somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধারাবাহিক উপন্যাস : পথের সন্ধানে পর্ব-১১

২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গুনাই বিবি কুটিমিয়ার কখনো দেখা হয় নি। অবশ্য একবার এটা দেখার জন্য সে খুব অস্থির হয়ে উঠেছিল। যেদিন যাত্রা মঞ্চস্থ হবে সেদিন সকালবেলা থেকে তার মনটা চঞ্চল ছিল। স্কুলের মাঠের এক ধারে দিনভর যাত্রামঞ্চ তৈরি করা হলো- বর্গাকার ক্ষেত্রের চার কোনায় চারটি বৃহৎ ও লম্বা কলাগাছ পোঁতা হলো, মাঝখানে পাতা হলো সমান আকৃতির গোটা চারেক বড় চৌকি, সামিয়ানা টাঙ্গানো হলো মঞ্চ ছাপিয়ে অনেক জায়গা জুড়ে। স্কুলের জানালা দিয়ে কুটিমিয়া কেবলই মাঠের কোনায় যাত্রামঞ্চের দিকে অস্থির চোখে তাকিয়ে রইলো। স্কুল ছুটির পর বহুক্ষণ পর্যন্ত মঞ্চের পাশে দাঁড়িয়ে দেখলো- যারা প্রতিদিন পাট করে, তারাই গরমে ঘেমেনেয়ে নিজ হাতে মঞ্চ সাজানোর কাজ করছে। বাড়ি ফিরে কুটিমিয়া ঘাস কাটতে চকে গেলো না, মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে পুনরায় মাঠে এসে মঞ্চ তৈরি দেখতে লাগলো। একবার হঠাৎ করে অনেক ছেলেমেয়ে একযোগে মাঠের কোনায় একটা বাড়ির দিকে ছুটলো, তাদের সাথে কুটিমিয়াও; সেখানে গিয়ে সে শোনে 'বাইয়ালি' এসেছে। বাইয়ালির নাচ সে বহুত দেখেছে, না-সাজা বাইয়ালিকে একদম কাছ থেকে দেখার তার অনেক দিনের সাধ। ভিড় ঠেলে বাইয়ালিকে এক নজর দেখতেই তার মনটা মরে গেলো। যা ভেবেছিল- ধবধবে সাদা, অসম্ভব রূপসী- এসব কিছুই না- বাইয়ালিটা দেখতে বেজায় খাটো, গায়ের রং হাঁড়ির পিঠের মতো কালো, কেবল চুলগুলো মেয়েদের মতো লম্বা, তবে সে কথা বলছে মেয়েদের মতোই নরম ও চিকন স্বরে। কুটিমিয়া ভাবে, এই লোকটা বাইয়ালি সেজে নাচলে খুব অদ্ভুত আর বিশ্রী দেখাবে।

সন্ধ্যায় মাঠ থেকে বাড়ি ফিরে কুটিমিয়া মায়ের কঠিন ভর্ৎসনা খেলো, দু চার ঘা কিলও তার পিঠে পড়তে যাচ্ছিল, কিন্তু দাদির জন্য সে রক্ষা পেলো। আজ সে ঘাস কাটেনি, গরু আজ অনাহারে থাকবে, কুটিমিয়াকেও আজ রাতে তেমনি অনাহারে থাকতে হবে, এমন কঠিন হুকুম জারি করে কুটিমিয়ার মা তাকে আপাতত নিস্তার দিল।
দাদির ঘরে দাদি নিজে ভাত এনে কুটিমিয়াকে খাওয়ালো। তার খিদে নিবারণ হলো সত্য, কিন্তু যাত্রা দেখতে যাওয়ার সম্ভাবনা কেবলই অনিশ্চয়তায় ভরে উঠতে থাকলো।

কুটিমিয়ার মা ও চাচি গুনাই বিবি দেখবার জন্য পাগলপ্রায়। পাট শুরু হয়েছে শোনার পর থেকেই দু সখী চঞ্চল হয়ে দিন গুনছিল। কিন্তু হায়, যাত্রার দিন কুটিমিয়ার বাবা বাড়িতে নেই।
কুটিমিয়াকে বুকে চেপে দাদিমা শুয়ে আছে। যথাসময়ে বৃদ্ধা ঘুমিয়ে পড়ে, রাত বাড়তে থাকে, চাচির ঘরে এতোক্ষণ হাসিঠাট্টা আর খুশির কোলাহল ছিল, তা-ও ধীরে ধীরে স্তিমিত হতে থাকলো; তার মা-ও হয়তো আর জেগে নেই। কুটিমিয়ার চোখ দিয়ে দরদর বেগে অশ্রু ছোটে। সে দাদিমাকে ঠেলা দেয়, ঘুমের ঘোরে দাদিমা কেঁকিয়ে ওঠে। কুটিমিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে ছোট ছোট শব্দে বলে, দাদি, কাকারে ওঠবার কও না? যাত্রা শেষ অইয়া যাইবো তো।

বৃদ্ধা ঘুমের ঘোরে কী বলে কুটিমিয়া কিছুই বুঝতে পারে না। সে গুনগুন করে কান্না জুড়ে দেয়, মিহি সুরের কান্না বহুদূর ভেসে গেলেও অন্য ঘরের কেউ শুনতে পায় কিনা তা বোঝা যায় না।

সকালবেলা একবুক অভিমান আর বেদনা নিয়ে কুটিমিয়ার ঘুম ভাঙ্গে। মায়ের বেড়ে দেয়া পান্তা ভাত কাঁচা মরিচ ভেঙ্গে মাখিয়ে সে খায়, আর ভীষণ অন্তর্ক্ষুব্ধ চোখে মায়ের চোখের পানে তাকায়। মা বোঝে না ছেলের অন্তরে কী ঝড় বহমান।
ঘাস কাটতে যাওয়ার পথে চাচাতো ভাই আলামিয়া বলে, বাইয়ালিডা যা চমক্কার নাচ দেহাইলো!
শান করে কথাটা কুটিমিয়ার কানে গিয়ে বাজে। সে চকিতে আলামিয়ার মুখের দিকে তাকিয়ে আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞাসা করে, তুই যাত্রা দ্যাকতে গেছিলি?
হ।
কার সাতে গেছিলি?
বাবার সাতে। মায় গেছিলো। আম্মায় গেছিলো।
আমার মায়ও গেছিলো?
হ, সব্বাই গেছিলাম। তুই গেলি না ক্যান?
মুহূর্তে কুটিমিয়ার মাথায় খুন চেপে যায়- তাকে ফেলে তার মা যাত্রা দেখতে যাবে এ কথা ভাবতেই তার অন্তর ফেটে যেতে চায়। কী করে মা এতোখানি নিষ্ঠুর হতে পারলো?
শুকনো আড়িয়াল বিলের বোরো চকে সে ঘাস কাটতে থাকলো, কিন্তু ক্ষোভে আর অভিমানে তার বুকে ঝড় বইতে লাগলো। বরাবর এ দুজনে ঘাস কাটতে কাটতে টুকটাক অনেক কথা বলে, গান গায়; আজ তার মনে সেই প্রফুল্লতা নেই। কচাকচ কচাকচ সে ঘাস কাটতে থাকে।
হঠাৎ কুটিমিয়া ওরে বাবারে বলে গগনভেদী চিৎকার দিয়ে ওঠে। অদূরে আলামিয়া ঘাস কাটছিল, হাতের কাঁচি ফেলে সে দৌড়ে কাছে এসে দেখে রক্তে কুটিমিয়ার হাত বর্ষা হয়ে গেছে। ডান হাতে কাটা ক্ষত চেপে ধরে সে ছটফট করছে, হাত বেয়ে অনর্গল রক্ত ঝরছে।
কুটিমিয়ার আর্ত চিৎকারে বোরো চক আন্দোলিত হতে থাকে। আজকের মতো এতো দ্রুত সে আগে ঘাস কাটে নি এবং আজকের চেয়ে বেশি অমনোযোগীও সে আগে কখনো হয় নি। তার মনের ভিতরে ছিল ঝড়, ঘাস কাটতে কাটতে অসাবধানে অকস্মাৎ তার হাতে কাঁচি লেগে যায় আর অমনি ফিনকি দিয়ে রক্ত ছুটে আসে।

আলামিয়া ওর কান্না থামাবার চেষ্টা করে। অনেক অনুনয় করে সে কুটিমিয়ার হাতের রক্ত গামছা দিয়ে মুছে দেয়, সবুজ দুর্বাঘাসের ডগা চিবিয়ে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে দেয়, রক্ত জমাট বাঁধবে ও ব্যথা কমবে তাতে। তারপর কুটিমিয়ার ছড়ানো ছিটানো ঘাসের স্তূপ জড়ো করে, কুটিমিয়ার অর্ধেক ঘাস আলামিয়া তার নিজের বোঝার সাথে বাঁধে, বাকি অর্ধেকে কুটিমিয়ার জন্য বাঁধে ছোট একটা বোঝা। দু ভাই দু বোঝা ঘাস মাথায় করে বাড়ির দিকে রওনা হয়।
বার বাড়ির কাছাকাছি আসতে না আসতেই সখেদে মাথার বোঝা ছুঁড়ে ফেলে জোরে চিৎকার জুড়ে দেয় কুটিমিয়া। সে বাড়ির দিকে পা বাড়ায় না, রাস্তার এক ধারে দাঁড়িয়ে সক্রন্দন আক্রোশে ফেটে পড়ে। কান্নার শব্দে ত্রস্তে রহিমন বিবি বাইরে ছুটে আসে।
কান্দছ ক্যানরে বাজান? বিচলিতভাবে জিজ্ঞাসা করে কুটিমিয়ার মা, তর কী অইছে?
কুটিমিয়ার ক্ষুব্ধ কান্নার স্বর সপ্তমে চড়ে যায়। সে মায়ের কাছে ছুটে আসার বদলে উলটো দিকে হাঁটতে থাকে, আর মাটিতে পা আছড়ে আক্রোশ ঝাড়তে থাকে।
রহিমন বিবি প্রথমে কিছুই বুঝে উঠতে পারে না। মাথার বোঝা নামিয়েই আলামিয়া চাচির কাছে ছুটে এসে খবর দেয়, সর্বনাশ অইছে আম্মা। কুডির আত কাইড্যা ফালা ফালা অইয়া গেছে...
অস্থির রহিমন বিবির মাথা ঘুরে যায়। ছেলের দিকে এগিয়ে যায়নসে এক পা সামনে এগিয়ে কুটিমিয়াকে ছুঁতে যায়, কুটিমিয়া ছুটে পালায়।
আমারে দ্যাহা, কত্থানি কাটছে দেহি। রহিমন বিবি বলে।
দেহামু না। কুটিমিয়া ঝংকার তোলে।
দেহাবি না ক্যান, কী অইছে?
জীবনে প্রথম বারের মতো একটা কুৎসিত অশ্লীল গালি দিয়ে ওঠে কুটিমিয়া, তারপর বলে, আমারে থুইয়া তুই যাত্রা দ্যাকপার গেলি ক্যান? ক্যান গেলি...? আবারো সেই গালি।

রহিমন বিবির চোখে পানি চলে আসে। যাত্রা দেখার আহ্লাদ তার জীবনে খুব একটা ছিল না। কুটিমিয়ার বাবা নালমিয়া বহুবার তাকে যাত্রা দেখাতে চেয়েছেন, সে শরমে রাজি হয়নি। কিন্তু গুনাই বিবির যাত্রাটা খুবই দুঃখের। পাট শুরু হওয়া থেকেই আপন-পড়সি জা-দের কাছে সে এর খোশগল্প শুনে আসছিল। তাদের সাথে অনেক বুদ্ধিপরামর্শও করেছে যাত্রা দেখতে যাবে বলে। কিন্তু যাত্রার দিন নালমিয়া বাড়িতে নেই। স্বামী ছাড়া কি আর কারো সাথে যাত্রা দেখতে যাওয়া যায়? কিন্তু রহিমন বিবির গোপন খায়েসের কথাটা নালমিয়া জানতেন। তিনি বাড়িতে থাকবেন না বলে বউয়ের সাধ মিটবে না তা হয় না। তাই বাড়ি থেকে বের হবার আগে ছোটভাইকে বলে গিয়েছিলেন, সে যেন তার ভাবীজানকে যাত্রা দেখাতে ভুল না করে। নালমিয়ার অনুমতি যদিও ছিল, রহিমনের মনের ভিতর যদিও প্রবল বাসনা ছিল, কিন্তু যাত্রা দেখতে যাবে না বলেই সে স্থির করেছিল, নানা কথা ভেবে। কিন্তু জা ও দেবর এমনভাবে ধরলো যে শেষ পর্যন্ত তাদের সাথে না গিয়ে পারেনি। তবে কাজটা যে মস্ত বড় ভুল করেছে তা যাত্রা শুরু হওয়ার অল্পকাল পরেই সে বুঝতে পেরেছিল। বাড়ি ফিরে আসার জন্য সে অস্থির হয়ে ওঠে, তার দেখাদেখি আলামিয়ার মা-ওনকী একটা বেটে লোক অত্যন্ত কুৎসিত ভাবে একটা শাড়ি পরেছে, নাচছেও বিশ্রী ঢঙ্গে, মহিলারা লজ্জায় মাথা নত করে আছে, কেউ কেউ উঠে চলে যাচ্ছে।

কুটিমিয়ার চাচাজানের কিন্তু ভালোই লাগছিল। তাই স্ত্রী ও ভাবীজানকে বাড়িতে রেখে পুনরায় যাত্রা দেখতে চলে যায় সে, সঙ্গে অবশ্য আলামিয়াও ছিল।

নিজের ওপর রহিমন বিবির খুব রাগ চাপলো। রাত্রে যাত্রা দেখার ব্যাপারটা সে ছেলের কাছে গোপন রাখতে চেয়েছিল। নারীর কাছে স্বামী ছাড়া সবাই পর-পুরুষ। রাতে সে স্বামীর অবর্তমানে পর-পুরুষ দেবরের সাথে যাত্রা দেখেছে- পড়সিরা জানতে পারলে এক কোটি লানৎ দিবে। কুটিমিয়া খুব অবুঝ। তাকে সঙ্গে করে যাত্রা দেখলে সকাল হবার আগেই তার মুখ থেকে চারদিকে রাষ্ট্র হয়ে যাবে যে, চাচা-চাচির সঙ্গে তার মা-ও রাতে যাত্রায় গিয়েছিল। পড়সিরা যা ঠোঁটকাটানঠোঁট বাঁকা করে বলতো, ছিঃ, মইরা যাই লো, মইরা যাই, ভাতার গেছে দেশের বাইরে, দেওরের সাতে যায় রাইত্রে যাত্রা দ্যাকতে। এমন ছিনাল তুমরা কই দ্যাকছাও? কলির কাল আইলো লো দ্যাশে...। কিন্তু রহিমন বিবির সামান্য ভুল হয়েছিল বুঝবারনতাদের সঙ্গে আরেকটি অবুঝ ছেলে আলামিয়া ছিল যে, তার কথা তার মনেই পড়ে নি।
আঁচলে চোখ মুছতে মুছতে কুটিমিয়ার মা বলে, পাগল, আমি কি যাত্রা দেকছি?
দেহছ নাই তয় গেছিলি ক্যান? কুটিমিয়া ক্ষুব্ধ স্বরে ঝামটা দিয়ে ওঠে।
বাজান না বালো, কাছে আয়। দেহি কত্থানি কাটছে?
কুটিমিয়া আর ছুটে পালায় না। মায়ের কাছে ধরা দিয়ে সে সবেগে কেঁদে ওঠে। তার মা গামছা খুলে কাটা দেখে চিৎকার দিয়ে ওঠে, তর এতো বড় সর্বনাশ কেমনে অইলো রে বাজান? কেমনে অইলো?


কুটিমিয়ার হাতের কাটা ঘা সেরেছিল, কিন্তু সেই রাত্রে যাত্রা দেখতে না পাওয়ার দুঃখ নয়, তাকে ফেলে তার নিষ্ঠুর মা যাত্রা দেখতে গিয়েছিল, সেই দুঃখ তার অন্তরের গহীনে কাঁটার মতো বিঁধে থাকলো।



ক্রমশ...


আগের পর্ব-১০
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৩৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×