২০০৮ সালের নির্বাচন অবধি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা হয়েছিলো। এর মধ্যে ১৩ টি মামলায় মোট ১৪ হাজার ৮৬৩ কোটি ৯০ লাখ ৫১ হাজার ১৮৮ টাকার দুর্নীতি/ অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া একটি ছিল খুনের মামলা, আরেকটি সেনানিবাসে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে মামলা। এর মধ্যে ৪টি মামলায় ১৩ কোটি ৯৯ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ টাকার ঘুষ গ্রহণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৫ টি মামলার মধ্যে ১০টি মামলা দায়ের হয় ৪ দলীয় জোট সরকারের সময়।
এ গুলো হলো বেপজায় পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতি, ফ্রিগেট ক্রয়ে দুর্নীতি, মেঘনাঘাট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানে দুর্নীতি, মিগ-২৯ ক্রয়ে দুর্নীতি, নভোথিয়েটার নির্মানে দুর্নীতির ৩টি মামলা, বঙ্গবন্ধু স্মৃতিসৌধ নির্মানে দুর্নীতি, পল্টন হত্যায় হুকুমের আসামী, এবং সেনানিবাসে অনুপ্রবেশ চেষ্টা মামলা। আর ৫টি মামলা দায়ের হয় ১/১১র পরবর্তী ফখরুদ্দিন সরকারের আমলে। এগুলো হলো- আজম জে চৌধুরী থেকে ৩ কোটি টাকা ঘুস নেয়া, নুর আলী থেকে ৫ কোটি টাকা চাঁদা নেয়া, কাজী তাজুল ইসলাম ফারুক থেকে ৩ কোটি টাকা ঘুস নেয়ার মামলা, খুলনায় ভাসমান বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মান বাবদ ৩ কোটি টাকার চাঁদা নেয়ার মামলা, এবং নাইকো দুনীতি মামলা।
অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে, বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পরে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ১২টি মামলা প্রত্যাহার করার জন্য সরকারী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে মোতাবেক পরে ৬টি মামলা সরাসরি প্রত্যাহার করা হয় এবং ৯ টি মামলা আদালতের মাধ্যমে বাতিল বা কোয়াশ হয়। এদের মধ্যে ৫ টি মামলা বাতিল করে বিচারপতি মোঃ শামসুল হুদা ও বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ; আর ৪টি মামলা বাতিল করে বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক এবং বিচারপতি বোরহানউদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত কোর্ট
হাসিনার মামলা গুলোর বর্তমান অবস্থা জানতে এখানে ক্লিক করুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



