মুসলিম ঘরের এক নাস্তিক ছেলে নাম তার Ochena Onkur আমাকে Facebook এ Chat এ বলে তার মন খুব খারাপ। আমি বলি কেন ? সে আমাকে বলে একটা মেয়েকে সে খুব পছন্দ করে কিন্তু মেয়েটা তাকে পাত্তাই দিচ্ছে না। তখন আমাকে সে বলে আপনি কি কখনো কোন মেয়ের প্রেমে পড়ছেন ? আমি বললাম হাজারবার পড়েছি।
তখন সে বলে ভার্চুয়াল প্রেম না বাস্তব জগতে কোন মেয়ের প্রেমে। আমি তখন বললাম হ্যা আমাদের ক্লাসের চবির একটা মেয়ের প্রেমে পড়েছিলাম। ঐ মেয়ের মাথার চুল থেকে শুরু করে পায়ের নোখ পর্যন্ত সুন্দর ছিল। এককথায় নায়িকা।
পারিবারিক ভাবে মেয়েরা অসুন্দর ছেলেকে বিয়ে করতে পারে কিন্তু কখনই সুন্দর মেয়েরা অসুন্দর ছেলের প্রেমে পড়ে না এরচেয়ে বরং একটা কাজ কর এইসব নাস্তিকতা বাদ দিয়া ইসলামে ঢুক। নাস্তিকতার ভিতর ভাই কোন শান্তি নাই। ইসলামের ভিতর বরং অনেক মজা আছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশী নাস্তিক কিন্তু আমার Friend List এ, আমি প্রতিদিন ৫ টা নাস্তিক Add করি আর ৫ টা নাস্তিক Friend List থেকে Remove করি। নাস্তিকদের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে আমার খুব ভাল ধারনা আছে। বেশীরভাগ নাস্তিকের বাপ মা ভিন্ন ধর্মের মানে বাপ মুসলিম মা হিন্দু এইজাতীয়। জন্মের পর থেইকাই এদের মনে অশান্তি আর একটু শান্তি পাওয়ার জন্যই এরা আমাদের কাছে আসে। কিন্তু ভাই শান্তি তো আমাদের কাছে নাই শান্তি তো ইসলামের ভিতর। প্রত্যেকটা মানুষই জীবনে শান্তি চায় আর এই শান্তি শুধু ইসলামের ভিতরই আছে। আর এই কারনে ইউরোপ আমেরিকার হাজার হাজার মানুষ এখন ইসলামে ঢুকছে। আর ইসলামকে সবার কাছে খারাপ করতেই আমেরিকা সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে জঙ্গী বানাচ্ছে।
একটা মেয়েকে একতরফা ভালবেসে কোন লাভ নাই খালি মানসিক কষ্ট ছাড়া কিন্তু আল্লাহর প্রতি কিছু টা ভালবাসা দেখাও অনেক মজা পাবা জীবনে। এটা পরীক্ষিত। নামায পড় আল কোরআনের তাফসীর পড় কিছু হাদীস পড় তাইলে এইযে মনের ভিতর এত ছটফটানী তা কিছুটা হলেও দূর হবে। " ভাই
একটা মেয়ে দেখতে যত সুন্দরই হোক না কেন after 40 years ঐ মেয়ের রুপ সৌন্দর্য্যের আর কিছুই থাকবে না। তাই আপনি একটা মেয়ের প্রতি তীব্র ভালবাসা দেখাতে পারেন কিন্তু ঐ মেয়েটার জন্য আপনার হাত কেটে রক্ত দিয়ে তার নাম লেখা তাকে না পেলে আত্মহত্যা করা এইসব পাগলামি ছাড়া আর কিছু না।
সত্যিকথা বলতে কি শরত্চন্দ্রের দেবদাস উপন্যাসটা আইন করে নিষিদ্ধ করে দেয়া দরকার। মানুষের তো খায়াদায়া কাজ কাম নাই যে কোন মেয়ের শ্বশুরবাড়ির সামনে যাইয়া মরতে হবে। উপন্যাস না তো যত্তসব পাগলামি কথাবার্তা।
শরত্চন্দ্র অনেক ভাল ভাল উপন্যাস লিখছেন এতে কোন সন্দেহ নাই কিন্তু ব্রিটিশ বিরোধী কঠিন আন্দোলনের সময় একটা ছেলে একটা মেয়ের রুপের জন্য পাগল হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরবে এটা মানা যায় না। সেইসময় কত যুবক জেল খাটতাছিল ইংরেজদের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য আর দেবদাস কিনা এক বিবাহিত মেয়ের শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার জন্য পাগল হয়ে গেছিল। ছি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



