হল শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পক্ষের নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষে লিপ্ত হন। ভোররাতে এই সংঘর্ষ বাধলে তখন আহত হন ১০ জন। এরপর সকাল ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের বাইরে সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিনের সমর্থকদের হামলায় আহত হন সভাপতি আলীর অনুসারী সহসভাপতি শাহীন। শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে আহত ব্যক্তিদের দেখতে গিয়েছিলেন। খানিক পরে একই স্থানে সভাপতিপক্ষের পাল্টা হামলায় আহত হন প্রতিপক্ষের সহসভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন লিটন, সহসম্পাদক মিলন ও মামুন হোসেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনকে মারধর করে চারতলা থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতার গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাওয়ায় সূত্রাপুর থানার এএসআই সাইফুর রহমানকে পেটাল ছাত্রলীগের ক্যাডাররা।
গতকাল বাহাদুর শাহ পার্কের পাশে সূত্রাপুর থানা পুলিশের একটি দল অবৈধ গাড়ি ধরতে চেকপোস্ট বসায়। বেলা দেড়টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মাসুদ রানা মোটরসাইকেল নিয়ে ওই চেকপোস্টের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। পুলিশ তাঁর গতি রোধ করে গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চায়। এ সময় মাসুদ রানা নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন, 'ছাত্রলীগের নেতাদের গাড়ি চালাতে কাগজপত্র লাগে না।'
আর চিত্রগুলো বরিশাল পলিটেকনিক এ ছাত্রলীগের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ...
এসব কবে বন্ধ হবে...পত্রিকার পাতায় এসব চিত্র আর দেখতে চাইনা...
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



