প্রায় সব বাঙালি মুসলমান রোজ হাশরে রসূল মুহাম্মদ এর শাফায়াতের আশা করে একনিষ্ঠ ভাবে তার সুন্নত পালন করেন।
কোরানে আল্লাহ শাফায়াত সম্পর্কে কি বলেছেন :
সুরা আল-যুমার(৩৯) আয়াত ৪৩-৪৪
“তারা কি আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সুপারিশকারী গ্রহন করেছে? বলুন , এমনকি কোনকিছুর উপরে তাদের কোন ক্ষমতা না থাকলেও বা তাদের কোন বুদ্ধি জ্ঞান না থাকলেও ! বলুন , সকল সুপারিশের মালিক আল্লাহ , আসমান ও যমীনে তারি রাজত্ব। অতঃপর তারি কাছে তোমাদের ফিরতে হবে।”
সুরা সেজদাহ(৩২) আয়াত ৪
“আল্লাহ যিনি নভোমন্ডল , ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ৬ দিনে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনি আরশে আসীন হয়েছেন। তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন ওলী বা সুপারিশকারী নেই। এরপর ও কি তোমরা বুঝবে না?”
সুরা বাকারাহ(২) আয়াত ২৫৪
“হে ঈমানদারগণ ! আমি তোমাদের যা রিজিক্ দিয়েছি , তা থেকে ব্যায় কর সেদিন (রোজ হাশর) আসার পূর্বে, যেদিন চলবে না কোন দরাদরি বা থাকবেনা কোন সুপারিশ কিংবা বন্ধুত্ব। আর কাফেররাই (অস্বীকারকারী) হলো প্রকৃত যালেম।”
কোরানে সুপারিশের উপর আরো অনেক আয়াত আছে। কিন্তু কোথাও বলা হয়নি রসূল মুহাম্মদ উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য রোজ হাশরে শাফায়াত বা সুপারিশ করবেন। এখানে ৪টি স্পষ্ট আয়াতের অনুবাদ দিলাম , কোন ব্যখ্যা ছাড়াই। মানা বা না মানার দায়িত্ব , যার যার নিজের।
আমি নিজস্ব কোন ব্যখ্যা ছাড়াই কোরানের আয়াতের উদ্ধৃতি দিচ্ছি , যাতে মুসলমামনরা প্রকৃত সত্য(কোরানের বানী) জানতে পারে। somewhereinblog কতৃপক্ষের কাছে অনুরোধ কিছু অবুঝের দাবীর প্রেক্ষিতে আগের পোস্টের মতো delete না করে সুস্থ আলোচনার সুযোগ দিন। কোরানের বাণী সকলের কাছে ভালো লাগবে এমন কোনো কথা নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

