্যান্ড 'ক্যামেলে'র 'রেজাজ' এবং র্জামান ব্যান্ড 'এলয়' এর 'ইনসাইড' এলবামটা। আপাদত এই দুইটাই শুনে দেখেন। শোনার সময় একটা ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে, কোন ভাবেই 'পিংক ফ্লোয়েডে'র সাথে কম্পেয়ারে যাওয়া যাবে না, শুনেতে হবে নিরপেক্ষ হয়ে। পরে আরো কিছু এলবামের খোজ-খবর করা যাবে।

'ইনসাইড' এলবামের ডাউনলোড লিংকটা দিলাম। শুনে দেখেন। 'রেজাজ' এলবামটার ডাউনলোড লিংক খুজে নিয়েন।

ভয় হইতাছে, এত কথা কইয়া কি জানি বিপদে পরি। 'পিংকি'দের ফ্যানরা না আবার আমারে আক্রমণ করে। যা থাকে কপালে।

৫৫. ২২ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৩৮
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন:
@ ফয়সাল ভাই: না ভাই, সামু ছাইড়া কোথায়ও যামুনা। কোন চিন্তা চিন্তা কইরেন না।
৫৬. ১৯ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৫৫
কবির চৌধুরী বলেছেন: আবেগময় লিখা, ধন্যবাদ
২১ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪

লেখক বলেছেন:
ভাই...

আগের মত সময় পাই না খালি...

নাইলে শুধু লেইখাই আবেগ টের পাওইয়া দিতাম!

৫৭. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:১১
কাঙাল মামা বলেছেন: লেখা ছোট হয়ে গেছে। :|

সামুতে পিংক ফ্লয়েড গ্রুপ খোলা উচিত।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন:
হ!...আজব কথা!

কমেন্ট এর তুলনায় আমার এই লেখা আসলে কিচ্ছু না!

তয় মামা এইবার একটা ভিন্ন স্বাদের লেখা দিমু ভাবতাছি। সবাই পছন্দ করবো মুনে অয়।

...আবেগ জিনিসটা আসলেই খারাপ!

৫৮. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:১০
মেঘেরদেশ বলেছেন: অনেক আগে PINK FLOYD এর নাম শুনেছি কিন্তু গান শুনা হয়নি,কয়েকদিন আগে wish you were here গান শুনে মাথা পুরা নস্ট, আজকে আপনার পোস্ট পড়া অনেক কিছু জানলাম,আপ্নাকে অনেক ধন্যবাদ :) :)
৫৯. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১০
মেঘেরদেশ বলেছেন: Click This Link আপনার লেখা থেকে কিছু অংশ ধার নিলাম :)
৬০. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২১
ঘোড়ারডিম বলেছেন: shine on you ফয়সাল ভাই... অনেক ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৯৫৬৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ডেভেলপমেন্ট সেক্টরের সাথে জড়িত।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই