আমার প্রিয় পোস্ট

জন্মোপার থেকে পৃথিবী হয়ে অনন্তে >>> ©www.fazleelahi.com

@ কাদিয়ানীঃ সত্য নবীর ধারাবাহিকতা সমাপ্ত এবং মিথ্যাবাদী গোলামের স্বরূপাংশ

৩১ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৩:৪২

শেয়ার করুন:                   Facebook

এই বিশ্ব জাহানের প্রতিপালক সর্বশক্তিমান আল্লাহ পৃথিবীতে মানব জাতিকে প্রেরণের শুরু থেকেই নবী-রাসূলদের পরম্পরা চালু করেছেন, যাতে করে বিভ্রান্তির স্বভাবজাত কুফল থেকে মানব জাতিকে সঠিক পথ দেখাতে পারেন। সাথে সাথে তাদের মাধ্যমে পাঠিয়েছেন মানবের জীবন চলার বিধি-বিধান; যার অনুসরণ করলে তিনি ওয়াদা করেছেন মানুষকে ফিরিয়ে নেবেন তাদের প্রথম বাসস্থান জান্নাতে, অন্যথায় প্রস্তুত রয়েছে জাহান্নাম। এই ধারার প্রথম নবী ছিলেন প্রথম মানুষ আদম 'আলাইহিস সালাম। নবুয়তের এই সত্য ও শান্তির পথে ইবলীস তার বাহিনী দিয়ে মিথ্যা দাবীর ধোঁয়া তুলতে পারে; এটা মহাজ্ঞানী আল্লাহর ভালভাবেই জানা ছিল। এজন্যই তিনি তাঁর সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিয়েছেন, সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল বলেনঃ ((কেয়ামত সংঘটিত হবে না যে পর্যন্তত্রিশজন দাজ্জাল বের হবে। তারা প্রত্যেকে নিজেকে আল্লাহর রাসূল বলে দাবী করবে।))(আবু দাউদ, তিরমিযী) তাই আল্লাহ প্রথম নবীসহ প্রায় সবার কাছেই সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী কে হবেন এবং তার কিছু কিছু গুণ-বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারে আগাম জানিয়ে দিয়েছেন। অন্য এক বর্ণনায় প্রিয় রাসূল বলেনঃ ((আমি শেষ নবী, আমার পরে আর কোন নবী আসবে না।)) (আবু দাউদ, তিরমিযী)

প্রিয় রাসূলের সতর্কবাণী ও ভবিষ্যতবাণীর সত্যতা দেখেছে বিশ্ববাসী ইসলামের প্রথম শতাব্দীর প্রধান দাজ্জাল মুসাইলামাহ আল-কাজ্জাব এর নবুয়তীর দাবীর মাধ্যমে আর বর্তমানের চতুর্দশ শতাব্দীর দাজ্জাল গোলাম আহমাদের মাধ্যমে, যারা প্রত্যেকেই নিজেকে নবী দাবী করেছে। উপরোক্ত হাদীসের ভাস্যকে অধিকাংশ কাদিয়ানী (গোলাম আহমদকে যারা নবী বলে স্বীকার করে, এমন মুরতাদ ও সে মতবাদে নবদীক্ষিত) গোলাম আহমদের জন্য মেনে নিতে নারাজ, তাদের কথা হলো ত্রিশ জন শেষ হয়ে গেছে, তাই গোলাম এর অন্তর্ভুক্ত নয়। এর জবাবে প্রথমতঃ ((আমার পরে কোন নবী আসবে না)) -এ বাক্য কেয়ামত পর্যন্ত কার্যকর, তাই পৃথিবী ধ্বংস হওয়া পর্যন্ত আল্লাহর পক্ষ থেকে আর কোন নবীর সম্ভাবনাই থাকছে না। দ্বিতীয়তঃ প্রখ্যাত মুসলিম মনীষী ইবনে হাজার এ হাদীসের ব্যাখ্যায় বলেনঃ এই হাদীসের দ্বারা রাসূলুল্লাহর পর নবুয়তের যে কোন দাবীদারই উদ্দেশ্য নয়। নবুয়তের দাবীদার তো অগণিত, এদের অধিকাংশই বিকৃত মস্তিস্ক ও অপ্রকৃতিস্থ। এই হাদীস দ্বারা এমন ভণ্ডনবীদের কথা বলা হয়েছে, যারা নবুয়তের দাবী করবে এবং মানুষের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে।(ফাতহুল বারী-6ম খণ্ড, 455 পৃষ্ঠা) তাছাড়া, দাজ্জাল বলতেই মানুষের মাঝে প্রভাব বিস্তারকারী কাউকেই বুঝায় মূলতঃ। ধারাবাহিক এ আলোচনায় গোলাম আহমদের মিথ্যাচার ও ভণ্ডামীর কিছু বাস্তবতা ও পর্যালোচনা তুলে ধরার চেষ্টা করবো। সর্বশক্তিমানের নিকট তৌফিক কামনা করছি।

গোলাম আহমদের জন্ম 1839 খৃষ্টাব্দে পাঞ্জাবের অন্তর্গত কাদিয়ান নামক গ্রামে তৎকালীন ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদী সরকারের দয়ায় পুষ্ঠ কোন এক পরিবারে। তার পিতা মুসলমানদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা ও ষড়যন্ত্রকারীদের একজন ছিল। ইংরেজদের দয়া-দাক্ষিণ্য এবং তাদের কাছ থেকে মান-সম্মান লাভ করাই ছিল যার জীবনের প্রধান লক্ষ্য। গোলামের ভাস্যে- আমার পিতা গোলাম মতূর্জা ঐ সমস্ত লোকদের একজন ছিলেন, ইংরেজ সরকারের সাথে যাদের সুসম্পর্ক ও ভালবাসার বন্ধন ছিল এবং রাজদরবারে তার একটা আসন সংরক্ষিত ছিল। সে ইংরেজ সরকারকে সর্বোতভাবে সাহার্য করেছিল যখন তার স্বদেশী ও স্বধর্মীয় ভারতবাসীরা 1851 ইং সালে ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিল। এমনকি সে নিজের পক্ষ থেকে পঞ্চাশজন সৈন্য ও পঞ্চাশটি ঘোড়া দ্বারা তাদেরকে সাহায্য করে এবং সে তার সাধ্যাতীত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সেবা করেছে।(গোলাম আহমদ রচিত 'তোহফায়ে কায়সারিয়া'- পৃ 16) গোলাম যে বংশ পরম্পরায়ই ইংরেজদের সেবাদাস ছিল তা এ থেকেই প্রমাণিত।

শায়খ হাফেয এহসান এলাহী জহীর তার 'কাদিয়ানী মতবাদ' গ্রন্থে গোলাম আহমাদ সম্পর্কে বলেনঃ জন্মের পর লেখাপড়ার বয়সে পৌঁছলে সে অখ্যাত কিছু শিক্ষকের কাছে কতগুলো উর্দূ ও আরবী পুস্তক পড়ে এবং কিছু আইন বিদ্যাও শিখে। তারপর মাসিক মাত্র পনরটাকা বেতনে বর্তমানে পাকিস্তানের অন্তর্গত শিয়ালকোট নামক শহরে চাকুরী নেয়। সে একটা মানসিক ভারসাম্যহীন প্রকৃতির লোক ছিল। এমনকি তার সম্পর্কে বলা হয় যে, তাকে ঘর থেকে চিনি আনার কথা বলা হলে সে চিনির বদলে লবন নিয়ে আসে। একান্ত নির্বুদ্ধিতা ও ভারসাম্যহীনতার কারণে সে পথিমধ্যে তা থেকে খেতে শুরু করে। লবন যখন তার গলায় পৌঁছে আটকে যায় তখন তার চক্ষুদ্বয় হতে অশ্রু নির্গত হয়। (তার পুত্র বশির আহমদ কর্তৃক লিখিত 'সিরাতুল মাহদী' নামক গ্রন্থ থেকে)

এতদ্ব্যতীত সে এত ভীরু ছিল যে, কখনো যুদ্ধ ও কুস্তিতে অংশ গ্রহণ করেনি। অথচ ঐ সময় ভদ্র পরিবারের সকলেই সামরিক শিক্ষা গ্রহণ করত। একারণেই একদা সে একটা মোরগের বাচ্চা জবাই করতে গিয়ে তার আঙুল কেটে ফেলে এবং তা থেকে রক্ত প্রবাহিত হয়। ফলে সে ক্ষমা প্রার্থনা ও তওবা করে সরে পড়ে। কারণ, সে তার জীবনে কোন প্রাণী জবাই করেনি। ('সিরাতে মাহদী'- 2য় খণ্ড, 4র্থ পৃষ্ঠা)

উপরোক্ত প্রামাণ্য উদ্ধৃতি ও আলোচনায় পৃথিবীতে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের পর আর কোন নবী-রাসূলের আগমন ঘটবে না কেয়ামত পর্যন্ত; একথা সুস্পষ্ট। এবং দাজ্জালদের মিথ্যা নবুয়তীর দাবী ও তা দ্বারা মানব জাতিকে বিভ্রান্তকরণের প্রক্রিয়ায় গোলাম আহমদের মত মিথ্যাবাদীর পারিবারিক ঐতিহ্যে সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজদের পদলেহন পরিস্কার হলো। এছাড়াও সকল নবীকেই শিক্ষা প্রদান করেন একমাত্র আল্লাহ তা'আলা, নবীরা পৃথিবীর কারো কাছ থেকে কোন শিক্ষা গ্রহণ করেন না; এই ঐতিহ্যের পরিপন্থী গোলাম তারই মত অন্য মানুষের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছে। তার মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এ এক বিরাট প্রমাণ এবং তার নির্বোধ সত্তা ও ভীরু মানসিকতাও নবুয়তীর এক চিরন্তন বিরূপ পন্থা।
(চলবে)

বিশেষ কৃতজ্ঞতাঃ শায়খ হাফেয এহসান এলাহী জহীর এবং মুহাম্মাদ রকীবুদ্দিন হোসাইন।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আদর্শ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৪৯

 

  • ৪৩ টি মন্তব্য
  • ৭৭১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১০:৩৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনার লেখাগুলো যেকোন ভাল লেখকের বই থেকেও মনোযো দিয়ে পড়ি। অনেকগুলো লিখেফেলেছেন এর ভেতর.. সবগুলো পড়ছি.. সত্যি অসাধারন লাগছে....

বাইদ্যাওয়ে, কেমন আছেন? :)
২. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১০:৩৮
comment by: অতিথি বলেছেন: মনোযো --> মনোযোগ
৩. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১০:৪২
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাল লিখছি কি না জানি না, তবে সত্যের পক্ষে লিখছি এবং প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, এটুকু বলতে পারি। মন্তব্য ভাল লাগে, তবুও ভয় হয় পাওয়াটা যেন এখানেই শেষ না হয়, আল্লাহর নিকট অনন্তের পাওয়াটাই চাই সর্বাগ্রে, তারপর পার্থিবতা।

আমি ভাল আছি ত্রিভূজ ভাই, আপনি কেমন? ব্যস্ততা কমেছে কিছু?
৪. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১১:১২
comment by: অতিথি বলেছেন: এইতো চলছে আলহামদুলি্লাহ। ব্যস্ততা কমেনি.. বরং বাড়ছে আরো। দেশের বাইরে থেকে কিছু কাজ পেতে যাচ্ছি.. দোয়া করবেন আমার জন্য।

কেউ মন্তব্যে কি লিখছে তা গুরুত্বপূর্ন নয়। আপনার এই লেখাগুলো আজ ও আগামীতে অনেকে দেখতে পাবে এবং তাতে যদি তাদের ইহজাগতিক ও পরলৌকিক কল্যান সাধিত হয়, তাইতো বড় পাওয়া তাই না?
সত্যের পক্ষে লিখে যান। নিশ্চই আল্লাহ সকল ভাল পচেষ্টার জন্য আপনাকে পুরুষ্কৃত করবেন।

জাজাকুমুল্লাহু খাইরান...
৫. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১১:৪৮
comment by: অতিথি বলেছেন: গোলাম কাদিয়ানীর জীবনটা বেশ মজার ছিল। একবার সে তার সম্পর্কীয় এক বোনকে বিবাহ করার বায়না ধরে। কিন্ত মেয়ে ও তার কতর্ৃপক্ষ রাজী নয়। গোলাম মিয়া "হ্যানত্যান" অনেক কিছুই বুঝালো কিন্তু মেয়ে পক্ষ নারাজ। শেষে গোলাম মিয়া অভিশাপ দিলো "শীঘ্রই ঐ মেয়ের মৃত্যু হবে।"

না, মেয়ের মৃত্যু হয় নি। তার অন্য জায়গায় বিবাহ হয়েছিল ও গোলাম মিয়ার মৃত্যুর পরও অনেকদিন বেচেছিল।

শেষ বয়ষে ডায়াবেটিস হওয়ায় গোলাম মিয়া আচরনগত ভাবে বিভ্রান্ত ও বেসামাল হয়ে পড়ে। যার কিছুটা এই পোস্টে বর্ননা করা হয়েছে।
৬. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১:৫৯
comment by: অতিথি বলেছেন: অন্য ধর্মের বা গোত্রের সম্মানিত ব্যক্তিকে নিয়ে সমালোচনা ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার সময় একথা মনে রাখবেন যে আপনার ধর্মের সম্মানিত ব্যক্তি বা মহাপুরুষকে নিয়ে সেও তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও কটুকাটব্য করতে পারে।

তার এরকম সমালোচনাকে যদি আপনি মানতে পারেন তবেই আপনি তার ধর্মের মহাপুরুষদের নিয়ে এরকম কথা বলতে পারেন।

আপনার এ স্বাধীনতা অবশ্যই আছে। কিন্তু কাদিয়ানী কেউ যদি এখানে নবী মুহাম্মদকে নিয়ে ঠাট্টা মশকরা করে তখন উত্তেজিত হয়েন না।
৭. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৩:৫৮
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: হু।
৮. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: ত্রিভূজ-
ওয়াইয়্যাকা।

আশার আলো-
এমন অনেক স্ববিরোধী ও বিশ্রি ঘটনা রয়েছে তার জীবনীতে। সামনের পোষ্টগুলোয় থাকবে হয়তো। উদ্দেশ্য কিন্তু সত্যগুলো জানুক সাধারণ মানুষ। আর কিছু নয়। ধন্যবাদ আপনাকে।
৯. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৫৫
comment by: অতিথি বলেছেন: শোহেইল মতাহির চৌধুরী-
আপনার মন্তব্য যদি হয় পোষ্টকে ঘিরে তাহলে বলছি যে, এই ধারাবাহিকতার উদ্দেশ্য তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা নয়; বরং মিথ্যার মুখোশ উদ্ঘাটনের চেষ্টা এবং তাও ইনশাআল্লাহ তাদের লিখিত-প্রণীত গ্রন্থাবলীর উদ্ধৃতি সহকারেই। তাই পোষ্টকে কোনভাবেই কটুবাক্যের আওতায় ফেলতে পারেন না। পোষ্টে গোলামের মিথ্যাবাদীতার জন্য যেটুকু বলা প্রয়োজন সেটুকুই বলা হচ্ছে এবং ধারাবাহিকভাবে আরো থাকবে ইনশাআল্লাহ।

আর যদি মন্তব্যের ব্যাপারে হয়ে থাকে, তাহলে ভিন্ন কথা। ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার পরামর্শ অবশ্যই গ্রহণযোগ্য।


পথিক-
ধন্যবাদ।
১০. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:১৪
comment by: অতিথি বলেছেন: শোমচৌ'র কথাটা মনে ধরেছে :) এদেশের সবাই কোনো কোনো ভাবে ক্ষমতাসীনদের পুজো করে এসেছে। অতএব, সাধু সাবধান :) গোড়া শক্ত কারো নেই।
১১. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৩৬
comment by: অতিথি বলেছেন: মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ মধ্যরাতের রাখাল।
১২. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:১৯
comment by: অতিথি বলেছেন: সৃষ্টিশীল কিছু চাই ফজলে ভাই। আপনাকেও ধন্যবাদ।
১৩. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:২৫
comment by: অতিথি বলেছেন: কাদিয়ানীদের সম্পর্কে বেশ সমৃদ্ধ তথ্য পেলাম।
আরো নতুন কিছু পাবার অপেক্ষায় রইলাম।
১৪. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৩৪
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার কাছেও আছে @ জলিল। কিন্তু বিতর্ক ছড়িয়ে কেবল মন্তব্য পাওয়া যায়। তৃপ্তি পাওয়া যায় না। ওরা নিজেদের কিভাবে লাভবান করছে সেটাতো সাংঘাতিক ট্র্যাজিডি। ধরি মাছ, না ছুই পানি টাইপ চাতুরতা।
১৫. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:২১
comment by: অতিথি বলেছেন: শেখ জলিল-
ব্লগে দেখছি কিছু দিন থেকে অনেকেই কাদিয়ানীদের প্রতি দারুন দরদী হয়ে উঠেছেন। তাতেও কোন সমস্যা নাই, কিন্তু যারা এখনো জানেন না কাদিয়ানীদের আসল স্বরূপ, তাদের জন্যই আমার এই প্রচেষ্টা। ধন্যবাদ আপনাকে।

মধ্যরাতের রাখাল-
সৃজনশীলতার চেষ্টা তো করেই যাচ্ছি ভাই, কিন্তু আমাকে দেখতে হবে আমার "শেকড়ে পচন ধরেনি তো", কারণ সেখানেই আমার মূল, তাতে যদি পচন লাগে, তাহলে আমার শাখা-প্রশাখার সকল সৃজনই ব্যর্থ হতে বাধ্য। তাই কোন কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি নয়, শুধুই তাদের বই সমূহ থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে যেসব পর্যালোচনা হয়েছে, সেসবকে তুলে ধরার চেষ্টা করছি এবং করবো যাতে করে সাধারণ মুসলমানগণ তাদের ব্যাপারে বিভ্রান্তিতে না থাকেন। ধন্যবাদ।
১৬. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:৫৮
comment by: অতিথি বলেছেন:
১৭. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৩৯
comment by: অতিথি বলেছেন: বাসায় খোজা খুজি করেও কিছু পাইলাম না , তাই বড়ই বিরক্তকর লাগতেছিলো । পোস্টটা পড়ে মনটা শান্ত লাগতেছে ।
১৮. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১:৩৬
comment by: অতিথি বলেছেন: হ্যা, মিথ্যাচার, ঠিক কোন জায়গাগুলোতে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে সেগুলো তুলে ধরেন রেফারেনস সহ। হাসি পায় যখন দেখি কাদিয়ানীদের পক্ষে সাফাই গাচ্ছে যাদের সাথে ইসলামের সম্পর্ক নেই। বা নিজেদের জীবনে ইসলামের প্রতিফলন নাই। হিপোক্রেসীটা ধরা পড়ে তখন। কাদিয়ানীরাই যদি কখনও সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে যায়, এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যায়, তাহলে কিন্তু এরাই কাদিয়নীদের বিরোধিতা করবে, কারণ এদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সংখ্যালঘিষ্টদের সমর্থন করে 'একটু আলাদা' হওয়া। ইচ্ছা করে স্রোতের বিপরীতে যুক্তিহীন কথা বলে নাম কুড়ানো :)
কাদিয়ানীদের আলেম সমাজের কেউ মুসলিম বলে মানতে রাজি নন, কারণ তারা নতুন 'নবী' তে বিশ্বাসী। ইসলামে এই নতুন নবীর বিশ্বাসের কোন স্থান নেই। আল্লাহ কোরআনে কোথাও এমন কোন হিংট দেননি যে আরও নবী আসবে, রাসুল আসবে। বরং রাসুল (সা) বেশ কয়েকটা হাদীসে বলেছেন 'আমিই শেষ নবী ও রাসুল।' ব্যপারটা একটু অন্য রকম না, আল্লাহ নিজে প্রমিস করেছেন, তিনি দ্্বীন ইসলামকে সংরক্ষন করবেন, অথচ তিনি নিজেই আরও নবী আসার মত এত গুরুত্বপূর্ণ একটা ওয়ার্নিং দিতে ভুলে গেছেন? (নাউজুবিল্লাহ)

গত 1400 বছর কারো মাথায় ঢুকে নি, আরও নবী আসবে, 1400 বছর পরে হঠাৎই আমাদের মেনে নিতে হবে, উপস, আমরা এতকাল ভুল বুঝেছি, এমনকি মুহাম্মদ (সা) ও আমাদের ভুল বুঝিয়েছেন, আসলে গোলাম আহমেদ কাদিয়ানী নতুন নবী!

আমি অপ বাকের পোস্টে যেই মন্তব্য লিখেছিলাম তাই তুলে দিচ্ছি।
১৯. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১:৩৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনার লেখাটা মনযোগ দিয়ে পড়লাম অপ বাক। কেউ ঠিক সত্যি পয়েন্টে রিফিউট করে নি। আমি করতে চাই। আপনার লেখাটা শ্রদ্ধার সাথেই পড়লাম, উত্তরটা লিখতে আধা ঘন্টার মত সময় লেগেছে। আমি আশা করব, আমার কথাগুলোর উত্তর দেয়ার সম্মানটুকু আমার প্রাপ্য। অন্তত:, সাধারনত যা হয় আর কি, গালাগালি বিদ্রুপ করে ব্যপারটা হালকা করে গায়ে হাওয়া লাগিয়ে চলে যাওয়া হয়। আমি সেটা আশা করি না।

তার আগে পিয়ালের প্রশ্নের জবাব: না, কাদিয়ানীরা আহলে হাদীস না। আহলে হাদীস হল যারা নিজেদের হাদীসের অনুসারী বলে। তারা কোন মাজহাব অনুসরন না করে সরাসরি হাদীস ব্যাখ্যা করেন নিজেরা। ইজমা, কিয়াস এই দু'টোকে মানেন না। আহলে হাদীসরাও কাদিয়ানীদের অমুসলিম বিবেচনা করেন।

এখন অপ বাক:

ইসলামে বিশ্বাসের তিনটা মূল ধারা আছে। স্রষ্টার একত্ববাদ (এবং সংশ্লিষ্ট গুণাবলী), নবী রাসুলদের স্বরূপ এবং মৃত্যুর পরের জীবন।

এই বিশ্বাসগুলোর কোনটা অসম্পূর্ণ থাকলে, বা অস্বীকার করলে সে মুসলিম হয় না।

কাদিয়ানী/আহমাদিয়াদের অমুসলিম বলার ভিত্তি এটাই, ওদের নবী রাসুলদের স্বরূপের ব্যাখ্যায় ভুল আছে।

'মুহাম্মাদের শিক্ষা প্রচারের জন্য যুগের বদলের সাথে নতুন শিক্ষক আসবে এই ধারণাটা খুব চমৎকার একটা ধারণা'... আপনার জন্য চমৎকার ধারণা, কিন্তু মুসলিমদের জন্য না।

ইহুদীদের 'ধারণায় নবী শব্দটা শিক্ষক এবং পথপ্রদর্শকের'...

সমস্যা হল, আপনি ইহুদীদের ধারণা নিয়ে ইসলামের ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন!

ইসলামে নবীর ধারণা কি সেটা জানুন।

নবী আর রাসুল: দু'জনই ইসলামে [ইটালিক]আল্লাহ দ্বারা বিশেষ ভাবে নির্বাচিত [/ইটালিক] মানুষ। এরা দু'জনই আল্লাহর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করেন, যেটা সাধারণ মানুষেরা করে না। রাসুলরা আল্লাহর কাছ থেকে 'খুঁটি নাটি নির্দেশ' বা শরীয়ত পান (পথ, বা দ্বীন কিন্তু একটাই থাকে)। নবীরা আসেন রাসুলের পথ থেকে সরে যাওয়া মানুষদের পথ দেখিয়ে দেয়ার জন্য। মনে করিয়ে দেয়ার জন্য। ওদের নিজেস্ব শরীয়ত থাকে না।

নবীদের মর্যাদা কিন্তু একজন শিক্ষকের চেয়ে অনেক বেশি। কারণ তারা আল্লাহর কাছ থেকে সরাসরি গাইডেন্স পান, কথা বলেন, খুঁটি নাটি সমস্যার সমাধান পান। ইবরাহীম (আ) একজন নবী ছিলেন (রাসুল না), নূহ (আ) একজন নবী ছিলেন, সুলায়মান (আ) একজন নবী ছিলেন। নবী ব্যপারটা খুব পবিত্র, সাধারনের বাইরে।

'খাতমে নবুয়াতের ধারণা এমন ভাবে প্রচলিত যেন মুহাম্মদ (সা) ই শেষ নবী এবং রাসুল'... ঠিক বলেছেন। কারণ কোরআনে সেভাবেই বলা আছে। কিন্তু নিউ ওল্ড সব টেস্টামেন্টের পাতা উল্টে দেখেন... ওল্ড টেস্টামেন্টে দেখবেন নবী রাসুলের ধারা কখনও শেষ হবে ওমন কোন ইংগিতই নাই। আর নিউ টেস্টামেন্টে একটা 'মাসীহ' (তখন শব্দটা খুব সম্মানিত বুঝাতে ব্যবহার করা হত) আসবে, খুব জোড় দিয়ে বলা। কিন্তু কোরআনের কোথথাও শুধু ইসা (আ) এর পূর্নবর্তন ছাড়া আর একবারও কোন নবী রাসুল আসার কোন ইংগিত দেয়া হয় নি। ব্যপারটা একটু বড় রকমের ভুল হয়ে গেল না? বিশ্ব জগতের স্রষ্টা ঘোষণা দিয়ে দিচ্ছেন, "আজ তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসেবে সম্পূর্ণ করলাম" (মায়িদা: 3)... কি নিশ্চয়তার সাথে একটা উপসংহার, দাড়ি টানা, পূর্ণতা... পূর্ণতার পরেও আবার কি দরকার?... তিনি কি এতই অবিচারক, যে একবারও জনগণকে মনে করিয়ে দিলেন না পুরো ছয় হাজারের বেশি আয়াতে: এর পরেও যুগে যুগে নবীরা আসবে? যদি কোরআন পড়ে 1400 বছর ধরে মানুষের ধারণা হয়ে থাকে যে রাসুল (সা) এর পরে আর কোন নবী বা রাসুল আসবে না, তার মানে কি আল্লাহ মানুষের সাথে ইসলামে বিশ্বাসের অতি বড় একটা স্তম্ভের ব্যপরেই ঠিক মত কমিউনিকেইট করতে ব্যর্থ হয়েছেন? (নাউজুবিল্লাহ)। দু:খিত, কোন মুসলিম আল্লাহ সম্পর্কে এত বড় অপবাদ দিতে পারবে না... তাই ওদের যুক্তি কনভিনসিং লাগে না।


তবে হ্যা, শিক্ষক আসার আইডিয়াটা ভালই... হাদীসে (আবু দাঊদ: হাদীস নং 4770) 'শিক্ষক' এর কথা বলা হয়েছে, যারা এক একটা যুগে আসবে, এবং দ্বীনকে আগের অবস্থায় নিয়ে যাবে। শিক্ষক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে 'মুজাদ্দিদ' (নবী না, অর্থ্যাৎ এরা আল্লাহর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করেন না, কিন্তু জ্ঞানী। চিন্তাশীল।) শব্দটা। আর 'আগের অবস্থায় নিয়ে যাওয়া' বলতে আসলে 'সংস্কারের' আরবি প্রতিশব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে ইন্টারেস্টিং ব্যপার হচ্ছে 'সংস্কার' বলা হয়েছে। রেনোভেইট। রিনিউ বা রিবিল্ড না। একটা বিল্ডিং রেনোভেইট করার সময় চেষ্টা থাকে কাঠামোটা পুরোপুরি আগের মত রাখতে। কিন্তু যুগের উপযোগী ইট সিমেন্ট রং ব্যবহার করা হয়। একশ বছর আগে হয়তো এসিড বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষার জন্য কোন প্রিকশন দরকার ছিল না, পরিবর্তিত অবস্থায় এটা মনে রেখে, নতুন ব্যবস্থা করতে হবে। বুঝাতে পারছি?

'ছবি তোলার ব্যপারটা একেবারে নিষিদ্ধ হলেও'... কোথায় পেলেন ফতোয়া? 'একেবারে নিষিদ্ধ' পুরো নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রথমে কোরআন এবং তারপরে হাদীসের দিকে তাকাতে হয়। কোরআনে কোথায় নিষেধ আছে 'ছবি তোলা'র ব্যপারে, আমাকে দেখান। চ্যালেঞ্জ করলাম। হাদীসে কোথায় আছে ছবি তোলার ব্যপার, চ্যালেঞ্জ করলাম :)

ছবি তোলার ব্যপারটা একটা পরিবর্তিত অবস্থা। কারণ ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলার জন্য কোন গুণ বা অর্জিত জ্ঞান দরকার হয় না। শুধু বোতাম টিপলেই রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কাজ হয়ে যায়। কোন 'সৃষ্টিশীলতা' দরকার নেই। কিন্তু ছবি অাঁকার জন্য একজন 'স্রষ্টার' অনেকগুলো গুণই লাগে... ইনক্লুডিং সৃষ্টিশীলতা...

আপনি ব্যবহারিক দিক আর বিশ্বাসের দিকটা গুলিয়ে ফেলছেন। ব্যপার না, এরকম একজন বলেছিল সিংকে হাত ধুবে না কারণ তা বিদাত!

যাই হোক, পার্থক্যটা বুঝাই।

মুহাম্মদ (সা) 23 বছর ধরে ইসলাম প্রচার করেন। এই 23 বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিশ্বাসের কম্পোনেন্টটা: অর্থ্যাৎ আল্লাহ, রাসুল আর আখিরাত, এই তিনটা কনসেপ্টের একটুও অদল বদল হয় নি। একটুও না।

কিন্তু অন্যান্য দিক, ইনক্লুডিং নামায...

নামায ফরজ করা হয়েছে রাসুল ইসলাম প্রচার শুরু করার 11/12 বছর পরে, পর্দাপ্রথা ফরজ হয়েছে 15 বছর পরে। ব্যবহারিক নির্দেশ গুলো আস্তে আস্তে এসেছে। অভ্যস্ততার প্রশ্ন আছে। 23 বছর ধরে আস্তে আস্তে অভ্যস্ত করে এই দিকগুলো ইমপ্লিমেন্ট করা হয়েছে। কিন্তু বিশ্বাসের দিকটা পুরোই আলাদা, সংরক্ষিত ছিল বরাবর। এই ধারণার একটুও বিবর্তন হয় নি! রাসুল (সা) প্রথমদিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত বিশ্বাসের ব্যপারে যা বলেছেন, তা পুরোপুরি কনসিস্টেন্ট। একদম এক। তাই ব্যবহারিক দিক ফ্লেক্সিবিলিটি অনেক। ব্যবহারিক দিকে কোরআনের কিছু নির্দর্েশ অমান্য করলেও তাকে অমুসলিম বলা যাবে না। মিথ্যা বলা, মানুষকে গালি দেয়া, মানুষের পিছনে কথা বলা, অপমান করা, এগুলো সব কোরআনে [গাঢ়]নিষিদ্ধ[/গাঢ়] (সুরা হুজরাত: 11)। এই ভিত্তিতে (ব্যবহারিক দিকে গলদ থাকার ভিত্তিতে) মানুষকে অমুসলিম বলা হলে, এই ব্লগে অনেকেই অমুসলিম হয়ে যেত!

যাই হোক, নতুন নবুয়াতের দাবী ব্যপারটা কিন্তু একটা নতুন সমস্যা। এটা রাসুলের যুগে ছিল না। রাসুলের মৃত্যুর পরে মুসাইলিমা নামে একজন নিজেকে দাবী করেছে নবী হিসেবে এবং আবু বকর (রা) তাকে অমুসলিম ঘোষণা করেছিলেন। আবু বকর (রা) রাসুল (সা) এর নির্বাচিত খলিফা ছিলেন। নতুন উদ্ভাবিত একটা সমস্যা আমাদের চেয়ে জ্ঞানী কেউ কি করে সমাধান করেছিলেন, সেটা দেখার মাধ্যমেই সমাধানের আশা করা যায়, তাই তাঁর পন্থাটা অবলম্বনের চেষ্টা করা হচ্ছে মাত্র!
২০. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১:৫২
comment by: অতিথি বলেছেন: অজ্ঞতা মানা যায়, কিন্তু অজ্ঞতার সাথে যখন প্রচন্ড স্পধা মিশে তখন তা মানা কঠিন হয়ে যায়। অপ বাক বলেছেন, ইসলামের সব আইডিয়া নাকি ইহুদীদের থেকে ধার করা! কাদিয়ানীদের সবাই মুসলিম ভাবুক সমস্যা নাই, কিন্তু ব্লগের যারা অন্য সময় বড় বড় কথা বলে, আমি সত্যি ইসলাম বুঝছি হ্যান ত্যান, তাদের চামড়া কি করে এত মোটা হল, যে আল্লাহকে এত বড় অপবাদ দেয়ার পরেও তারা চুপ ছিল!!!!

আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সূরা বাকারার 130 - 133 আয়াতে। সবাইকে আরবিটা পড়ে নেয়ার আন্তরিক অনুরোধ করছি। আমি অনুবাদ দিচ্ছি এখানে শুধু 132 নম্বর আয়াতের:
'উপদেশ দিয়েছে ইবরাহীম তাঁর সন্তানদের এবং ইয়াকুবও, 'হে আমার সন্তানগণ, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্য এ দ্বীনকে মনোনীত করেছেন। কাজেই তোমরা মুসলমান না হয়ে কখনও মৃতু্যবরণ করো না।'

এর আগের আয়াত, 131 নম্বর আয়াতে ইবরাহীম (আ) সম্পর্কে আল্লাহ বলছেন:
'স্মরন কর, যখন তাকে তার প্রতিপালক বললেন, 'অনুগত হও।' সে বলল, 'আমি আমার প্রতিপালকের অনুগত হলাম।'

এখানে আমি অনুরোধ করছি আরবিটা পড়ে নেয়ার, কারণ 'অনুগত হওয়া'র আরবি ব্যবহার করা হয়েছে 'ইসলাম'!!! এবং ইসলামে শুধু মুহাম্মাদ (সা) এর অনুসারীরা মুসলিম না, বরং যে কোন যুগের 'অনুগত' রা মুসলিম। অপ বাক প্রচন্ড স্পর্ধায় যখন বললেন ইহুদী ধর্ম থেকেই ইসলামের সব কিছু 'ধার' করা, তখন তাকে অনুরোধ করব, 'ইহুদী' শব্দটার মূল শব্দ নিয়ে রিসার্চড তারই একটা পোস্ট আবার পড়ে নেয়ার জন্য। ইহুদী ধর্মের প্রত্যাবতকরা, মুসা (আ) বা মোজেস, কখনই তাকে 'ইহুদী' ধর্ম বলেনি, বলেছেন, 'আল্লাহর অনুগত' যাঁর আরবি হচ্ছে 'মুসলিম'!!! ইহুদী শব্দটা এসেছে একটা গোত্রের নাম থেকে!
২১. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:১৮
comment by: অতিথি বলেছেন: আলী প্রাণ-
কিছু না লিখেও মন্তব্য করেছেন, ধন্যবাদ।

শ্রাবনের সন্ধ্যা-
পোষ্ট পড়ে উপকৃত হলেন, মন শান্ত হলো, জেনে ভাল লাগলো। আরো পোষ্ট পাবেন ইনশাআল্লাহ। ধন্যবাদ আপনাকে।
২২. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১:১৮
comment by: অতিথি বলেছেন: অসাধারন সব কমেন্ট পড়েছে.... আমার আর বলার কিছুই রইলো না...
ইদানিং ব্লগের এত করুন অবস্থার মাঝে এরকম দু'একটা পোষ্ট পড়ার জন্য হলেও আসি...
ফজল ভাই লিখে যান.... সাড়া শব্দ নেই কেন?
২৩. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪৭
comment by: অতিথি বলেছেন: জনাব ফজিলতে ইলাহি সাহেব সর্বজনাব মাউদুদি সাহেব নবুয়তের পরিসমাপ্তি নামক একটা গ্রন্থ রচিয়াছেন- একজন একনিষ্ট শিবির কর্মি হিসেবে সেই গ্রন্থ নিশ্চিত আপনার পঠিত- সেখানে কিছু পড়িয়া জানাইবার বাসনা স্থিমিত করিতে পারিলাম না-
মুহাম্মদ 2 বার ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতিতে ঘোষনা দিয়াছিলেন- আমার পরে যদি কেউ নবি হয় তাহলে সে হবে উমর- ইহার তাৎপর্য্য ছিলো ইশ্বরের বাণী মুহাম্মদের পর উমরের শক্তিশালী স্কন্ধে পতিত হইতে পারে তবে তা হইবে না।
এবং অন্য এক যুদ্ধের সময় আলীকে মদিনার হেফাজতে রাখিয়া যাইবার কালে মুহাম্মদ বলিয়াছিলেন,, আমার পরে যদি কেউ নবী হইতো সেটা হইতো আলী, তবে তা হইবে না- ইহার তাৎপর্য্য উল্লেখ করিতে গিয়া মউদুদী সাহেব বলিয়াছেন- ইহা হারুনের সমতুল্য তবে হারুনকে নবীর মর্যাদা দেওয়া হইয়াছিলো এবং আলী শুধু হেফাজতের কার্যে নিয়োজিত থাকিবে, ইশ্বরের প্রতিবিধান তাহার বৃষস্কন্ধে পতিত হইবে না।
নবী এবং রসুল পদবি বা পদাধিকার বলে তাহারা সরাসরি ইশ্বরের প্রত্যাদেশ পাইয়া থাকেন, তাহাদের সহিত ইশ্বরের সরাসরি ডায়ালিংএ যোগাযোগ রক্ষিত হয়, ইশ্বরের বানী তাহাদের কাছে চলিয়া আসে সরাসরি,
তবে মুহাম্মদ বলিয়াছেন, মুহাম্মদের পর কাহারো উপর সজ্ঞানে, সজাগ অবস্থায় ইশ্বরের বানী পতিত হইবে না, বরং কেহ কেহ স্বপ্নে প্রত্যাদেশ পাইতেও পারে। ইহার রাস্তা খোলা আছে।
মুহাম্মদের পর নবী রসুল আসিবে না সেই অর্থে যে ইহারা ইশ্বরের প্রত্যাদেশ পাইবে না, কোনো ঐশী গায়েবী অনুপ্রেরণা তাহারা পাইবে না, তবে কেহ কেহ স্বপ্নে কিছু একটা পাইবে, তাহারা ইশ্বর দর্শনও করিতে পারে স্বপ্নে।
তবে মুহাম্মদের পর কতিপয় ধর্মগুরু আসিবে,
ইহাও মউদুদি সাহেবের রচিত গ্রন্থে থেকে সংকলিত।
তবে আমার সমস্যা হইলো আপনার ভাষার ব্যাবহার নিয়া, কেউ যদি রক্তপাত পছন্দ না করে তাহলে তাহার নবুয়তের রাস্তা বন্ধ হইয়া যায় এইরকম নির্বোধ বক্তব্য কেহ দিতে পারে এমন ধারনা আমার ছিলো না। আপনি যা করিয়াছেন তা নিছক কুৎসা রটনা, একজন মানুষের মানসিক সমস্যা, শাররীক দুর্বলতা নিয়া কটাক্ষ করিয়াছেন, অশিক্ষিত মুহাম্মদ যাহার স্বরণশক্তি ছিলো সীমিত, যাহার ঐশী বাণী দিনে রাতে বদল হইতো তাহার এই মানসিক সমস্যা সত্ত্বেও তাহাকে পয়গম্বর মানিতে আপনার সমস্যা হয় না- তাহার বিধানের জন্য জীবন দান করিতে আগ্রহী হইয়া যান অথচ অন্য একজনকে শাররীক এবং মানসিক দুর্বলতার জন্য কটাক্ষ করেন- ইহা ঠিক রূচি সম্মত নয়- মুহাম্মদের নির্বোধ উক্তি সংকলন করিলে প্রথমেই আসিবে চিকিৎসা সংক্রান্ত সংকলিত বুখারীর হাদিস সমুহ- ইহার পর মহাবিশ্বের সৃষ্টি সম্পর্কিত হাদিস গুলো সামনে আনা যায়- অজ্ঞ একজন মানুষ মনের খেয়ালে যা ইচ্ছা বলিয়া গিয়াছে তাহাকে নিয়া উচ্ছসিত হইয়া এখানে বেশ বড় পরিসরে পদ্যগদ্য রচনা করিতেছেন আপনি
যদিও আমার ধারনা আপনি মউদুদি সাহেবের বইটাও ঠিক মতো পড়েন নাই, পাঠক হিসেবে আপনি ফাঁকিবাজ শ্রেনীর- এবং কাদিয়ানী সাহেবের বক্তব্যও আপনি পড়েন নাই- পড়িলে দেখিতে পাইতেন কাদিয়ানী সাহেব নিজেকে ভাবগত অর্থে নবী বলিয়াছেন, কখনও দাবি করেন নাই টাহার উপর সরাসরি ওহী নাজিল হইয়াছে বা তাহার ভেতরে সজ্ঞানে ইশ্বরের অনুপ্রেরণা আসিয়াছে- তিনি মূলত শিক্ষক এবং ধর্মগুরু হিসেবে নিজেকে নবী আখ্যায়িত করিয়াছেন, যাহা সম্পুর্ন সুন্নাহ ও কোরান সম্মত।
যাহাই হোক কাদিয়ানী অনুসারিরা আহমাদিয়া হইলেও, সব আহমদিয়া কাদিয়ানীর অনুসারি নয়, লাহোর আহমাদিয়া মুভমেন্ট বলিয়া যে আন্দোলন চলিতেছে তাহারা কদিয়ানিকে নেতা দঃর্মগুরু মনে করিলেও তাহাকে নবী বলিয়া স্ব ীকার করে না- তাহাদের ক্ষেত্রে অমুসলিম চিহ্ন লাগানোর কার্যকরণ ব্যাখ্যা করিলে আরও ভালো হইতো- আহমদিয়া মাত্রই অমুসলিম ইহা প্রচার করা এবং মুসলিম মাত্রই সন্ত্রাসী ইহা প্রচার করার ভেতরে মূলগত কোনো পার্থক্য নেই।
অবশ্য ইন্টারনেট ঘেঁটে ইসলামি স্কলার হইয়া যাওয়া কিছু আমড়া কাঠের ঢেঁকির উজ্জিবনী বানি শুনিয়া জেহাদি জোশে উদ্্বুদ্ধ হইয়া আরও কিছু কুৎসা রচনা করিত পারেন। আপনার রচিত অন্য সকল আবর্জনার সহিত ইহাও কাল্পনিক জগতে জমা থাকিবে।
আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
২৪. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:০১
comment by: অতিথি বলেছেন: মেজাজটা খুব খারাপ হয়ে যাচ্ছিল। রাসেলের কমেন্ট দেখে একটু হলেও শান্তি পেলাম। প্রচলিত ধর্মের চমকপ্রদ অবৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার ঝুড়ি খুলে দিয়ে কেউ একজন আবার অজ্ঞতার স্পর্ধার সীমা নির্ধারণ করছে তখন দূ:খে চোখে অন্ধকার দেখি।

২৫. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১৮
comment by: অতিথি বলেছেন: একটা প্রশ্ন : ত্রিশ জন দাজ্জালের মধ্যে এ পর্যন্ত কতজন বের হয়েছে?

জানার জন্য জিজ্ঞাসা, অন্যভাবে নেয়ার অবকাশ নেই।
২৬. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:০৮
comment by: অতিথি বলেছেন: আর ত্রিশ জন দজ্জালের সবাই কি ম্লেচ্ছ মানে বিধমর্ী হবে না এর মধ্যে কি মুসলমানও থাকবে?
২৭. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:০৫
comment by: অপ বাক বলেছেন: ফজলে এলাহি আপনার লেখাটা চোখে পড়েছে আগেই তবে ঠিক বুঝতে পারছিলাম না আপনার সত্যপ্রকাশের নামে নীচতার শোভন কোনো উত্তর দেওয়া সম্ভব হবে কি না।
দেখুন মুহাম্মদের উপর যখন ওহি নাজেল হতো তার পর তারও শাররীক দুর্বলতা প্রকাশ পাওয়ার বিবরন পাওয়া যায়, এটাকে কেউ কেউ প্রকাশ করে থাকে মুহাম্মদের মৃর্গি রোগ ছিলো, অবমাননাকর আচরন কাউকেই সম্মানিত করে না, আর নবী রসূলের সংজ্ঞার জায়গা পরিস্কার না করেই আপনি যে রচনা লিখেছেন তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ তবে একটু খুঁজে দেখেন কোথায় গোলাম আহমদ দাবি করেছেন তার উপরে ওহি নাজেল হয়েছিলো?
আমি অবশ্য এমন কোনো দাবি দেখি নি, আর নবী রসুলের সংজ্ঞা নিয়ে একটা বিশ্লেষণ দিয়েন সেই সাথে, তবে একটু সমস্যা থেকেই যায়, হারুন আল্লাহ কতৃক নির্বাচিত কেউ ছিলেন না, বরং মুসা কতৃক নির্বাচিত নেতা হিসেবেই নবী পদবি পেয়েছে। তার উপরে ইশ্বরের বানী আসে নাই, জাগ্রত অবস্থায় কোনো অনুপ্রেরণাও আসে নাই। এটা তথাকথিত নবি রসুলের সংজ্ঞায় যায় না।
আস্ত মেয়ের অযথা কথা বলার স্বভাবের পরিবর্তন হবে না। আরও পরিশ্রম করতে হবে একটু যুক্তিযুক্ত কথা বলতে, তোতা পাখিবিদ্যা আসলে কাজে আসে না, শিক্ষার সাথে বিবেচনা আর সংশয় জন্ম নেয়, সংশয় জ্ঞানের জননি, তোতা পাখি শিক্ষা অনেক সফল রিপ্রোডাকশনের সক্ষমতা দিলেও প্রকৃত বিবেচনায় সারবস্তু খুঁজে পাওয়ার পারঙ্গমতা দেয় না।
তাই বিভিন্ন মানুষের উক্তি সংকলিত করে সেটাকে নিজের মতামত বলে চালিয়ে দিতে চায়। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যাবস্থার অদক্ষতার চরম উদাহরন।
২৮. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫০
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: হ
স্বভাবের পরিবর্তন অইবো না।
মন্তব্যে কোন যুক্তি নাই তয় বকবকানি আচে।
২৯. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:১১
comment by: অপ বাক বলেছেন: সুর বাংলা আমার বিতর্ক পোষ্টটা এখনও মন্তব্যপ্রত্যাশী, এসে ব্যাখ্যা দিয়ে গেলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের কাজ করতাম।
৩০. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:০৭
comment by: অতিথি বলেছেন: রাসেলের বিশাল মন্তব্য আলাদা একটা পোস্ট হিসেবে জন্মাইতে পারিতো।
যাই হোক, সে সহবৎ শিখানোর বাসনায় এসে যে সহবৎ দেখালো তাতে তার বোঝা যায় তার নিজেরই অনেক সহবৎ শেখা বাকী আছে।
৩১. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:১৫
comment by: অতিথি বলেছেন: আস্তমেয়ের প্রথম মন্তব্যে-
আমি সেগুলো তুলে ধরার জন্যই এই ধারাবাহিকতার সূত্রপাত করেছি, যাতে করে সাধারণ মুসলমানদেরকে সর্তক করতে পারি এই দাজ্জালীয় বিভ্রান্তি থেকে।

ঠিক বলেছেন, ওরা 'একটু আলাদা' হওয়ার জন্যই সারা জীবনের সাধনাকে কাজে লাগায়। ফলাফল ও তাই ফলে।

আর হাঁ, কাদিয়ানীদের উত্থানের নেপথ্য কিন্ত শেষ দিকটায় যা বলেছেন, তা থেকে ভিন্ন।

আস্তমেয়ের দ্্বিতীয় মন্তব্যে-
হাসিই পেল 'কাদীয়ানীরা আহলে হাদীস কি না' -এ প্রশ্নে। জবাব টা সুন্দর দিয়েছেন। আরো অনেককেই দেখি ইসলমা সম্পর্কে 'জ্ঞানের শূন্য ঘটি' নিয়ে বিরাট বাণী শোনাতে কোমর বেঁধে নেমে পড়ে; জানা লোকেরা যে হাসবে, সে ভাবনা টুকুও তাদের মধ্যে না দেখে আফসোস হয়।

অপবাকের জন্য মন্তব্য প্রসঙ্গে-
বিভ্রান্তিকর ব্যাপার এটাই যে, ইসলামের রায় বা ধারণাকে তিনি কাদিয়ানী বা ইয়াহূদীদের ধারণা দিয়ে খন্ডাতে চান, এটার যুক্তি কি আমার বুঝে আসে না। ইসলাম যেখানে পূর্নাঙ্গ জীবন ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছে এবং বাস্তবে তার অনুসরণ পদ্ধতিও দেখিয়ে দিয়ে গেছেন ইসলামের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সেখানে এ ধরনের 'অপ বাকের'(বাজে কথা/ধারনা) অবকাশই বা কোথায়?

আপনার বাদবাকী সুন্দর ও যুক্তিপূর্ণ এবং দলীল ভিত্তিক মন্তব্যের জন্য আল্লাহর নিকট প্রার্থনা- তিনি আপনাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।
৩২. ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:৩৮
comment by: অতিথি বলেছেন: ত্রিভূজ-
আপন ভুবন থেকে হাজার কিলোমিটা দূরে এখনো, তাই শুধু কবিতা লিখেই দিন কাটাই। ধন্যবাদ আপনাকে।

রাসেল(........)-
ব্লগে প্রথম এসেই আপনার মহান (?) পরিচয় পেয়ে গেছিলাম। মিথ্যা মিশিয়ে কারো বিরুদ্ধে দুর্নাম রটিয়ে কত মহা গল্পকার আপনি আর এর জন্য ঘৃণ্যতার কতটা নীচে নামতে পারেন, সেটাও চেনা, তাহলে কি দরকার ছিল এখানে নামের বিকৃতি করে আর পরিচয় দেয়ার কষ্টটুকু করার?

দ্্বিতীয় কথন হলো- মওদূদীর রচনা আর আপনার 'আক্ষরিক অর্থের নবী' থিওরীর সাথে গোলাম আহমাদকে মেলাতে পারছি না বলে দুঃখিত। এবং জেনে না থাকলে জেনে নেয়া জরুরী যে, কাদিয়ানীরা মুসলমানদেরকেই কাফের মনে করে। এটার জবাব কি আছে আপনার কাছে, ঘেঁটে ঘুঁটে দেখেন। এর বেশী আর বলার প্রয়োজন বোধ করছি না আপাততঃ।

'আবর্জনা' ফতোয়া দেন আপনারা নিজেরাই, আবার সেসবকে গিলেও খান। এই দুর্গতি কেন? কাউকে কাউকে তো দেখা যায়- যাকে বিশ্বাস করে না, যার বিরুদ্ধে নিয়োজিত করে সারা জীবন, সমস্ত কর্মকাণ্ড, অর্থকড়ি; দুর্ভাগ্যবশতঃ না কি বলবো আবার তারই কাছে চায় দোআ, মাগফেরাত, আত্মার শান্তি। কেউ বলতে গেলে তখন শুরু হয় 'ভাবগত ব্যাখ্যা'র মহড়া। এর জবাবেও হয়তো তেমন কোন 'ভাব'ই ছাড়বেন।

- মন্তব্য লিখে কষ্ট করার জন্য প্রথাগত ধন্যবাদ।

((আবারো বলছি যে, আমার উদ্দেশ্য গোলাম আহমাদের কুৎসা রটনা নয়, সে যে তার দাবীতে মিথ্যাবাদী শুধুমাত্র সেটা সাধারণ মুসলমানদেরকে জানানোর প্রয়াসের প্রথম ধাপ এই পোষ্ট। পরবর্তীগুলোতে আরো পরিস্কার হবে ইনশাআল্লাহ।))

বাকী বিল্লাহ-
আপনার নামটা অত্যন্ত চমৎকার। মেজাজ খারাপ করবেন না, যদি দু'চোখে কোন "আলো" দেখতে না পান, তবে আপন মনে 'অন্ধকার' দেখুন যতখুশী। আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
৩৩. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৫৯
comment by: অতিথি বলেছেন: মুহাম্মদ (সা) সম্পর্কে মানুষ একই অভিযোগ করবে কি করে? নবুয়াতের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁর মূল কথা, নীতির কোন অদল বদল হয় নি। দীর্ঘ 23 বছরে একটা কনসিসটেনসি আছে। পুরো কোরআন পড়লেও একটা চমৎকার ধারা পাওয়া যায়।
কাকে যেন মন্তব্য করতে দেখেছিলাম, যখন যেখানে যেমনটা প্রয়োজন, তেমন কথা বলে দেয়া, নীতি নির্ধারন করে দেয়া কঠিন কিছু না। এটা যারা করে, তাদের জীবনকে 23 বছর ধরে ফলো করার অনুরোধ করছি। 23 বছর ধরে অপরিবর্তনীয় থাকবে কি কারও নীতি? কারও কথা? সুর? একটুও পালটাবে না? গোলাম আহমেদের পালটিয়েছে, যেটা তার মিথ্যা নবুয়াতের দাবী করার একটা বড় প্রমান।
৩৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:২৩
comment by: অতিথি বলেছেন: হাইগ্যানী হাবা ব্যবিলন জন-
এ নিয়ে অনেকেই গবেষণামূলক গ্রন্থ লিখেছেন, তবে এখন হাতের কাছে নাই বলে সেসব থেকে উল্লেখ করতে পারলাম না। কিন্তু এটা নিশ্চিত যে ত্রিশজন শেষ হয়নি, কারণ, সবচেয়ে বড় দাজ্জাল তো আসবে কেয়ামত বা পৃথিবীর ধ্বংসের পূর্বে এবং তার মৃতু্য হবে ঈসা 'আলাইহিস সালামের হাতে। যেহেতু ঈসা 'আলাইহিস সালামেরও আগমন ঘটেনি, তাই নিশ্চিত করেই বলা যায় যে, ত্রিশ পূর্ণ হয়নি। পরে কখনো এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারলে পোষ্টে জানানোর চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। আপনাকে ধন্যবাদ।

সাজেদ-
দাজ্জালের পরিচয়, কর্মকাণ্ড এবং মিশন সম্পর্কে আগে জানতে চেষ্টা করুন, তাহলে আপনিই বুঝতে পারবেন তারা কি ম্লেচ্ছ থাকবে, না কি মুসলমানও থাকবে। ধন্যবাদ।

সুর বাংলা-
মন্তব্যের ব্যাপারে আসল ব্যাপার বুঝতে পেরেছেন তাহলে আপনাকে ধন্যবাদ।

আশার আলো-
মন্তব্যসমূহের কোথাও উঠে আসা সংজ্ঞাতেই বলি- আলাদা হতে চাইলে এমন কিছুর মনে হয় বাস্তবিকই প্রয়োজন ওনাদের। অতএব, কি আর করা, ধন্যবাদ আপনাকে।
৩৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৩৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাইয়া,
কেমন আছেন?

আপনি তো মাঝে মাঝে আমার ব্লগে মন্তব্য করেন ..আর আমি এখন তাও করার সময় পাই না।

ব্লগ এ লিখা লিখতে লিখতে ক্লান্ত

ভালো থাকবেন।
৩৬. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৩২
comment by: অতিথি বলেছেন: অপ বাক-
শেষ পর্যন্ত যখন দিয়েই দিলেন, সে জন্য ধন্যবাদ।

ভাবছি ব্যাপারটা কি ভুল করে লিখে ফেললেন, না কি সুকৌশলে। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনদিন মৃর্গি রোগের লক্ষণ ছিল বলে তার শত্রুরা দোষারোপ করেছে বলেও কোথাও শুনিনি বা দেখিনি। যদি উদ্ধৃতি দিতেন, জানতাম। তাছাড়া, গোলাম আহমাদের মত শত্রুদের কেনা [গাঢ়]কেউ কেউ[/গাঢ়]-এর তো আর অভাব নাই।

পক্ষান্তরে কাদিয়ানীদের পক্ষ থেকেই তাদের কথিত নবীর ব্যাপারে শুনুন ঃ [গাঢ়]মুরাক রোগটি আমাদের হযরতের বংশগত রোগ ছিল না; বরং উহা বহির্গত কারণে হয়েছিল। অর্থাৎ, গোলাম আহমদের পূর্বে তার পরিবারের আর কেহ এ রোগে আক্রান্ত হননি; বরং মস্তিষ্কের দুর্বলতার কারণে তিনিই প্রথম এ রোগে আক্রান্ত ও প্রভাবিত হন। (সূত্র- 'রিভিউ কাদিয়ান' নামক কাদিয়ানী পত্রিকা। আগষ্ট সংখ্যা, 1936 খৃঃ)[/গাঢ়]

এবার তার বংশধর অর্থাৎ, তার ছেলেও স্বীকারোক্তি করেছে যে, গোলামের কন্যা ও স্ত্রীও এ রোগে আক্রান্ত ছিল। স্বয়ং গোলাম আহমদ নিজে বলেছেন ঃ [গাঢ়]আমার স্ত্রী মুরাক বা হিষ্ট্রীয়া রোগে আক্রান্ত। ডাক্তারের পরামর্শমত কখনো কখনো সে আমার সাথে বেড়াতে বের হতো। (সূত্র- কাদিয়ানীদের পত্রিকা আল-হিকম এ গোলামের বর্ণনা, যা 1901 সালের 10ই আগষ্ট প্রকাশিত হয়।)[/গাঢ়]

অপ বাক, প্রিয় রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে লেখা আপনার ভ্রান্ত ইঙ্গিত প্রসঙ্গেই এই উদ্ধৃতিগুলো দিলাম; নয়তো এগুলো দেয়ার কোনই ইচ্ছে ছিল না।

==========

মোঃ সাকিব আল মাহমুদ-
ভাল আছি ভাইয়া, আপনি ভাল তো?
ব্যস্ত হলে কি করা, ব্লগ তো অপশনাল, তাই না? আমিও তো পারি না অনেক পছন্দের লেখকের ব্লগে গিয়ে মন্তব্য করতে। আন্তরিকতার জন্য অনেক ধন্যবাদ সাকিব।
৩৭. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৩৪
comment by: অতিথি বলেছেন: অপ বাক-
রয়ে গেছে, নবুয়তের সংজ্ঞা এবং গোলাম আহমদের ওহী দাবী প্রসঙ্গে যে কথা তুলেছিলেন, সেগুলো ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতের পোষ্টগুলোতে পেয়ে যাবেন।
৩৮. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৫৮
comment by: অতিথি বলেছেন: রাসেল (........) , আপনি যদি অমুসলিম হন, তা হলে আমার বলার কিছু নাই । আর যদি মুসলিম হন তা হলে অবশ্যই মুহাম্মদ (সা:) কে সন্মান উচিত ছিল। মনে রাখবেন আপনার এবং বাকী সাহেবের কথায় বিভ্রন্ত হবো না । কারন আপনারা কি বলতে চান তা আমরা বুঝি ।
ফজলে এলাহিকে অনেক ধন্যবাদ । অনেক কিছু জানলাম ।
৩৯. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:৫১
comment by: অতিথি বলেছেন: মীর্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী নিজেই তার শারীরিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার কথা তার রচিত মুল্যবান (!) ধর্মীয় পুস্তক সমুহে সাড়ম্বরে বর্ননা করে গেছেন।

তিনি তার 'সিরাতুল মাহদ'ী, খন্ড-1, 17 পৃষ্ঠায় নিজের হিস্ট্রিয়া থাকার কথা বলেছেন। অন্য আরেক স্থানে বলেছেন 'মস্তিস্ক বিকৃতি' (মৃগী) হিসেবে।

'আরবাঈন' এর পরিশিষ্ঠে 'আমি চির রোগী' শিরো নামে লিখেছেন-'সব সবময় মাথা ব্যাথা থাকে। মাথা ঘোরা, অনিদ্রা এবং খিচুনী ঘুরে ঘুরে আসে। অপর যে অসুখ আমার নেন্মদেশে আছে তা হচ্ছে ডায়াবেটিস। ...................শরীরে যে পরিমান দুর্বলতা এসে যায় তার সবই আমার আছে।'

গোলাম আহমদ কাদিয়ানী 1891 সালে নিজেকে মসীহ মউঊদ হওয়ার দাবী করেন। এ বছরের শুরুতে (চিঠিতে তারিখ আছে - 24 জানুয়ারী,1891 ) গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর এক অন্তরঙ্গ হাকীম সাহেব এক চিঠির উত্তরে তাকে 'মসীহ মউঊদ' হওয়ার দাবী যুক্তিযুক্ত বলে পরামর্শ দেন। ধারনা করা হয় হাকিম সাহেব 'গোলাম কাদিয়ানী' ও বৃটিশ সরকারের মধ্যে মধ্যস্থতা করতেন।

1901 সনে কাদিয়ানী সাহেব নবুয়তের দাবী করে বসেন। সমগ্র সময়েই তিনি বুটিশ সরকারের পূর্ন সমর্থন পান ও ওলামায়ে ইসলামগন তার বিরোধিতা করেন। এদের মধ্যে 'আহলে হাদিস' পত্রিকার সম্পাদক মাওলানা সানাউল্লাহ অমৃতসরী ছিলেন বিরোধিতা কারী হিসেবে অগ্রগন্য। (মাওলানা আকরম খাঁ আহলে হাদিস পত্রিকায় নিজের সাংবাদিকতা যুগের কাজ শুরু করেন)

গোলাম কাদিয়ানী 1907 সালে এক ইশতেহারে (তাবলীগের রিসালাত, 10ম খন্ড, পৃ-120) মাওলানা সানাউল্লাহ অমৃতসরী উদ্দেশ্য করে লিখেন-

"আমি যদি এরুপ মিথ্যাবাদী ও প্রতারক হয়ে থাকি, যে রুপ ভাবে আপনি আপনার কাগজে লিখে থাকেন, তবে আপনার জীবৎকালেই আমি ধ্বংস হয়ে যাব। .........আর যদি আমি মিথ্যাবাদি না হয়ে থাকি তবে আপনি সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে নির্ধারিত শাস্তি থেকে বাচতে পারবেন না।........কলেরা, প্লেগ আত্যাদি মারাত্মক অসুখগুলো আমার জীবদ্দশায় আপনার উপর পতিত না হয় , তবে আমি আল্লাহর প্রেরিত না।"

এ ইশতেহারের এক বছরের মাথায় 1908 সালের 25শে মে রাতে গোলাম কাদিয়ানীর ডায়রিয়া (মতান্তরে কলেরা) শুরু হয় এবং পরদিন 26শে মে সে মারা যায়। 1908 সালের 28শে মে কাদিয়ানে তার কবর হয়।

আর মাওলানা সানাউল্লাহ এর প্রায় 80 বছর পরে 1948 সালের 14ই মার্চে ইন্তেকাল করেন।
৪০. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:৫২
comment by: অতিথি বলেছেন: মীর্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী নিজেই তার শারীরিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার কথা তার রচিত মুল্যবান (!) ধর্মীয় পুস্তক সমুহে সাড়ম্বরে বর্ননা করে গেছেন।

তিনি তার 'সিরাতুল মাহদ'ী, খন্ড-1, 17 পৃষ্ঠায় নিজের হিস্ট্রিয়া থাকার কথা বলেছেন। অন্য আরেক স্থানে বলেছেন 'মস্তিস্ক বিকৃতি' (মৃগী) হিসেবে।

'আরবাঈন' এর পরিশিষ্ঠে 'আমি চির রোগী' শিরো নামে লিখেছেন-'সব সবময় মাথা ব্যাথা থাকে। মাথা ঘোরা, অনিদ্রা এবং খিচুনী ঘুরে ঘুরে আসে। অপর যে অসুখ আমার নেন্মদেশে আছে তা হচ্ছে ডায়াবেটিস। ...................শরীরে যে পরিমান দুর্বলতা এসে যায় তার সবই আমার আছে।'

গোলাম আহমদ কাদিয়ানী 1891 সালে নিজেকে মসীহ মউঊদ হওয়ার দাবী করেন। এ বছরের শুরুতে (চিঠিতে তারিখ আছে - 24 জানুয়ারী,1891 ) গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর এক অন্তরঙ্গ হাকীম সাহেব এক চিঠির উত্তরে তাকে 'মসীহ মউঊদ' হওয়ার দাবী যুক্তিযুক্ত বলে পরামর্শ দেন। ধারনা করা হয় হাকিম সাহেব 'গোলাম কাদিয়ানী' ও বৃটিশ সরকারের মধ্যে মধ্যস্থতা করতেন।

1901 সনে কাদিয়ানী সাহেব নবুয়তের দাবী করে বসেন। সমগ্র সময়েই তিনি বুটিশ সরকারের পূর্ন সমর্থন পান ও ওলামায়ে ইসলামগন তার বিরোধিতা করেন। এদের মধ্যে 'আহলে হাদিস' পত্রিকার সম্পাদক মাওলানা সানাউল্লাহ অমৃতসরী ছিলেন বিরোধিতা কারী হিসেবে অগ্রগন্য। (মাওলানা আকরম খাঁ আহলে হাদিস পত্রিকায় নিজের সাংবাদিকতা যুগের কাজ শুরু করেন)

গোলাম কাদিয়ানী 1907 সালে এক ইশতেহারে (তাবলীগের রিসালাত, 10ম খন্ড, পৃ-120) মাওলানা সানাউল্লাহ অমৃতসরী উদ্দেশ্য করে লিখেন-

"আমি যদি এরুপ মিথ্যাবাদী ও প্রতারক হয়ে থাকি, যে রুপ ভাবে আপনি আপনার কাগজে লিখে থাকেন, তবে আপনার জীবৎকালেই আমি ধ্বংস হয়ে যাব। .........আর যদি আমি মিথ্যাবাদি না হয়ে থাকি তবে আপনি সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে নির্ধারিত শাস্তি থেকে বাচতে পারবেন না।........কলেরা, প্লেগ আত্যাদি মারাত্মক অসুখগুলো আমার জীবদ্দশায় আপনার উপর পতিত না হয় , তবে আমি আল্লাহর প্রেরিত না।"

এ ইশতেহারের এক বছরের মাথায় 1908 সালের 25শে মে রাতে গোলাম কাদিয়ানীর ডায়রিয়া (মতান্তরে কলেরা) শুরু হয় এবং পরদিন 26শে মে সে মারা যায়। 1908 সালের 28শে মে কাদিয়ানে তার কবর হয়।

আর মাওলানা সানাউল্লাহ এর প্রায় 80 বছর পরে 1948 সালের 14ই মার্চে ইন্তেকাল করেন।
৪১. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১২:০৯
comment by: অতিথি বলেছেন: শেষ প্যারায় "80 বছর" এর স্থলে "40 বছর" হবে।

শেষে থেকে 4র্থ প্যারাটায় ইশতেহারটা মাওলানা সানাউল্লাহকে উদ্দেশ্য করে লিখেন গোলাম কাদিয়ানী।
৪২. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১:২৩
comment by: অতিথি বলেছেন: বেশীর ভাগ ধর্মপ্রচারকের মতো এও না হয় আরেক ভন্ড ছিলো ।
কি আসে যায় ?
৪৩. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৫১
comment by: অতিথি বলেছেন: মোঃ খায়রুল বাশার-
আপনাকে ধন্যবাদ। সত্যোপলব্ধিতে সচেতন হওয়াই বর্তমান সময়ের দাবী।

আশার আলো-
এমন বহু ব্যাপার আছে, যা আমি পর্যায়ক্রমে এখানে তুলে দেয়ার ইচ্ছে করেই এই ধারাবাহিতকা শুরু করলাম। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সহযোগীতার জন্য।

হাসান মোরশেদ-
তাই তো প্রস্তাব করেছিলাম মুসলিম নাম ব্যবহার না করেই পরিচয় দিন যে, আপনিও (শুধুমাত্র) 'আপনার ব্যবহৃত শব্দের' একজন নন।

 

 


অন্যদিগন্ত: ফজল
http://www.somewhereinblog.net/blog/Fazleblog
দৃষ্টির ছায়া
http://www.somewhereinblog.net/blog/dchayablog
ই-মেইলঃ sky_adress@yahoo.com
ভালবাসতে চাই মানুষকে, পৃথিবীকে, ভালবাসিও, কিন্তু যখনি দেখি অপচ্ছায়া ঢেকে ফেলছে আমার ভালবাসাকে, তখনি যেন নিজেকে আর...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ