আমার প্রিয় পোস্ট
- শুরু হলো পথ চলা - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- মিছে খেলার ভেলায় ভাসি আরো একবার... - মুনিয়া
- আমার নাস্তিকতা, মিথ্যা কথার বয়ান এবং একটি সাদা রঙের মেঘ - রিফাত হাসান
- টানেলের শেষেও শুধু অন্ধকারের গান - সন্ধ্যাবাতি
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- আমি সর্বদা একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি
- সামী মিয়াদাদ
“মানুষ খুঁজিয়া ফিরি জনতায়, মানুষ কই?”
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৬
(আজ আমার জন্মদিন।
জন্মদিনে আমি জনতার মাঝে মানুষ খুঁজে বেড়াই।)
“……… আমি জানি তুমি ব্যাপারটা মেনে নিতে পারছোনা। এটা তোমার ঈমানী দূর্বলতা”
“আই ডোন্ট থিংক সো স্যার। আমি সবচে খারাপ মুসলিমদের দলে তা মানি, কিন্তু একজন মুফাসসির (যে/যারা কোরান interpret করেন) যা বলবেন তাই আমাকে মানতে হবে এটা আমি বিশ্বাস করিনা। হারাম হালাল কোরান ও হাদীসে স্পষ্ট। এর বাইরে মুফাসসির তার নিজস্ব লজিক থেকে অনেক মত দিতে পারেন। কিন্তু তিনি তো আর নবী নন যে তার লজিক আমাকে মেনে নিতে হবে!”
“……… দেখো ফারজানা, তুমি নিজে নেকাব পড়না তাই তোমার কাছে এটা ভালো লাগছেনা। কিন্তু সত্য হল নেকাব পড়া ওয়াজিব। মেয়েদেরকে এমনভাবে পুরো শরীর আর চেহারা ঢেকে ফেলতে হবে যেন তার কিছুই দেখা না যায়। এমনকি চোখ পর্যন্ত”।'
“হোয়াট দ্য হেল স্যার! সে তাহলে দেখবে কী করে?”
“ওড়নার ফাঁক দিয়ে শুধু এক চোখ দিয়ে”।'
“আই জাস্ট কান্ট বিলিভ ইট স্যার! মেয়েরা মানুষ, তারা জন্তু নয়। হতে পারে এটা আপনার অভিমত……”
“ডোন্ট আর্গু লাইক আ ফুল……”
আমিতো বোকাই। তাই থামিনা। তর্ক চলতেই থাকে।
কিন্তু একসময় বুঝি, এইসব পুরোহিতেরা আমার মত মেয়েদের কথা শুনবেনা কোনোদিনও। ওরা তো এটাই বিশ্বাস করতে পারেনা যে মেয়েরা কথা বলতে পারে,নিজেরা চিন্তা করতে পারে!!
আমি আমার সামনে খোলা ঐশী গ্রন্থের দিকে তাকিয়ে থাকি। লেখাগুলো অস্পষ্ট হয়ে যায়। স্রস্টা, তুমি কি ক্ষমা করবে এদেরকে? ওরা আমার পাখির মত উড়তে চাওয়া মনকে শেকল পড়াতে চায়। ওরা যদি ক্ষমতা পায়, আমার মাথার স্কার্ফকে টেনে আমার মুখের উপর নিয়ে আসবে। আমার মুখ বন্ধ করে দেবে। আমার চোখ বন্ধ করে দেবে। প্রভু, আমি যে তখন শেকলের ঝনঝন আওয়াজে পাগল হয়ে যাব!
ওদেরকে ক্ষমা করোনা প্রভু, প্লীজ………
ছোট্ট শহর মারদানের সেই মেয়েটার কথা মনে পড়ে যায়।
প্রথমে যখন তাকে আমি বিরাট আলখেল্লার মত বোরকার ভিতরে দেখি, তখন কল্পনাও করিনি এই আলখেল্লার ভিতরেই লুকিয়ে আছে আমার চে’ তিন/চার বছরের ছোট চঞ্চল এক কিশোরী। ও এই প্রথম কোনো বিদেশী মেয়ের এত কাছাকাছি আসার সুযোগ পেয়েছে, তাই আমার জন্যে কাহওয়া বানাতে ব্যাস্ত! বিদেশী একটা মেয়ে কীভাবে মাথায় স্কার্ফ পড়ে, লম্বা হাতার টিশার্টে দু’হাতের তালুর কাছাকাছি পর্যন্ত ঢেকে রাখে, ওর বুঝে আসেনা!
আমাকে দেখে ওর প্রথম অবাক প্রশ্ন- “আপ মুসলিম হ্যায়?!”
বিদেশীরাও মুসলিম হয় এই তথ্য জেনে ও হয়রান।
আর আমি হয়রান ওর ছোট্ট জীবনের ছোট্ট গন্ডী দেখে।
“স্কুল কিউ নেহী গ্যায়ি? ক্যায়া স্কুল বান্ধ হে আজ?”
“আব্বাজী স্কুলমে জানে নেহী দেতে। ম্যায় থার্ড ক্লাস তাক পাড়ি হে। আব্বাজী নে কাহা স্কুল মে লাড়কো নে মুঝে দেখ লিয়া তো গুনাহ হোগি”।'
আমি ওর চেহারায় স্কুলে যেতে না পারার দুঃখ বোধ খুঁজতে থাকি। পাইনা। জন্ম থেকেই ও অভ্যস্ত এই আচারে। ও শুধু উর্দূতে নিজের নামটা লিখতে পারে।এই দুনিয়ার বাইরে অন্য কোনো দুনিয়া সম্পর্কে ধারনা নেই ওর।
দেয়ালে ঝুলানো ওর আলখাল্লাটা একটু পড়ে দেখতে চাই কৌতুহলে। আলখাল্লাটার হাতা পর্যন্ত নেই। চোখের জায়গায় নেট লাগানো। মাথায় ঢুকানোর সাথে সাথে তীব্র আতংকে নীল হয়ে যাই আমি।আমি যেন পড়ে গেছি কোনো গহীন অন্ধকূপে! ঝটকা মেরে খুলে ফেলি ওটা।
“কেয়া হুয়া? আচ্ছা নেহি লাগা?”
আমি ফ্যাকাশে হাসি।
“মে আপকি লিয়ে নয়্যি খরিদ কার ভেজ দুংগি, তোহফা!”
আমার ফ্যাকাশে হাসি আরো ফ্যাকাশে হয়ে যায়। দ্রুত মাথা নাড়ি, “কোয়ি জরুরত নেহি, বহত বহত শুকরিয়া!”
কাহোয়ার বাটি চেপে ধরি দু’হাতে। আমার ঠান্ডা দু’হাতে একটু উষ্ণতা চাই।
জীবনকে চিনতে চেয়ে মানুষের সাথে তো কম মিশিনি। যেখানেই দেখেছি মানুষ, এক বা একাধিক, ভয় পাইনি, ঢুকে গিয়েছি। যদি কারো ভিতর থেকে এক ফোঁটা আলোও বেরিয়ে আসে?
আলো প্রভু, এক বিন্দু আলো!
আমি যে ভীষন অন্ধকারে…
গ্র্যান্ড মসজিদের সেই বিশাল চত্বরে মার্বেল পাথরের উপর হাঁটুতে মুখ গুঁজে বসে থাকি। দাদূর বাড়ির সেই পুকুর আর গাছগাছালিতে ঘেরা রান্নাঘরের পাশের খোলা জায়গাটুকুর পর এটাই আমার সবচে’ প্রিয় জায়গা।
বসে থাকি চুপচাপ। পাশেই পাহাড়। মসজিদের বিশালতা আর পবিত্রতা আমাকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে। দেশে গেলেতো আর মসজিদের ত্রিসীমানায় ঘেষতে পারবোনা…
হঠাত একদিন, আসরের শেষে এইরকম বসে থাকা অলস সময় সেই ঠাকুরমা’র ঝুলির মত নানীর বয়সের মহিলাটা…… “………মাই চাইল্ড, নেভার ফেয়ার আ শ্যাডো, ইট অলওয়েজ টেলস ইউ দেয়ারজ আ লাইট আহেড………চীয়ার আপ মাই চাইল্ড, ইউ আর স্টিল জাস্ট আ বেইবি ডিয়ার!”
আমার সে মসজিদের খোলা চত্বর ফিরিয়ে দাও প্রভু। ঘরের কোনের এই নামাজ আমার ভালো লাগেনা।ফিরিয়ে দাও সেই ঠাকুম্মা…… আবার গল্প শুনতে শুনতে আমার ঘুম যাওয়ার দিনগুলো ফিরে আসুক।
জেনি’র ইমেইলে কান্না আর কান্না……
‘শেষ পর্যন্ত পাপা ডিভোর্স নিয়েই নিলো!’
‘ক্লাসে যেতে পারিনি, রাতে বেশী ড্রিংক করে ফেলেছিলাম… হ্যাংকড হয়ে গিয়েছি…’
‘……… না, পার্টিটা ইনজয় করিনি। ড্যান্স, ড্রিংক এন্ড সেক্স… আই নিড সামথিংক এলস… সুইসাইডের কথা ভাবছি……’
‘মম গট আ নিউ বয়ফ্রেন্ড। তোমার বাবামা এতবছর ধরে একসাথে থাকে কীভাবে?!...... তোমাদের ওখানে একটা ছেলে বিয়ে করব, কামিং নেক্সট ইয়ার… নো সী ইউ ফর লং টাইম….’
ইমেইলের পর ইমেইল জমা হয়। আমার রিপ্লাই দেয়া হয়না।
রাতের আকাশ আমাকে শাপ-গ্রস্থ করে রাখে। এখানেই কোথাও আছো তুমি, এখানেই। আমার বুকের ভিতর। তবুও কি তুমি আমার আর আমাদের কান্নার শব্দ শুনতে পাওনা প্রভু?
কেন যে পাশের বাড়ির চাচীর সেই লাজ-রাঙ্গা চেহারাটা ভুলতে পারিনা…
বাড়িতে একবার ব্যাডমিন্টন খেলার সময় চাচী লজ্জায় লাল হতে হতে ফিসফিসিয়ে বলেছিলেন, ‘ আমার তোমার মত খুব খেলতে ইচ্ছা করে। আমাকে শিখায়ে দিবা? তোমার চাচাকে বলবানা কিন্তু! শুনলে খুব রাগ করবে’।'
একটু আগে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলাম।
ঘুটঘুটে রাতের অন্ধকার।
এমনকি একটা তারাও নেই এত বড় আকাশে!
অন্ধকারে আমার ভীষন ভয় প্রভু!
এই ভীষন অন্ধকারে কোনদিকে গেলে আমি মানুষের দেখা পাবো?
সাইফুর বলেছেন:
শুভ জন্ম দিন
কালপুরুষ বলেছেন:
শুভ জন্মদিন। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো।
লেখক বলেছেন:
![]()
ত্রিভুজ বলেছেন:
শুভ জন্মদিন....
লেখাটা ভাল লাগলো....
তোমার বাবামা এতবছর ধরে একসাথে থাকে কীভাবে?!...... তোমাদের ওখানে একটা ছেলে বিয়ে করব, কামিং নেক্সট ইয়ার… নো সী ইউ ফর লং টাইম….
........
নিচের পোস্টটাও পড়ে দেখবেন...
Click This Link
লেখক বলেছেন: লেখা পড়ে আপনার যা মনে হয়েছে তাই বলুন…… ফেয়ার এন্ড ফ্যাক্ট যা মনে হয়েছে।
সবুজমিয়া বলেছেন:
সবুজমিয়ার পক্ষ থিকা..........জন্মদিনের শুভেচ্চা....
এই আমি মীরা বলেছেন:
শুভ জন্মদিন। আমার নিজেকে আবারও খুবই ভাগ্যবতী মনে হচ্ছে। 'মানুষ' দেখার সুযোগ পেয়েছি অনেক, অমানুষদের এ তুলনায় অনেক কম দেখেছি।
লেখক বলেছেন: কিসের জগতের কথা বললেন বুঝলাম না! ![]()
হলদে ডানা বলেছেন:
বলবো? সামনা সামনি প্রসংশা করা ঠিকনা। নেগিটিভ কি বের করা যায় . . . অনেক খুজে একটা পয়েন্ট বের করলাম- প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের ব্যাডমিন্টন খেলার পক্ষে ওকালতি করে কি বুঝালেন?
অবশ্য নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে হলে ভিন্ন কথা।
লেখক বলেছেন: রাসূল তাঁর স্ত্রীর সাথে দৌঁড়াদৌঁড়ি পর্যন্ত খেলতেন বলেইতো জানি। আমার মনে হয়, তখন যদি ব্যাডমিন্টন থাকতো এবং তাঁর কোনো স্ত্রী ব্যাডমিন্টন খেলা পছন্দ করতো, তাহলে তিনি তাও খেলতেন।
আরেকটা কথা, এখানে কিন্তু আমি কোনোকিছুর পক্ষে ওকালতি করিনি……… সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত কিছু অনুভূতি… ![]()
উহ্! লেখাটা পড়ে বেদনা-নীল হতে হলো!!!!!!
ওই সব পুরোহিত মার্কা অমানুষদের খবরদারীতে নারীরা নির্যাতিত সর্বত্র! নারীকে মানুষ হয়ে বেড়ে ওঠার সুযোগ দেয় না ওরা! ওদের অতিমাত্রিকতার কারণেই ধর্ম আক্রান্ত হয়!!!!
ইয়ে কিস মুল্লুক কা এ্যাক্সপিরিয়েন্স আপনে বাতায়ি? মাশাল্লা আচ্ছি উর্দু আতি আপকো!
লেখক বলেছেন:
একটু একটু জানি, কাজ চালিয়ে নেয়ার মত ........
মারদান ইসলামাবাদ থেকে অল্প দূড়ে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
একজন মুফাসসির (যে/যারা কোরান interpret করেন) যা বলবেন তাই আমাকে মানতে হবে এটা আমি বিশ্বাস করিনা।পৃথিবীতে খুব কম মুসলমানই এই ব্যাপারটা চিন্তা করতে পারে। আর তারাই প্রকৃত স্বাধীন মুসলমান। কেউ এক জন বলেছেন, "Only educated persons are independent" আপনি সেই স্বাধীনদের দলে পড়েন।
আপনার লেখা পড়তে পড়তে, জন্মদিনের শুভেচ্ছা দিতে ভুলে গেলাম। শুভ জন্মদিন।
লেখক বলেছেন: এই কথাটা অনেক দুঃখ থেকে আমি রিয়েলাইজ করেছি বিবর্তনবাদী।
এবং যতবার রিয়েলাইজ করি, আমি বিমর্ষ হয়ে যাই।
আমি চাইনা আমাদের অভিভাবকরা এখনো শতাব্দীর ঘুমে বিভোর হয়ে থাকুন।
আমি চাইনা তারা এখনো একচোখ বন্ধ করে পৃথিবী দেখুক।
তাদের জন্যে প্রতিনিয়ত আমাদেরকে রক্তাক্ত হতে হোক।
তবে একটা কথা স্বীকার করতেই হয়, তারা ঘুমিয়ে আছেন বলেই আমরা জাগতে বাধ্য হচ্ছি……
লেখক বলেছেন: আপনার বিশ্বাস আমাকে ছুঁয়ে যাক…… ফররুখ আহমেদ খুঁজেছেন। তিনি বেঁচে থাকলে অবশ্যই জিজ্ঞেস করতাম- ‘স্যার পেয়েছেন কাউকে?’ হয়তো পেয়েছেন…… তার নিজের ভিতর অথবা বাইরে… আমরাও খুঁজব। পাই বা না পাই, খুঁজতে খুঁজতে চলে যাওয়াতেও হয়তো এক ধরনের সার্থকতা আছে।
হলদে ডানা বলেছেন:
আরেকটি বিষয় পেলাম। টেনে হিচড়ে সেই দুখের দিকেই তো নিয়ে গেলেন। ইতিবাচকভাবে, আনন্দদায়কভাবে ফুটিয়ে তোলা যেতনা? অবশ্যই আপনার সে যোগ্যতা আছে। চারিদিকে এমনিতেই কত দুখ।আপনার মজার গল্পগুলো পড়ে দোকানে যখন আপনার গল্পের বই দেখলাম, লুফে নিতে গিয়ে দেখি সেই গাও গেরামের দুখের কথা, অবশ্য পড়ে দেখিনি, নামটা দেখেই বুঝলাম। একটু হতাশও হয়েছিলাম।
এই লেখার একটা বিষয়, এমনিতেই নারী জিনিসটা সেনসিটিভ। আর ইসলাম নারীকে বস্তাবন্দি করেছে- এই কথাটা যদি কারো নিকট থেকে একবার শোনা যায়, তবে চোখ বন্ধ করে ঢোলে বাড়ি দেয়ার মত লোকের কোন অভাব নেই। আপনার লেখাটা তাদের জন্য বেশ সুবিধাজনক হয়েছে। যদিও বলেছেন এটি ইসলামের কারণে নয়, এটি কুপমন্ডুকতার কারণে, অজ্ঞতার কারণে, তথাপি তা বলিষ্ঠ হয়নি। নিজের অভিজ্ঞতা ও চিন্তাধারার বিবরণ দিতে গিয়ে তা ঢাকা পড়েছে।
দায়িত্বটা তার যে পারে, অতএব, সে দায়ও আপনার ঘাড়ে।
লেখক বলেছেন: একটু আগে বারান্দায় দাঁড়িয়ে যখন রাতের আকাশ দেখতে দেখতে এ লেখাটা ভাবছিলাম, তখন কিন্তু আপনার এ কথাটাও আমার মাথায় এসেছে। কিছু সুবিধাভোগী বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্বের বন্দীরা এ থেকে ফায়দা নিতে পারে।
নিতেই পারে।
কিন্তু তাই বলে কি সত্য ঢেকে রাখবো?
যা আমি/আমরা সাফার করছি, তা চেপে যাবো?
চেপে গেলে তো আল্টিমেইট সাফার আমরাই করব।
আপনি স্বীকার করেন বা না করেন, ইসলামপন্থীদের সবচে বড় সমস্যার একটি হল তারা মেয়েদের অবস্থানকে ক্লিয়ার করতে পারেনি, পারছেনা। কিছু গতবাঁধা বুলি আছে- “কোরান মেয়েদেরকে যা দিয়েছে অন্য কোনো আদর্শ তা দিতে পারেনি”। “ইসলাম মেয়েদেরকে সবচে বেশী অধিকার দিয়েছে”। এই ধরনের ব্লা ব্লা ব্লা……
কিন্তু বলার সময় বক্তারা এটা চিন্তা করেনা যে এসব কথা আরো বেশী ইন্সাল্টিং। ইসলাম যেন করুনা করে দিয়েছে। অথছ ফ্যাক্ট কিন্তু তা নয়। কেউ চাইলে করুনা করা যায়। মেয়েরা না চাইতেই ইসলাম তা নির্দিষ্ট করেছে। তার মানে করুনা নয়, দ্যাটস হার রাইট। এন্ড ইসলাম বাউন্ডস টু গিভ দ্যাট।
এখনো ইসলামিক থিঙ্কার রা নেকাব নিয়ে ফতোয়ার পর ফতোয়া দিয়ে যাচ্ছেন। এবং আমার এ লেখার তর্কটা ১০০% বাস্তব। এসব কিছু চোখের সামনে দেখে চুপ করে থাকবো? একজন ইসলামিক চিন্তাবিদ যখন আমাকে চোখ পর্যন্ত ঢেকে রাখার কথা বলেন, আমি ভীত হই। আমি মনে মনে চিতকার করি।
কিন্তু মনে মনে চিতকার করে কী লাভ? তাই বাস্তবের চিতকার শুরু……
“ইসলাম জিন্দা হোতা হ্যায় হার কারবালা কী বাদ”।
এই কারবালা তাই নিজে সৃষ্টি করার দায়িত্ব নিয়েছি। জানিনা কারবালার কষ্ট সহ্য করতে পারবো কিনা। কিন্তু কারবালা সৃষ্টি হওয়া দরকার। এসিডে যেভাবে সোনা পুড়ে খাঁটি হয়, আমাদেরকেও সে পথে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই।
আমাদেরকে, বিশেষ করে মুসলিম মেয়েদেরকে।
আমি অন্যের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়ার ভয়ে সত্য ঢেকে রাখার পক্ষপাতি নই।
লেখক বলেছেন: আর ইতিবাচক………
আমি খেয়াল করেছি, আমি যখন বাইরে থাকি তখন অনেক ইতিবাচক থাকি। পজেটিভ থাকি। এটা হতে পারে কারন আমাদের দেশে একটা সচেতন (মেয়ে)মানুষ প্রতিটা পদে পদে তাকে প্রথমে মানুষ হিসেবে স্ট্যান্ড নিতেই যুদ্ধ করতে করতে জান বরবাদ হয়ে যায়… তখন স্বাভাবিক ভাবেই নেগেটিভনেস চলে আসে……
আভ উঁহা পড়হাই কররাহি হো কেয়া?
পিছলে দিন ইক কমেন্ট মে কেহরাহি থি আন্দর কিল্লা গায়ি। আন্দরকিল্লা হ্যায় চিট্টাগাং মে।
মুঝে কুচ গড়বড় লাগরাহা হ্যায়?
লেখক বলেছেন: পালিয়েছিলাম, এসেছি, আবার পালাবো।
এই হল সংক্ষিপ্ত কাহিনী।
![]()
বিবেক সত্যি বলেছেন:
এই কিছুক্ষন আগে ২ জনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালাম আজকের ব্যাপারটা কি ?
সাদামাটা ভাষায় বলি, শুভ জন্মদিন...
তবে দুইখান কথা আছে!!!
সকল মোফাসসির মনে হয় মুখ ঢেকে রাখার পক্ষে বলেন না।
আর কোরআন ইন্টারপ্রেটরকে প্রত্যাখ্যানও করা যাবে না। কোরআনের অনেক আয়াত ইশারা ইংগীতে বলা হয়েছে।
আর আল্লাহ যে বলেছেন, আতিউল্লাহা ওয়া আতিউর রাসুল ওয়া উলিল আমরি মিন কুম। এই উলিল আমর এর মধ্যে ইন্টারপ্রেটরও পড়েন।
ভুল কইলাম নি???
লেখক বলেছেন: না, সকল মুফাসসির মুখ ঢেকে রাখার কথা বলেন না। এবং যারা বলেন না তাদের লজিক যথেষ্ঠ স্ট্রং। ওটা নিয়ে আমরা আলাদা পোষ্টে কথা বলব একদিন ইনশাল্লাহ।
এবং আমি কিন্তু সব মুফাসসিরদেরকে অস্বীকার করিনি। আমি শুধু মুফাসসিরদেরকে নবীর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদ করেছি। আর ‘উলুল আমরি মিনকুম’ এর মধ্যে তারা পড়েন এই লজিকে আমি তারা যদি আমাকে চোখ নাক মুখ ঢেকে ঘরে বসে থেকে তাদের দ্বিতীয় বউ হওয়ার জন্যে সাধেন, আই উইল নেভার এভার ক্যান বদার দ্যাট!
আমি এদের বটম লাইন থেকেই জানি, এবং অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই যে বাংলাদেশের মোষ্ট অফ দ্য আলেম এবং তথাকথিত মুফাসসির মেয়েদেরকে এখনো মানুষের সমপর্যায়ে ভাবার যোগ্যতা অর্জন করেননি।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
তবে একটা কথা স্বীকার করতেই হয়, তারা ঘুমিয়ে আছেন বলেই আমরা জাগতে বাধ্য হচ্ছি…বাধ্য না, আমরা এ সময়ে এই পৃথিবীতে এসেছি এই পৃথিবীটাকে আবার জাগিয়ে তুলতে।
লেখক বলেছেন: আমার আসলে আপনার মত এ স্পিরিট ছিলনা।
আমি আরাম করেই ঘুমিয়ে ছিলাম। হতে পারে কুম্ভরাশির বলেই ঘুমিয়ে থাকতে, চোখ বন্ধ করে থাকতে বেশী পছন্দ করতাম!
কিন্তু হঠাত দেখি- হায় হায়! সাড়ে সব্বনাশ! আমি ঘুমিয়ে থাকলে আমার ঘরটাই পুড়ে যাচ্ছে! তাই এখন জেগে উঠার চেষ্টায় আছি!
উপরের কমেন্টের জবাব খুব রেগে মেগে দিয়েছেন বুঝা যাচ্ছে!!! রাতের খাবার এখনও খান নাই? এ্যা হাংরি ম্যান ইজ এ্যা এ্যাংরি ম্যান
.....................
'তারা যদি আমাকে চোখ নাক মুখ ঢেকে ঘরে বসে থেকে তাদের দ্বিতীয় বউ হওয়ার জন্যে সাধেন, আই উইল নেভার এভার ক্যান বদার দ্যাট!'
ওইগুলোরে মানার কথা আমি বলছি না। ওইগুলোরে কিল ঘুসি মারার দরকার পড়লে আমারে খবর দিয়েন। হাম আপকা সাথ দুঙ্গা জরুর
লেখক বলেছেন: ![]()
এ্যাংরিও না, হাংরিও না……
মন ভাল না…
![]()
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
শুভ জন্মদিনের শুভেচ্ছা থাকলো.......।এখনো মানুষ আছে.......আর তাই পৃথিবীটা চলছে।
এটা আমার উপলদ্ধি।
আপনার লেখাটা ভালো লাগলো।
মিরাজ বলেছেন:
জন্মদিনের শুভেচ্ছা । আপনার অনুভুতির প্রকাশ ভালো লাগলো, চিন্তার স্বচ্ছতা না থাকায় অনেকেই মেয়েদের স্বাভাবিক চলার পথকে রুদ্ধ করে, জন্মদিনে প্রত্যাশা রইল আপনি আপনার চারপাশের চিন্তার অস্বচ্ছতা দুর করবেন । একজন মেয়েকে সবার প্রথমে একজন মানুষ হিসাবে দেখার একেবারে প্রাথমিক ব্যাপারটিকে অন্তত: আপনার পরিবার এবঙ পারিপার্শ্বিকতায় প্রতিষ্ঠা করবেন ।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
তবে আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাকে এমন পরিবার আর এমন কিছু মানুষের মাঝখানে পাঠিয়েছেন, দে আর জাস্ট সিম্পলী ওয়ান্ডারফুল। এরা যদি আমাদের সমাজের অন্য নয়জনের মত হতেন, আমার পক্ষে সারভাইভ করা কষ্টকর হয়ে যেত।
থ্যাংকস আল্লাহ।
'মন ভালো না'- এই কথাটা কইয়া তো মসিবতে ফালাইলেন
ইসসসসস!!!! কি করি এখন! কি বলি এখন
একটু ধ্যানমগ্ন হয়ে যান
দিল কো মাইজুস নেহি রাখ না!! ইয়ে জিন্দেগী আচ্ছা গুজার নে কে লিয়ে কাভি কাভি কুচ থুড়িসি গালতিয়া কে সাথ ভি আপনা দিল কো ফ্রেস রাখনা পড়তা হ্যায়! আল্লাহ বহুত মেহেরবান হ্যায়
লেখক বলেছেন: উঁহু, আই ডোণ্ট এগ্রি উইদ দ্যাট।
উইদ দ্য লাস্ট প্যারা। এটা হল আপনার মিডল ইস্টে থাকার প্রভাব!
![]()
লেখাটা খুব ভাল লেগেছে। যায়যায়দিনের লেখাটাও পড়লাম।জটিল লিখেছো।
আমার ফাইনাল পরীক্ষা চলছে।দুয়া করো।
লেখক বলেছেন:
শুনলাম কয়েকজনের কাছে।
ক’দিন পরেই তো চলে আসছেন।
শেষ পরীক্ষাটা ভাল করে দিয়ে দিন।
নরাধম বলেছেন:
শুভ জন্মদিন। জামাতিদের হাত থেকে আল্লাহ আপনাকে মুক্ত করুক, আপনার জন্মদিনে এই কামনা রইল।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনার প্রত্যাশার জন্যে। তবে কিনা আপনাদের এই গনহারে জাজমেন্টে আমার আপত্তি আছে।
আমি আমার জেনারেশনের চোখ কান খোলা ছেলেমেয়েদের একজন।
অতএব আপনার প্রত্যাশা কতটুকু বাস্তবতা লাভ করবে, বলা মুশকিল……
![]()
নরাধম বলেছেন:
আমিও আমার জেনারেশানের চোখ কান খোলা ছেলেমেয়েদের একজন। স্বাধীনতার ১২/১৩ বছর পর আমার জন্ম। জামাতিদের স্বাধীনতার সময়কার ভূমিকা নিয়ে চিন্তা করলে আমার মাথায় আগুন ধরে যায়। ইসলাম নিয়ে ওদের ব্যবসা দেখলে আমি ঘৃণায় জ্বলে উঠি। সব চোখকান খোলা মানুষেরই উচিৎ জামাতিদের সামাজিকভাবে বয়কট করা।
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
জন্মদিনে আগে খুব আনন্দ হতো। এখন মনে হয় ইশ ! আরো বুড়া হয়ে গেলাম!সুন্দর লিখার জন্য আপনাকে +
এটাই আসল কথা,আপনার মত সবসময় মনের কথাটা কেন যে কলমে আসেনা! কেউ কি আসলেই পায়,যুদ্ধে কি কেউ আসলেই জেতে? কিন্তু শুধু লড়াইয়ের জন্য হলেও লড়াই করতে হয়,আমাদের তাই করতে হয়,জয়ীরা ইতিহাস লেখে,যোদ্ধারা আসল ইতিহাস গড়ে।
ডাক্যাইত বলেছেন:
জন্মদিনের অভিনন্দন। এই পোস্টে আপনার সাথে পুরাপুরি সহমত। ধর্মের পুরোহিতদের কাছে ক্ষমতা গেলে তারা নারীকে আরো বৃত্তবন্দী করে ফেলবেন। এটা আপনার অভিজ্ঞতাতেই স্পষ্ট হয়ে উঠলো।সেই সাথে জানতে চাই পুরো পর্দা (ইভেন উইদাউট নিকাব্) বিষয়টিই কি নারীর নারীত্বের প্রতি অসম্মানসূচক নয়? নারীকে যে অবয়ব দেয়া হয়েছে সেটাকে ঢাকার প্রাণপন চেষ্টাও কি এক ধরনের অসুস্থতা নয়? সৃষ্টিকর্তা আপনাকে নারী হিসেবেই সৃষ্টি করেছেন। অথচ কাপড় দিয়ে নিজেকে এমনভাবে আবৃত করে রাখছেন কেউ কেউ যে কাপড়ের ভেতর কলা গাছ না একটা মানুষ আছে সেটা বোঝার উপায় নেই। অনেকে নেকাব পড়েননা ঠিক কিন্তু বোরখা নামক একটা অসুস্থ সংস্কৃতির আড়ালে নিজের শরীরের ভাঁজ প্রকাশ না করার চেষ্টার ভেতর আমি মহৎ কিছু দেখিনা। দেখি স্রষ্টাপ্রদত্ত স্বাভাবিক সৌন্দর্য্যের অবমাননা।
লেখক বলেছেন:
আমি ধর্মীয় পুরোহিতদের অসুস্থ মানসিকতার বিরুদ্ধে বলেছি, কিন্তু আপনি পুরো ইসলামিক কালচারের বিরুদ্ধে বলছেন।এখানে আমার দ্বিমত আছে।
আমার সামনের মাসে ফাইনাল এক্সাম। এক্সামের পর হিজাব নিয়ে পোষ্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে। আশা করি আমরা তখন আলোচনা করতে পারবো।
ভক্কডা বলেছেন:
শুভ জন্ম দিন! জীবন সুখের হউক
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
আপনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা.....লেখাটা ভালো লাগল।আপনার অনুভূতিগুলো সুন্দর......ভালো থাকবেন।
ৃৃমম বলেছেন:
শুভ জন্মদিন।নজরুলের সেই উপলব্ধি:
" বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে, আমরা তখন বসে-
বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজছি কোরান-হাদিস চষে"-
আজও সমান প্রাসংগিক নয় কি আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, এবং সামাজিক আত্নসমালোচনার জন্য?
সবুজ সাথী বলেছেন:
+++ পুরা একমত।"হারাম হালাল কোরানে স্পষ্ট। এর বাইরে মুফাসসির তার নিজস্ব লজিক থেকে অনেক মত দিতে পারেন। কিন্তু তিনি তো আর নবী নন যে তার লজিক আমাকে মেনে নিতে হবে!"
- মুসলিমদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মাযহাবী সংকীর্ণতা ও দলাদলি থেকে। ইমামদেরকে এরা সত্যিই নবীর আসনে বসিয়েছে। এ বিষয়ে আপনার লেখা চাই।
আর জন্মদিনের ব্যপারটা আমার কাছে হাস্যকর মনে হ্য় (মাফ চাইছি)। আল্লাহ আপনাকে সত্যের ওপর অবিচল থাকার শক্তি দিন।
সমালোচনাকারী বলেছেন:
মিরিত্যুর দিকে আরেকটা বছ্চর আগাইলেন। সাবধান!!!! ফুরতির কিচু নাই রাদার বৈসা কিচুক্ষন কান্দেন!
লেখক বলেছেন: লেখাটা পড়ে আপনার কি মনে হয়েছে যে জন্মদিনে আমি ভীষন আনন্দিত? ![]()
সামী মিয়াদাদ বলেছেন:
আজকের দিনে এমন লেখা কেন?.....হাসুন
....জন্মদিনের শুভেচ্ছা.....আমৃত্যু ভাল থাকুন....সুন্দর থাকুন....সুস্হ্য থাকুন....
....আর এমন লিখতে থাকুন
আচ্ছা ঠিক হ্যায়, কমসে কম ইয়ে তো সমজ গায়া হু মেয়নে কি ইস দুনিয়ামে মিডল ইস্টওয়ালা সবসে বরবাদ হোগিয়া হ্যায়
ফির ভি আপ জারা সুচে জিন্দেগীকা রিয়েলিটি কি হিসাবসে হাম উ বাত কাহা। ইস বারি মে জেয়াদা বাত ইঁহা পর করনা আচ্ছা নেহি হোগা, কিঁউ কি গলদ সমজনেওয়ালা বহুত হ্যায়। আপ আগার ইন্টারেস্টেড হ্যায় তো মেরা মেইলএড হ্যায় প্রোফাইলমে।
লেখক বলেছেন: আমি আসলে তেমন মিন করিনি… তবে মিডল ইস্টের যত মেয়ের সাথে মিশেছি ওদের মধ্যে এ ধরনের এটিচ্যুড দেখেছি তো তাই…
দশ বছরের একটা মেয়ে হিজাব পড়তে গিয়ে দিনে দশবার জবাব দিচ্ছে টিচারদের কাছে।
তের বছরের মেয়েটা সতর ঢাকার জন্য 'বিশেষ অনুমতির' কাগজটা পকেটে নিয়ে ঘুরছে, কেউ কারণ দর্শালে খুলে বের করে দিতে হবে তাই।
ষোল বছরের মেয়েটা স্কুলে যাওয়ার পথে মেদো মাতালের 'সন্ত্রাসী' গালি শুনে কান্না চাপতে না পেরে স্কুলে গিয়েই ইতিহাস ম্যাডামের কাছে সব উগরে দিচ্ছে।
শৈশব কৈশোরে বড় হওয়ার জন্য ছায়া লাগে, শিক্ষকেরা, আত্মীয়রা (শুধু মা বাবা ছাড়া) সব্বাই ছায়া দেয়ার বদলে বিদ্রুপের প্রখর রৌদ্রে পুড়িয়ে ফেলতে চাইছে।
নিকাব দেয়ার কথা কখনও চিন্তাও করি নি, সাহসও করি নি হিজাব পড়ার জন্যই যুদ্ধ করতে করতে।
আয়রনিক্যাল, মুসলিম মেয়েরাই কি করে যুদ্ধের অগ্রভাগে চলে এসেছে! দুই পক্ষেরই দাবার গুঁটি!
হলদে ডানা,
এই কথাগুলো যদি 'বৃহত্তর ভালোর' স্বার্থে ইসলাম ভালোবাসা মানুষেরা মুখ বুজে না দেখার ভান করে থাকে, তাহলে কি এই কথাগুলো কখনও দিনের আলো দেখবে না? দেখবে, ইসলামের শত্রুদের হাত ধরে দেখবে। এই জন্যই এই কথাগুলো, যেগুলোর দায়ভার কখখনই ইসলামের উপর বর্তায় না, সেগুলো ইসলাম ভালোবাসা মানুষের মুখ থেকেই আসা দরকার। ঠিক যেখানে দোষারোপের সীমারেখা টানতে হবে, সেটা আমরাই বুঝতে পারবো, ইসলামকে ঘেন্না করা ইনফিডিলের লেখিকারা বুঝতে পারবে না।
লেখক বলেছেন: সুন্দর কমেন্টের জন্যে ধন্যবাদ সন্ধ্যা।
শেখ রহিম বলেছেন:
ফারজানা আপু এই বিশলতাকার পৃথিবীতে ও ছোট্ট এই দেশে জন্ম হওয়াতে আপনার ভূমিষ্ঠাতাদের প্রতি রইল আমার অজস্র সালাম। আর শুভ হউক জন্মদ্ষ্টার আগমনে পৃথিবীর ভূমিতে যাত্রা।
জন্মদিনে সবাই শুভ জন্ম দিন বলে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। আমিও>....।
আপনার পোস্ট দেওয়া ডক্টর হুমায়ুন আজাদকে নিয়ে একটি লেখায় মন্তব্য দিয়ে বেশ আঘাত করেছি। দুঃখিত। আসলে লেখার ওজনে বড় গরমিল ছিল। তাই..। কিন্তু আপনার অনেক লেখাই আমার মন করেছে। শুভেচ্ছার হাতছানিতে ....জবাব কি .....পাব।
লেখক বলেছেন:
Its ok..
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
happy birth day
অ্যামাটার বলেছেন:
শুভ জন্মদিন,এই দিনে সিরিয়াস একটা পোষ্ট বেমানন।
তবে ঠিকই বলেছেন, এক্সট্রিমিজম সমর্থনযোগ্য নয়।
একজন বলেছেন:
আপনি যেন সঠিক পথ খুজে পান এবং এর উপর দৃঢ় থাকতে পারেন জন্মদিনে এই দোয়া রইল।আমি তো জানি কুরআন শরীফ ও হাদিস শরিফ অনুযায়ী পর্দা করা ফরজ। এ ব্যাপারে আপনার কি অভিমত?
লেখক বলেছেন:
সতর, হিজাব ও নিকাব- এ ব্যাপারে একটা পোষ্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে। তখন আমার অভিমত জানাবো।
একজন বলেছেন:
ধন্যবাদ, অপেক্ষায় রইলাম।
















