আমার প্রিয় পোস্ট

Let the wind blow out the candles

উচ্চশিক্ষায় মুখস্তবিদ্যা আর শিক্ষার্থীদের মুখস্তচর্চা

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪২

শেয়ারঃ
0 44 0

সম্ভবত: গত বছরের কাহিনী। নতুন একটা টিউশনির প্রথম দিন, আর প্রথমবারের মত কোন শিক্ষার্থীকে পড়াতে গেলে আমি আগে থেকেই একটু হোমওয়ার্ক করে যাই, যার একটা কারণ হোল যাতে টিচারের ওপর শিক্ষার্থী'র ভরসা তৈরি হয়! এটা আমার ছোটবেলারই বদঅভ্যাস, কোন টিচারের ওপর যদি ভরসা না আসে যে সে কনফিডেন্ট আর যা পড়াচ্ছে নিজে ভালমত বিষয়টা বুঝে, প্রথম ইম্প্রেশনেই আমি তাকে বাতিল করে দেই এই ভেবে যে সে ঠিকমত বুঝাতে পারবে না বা "গজামিল" দিয়ে কিছু একটা বুঝিয়ে দেবার চেষ্টা করবে! যাইহোক, সেই স্টুডেন্ট তখন মাত্র এস এস সি পরীক্ষা দিয়েছে আর রেজাল্টও পেয়েছে, সায়েন্সের ছাত্রী সমাজ বাদে বাকি সবগুলোতে এ+, একটুর জন্য "গোল্ডেন এ+" পাওয়া হলনা দেখে সে আর তার মা মিনিটে একবার করে আক্ষেপ করছে। আমি একটু ভয় পাচ্ছিলাম যেমন বাঘা স্টুডেন্ট, পড়াতে পারবো কি-না। পড়াতে বসেই অবশ্য দেখা গেল কাহিনী একটু অন্যরকম।

মোটামোটি সহজ ব্যাপারগুলোও বুঝছে দেরীতে। আমি হাল ছেড়ে দিয়ে স্কুলের টপিকগুলোতে একটু ডুব মেরে দেখলাম সেখানে ছাত্রী আমার সগৌরবে টেক্সট না বুঝে অমূল্যধন মুখস্তচর্চা করে এসেছে যার ফলাফল এখন তার সহজ একটা কনসেপ্ট বুঝতেও হিমসিম খেতে হচ্ছে। কোন কারণে দেখা গেল সে জ্যামিতির সহজ একটা ব্যাপার বুঝছে না। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তমুক উপপাদ্য পড় নাই আগে? সে বিশ্বজয়ী হাসি দিয়ে বললো, স্যার তখন তো মুখস্ত করে ফেলেছিলাম। জ্যামিতি আসলে আগে প্রমাণ লিখে পরে চিত্র আকতাম!

এই হল এখনকার সময়ের গর্বিত এ+ ধারীদের মোটামোটি জেনারেলাইজড একটা চিত্র। কোন সন্দেহ নেই, সেই ছাত্রী উচ্চ শিক্ষাতেও এই মুখস্তবিদ্যা প্রয়োগ করবে, কারণ রেজাল্ট তো সে পাচ্ছেই!

আরেকটা কাহিনী, এটা একটু বেশি ভয়াবহ আর সাম্প্রতিক। কারণ এবার ছাত্র-ছাত্রীরা হল বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া। প্রাইভেট একটা ভার্সিটির (নাম বলছি না) কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট, যাদের আমি মাঝে মধ্যে টুকটাক হেল্প করি, তারা যে ভার্সিটি লেভেলেও এই বিদ্যা প্রয়োগ করবে, তাও কোড এর মত বস্তু মুখস্ত করার ভয়াবহ অপচেষ্টায়, এটা দেখার পরই প্রথমবারের মত মনে হল অবস্থা খুবই শোচনীয়। সেই স্টুডেন্টদের যখন আমি কোন একটা কিছু দেখাই, তখন ঠিকই বুঝে। কিন্তু এর পরই সব উল্টাপাল্টা। ল্যাবে গিয়ে কোড করতে গেলে রিচিদেবের নাম জপা ছাড়া উপায় থাকে না। সেই ছাত্রী শেষে একদিন জানালো, তারা কম্পুসায়েন্স পড়বে না, বাইরে চলে যাচ্ছে। আমি মোটামোটি বিস্মিৎ হলাম, কারণ তাদের মুখস্তবিদ্যা এমন কার কাছে পরাজয় বরণ করলো সেটা জানার জন্য আগ্রহ হচ্ছিল! সে যা বললো তার সারমর্ম হল এরকম: স্কুল কলেজ সবকিছুতেই মুখস্ত করে এসেছে, জিপিএ ফাইভও পেয়েছে, কিন্তু এখন আর এভাবে পেরে উঠা যাচ্ছে না। পারার কথাও না।

ইঞ্জিনিয়ারিং এর মত একটা ব্যাপার, তাও আবার কম্পিউটার সায়েন্স যেখানে কিনা লজিক, চিন্তা ভাবনা আর ক্রিয়েটিভিটি না থাকলে কোনদিনই ভালো প্রোগ্রামার তো দূরের কথা টুকিটাকি কাজ চালানোই দূরহ ব্যাপার হয়ে যাবে, সেখানে তারা কিভাবে মুখস্ত করে আসছে সেটা দেখে শিউরে ওঠা ছাড়া আর কিছু করার নেই। এসব ছেলেমেয়েরা যখন পড়াশোনার গণ্ডী পেড়িয়ে প্রতিযোগিতার বাজারে নামবে তখন ব্যাপারটা কেমন হবে? আর এদের ভার্সিটির সিস্টেমটাও দায়ী কারণ ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ কঠোর হলে এসব শিক্ষার্থীরা অনেক আগেই সচেতন হত। এদের কাছ থেকে যেটা জানা গেল তা হল ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ, টিচার রা মুখে টাইট দিলেও কার্যত সেটার কোন প্রতিফলন থাকে না, প্রজেক্ট জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও সেটা হল "গণ" এদের ভাষায়, মানে সবাই একই জিনিস কপি পেস্ট করে জমা দেওয়া। টিচাররাও নাকি কিছুই বোঝানোর ব্যাপারে পুরোপুরি উদাসীন তবে সেটার সত্যতা যাচাই করা তো সম্ভব না।

এসব "ইঞ্জিনিয়ার"রা যখন কোন এপ্লিকেশন বানাবে বা কোন প্রজেক্টের দায়িত্বে থাকবে সেটার অবস্থা কেমন হবে বুঝতেই পারছেন। অবশ্য বাপের পয়সা ওয়ালারা নিজেরাই ফার্ম-টার্ম দিয়ে এডমিনিস্ট্রেশনে বসে পড়লে অন্য কথা আর সেটাই বরং ভালো!

দু:খজনক ব্যাপারটা হল, না বুঝে মুখস্ত করা - এই ব্যাপারটা স্বীকার করাটা এদের কারো জন্য লজ্জ্বাজনক বা অস্বস্তিকর নয়, সবাই হাসিমুখেই বলে আসছে, "মুখস্ত করি!" যেন মুখস্ত করাটা সেরকম কোন ক্রেডিটের ব্যাপার, শিক্ষকদের, সহপাঠীদের, পরীক্ষাব্যবস্থাকে ঘোল খাইয়ে রেজাল্ট ভাল করে যেন বিশাল ব্যাপার করে ফেলেছে। আমি স্কুলে বা কলেজে পড়ার সময় কোন কিছু না বুঝে মুখস্ত করেছি বলে মনে হয় না, কারণ ছিল দুটা: একনাম্বার হল প্রেস্টিজের, কেউ যদি ধরে ফেলে না বুঝে মুখস্ত করেছি, ইজ্জতের ফালুদা তখনই হয়ে যাবে। পরীক্ষায় ভালো করা কখনও উদ্দেশ্য ছিলনা আর যথারীতি পরীক্ষার ফলও ভালো হোত না! আর দ্বিতীয় কারণটা ছিল, মুখস্ত জিনিসটা অনেক যন্ত্রনার মনে হয় আমার কাছে, সে কারণে অনেক টপিক ছেড়েও দিয়েছি যেখানে অনেক টার্মস মুখস্ত করা ছাড়া উপায় নাই।

এখন কথা হোল, মুখস্ত করে ছেলেমেয়েরা কি পাচ্ছে? উত্তর: ভালো শিক্ষার্থীর সম্মাননা! জিপিএ ফাইভযে হেসে খেলেই পেয়ে যাচ্ছে সেটা তো দেখলেনই। বোর্ড গুলোরও প্রশ্ন যেই সিস্টেমে হয়ে আসছে তাতে মুখস্ত করে আর "সাজেশান" দেখেই পার পেয়ে যাওয়া যায়। এরপরই শুরু হয় মুখস্তবিদ্যা ধারীদের যন্ত্রণা। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষাগুলো এখনও একটু টেকনিক্যাল হয় দেখেই যারা বুঝে পড়ে এসেছে, তারা এখনও পার পেয়ে যাচ্ছে। মেডিক্যালের ভর্তিপরীক্ষায় অবশ্য এই মুখস্তের একটা বড় অবদান থাকে, কিন্তু ডাক্তার হবার জন্য তো ভাল স্মৃতিশক্তি জরূরী! প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় গুলো, আইবিএ, সরকারী বিশ্ববিদয়ালয় গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় না বুঝে মুখস্তকারীদের জন্য এখনো মোটামোটি যন্ত্রনাবিশেষ, তবে সেটা কতদিন থাকে সেটা আল্লাহই জানেন। যদি সরকার নিয়ম করে বসে যে স্কুল কলেজের জিপিএ আর "বয়স" দেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নেওয়া হবে, তাহলে আর বাকিদের কোন উপায়ই থাকবে না।


মুখস্ত করা ব্যাপারটা কিন্তু সরাসরি কোন সমস্যা না, অনেক টার্মস-ই আছে যেগুলো "মাথায় রাখতে" হয়। সেগুলো "মনে রাখা" বা মুখস্ত করা বাঞ্চনীয়। কিন্তু সমস্যা তখনই যখন বুঝে একটা জিনিস যার ধারণা খুবই স্বচ্ছ থাকার কথা, সেটা না বুঝে মুখস্ত করে ফেলা হয়। স্কুল বা কলেজের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় এভাবে ধোকা দেওয়া সম্ভব, কিন্তু এর পরপরই এই বিদ্যার আদতে কোন মূল্য থাকবে না, যখন শুধু বইএর পেছন থেকে প্রশ্ন টুকে দেওয়া হবে না, বিষয়বস্তুর নিয়ে চিন্তা করে এটার একশো রকম এপ্লিকেশন চিন্তা করতে হবে।

দোষ কাকে দেব? শিক্ষাব্যবস্থাকে? আংশিক দোষ শিক্ষাব্যবস্থার ঘাড়ে চাপানো গেলেও বাকিটুকু না বুঝে পড়া শিক্ষার্থিদের নিজের ঘাড়েই থাকবে।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৫
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: কোন এক মুখস্তবিদের ভাল লাগেনি বোধহয়।

---

এই বিষয়ে আমার নিজের অভিজ্ঞতাও ভয়াবহ। একজনকেই পড়িয়েছিলাম জীবনে, সে আমার টিউশনীর শখ মিটিয়ে দিয়েছে চিরতরে। সব মুখস্ত করে ফেলত; সম্পাদ্য, উপপাদ্য, এলজাবরা, পাটিগনিত, বিজ্ঞান - সব। এবং এটা মানতেও নারাজ যে মুখস্ত না করেও পারা যায়!!!

সে কাহিনী হয়ত অনত্র বলা হবে ;) ;)
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪২

লেখক বলেছেন: প্রথমেই ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য!

মুখস্ত করাটা এখন ভাইরাসের মত ব্যাপার, এমনভাবে ছড়িয়ে গেছে যে মহামারীও বলা যেতে পারে। ব্যাপারটা অনেকটা এরকম: দেখা গেল স্কুলে কেউ একটা বিষয় বুঝছে না। আর না বুঝলে পরীক্ষাতেও নম্বর পাবে না। কিন্তু তার পাশের সহপাঠীই একই জিনিস না বুঝে মুখস্ত করে নাম্বার পেয়ে যাচ্ছে! এখন তাকেও মুখস্ত করতে হবে, কারণ মুখস্ত না করলে গ্রেড পাবে না আর পিছিয়ে পড়বে অন্যদের থেকে। এভাবেই এই মুখস্ত-ভাইরাসের ছড়াছড়ি।

আপনার টিউশনির গল্প শোনার অপেক্ষায় থাকলাম! ;)

২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৫
স্বপ্নীল আহমেদ বলেছেন: খুবই ভাল লেখা।অনেক ধন্যবাদ।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই

:)

৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: পোস্টে প্লাস!

একটা কুচ্চেন স্যার। আপনি তো দেখি সব ছাত্রী পড়ান ;)


আছো কেমন ভাইয়া?
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: সাদাত ভাই, সব ছাত্রী পড়াই এটা কে বললো =p~

তবে আমার ঘভেষণায় ছাত্রদের থেকে ছাত্রীদেরই মুখস্ত-টেন্ডেন্সী বেশি দেখেছি! কারণ কি, সেটা গবেষণার বিষয়!

এখন ভাইয়া দৌড়ের ওপরে, টার্ম শেষ হয়ে যাচ্ছে - কুইজ, সিটি আর প্রজেক্ট সব মিলে দৌড়ের ওপরে রাখছে!

৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০০
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: লেখা ভালো।মেয়েটির ছবি আরও ভালো :P
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৬

লেখক বলেছেন: গুগল মামাকে থেংকু :P

৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০১
সৌরদীপ্ত বলেছেন: ভালো বলেছেন । ++++++++++++++++
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই

:)

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: :)

৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১২
অলস ছেলে বলেছেন: মুখস্ত বিদ্যার পার্শপ্রতিক্রিয়া দেখাই :) আজ সারাদিন যতবার মনে পড়ছে নিজে নিজে হেসেছি। চ.বি. থেকে ইংলিশে অনার্স করে একটা ছেলে এসেছে এখানে কয়দিন হলো, ইপিটি (প্রফিসিয়েন্সি টেষ্ট) ফেল করে ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স করছে। এসএমএস দিয়েছিলাম, 'হাউ ইজ এভরিবডি ইন দ্য নিউ ক্লাস' সে রিপ্লাই দিছে 'অল বডি ইজ ফাইন' (হুবহু) :(( :(( B-) । সকালের পর থেকে সারাদিনই হাসছি আপনমনে। কাউরে বলতেও পারিনা, হাসি থামাইতেও পারিনা।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: =p~ =p~ =p~

এরকম অনেক আজব আংরেজি আর উচ্চারণ শুনি মাঝে মাঝে, শুইনা নিজের মাথায় গুলায়া যায়! হাসতেও পারিনা হে হে

আপনার কনফারেন্স কেমন হইলো? :)

৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৪
ম্দু বলেছেন: মুখস্তবিদ্যে কে সারা জীবন ঘৃণা করে এসেছি...ভবিষ্যতেও করব। আপনার ধ্যানধারনা এবং মতামতের সাথে সহমত ।বিশেষ করে কম্পিউটার সায়েন্স এর কথা যা বল্লেন তা একে বারে বাস্তব চিএ

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: আমিও ঘৃণা করি, কারণ মুখস্তবীদদের সাথে পেরে উঠি না =p~

মন্তব্যের জন্য ধইন্যাপাতা

৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৬
অজানা এক পথিক বলেছেন: ছাত্র-ছাত্রিদের চেয়ে দোষটা কিন্তু আমাদের স্কুল কলেজের শিক্ষা ব্যাবস্থার। স্কুল কলেজ পড়ুয়াদের এটা বুঝার ক্ষমতা থাকে না যে মুখস্তবিদ্যা কোন কাজে দিবে না ভবিষ্যতে। বরং তারা যখন দেখে যে মুখস্ত করে পার পেয়ে যাচ্ছে তখন তারা সেটাতেই বেশী আগ্রহী হয়। আর আমাদের পরীক্ষার সিস্টেমও কিন্তু মুখস্তবিদ্যাকে উৎসাহীত করে।

ইউনির স্টুডেন্ট পড়ানোর অভিজ্ঞতা আমারও আছে। অনেক ভাল রেজাল্ট করা স্টুডেন্টকে দেখেছি প্রাইম নাম্বারের এ্যালগরিদম বুঝে না।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: পরীক্ষা ব্যবস্থার দোষ তো আছেই। কিন্তু আমার মতে শিক্ষার্থীদের দোষ আরো বেশি, কারণ নাইন-টেন পড়ুয়া একজন শিক্ষার্থীর বোঝা উচিত না বুঝে কিছু মুখস্ত করে ফেলাটা মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়। আর মফস্বল বা গ্রামের দিকে যাওয়ার দরকার নেই, খোদ রাজধানীর নামকরা স্কুল কলেজের তথাকথিত মেধাবীরাই এই কাজ করে আসছে। যদি এমনটা হোত যে তাদের রিসোর্সের অভাব দেখে মুখস্ত করা ছাড়া উপায় নেই, তাহলেও একটা কথা ছিল। কিন্তু এখনকার শিক্ষার্থীরা যে পরিমাণে প্রাইভেট বা কোচিং করার সুযোগ পায়, এরপর দায়টা তাদের ঘাড়েই এসে পড়বে।

আর শিক্ষাব্যবস্থার কর্তাদের কথা কি আর বলবেন, তাদের তো ছাত্রদের ভালো মন্দ কোনটা এটা বোঝার ক্ষমতা আছে বলেই মনে হয়না

১০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৩
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: কত আর টানবে মুখস্ত করে... একদিনতো থামতে হবেই
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: সরকার যদি এখন বলে এসএসসি এইচএসসির গ্রেডশিট দেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করতে তাহলে কি হবে চিন্তা করেন! মুখস্তকারীরা পার পাবেই বরং অন্যরা এদের জন্য সুযোগ পাবে না!

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: উফ!

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: থেংকু!

১৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৩
আতিকুল হক বলেছেন: আমার মনে হয়, গার্জিয়ানদের অনেক বড় একটা ভূমিকা আছে এ ব্যপারে। প্রাইভেট টিউটর বা স্কুল সাময়িক লাভটাই বড় করে দেখবে - এটাই স্বাভাবিক। বাচ্চা বুঝে পড়ছে নাকি মুখস্হ করে ভালো করছে সেটা দেখার দায়িত্ব গার্জিয়ানদের। কারন, স্কুলে মুখস্হ করে ভালো করা সম্ভব, বিশ্ববিদ্যালয়ে সেটা হবে না।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: গার্জিয়ানদের কথা বলতে গেলে তো আরো মেজাজ খারাপ হবে! গার্জিয়ানরা ভাবে টিউটরের কাছে দিয়ে দিলেই সমস্যার সমাধান। যে কারণে বাচ্চাদের পড়াশোনা দেখানোর চেয়ে বাচ্চাদের নিয়ে কোচিং সেন্টার আর টিউটরদের বাসায় দৌড়ানোতেই তাদের বেশি আগ্রহ দেখা যায়।

আর গার্জিয়ানদের আরেকটা বাজে টেন্ডেন্সী হল, জিপিএ ফাইভ বা "গোল্ডেন" পাওয়াটা সামাজিক মর্যাদার মত একটা ব্যাপার হয়ে গেছে! অমুকের ছেলে ফাইভ পেলে আমার ছেলেকেও পেতে হবে, অনেকটা এরকম, মুখস্ত করে পাক আর বুঝে পাক তাতে তাদের কোন আপত্তি নেই!

১৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৬
মানু্ষ বলেছেন: ভাই - আমড়া .। মানে অপদার্থ!
অসাধারণ একটা 'পদার্থ' লেখা লিখেছেন

পত্রিকায় পাঠান, অনেকেই আরো পড়বে।
আমরা বুঝে কম পড়ি, এখন পরিবর্তন দরকার;

ধন্যবাদ
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: আমি নিজেকে অপদার্থ বিশেষ মনে করি বলেই এমন নিক ;) ;)

অপদার্থের লেখা কি আর পত্রিকায় ছাপাবে বলেন?! তাদের কলাম ভরানোর জন্য স্যুট টাই ধারীদের অভাব নাই!

১৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫২
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: আমড়া ভাই.......পোষ্ট জটিল হইছে!! আছেন কেমুইন??
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: আছি মোটামোটি, আপনি কেমুন আছেন? ;)

পড়ার লিগা থেংকুপাতা!

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাইফ ভাই :)

১৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৩
নাজনীন১ বলেছেন: এজন্যই মাধ্যমিক পরীক্ষা থেকে সৃজনশীল প্রশ্ন করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এ বছর থেকেই চালু হবার কথা। আর স্কুল লেভেল থেকে গড়ে না তুললে বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলে এসে নতুন করে বেশী বুঝতে পারে না, কারণ বেস দুর্বল থাকে। তাই অনেক সময় শিক্ষকরাও হাল ছেড়ে দেন কেউ কেউ, সবাই না। আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিজের মান কিছু কমাতে হয়, প্রশ্নের স্ট্যান্ডার্ডও কমাতে হয়, কারণ সবাই গণহারে ফেল করলে সেটা শিক্ষকের দোষ হবে, ছাত্র-ছাত্রীদের না। আর ছাত্রদের যে ক্রিয়েটিভিটি! প্রশ্ন একটু লেকচারের বাইরে হলেই শিক্ষকের মূল্যায়ন খারাপ। এ হচ্ছে বেশীর ভাগ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা।

তবে আমাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও অনেকটা মুখস্থবিদ্যা টাইপ প্রশ্ন হয়, যার জন্য রেজাল্ট বেশী ভাল হয় না। মেমোরী খুব দুর্বল।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৯

লেখক বলেছেন: সৃজনশীলের উদ্যোগটা ভালো। কার্যকর হবে কিনা সেটা অবশ্য বড় কথা। কারণ সরকারের মনোভাবটাই থাকে জিপিএ ফাইভের জোয়াড়ে ভাসিয়ে শিক্ষাব্যবস্থার মান বাড়ছে এটা প্রকাশ করা। আর বোর্ড পরীক্ষার খাতাও অনেকে উদার মনে দেখা হয়ে থাকে :)

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও মুখস্তবিদ্যা টাইপ কিছু প্রশ্ন হয়, এটা সত্যি কথা

১৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৩
আকাশ_পাগলা বলেছেন: জীবনে মুখস্ত করি নাই বইলাই ধরাটা খাইছি।
মুখস্ত করলে আমিও পার পাইয়া যাইতাম।

মুখস্ত করা পোলাপান এখন দেখি সব ডাক্তার। কী আর কমু !! ডাক্তার হওয়া খারাপ কী, আমার চাইতে ভাল আছে।

বিভিন্ন জাতের তুলার স্টেপল লেংথ মুখস্ত কইরা, আর আমার চুলে কেন উল হয় না, কিন্তু ভেড়ার চুলে উল হয়, সেই কেমিকেল ফর্মুলা পইড়া দিন যায় রে ভাই।

ইন্ডিয়া পাকিস্তান আম্রিকা কোরিয়া কবে কেমন কেমনে কত তুলা সিল্ক উল উৎপাদন করসে, তুলায় আর পাটে কত কী কী কেমিকেল আর লিগামেন্ট আছে, ডাইং এর জন্য ফাইবারে কী থাকা লাগব মুখস্ত না কইরা কী করুম?

এই গেল ২ টা সাবজেক্ট।বাকি ৪ টা পিওর ম্যাথ। একটা মেকানিকালের ম্যাথ। আরেকটা পলিমার সাইন্স(দুনিয়ার সব চেয়ে কঠিন এবং বিরক্তিকর সাবজেক্ট)।

মুখস্তও ত পারি না, এমনেও ত পারি না। আমি কী করুম???????
-------------------------------------
অফটপিকঃ বাজ দিতে দিতে টায়ার্ড হয়ে গেছি। শুধু তোমাদের লেখা বাকি। আর সবার শেষ। কালকের(১৩ তারিখ) সকালের মধ্যে অবশ্যই দিবা। আর কোন কথা শুনতে চাই না।
এখনই দাও মিয়া।
যা ইচ্ছা দাও, তাও দাও।

কই থাকো সারাদিন??
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: ভাইরে ভাই, তোমারে এখনই কল দিতাম। দুপুরে ক্লাসে ছিলাম। কালকে রাত বারোটার মাঝে মেইল পাইবা। একটু ম্যানেজ কর। :(

১৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৫
বৈদ্যুতিক আঘাত বলেছেন: হে হে.... কাম সারছো। তুমার পুষ্ট পরে পড়তে হবে। এখন সময় নাই। :( :( দৌড়াইতেছি।


অনেকদিন ধরে দেখি না। কিরামাছো? :) :)
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: আমিও সাইডলাইনে দৌড়াইতাছি রে :(

টার্মের শেষ তো, পুরা দৌড়ের ওপরে রাখছে। আছি কুনুরকমে আরকি। তুমার খপড় কিতা? :)

২০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৬
সুপ্রকাশ বলেছেন: অনেক ধন্যবাধ .......... PLUS দিলাম ।
২১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৭
হোরাস্‌ বলেছেন: ঢাকা ইউনিভার্সিটি'র কোন এক হলে আমার রুমমেট ছিলো গণিতের মাস্টার্সের ছাত্র। ফাইনাল পরীক্ষার আগে তাকে দেখেছিলাম কমন ধরে ৭ টা প্রশ্ন মুখস্হ করে পরীক্ষার দিতে যেতে। সর্বমোট ৫ টা প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। পরীক্ষা শেষে জিজ্ঞেস করলাম পরীক্ষা কেমন হয়েছে? বলল, "খুব ভালো, ৫ টা প্রশ্নই কমন পরেছে।"।

চিন্তা করেন সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের মাস্টার্সের অবস্হা!!!
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪১

লেখক বলেছেন: গণিত নিয়ে কমবেশি সবারই একই দশা!

২২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৭
সলিল বলেছেন: ঠিকাছে ভাই। পোস্টের বিষয়বস্তুর সাথে আমার কোনো দ্বিমত নাই। আমি নিজেও এইটাই বিশ্বাস করার চেষ্টা করতাম। কিছু কিছু জিনিস আমি যখন বুঝতে অপারগ হইয়া চোখ বন্ধ কইরা মুখস্ত করতে যাইতাম তখন মনে মনে ধইরাই নিতাম যে এইটাতে আমার বিশাল ল্যাগ রইয়া গেলো, ভবিষ্যতে চান্স পাইলে বুইঝা লইতে হইবো। কিন্তু এখন আর আমি এই তত্ত্বের সাথে নির্দ্বিধায় পুরা একমত হইতে পারিনা। কারণ আন্ডারগ্র্যাডে সবতে বেশি মুখস্ত করতে হইলো ফাইনাল ইয়ারে আইসা। রেজাল্ট দেখা গেলো আগের ইয়ারগুলি থেইকা বহু ভালো হইছে। এরপর ভাবছিলাম মাস্টার্সে আর কি মুখস্ত থাকবো, সব কিছু বোধহয় বানাইয়া-বুনাইয়া বা কন্সেপ্ট কাজে লাগাইয়াই লিখতে হইবো। দেখা গেলো অনার্সে ৪ বছরে যা মুখস্ত করছিলাম এক মাস্টার্সেই তার ৩ গুণ বেশি করতে হইলো। একবার বাইনারি কোডওলা একটা জিনিস ঠিকমত বুঝতে না পাইরা আমার এক ক্লাসমেটরে জিগাইছিলাম এইটা কেমনে হইলো তুমি কি বুঝছো? সে কইছিলো, বুঝার দরকার কি মুখস্ত কইরা ফেললেই তো হয়। এবং সে ওই অসংখ্য ১,০ ওলা কোডগুলা কোনো এক আচানক কায়দায় ঠিকই মুখস্ত কইরা ফেলছিলো। মাস্টার্স পরীক্ষায় কোশ্চেন আসছিলো, ওয়াইম্যাক্স এর ফ্রেম ফরম্যাট আঁকো, যেটা ঝাড়া মুখস্ত না থাকলে পারার কোনো কায়দা নাই এবং যেইটা এমন একটা জিনিস যেটা মুখস্ত করার কোনো যুক্তি নাই।

যাই হোক, তাই বইলা আমি মুখস্ত করার স্বপক্ষে কোন যুক্তি খাড়া করতে চাইতেছিনা। এখনো মাঝে মধ্যে যখন দুই একটা জায়গায় আটকাইয়া যাই তখন বুঝি যে এই অংশটা সাময়িকভাবে মুখস্ত কইরা নিছিলাম বইলাই এই দশা হইছে। সো, মুখস্ত করার চে বুইঝা পড়লেই আখেরে কাম দেয় এই কথা না মানার কোনো উপায় নাই। কিন্তু আবার এইডাও ঠিক মনে হয় যে ঠিকঠাকমত মুখস্ত কইরা পরীক্ষার খাতায় উগড়াইতে না পারলে এই দেশে বোধহয় একটা স্টেপ এর পরে আর উঠা যায় না।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪২

লেখক বলেছেন: :(

২৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৪
সলিল বলেছেন: আমার এক দোস্তো সেইদিন আমেরিকা থেইকা ছুটিতে দেশে আইসা কইলো ওইখানে নাকি সে যেসব পরীক্ষা দেয় সেগুলা অনেকটা এইরকম যে, দশটা অব্জেকটিভ আছে, মোট ১০০ মার্কস। কন্সেপ্ট দিয়া করতে পারলে পুরা একশো, না পারলে পুরা জিরো। আমরা তো এইখানে শ্রডিংগার ইকুয়েশন পর্যন্ত মুখস্ত কইরা পরীক্ষায় ডিরাইভ কইরা দিয়ে আসছি, সেইটার ফিলোসফি না বুইঝাই।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৩

লেখক বলেছেন: সেই ভয়াবহ ইকোয়েশনটার কথা মনে করায়া দিলেন!

২৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৪
কালীদাস বলেছেন: ঢাকা ভার্সিটির টিচার পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে মুখস্ত করে, আর আপনি কিনা.....;)

ভাল পোস্ট। আমরা স্কুল লেভেলে যে টিচারদের শ্রদ্ধা করতাম বেসিক কনসেপ্টগুলো ভাল বুঝাতেন বলে, নতুন জেনারেশন দেখি ওঁদের দেখতেই পারে না, উল্টা কমার্শিয়াল বলে:):):) এখনো তো উপপাদ্যের শেষে ছবিটা আঁকছে, কয়েকবছর পর হয়ত তাও হবে না।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: ঝামেলা তো এখানেই :( মুখস্ত করে কেউ শিক্ষকের কাতারে চলে গেলে কিছুই করার নেই, কারণ যে নিজেই বুঝে না সে অন্যকে বোঝাবে কিভাবে!

২৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০০
বৈদ্যুতিক আঘাত বলেছেন: আমার এক মামাতো বোন আছে। আমরা দুইজন একই কিলাশে পড়াশোনা করছি। (এইবার ইট্টু ঢোল পিডাই, ঠিকাছে? ;) :|)

সব মুখস্ত করতো। পাটিগণিত পুরাই মুখস্ত! যদি শুধু তুমি ১৯ কে ৯১ বানিয়ে দাও, তাহলেই অংক নষ্ট! মানে ধর, কথার কথা বলছি..... বইয়ে কোন একটা অংক আছে, ১৫+৯৬x৫৫-৭৭৫+১৯। তুমি যদি এটাকে ১৫+৯৬x৫৫-৭৭৫+৯১ বানিয়ে ওকে করতে দাও, তাহলেই গেছে! সব গুলে বসবে। ফলাফল, অংক কাটা। তেমনিভাবে বীজগণিতে(তৎকালীন কথাগুলোই বলছি ;)) যদি (a+b)²+(a-b)² এটাকে (x+y)²+(x-y)² বানিয়ে দাও, তাহলে শুরুতে বলবে, এটা কঠিন। এরকম কোন অংক আমি কখনো করিনি। তারপর করতে যাবে। করবেও। কিন্তু মাঝে একটা গোলমাল বাধিয়ে বসবে। :(

অংকে প্রাইভেট পড়তো একজনের কাছে। সেই টিচার পড়াতোও। যখন পড়াতো, তখন আমার মামাতো বোন বলত, ও সবকিছু একদম ঠিকঠাকমতো বুঝছে! অংক খুবই সহজ। কিন্তু ৯-১০ মাস অতিক্রম হওয়ার পর আমার মামা/মামীকে বলতো, ও অংক কিছুই বুঝেনি! :-/ :-/ এইবার বুঝো ঠেলা? সেই সময়ে কিছু করার উপায় থাকে?

ওইযে! সবসময় অংক মুখস্ত করে এসেছে!? শুধু অংক? সবকিছুতেই মুখস্ত বিদ্যায় পারদর্শিনী। কিন্তু যদি তুমি (a+b)²+(a-b)² এটাকে (x+y)²+(x-y)² বানিয়ে দাও, নিয়ম যে একই, উত্তরও যে একই আসবে, এ'র জায়গায় এক্স, বি'র জায়গায় ওয়াই, এটা কোনভাবেই মাথায় ঢোকানো যাবে না! বড়ই ভয়াবহ অবস্থা!


কাহিনী আরও বড়। পরে কোন একদিন পুরোটা খুলে বলবনে। ;) :| :|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: এইটা কি শোনাইলা! :| তয় দুর্ভাগ্যের ব্যাপার হোল, এরকম ভুড়ি ভুড়ি আছে, তুমি কয়জনের উদাহরণ দিয়ে শেষ করবা......

অংক মুখস্ত যারা করে তাদের স্যালুট, স্রষ্টা তাদের যে স্মৃতিশক্তি দিয়েছে তার যথাযথ "সদ্ব্যবহারের" ক্রেডিট তাদের দেওয়া যেতেই পারে.....!!

২৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: স্কুল-কলেজের কথা বাদ্‌ দ্যান...............ডাইরেক্ট কোডিং মুখস্ত কইরা পরীক্ষার খাতায় উগ্‌রাইয়া আইসা আমার ব্যাচের এক পোলা ব্যাচ-ফার্ষ্ট হইয়া বাইর হইছে..........বিষাল সিজিপিএ- এর জোরে এখন মাষ্টারী করে! পুলাপাইনের যে কী অবস্থা >- আল্লাহ মালুম!
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: পুলাপানের অবস্থা আর কি হবে! পুলাপানও মুখস্ত করবে! বংশ পরম্পনায় এই ট্রেন্ড চলতে চলতে....... :-/

২৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১০
শিবলী বলেছেন: মুখস্ত বিদ্যা এখহনও রপ্ত করতে পারলাম না...

এই কারনে যে কত থিওরি- কত সাহিত্য- গদ্য কবিতা পরীক্ষার খাতায় লিখতে হয়েছে .... সবগুলা নিয়ে নুবেল কমিটির কাছে দিলে আমি নিশ্চিত সব বিষয়েই নুবেল পাইয়া যাইতাম ...;)
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: ধুরো মিয়া, এখনো নুবেল কমিটিতে গেলেন না, আপনারে থুইয়া ইউনুস চাচা নিয়া নিলো....... ধুরো কি কামডা করলেন ;)

২৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪১
মুভি পাগল বলেছেন:
কিছু কিছু ক্ষেত্রে মুখস্থ বিদ্যার বিকল্প নাই - এই মন্তব্যটা আমার কুয়েটের এক বন্ধুর
৩০. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৮
উদ্ভ্রান্ত পথিক বলেছেন: ২-২ এর ম্যাথ পাশ কর আগে তারপর মুখস্থরে গালি দিস।
আরে তোর ক্লাসমেট দের দেখ কয়জন বুইঝা পড়ে সেইটা ক!! প্রশ্ন যা আসে সেইটা বই থিকা ঝাড়া গিল্লা যা দেখবি এ+++!!
সো মুখস্থ বিদ্যা রকস ;) ;)
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: মুখস্ত করতে পারুম না কইয়াই তো চেইতা আছি। টানা চাইরটা সিটিতে শূন্যের কাছাকাছি, দুয়া কইরেন :|

৩১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৮
দ্রোহ বলেছেন: বিএসসি ইনজিনিয়ারিং ম্যাথ ক্লাসে গ্রিনস থিওরামের প্রুফ পরীক্ষায় আসবে বলে যদি স্যার কোনমত ঐটা দেখিয়ে দেন,আর ছাত্র যদি ঐটা বুঝতে ব্যর্থ হয়ে মুখস্থ করে উগড়ে দেয়,তাইলে আপনি তাকে দোষ দিতে পারেন না।কেননা একটা ভাল গ্রেড পাওয়ার চেষ্টা করা দোষের কিছু না।

তবে এই প্রবণতার শুরু অনেক আগে থেকে স্কুল লেভেলে যখন সে জ্যামিতি সমাধান করে বইয়ের কত নম্বর সেই হিসাব থেকে :|

প্রমাণিত একটা জিনিসকে পরীক্ষায় আবার ডিরাইভ করতে দেয়া টাইপ প্রশ্ন না কমলে এই মুখস্থ আর থামবে না :(
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: দেখা যাচ্ছে ম্যাথ নিয়েই সবারই কম বেশি অভিযোগ......আমারো যে তাই সেটা আর বলে দিতে হবে না!

ইউনিভার্সিটি লেভেলে এই টেন্ডেন্সি আরো বেশি! ক্যালকুলাসের কথাও যদি বলেন, কোনটা কোন পদ্ধতিতে করতে হবে সেটা "মনে রাখতে" হয়। যেটার সুন্দর নাম হল "প্রাকটিস করা"!!! যত বেশি প্রাকটিস করবেন তত বেশি "মনে থাকবে" অর্থাৎ সলভ করতে পারবেন ;)

৩২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৫
লাল সাগর বলেছেন: আজীবন মুখস্থ করেই গেলাম। শিখতে পারলাম না কিছুই। :(
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: হায়রে!

৩৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৮
অপরিচিত_আবির বলেছেন: মুখস্থ খুবই ভালো জিনিস, আরো ভালো জিনিস হইলো কপি করা, এই দুইটা জিনিস পারলে বাড়িতে অন্তত মান ইজ্জত রক্ষা হইতো :(
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: :(

৩৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩০
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: আর এদের ভার্সিটির সিস্টেমটাও দায়ী কারণ ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ কঠোর হলে এসব শিক্ষার্থীরা অনেক আগেই সচেতন হত। এদের কাছ থেকে যেটা জানা গেল তা হল ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ, টিচার রা মুখে টাইট দিলেও কার্যত সেটার কোন প্রতিফলন থাকে না,


এটাই কথা।ভার্সিটি তে শেখার জন্য আসা।কিন্তু কিছু টিচার বছরের পর বছর হাতে লেখা কিছু নোট ধরিয়ে দেন।ওসব উনি নিজেও বুঝিয়ে দেন না।নিজেরাও কিছু বুঝতে পারি না।পাশ করার জন্য জাস্ট গিলে নিই।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: নোট দিক সমস্যা নাই, কিন্তু নোট তো বুঝিয়ে দিতে হবে। আর অনেক জায়গায় নাকি সিলেক্টিভ কিছু প্রশ্ন বলে দেয়া হয় আগেই, সেখান থেকেই পরীক্ষায় আসে! তখন পুলাপান সেইসব "কুয়েচ্চেন" গিলে ইক্জাম হলে উগড়ে দিয়া আসে!

৩৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: অনেক দিন স্টুডেণ্ট পড়াই না :((


মুখস্ত কি খালি স্কুল লেভেল এ হয়? আর কোথাও হয় না /:)

বুয়েটের ম্যাথ ডিপার্টমেন্ট এর স্যার গুলা আহারে!!! এরাও সেই সিস্টেম এই আসছজে! X(
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: শেষ প্যারার সাথে সম্পূর্ণ একমত! ;) ;) :((

৩৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৭
অজানা এক পথিক বলেছেন: ভাইরে স্কুল কলেজের স্টুডেন্টদের যেসব কোচিং আর প্রাইভেট পড়ানো হয় সেখানেও তো খালি নোটের বাহার। বুঝুক আর না বুঝুক নোট নিতে পারলেই হইল। কে কত বেশী নোট জোগাড় করতে পারে তার কম্পিটিশন চলে। বেশীর ভাগই ঐ নোট মুখস্ত করে পরীক্ষায় বমি করে দিয়ে আসে।

পরীক্ষার সিস্টেম না বদলানো পর্যন্ত এর থেকে নিস্তার নাই
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন....একমত.......

৩৭. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৪
আমি সাইরাজ বলেছেন: মামা চেতলা যে :D
তয় বালা ঝিনিষ নিয়া লিকচ +
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন: মামা কি করা যায় কউতো :((

আরো এসাইনমেন্ট নেওনের জন্য ম্যাডামগোরে কইতে হবে ;)

৩৮. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: আমার টিউশনি বেশিদিন থাকেনা, কারণ মুখস্ত করাই না, কিন্তু এইদিকে পোলাপান খালি নোট চায়। বড় কথা হইলো, নিজের বেকারত্বের রোজগারের একটা উপায় হইলেও টিউশনি কনসেপ্ট টার আমি ঘোর বিরোধী, এখন তো পোলাপান দেখি ১১ সাবজেক্টই প্রাইভেট পড়ে, তাও কোন কোনটা একাধিক শিক্ষকের কাছে। ফলাফল? আজকাল বুয়েটে ঢুকেও অনেক পোলাপান প্রাইভেট পড়ে, পরে এদের রেজাল্ট নিশ্চয়ই ভালই হয় কিন্তু বের হয়ে কাদের বিড়ম্বনায় ফেলে সেইটা একটা প্রশ্ন।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: আজকাল বুয়েটে ঢুকেও অনেক পোলাপান প্রাইভেট পড়ে, পরে এদের রেজাল্ট নিশ্চয়ই ভালই হয় কিন্তু বের হয়ে কাদের বিড়ম্বনায় ফেলে সেইটা একটা প্রশ্ন।

এইটা আসলে ঠিক প্রশ্ন না, কাদের বিড়ম্বনায় ফেলে সেইটা আমরা সবাই জানি, ;) কিন্তু মানুষে যেইটা জানে না সেইটা হল এরা অন্যদের কতখানি ঝামেলা দিতে পারে......এটা যারা বিড়ম্বনার শিকার তারাই হাড়ে হাড়ে বুঝে! :|

৩৯. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৫
'লেনিন' বলেছেন: আমার মুখস্তবিদ্যাটা ছিলোনা কোনো কালেই।

ছোটোবেলা আম্মু বলেছিলো কোনো এক ছাত্র সারাদিন রাত পড়তো, "ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত" পড়তে পড়তে তার চোখের নিচে কালি পড়ে যায়। মুখে ফেনা জমে। এদিকে কেউ একজন পাশে এসে বলে এই ব্যাটা কী পড়তেছিস? ঢাকা বুড়িগঙ্গার পাড়ে এইটা কয়দিন পড়ন লাগে?

তো বাবা-মায়ের সচেতনতার কারণে অ-আ-ক-খ শেখার আগে থেকেই মুখস্তকে 'না' বলা শিখেছিলাম।

তবে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফ্যাক্টস এন্ড ফিগারস মুখস্ত করতেই হয়। এই কারণে ক্লাস নাইন-টেনে ভূগোল আমার খুব বিরক্ত লাগতো।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: সামাজিক বিজ্ঞানের কথা মনে পড়তেছে, কোন মহাদেশে কি কি পাওন যায়, আকরিক, শিল্প ব্লা ব্লা......এইসব মুখস্তের যন্ত্রণা সাবজেক্টটাকে রীতিমত বিভীষিকায় পরিনত করছিল!

৪০. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৬
'লেনিন' বলেছেন: ভালো কথা তোমার এই পোস্ট কি থ্রি ইডিয়টস দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে লেখা নাকি? স্টুডেন্টদের মুভিটা দেখে কিছু শেখা উচিত।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: থ্রি ইডিয়টস দেখছি, তয় পোস্টের সাথে মুভির কোন সম্পর্ক নাই! ছবিটাকে শুধু এন্টারটেইনমেন্ট হিসেবে নিলেই ভালো, কারণ ছবিটার অনেক অংশ আমার কাছে ভালো লাগে নাই....

৪১. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৯
'লেনিন' বলেছেন: @বৈদ্যুতিক আঘাত: আপনার কাজিন তো এলিফ্যান্ট ব্রেইনের মতো ফটোগ্রাফিক মেমরির অধিকারিণী। প্রতিভা চিনলেন না!
৪২. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২১
জনৈক আরাফাত বলেছেন: বুইঝলাম, তুমি ছাত্র পড়াইতা না, স্টুডেন্ট পড়াইতা! ;)

--- সিভিলে বাংলা সাবজেক্ট আছে। যেটাকে মুখস্ত করা ছাড়া গত্যন্তর নাই। আগের কালে নাকি পয়েন্টগুলোর সিরিয়াল উলটা পালটা হলেও নাকি শুন্য দিত! :(
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: বাংলা টাংলা যাই হোক, ম্যাথ এর ওপরে মনে হয়না আর কিছু আছে! /:)

৪৩. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২২
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: আমাদের দেশের স্কুল লেভেলের শিক্ষা ব্যবস্থাটাই এর জন্য দায়ী।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: hmmm.....

৪৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৮
নীল-দর্পণ বলেছেন: উপপাদ্য মুখস্ত কইরা তার পরে বুঝতাম! :P
পিথাগোরাসটারে চরম ভয়পাইতাম ঐটা মুখস্ত করার ব্যার্থ চেষ্টা করে রেখে দিলে পরে আমার কাজিন বুঝায় দেয়। শেষ ঐটাই সব চেয়ে সহজ উপপাদ্য মনে হইত। :D
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: উয়েট করো, ভার্সিটিতে ঢুকতাছো, বুঝবা মজা!

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন: :)

৪৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৫
সিউল রায়হান বলেছেন: মজার একটা উদাহরণ মনে পড়লো..... তানাঈমের কাছে শোনা...

একটা ম্যাথ আছে না ২-১ তে ??? কমপ্লেক্স ভ্যারিয়েবল ?? ওটায় অনেক কিছু মুখস্থ করা লাগছিলো( নীলুফারের ক্লাস পাইছো?? ওই *&^%$* নিসিলো ওইটা)..... একদিন কথা প্রসংগে উঠলো ওই কোর্সের কথা তখন তানাঈম বললো যে, ও ওই কোর্সে একটা চ্যাপ্টার বেশী পড়ছিলো.....অবাক হয়ে কারণ জিজ্ঞাসা করলাম.... ও বললো, ম্যাডাম ইচ্ছা করে মাঝের একটা চ্যাপ্টার বাদ দিয়েছে.. ফলে আমরা ঠিকমত বুঝিনি তারপরের অংশটা আর মুখস্থ করেছি..... কিন্তু ও ওই চ্যাপ্টারটা পড়াতে ওর মুখস্থ করা লাগেনাই

এটায় মনে পড়লো মুখস্থ খালি স্টুডেন্টরাই করে না, তেমন কিছু **** টিচারের জন্যেও করা লাগে
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন: ম্যাথ এর কথা আর কি কমু!

:(

৪৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৮
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: কি কমু ভাই, সারাটা জীবন মুখস্তবিদ্যার কাছে হার মাইনা গেলাম।
ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে গিয়েও দেখি মুখস্তবিদ্যার জয় জয়কার।
ক্লাসে টিচাররা যে লেকচার দিতেন সেইটা বিগত ২০ বছর যাবত 'চোথা' আকারে হলের প্রতিটি কোনায় পাওয়া যায়। টিচার বোর্ডে এরপর কোন শব্দটা লিখবেন সেটা মুখস্তবিদ্যাওয়ালারা আগেই বলে দিতে পারে।
আমি মনে করি এর জন্য মূল দায়ী অনেক পুরনো সিলেবাস, কারিকুলাম, প্রশ্নপত্রের ধরণ এবং টিচারদের ফাকি দেয়ার মানসিকতা। পুরো দেশের সমস্ত স্তরের শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজানো দরকার।
যতদিন টিউশনি করিয়েছি ততদিন আমার স্টুডেন্টকে আগে বুঝে পরে মুখস্ত করতে শিখিয়েছি এবং যখন পরীক্ষা নিতাম তখন সবসময় প্রশ্নগুলো ঘুরিয়ে করতাম যাতে 'মাথা' খাটাতে হয়। টিচার হিসেবে যথেষ্ট সফল ছিলাম :)
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: সহমত...... :)

৪৮. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৯
মুক্ত বয়ান বলেছেন: আরে তুমি এই কথা কও। আমাগো সাথের পোলাপাইনও দেখি ঝাড়া এলগরিদম তো এলগরিদম, পুরো কোড শুদ্ধা মুখস্থ কইরা ফেলায়!! আবার এই পোলাপাইনগুলাই বেশি বেশি মার্কস পায় পরীক্ষায়। শালার এক্সাম সিস্টেম। /:)
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: কি আর কমু!

/:)

৪৯. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৬
দ্বিধা বলেছেন: পৃথিবী কম্লালে...
পৃথিবী কম্লালে...
পৃথিবী কম্লালে...
বুররর...মত!!!
বুররর...মত!!!
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: =p~ =p~ =p~

সিরাম ঝাঝা!

৫০. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৪
লালসালু বলেছেন: হিন্দি সিনেমার কথা মনে পড়ে গেল
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: :)

৫১. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৪
আকাশনীল বলেছেন: হে হে হে কিছু কইলাম না। তোমার কোন কোন স্যারেরে মনে হয় যে মুখস্ত না কইরা স্যার হইসে ;);)

জ্যামিতি আসলে আগে প্রমাণ লিখে পরে চিত্র আকত আমার এমন একজন স্কুলফ্রেন্ড সামনের বছর নামকরা ডাক্তার হয়ে যাবে।

আমি মুখস্ত করতে পারি না। এইজন্যে সিজি ভাল হয় নাই, জিআরই ও করতে পারবো না। তবে আমার কোন আফসুস নাই। :)
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: এখন আফসুসের সাগরে হাবুডুবু খাইতেছি। দুয়া কইরেন যাতে অন্তত: পাশের পর আফসুস খাইতে না হয় :(

৫২. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১১
মুরুববী বলেছেন: কথা হাচা।

জিবনে মেলা স্টুডেন্ট পড়াইছি, প্রায় সবই প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির কম্পুটার ইন্জিনিয়ারিং এর। মাথা আউলাইয়া যাইত আমার প্রায়ই। পরে হেগ লাইগা একটা জেনারেল টেষ্ট বাইর করছিলাম।
প্রথম দিন কইতাম যে, একখান ষ্ট্রিং সি দিয়া ইনপুট লও (এক্সাম্পল: "১২৩৪৫"), এখন নম্বর গুলার যোগ ফল প্রিন্ট দেও। এই সহজ টেষ্টই ৯০% পারতো না, আর না পারলে আমি হেগ লগে নাই। কারন যে এই কাম কর্তারে না হেরে দিয়া প্রোগরামিং হইত না।
মজার ব্যাপার হইল যে এইডা পারে, তারে আবার প্রাইভেট পড়ানি লাগে না, সে ইউনিভার্সিটির ক্লাস কইরাই ভালো প্রোগ্রামার হইতে পারে, নিজে নিজেই টুকটাক প্রবলেম করতে করতে এক্সপার্ট হইয়া যায়।

তাই প্রোগ্রামিং এর মতন সাবজেক্টে প্রাইভেট পড়ানির আইডিয়াটাই আমার কাছে ভুয়া মনে হয়।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: তাই প্রোগ্রামিং এর মতন সাবজেক্টে প্রাইভেট পড়ানির আইডিয়াটাই আমার কাছে ভুয়া মনে হয়।

সহমত। তবে আমার স্টুডেন্টদের পড়াইতে গেলে আপনি সিউর হার্টফেইল করে বসতেন। প্রোগ্রামিংতো দূরের কথা, কম্পিউটারের বেসিক নোলেইজ শূণ্যের কাছাকাছি।

৫৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৮
শান্তির দেবদূত বলেছেন: ভালো লিখেছ। আমাদের সিসটেমেই গলদ রয়ে গেছে। প্রশ্ন হওয়া উচিত ক্রিয়েটিভ, পরীক্ষা হওয়া উচিত ওপেনবুক। তাহলে অনেক চেঞ্জ আসবে। যে সব জিনিস মুখস্ত করতে হয়, সেইসব কিছুই সল্পাই করা উচিত পরীক্ষার হলে। যেমন, প্রথম সেমিস্টারে ফিজিক্সের ওয়েভ আর থার্মোডিনামিক্স এর বিশাল বিশাল কিছু সুত্র মুখস্ত করতে হত, কিন্তু উচিত ছিলো ওগুলো পরীক্ষার হলে সাপ্লাই দেওয়া।

আর, সবচেয়ে জরুরী, "সবাইকেই ইঞ্জিনিয়া/ডাক্তার হতে হবে, না হলে জীবন শেষ"- এই ধারনা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

এইবার মজার একটা ঘটনা শুন, আমাদের স্কুলের ক্লাস টেষ্ট পরীক্ষা, পাশের এক দোস্ত আমাকে বলে, "আরে দোস্ত, উপপাদ্য সব মুখস্ত কইরা ফালাইছি, খালি নাম্বারটা প্যাচ লাগে। তুই খালি প্রশ্নের উপপাদ্যটা বই এর কত নাম্বার সেটা বলবি আমি খাটাখাট লেইখা ফালামু" ...... মানে হলো সে ১ থেকে নিয়ে সব উপপাদ্য সিরিয়ালি মুখস্ত করে ফেলেছে, কিন্তু রেন্ডমলি ধরলেই আর পারে না.......হা হা হা ......
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: হা হা হা, আপনার ফ্রেন্ডের কাহিনী কিন্তু কমন না, অনেক আছে! :|

আর, সবচেয়ে জরুরী, "সবাইকেই ইঞ্জিনিয়া/ডাক্তার হতে হবে, না হলে জীবন শেষ"- এই ধারনা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

একমত। তবে সম্ভবত: যেই লাইনেই পড়ুন না কেন, মুখস্তের ধারেকাছে থেকেই চলতে হয়!

:(

৫৪. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৭
মাহবুবুর রাহমান তমাল বলেছেন: আমড়া কাঠের ঢেকিঃ ভাই কাজের একটা পোষ্ট দিলেন।
!:#P
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: হা হা, ধন্যবাদ। তবে কি কাজটা এতে হবে বলেন দেখি!

তার চেয়ে এই সময়ে ফুরিয়ারের ফর্মুলাগুলা মুখস্ত করে ফেললে কামে লাগতো :(

৫৫. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৪
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: তখন পুলাপান সেইসব "কুয়েচ্চেন" গিলে ইক্জাম হলে উগড়ে দিয়া আসে!

উপায় তো নেই।বাড়ি থেকে জানতে চাওয়া হয়,রেজাল্ট কি?শিখছো কি,সেটা নয়।
ভাইভা বোর্ডে ও একই।

কি করার আছে?
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৩

লেখক বলেছেন: :(

৫৬. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৮
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: পাপী ০০৭ বলেছেন: তখন পুলাপান সেইসব "কুয়েচ্চেন" গিলে ইক্জাম হলে উগড়ে দিয়া আসে!

উপায় তো নেই।বাড়ি থেকে জানতে চাওয়া হয়,রেজাল্ট কি?শিখছো কি,সেটা নয়।
ভাইভা বোর্ডে ও একই।

কি করার আছে?

সহমত।

তারপরেও মুখস্তবিদ্যা ঘৃণা করে এসছি সারাজীবন, রেজাল্ট যাই হোক না কেন। মুখস্ত **** টাইম নাই। যা জানি পুরা ঠিক ঠিক জানি, না জানলে নাই।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৯

লেখক বলেছেন: হুম.....

৫৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৫
সিজানুর রহমান বলেছেন: আপনার ব্লগে অনেকদিন পর এলাম। আপনার টপিক্সটা আমার ভাল লাগল। মুখস্ত জিনিসটা অনেক যন্ত্রনার মনে হয় আমার কাছেও, সে কারণে অনেক টপিক ছেড়েও দিয়েছি যেখানে অনেক টার্মস মুখস্ত করা ছাড়া উপায় নাই। এস.এস.সি তে আমার মেইন সাবজেক্ট ছিল উচ্চতর গনিত আর ফোর্ট বায়োলজি; এইচ.এস.সি তেও তাই বায়োলজি ফোর্ট সাবজেক্ট। ইচ্ছা ছিল আর্কিটেক্ট হব(ভাল আঁকতে পারতামতো) কিন্তু এস.এস.সি-তে ৪.৫ এবং এইচ.এস.সি-তে কেমিস্ট্রিতে খারাপ হওয়ায় বুয়েটে পরিক্ষা দেবার যোগ্যতা হারালাম :( আমার বড় বোন (জুলোজি_ঢাবি) ব্যাপক ক্ষ্যাপা আমার ওপর। এইচ. এস. সি-এর রেজাল্টের পর আমার গনিত এবং পদার্থ পড়ার উপর নিশেধাগ্গা জারি করল (দুটোই আমার প্রিয় সাবটেক্ট ছিল)। তো কি করব? আপু বলল বায়োলজি এবং কিমিস্ট্রির সব রিয়াক্সান মুক্ষস্ত করে ফেল। যেহেতু রেজাল্ট খারাপ করেছি প্রতিবাদ করতে পারতাম না। একমাসে জুলজি পুরো(জীব+উদ্ভিদ) মুখস্ত করে ফেললাম। তারপরতো চরম ল্জ্জার হাত থেকে বাঁচলাম বায়োটেকে চান্স পেয়ে!

একটু হাপ ছেড়ে বাচলাম!! আমার জীবন আবার আগের মত, এক ডেড় ঘন্টা লেখাপড়া বাকি সময় গল্পের বই,সাইফাই লিখা কিংবা ব্লগিং। ডিপার্টমেন্টে বেশ পরিচিত হয়ে গেছি এর সুবাদে :) যাইহোক বায়োটেকনোলোজি সাবজেক্টটা যত পড়ছি ততই এর প্রেমে পড়ে যাচ্ছি। কিন্তু কিছুদিন আগে থার্ড ইয়ারের এক বড় ভাই (ফার্টক্লাস সেকেন্ড) আমার লেখাপড়া সমন্ধে খোজ খবর নিতে এলেন, সামনেই ফাসর্স্ট ইয়ার ফাইনাল পরিক্ষা। আমার পড়ার ধরন শুনে উনি বললনে, "তোমার পড়ার ধরন টা খুব ভাল। তুমি ভবিষ্যতে রিসার্চ করলে ভাল করবে, তারজন্য তোমাকে বাইরে বিত্তি পেতে হবে। আর বিত্তি পাবার জন্য ভাল রেজাল্ট খুব জরুরি, আর বায়োলজিক্যাল সাবজেক্ট তা উপর ইংরেজি মাধ্যম! সো মুক্ষস্ত করার বিকল্প নাই।" আমিতো তার কথা শুনে পুরো অবাক প্রথম বাক্য এবং শেষ বাক্য দুটো দুই মেরুতে। এরপর বেশ বুঝালেন, মুখস্ত করার উপকারিতা। উদাহরন হিসাবে টানলেন নিজেকে . . .

এখন আমি কনফিউস্ড!!! . . . :(
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩১

লেখক বলেছেন: বায়োলজিতে অনেক টার্মস কিন্তু মুখস্ত রাখতে হয়...... বৈজ্ঞানিক নাম বা এরকম কিছুতো ল্যাটিন ভাষা বুঝে বুঝে পড়ার উপায় নেই..... ;) হা হা...

মুখস্ত করে ম্যালা মাইনষেই পার পেয়ে যায়, কি আর বলবো!
নিজের অসহায়ত্ব দেইখা আফসোস লাগে তখন!

৫৮. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৬
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: প্রোফাইল পিকটা ভালা অইসে!
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩১

লেখক বলেছেন: থ্যাংখাও!

;)

৫৯. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২১
লালসালু বলেছেন: ফটোটা কি আপনার ছাত্রীর? এইরকম ছাত্রী পাইলে :P :P :P
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: উয়েল্কাম্ব্যাক মামো B-) B-)


ছাত্রীর ফটো দিয়া কি হৈবো, পড়াইতে গেলে যা পেইন,.... :-P

৬২. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৬
ঈশান৭২৮৫ বলেছেন: তোমার কথা ঠিকই আছে। তবে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি গার্জিয়ানদেরও প্রবলেম আছে। আমার ছাত্রীরও একই অবস্থা মুখস্থ করে ফেলে। পরে যখন জিজ্ঞাসা করলাম কেন মুখস্থ করে? বলে মুখস্থ না কইরা বুঝলে নাকি তার মনে থাকে না। ছোটবেলা থেইকা বাপে নাকি বলত জোরে জোরে পড়তে নাইলে নাকি পিটাইত। এই জন্যে এখন মুখস্থ কইরা অভ্যাস হইয়া গেছে। তার ডাক্তারি পড়ার ইচ্ছা নাই। সে একদিন তার বাপরে এই কথা বলছে। বাপের জবাব "ডাক্তারি পড়বানা আগে বলতা। আমার এত টাকা খরচ করাইছ কেন? " এবং তাকে সেই ক্লাস এইট থেকে নাকি ৬টা টিচার এর কাছে পড়ায়। এখন এইচ এস সি ফার্স্ট ইয়ার । তার মাঝে বায়োলজি টিচার বাইরে তো আছেই, বাসায়ও এসে একজন পড়ায়। কারণ মেয়েকে ডাক্তার বানাবে। বোঝো অবস্থা।

আর একটা বিখ্যাত প্রাইভেট ইউনির C এর সেশনাল এক্সামের কথা শুইনা তো আমি পুরাই টাশকি খাইছি। তাদের ৬০ টা কোড দিছে বলছে এগুলা খুব ইম্পর্ট্যান্ট। এখান থেইকাই আসবে। তো অন্য সেকশনের সকালে এক্সাম হইছে, তারা শুনছে ২৮ আর ২৯ পরীক্ষায় আসছে। সুতরাং ওই দুইটা মুখস্থা কইরা A+.
৬৩. ২০ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:৩৫
রোবোট বলেছেন: পোস্ট, কমেন্ট, কমেন্টের উত্তর কোনটাই মুখস্থ করা সম্ভব হৈল না। আফসুস।
পিলাচ।
৬৪. ২৩ শে মে, ২০১০ রাত ৯:৩১
বেঁচে আছি বলেছেন: মুখস্থ করতে না পারার কারণে রেজাল্ট তেমন ভাল করতে পারি নাই জীবনে। তবে যত টুকু শিখছি অতটুকু ভাল ভাবেই জানি। I.B.A -এর এডমিশন টেস্ট ছাড়া অন্যান্য সব জায়গার ভর্তি পরীক্ষায় মুখস্থ বিদ্যা কিছু পরিমাণ হলেও লাগে।অনেক কে দেখেছি ভাল বিষয়ে সুযোগ পেয়েছে মুখস্থ বিদ্যার জোরে। কিন্তু ব্যাসিক জ্ঞান কম।
৬৫. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৫৩
অসময়ের যাত্রী বলেছেন: আসলে অনেকাংশে দোষ টা আমাদের সমাজের । কারন ভাল ফলাফল টাই আমাদের কাছে বড় ব্যাপার। সেইটা কিভাবে আসল তা কিন্তু কেউ চিন্তা করেনা । পড়াশুনা টা হয়ে গেছে সার্টিফিকেট আর জি.পি.এ নির্ভর কাজেই একজন শিক্ষার্থীর ছোটবেলা থেকেই প্রথম চিন্তা থাকে তাকে ভাল ফল করতে হবে । আর ভাল ফল করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল মুখস্ত করে ফেলা। বাবা মা শিক্ষক সবাই ভাল ফলেই সন্তুষ্ট। শিক্ষার্থী কিছু বুঝল কি বুঝলনা সেটা তে তো আর তাদের যায় আসে না। তবে নতুন পদ্ধতি মাত্র চালু হয়েছে । আসা করি আস্তে আস্তে প্রশ্নপদ্ধতি প্রকৃতভাবে সৃজনশীল হয়ে যাবে। জ্যামিতির উপপাদ্যের প্রমাণ না এসে তার প্রয়োগ ভিত্তিক অঙ্ক আসবে। আশাই আমাদের ভরসা।
৬৬. ০১ লা জুন, ২০১১ বিকাল ৫:৪৬
মার্জিয়া শবনম বলেছেন: বেশি বেশি মার্কস পাওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা যতদিন থাকবে না বুঝে মুখস্থ করার রেওয়াজ ও ততদিন থাকবে।

আসলে কে কতটুকু সমৃদ্ধ হোল সেটাই যেদিন মুখ্য হয়ে উঠবে সেদিনই এ সমস্যার সুরাহা হবে।

৬৭. ২৩ শে জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১১
তুষার কাওসার বলেছেন: কয়েক বছর আগে গ্রামে গিয়ে একটা বাচ্চা ছেলের সাথে পরিচয় হয়েছিল। ছেলেটা আমাদের গ্রামের বাড়ির কেয়ারটেকারের ছেলে। দুদিন বোধহয় ছিলাম গ্রামে। এর মাঝে একদিন সন্ধ্যেবেলায় তার পড়ালেখার খোঁজখবর নিতে গিয়ে দেখলাম, সে মাত্র বর্ণরিচয় শিখছে। বেশ ভাল, দেখলাম সে বাংলা বর্ণমালা বলতে আর লিখতে পারে। তারপরই অবাক হয়ে লক্ষ করলাম, তাকে স্বরবর্ণের মাঝখান থেকে যেকোন একটা লিখতে দিলে সে আর পারে না। মানে সে টানা মুখস্ত করেছে স্বরবর্ণগুলোর নাম আর চিহ্ন, কিন্তু দুটার মাঝে সামঞ্জস্য তার কাছে অজানাই রয়ে গেছে।
এখন এটার দোষ আমরা কাকে দেব? সেই স্কুলটিচারকে, যে তাকে ঠিকভাবে শেখাতে ব্যর্থ হয়েছে, নাকি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৯৩০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অনুমতি ছাড়া লেখালেখির কোন অংশ
অন্যত্র প্রকাশ করা যাবে না।


choturmatrik.com/blogs/অন্যসময়
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ