আমার প্রিয় পোস্ট

জন্মোপার থেকে পৃথিবী হয়ে অনন্তে >>> ©www.fazleelahi.com

@ কাদিয়ানীরা সাম্রাজ্যবাদীদের তৈরী সাম্রাজ্য রক্ষার হাতিয়ার

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:৫৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজরা ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবসার নাম করে সুঁইয়ের মত প্রবেশ করেছিল, তারপর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তাদের বিস্তারিত থাবা গ্রাস করে নেয় ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ ভারতবর্ষকে; একথা কারুরই অজানা নয়। কিন্তু দখলদারীর শুরু থেকেই তারা বিভিন্নভাবে আক্রান্ত হচ্ছিল ভারতবাসীর, বিশেষ করে মুসলমানদের জন্মভূমি পুনরুদ্ধারের আকাংখার রোষাণলে, ঘৃণায়, বিপ্লবে, সংগ্রামে। মহাদেশের দূরত্বের ব্যবধানেও কি করে এবং কোন কৌশলে সাম্রাজ্য পরিচালনা করতে হয়, বৃটিশদের তা ভালভাবেই জানা ছিল। আর তাই তারা তাদের সাম্রাজ্যের অগ্রগতির পথে প্রধান বাধা মনে করলো মুসলমানদের জিহাদী চেতনাকে। চক্রান্ত হলো কি করে এটাকে নির্জীব করে দেয়া যায়।

এ চক্রান্তের ফলাফল দাঁড়ালো শতাব্দীর দু'জন মুরতাদ, মিথ্যাবাদীকে ক্রয়ের মাধ্যমে। তাদের একজন ছিল ইরানের বাহাউল্লাহ নামে পরিচিত মির্জা হুসাইন আলী আর দ্বিতীয় জন হলো ভারতের গোলাম আহমদ কাদিয়ানী। প্রথম ব্যক্তি তার চক্রান্তের স্বরূপ নিজেই উন্মোচন করে মুসলমানদের থেকে আলাদা হয়ে গেছে তার বোকামীসুলভ দুঃসাহসের কারণে। সে বলেই ফেলেছে যে, তার (ভ্রান্ত) কিতাব দ্বারা পবিত্র কুরআন রহিত হয়ে গেছে এবং সে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের শরীয়তের রহিতকারী; এর মাধ্যমে সে নিজেকে মুসলমানদের থেকে আলাদা করে নিয়েছে। কিন্তু অতি মাত্রার চালাকীর পথ বেছে নিয়েছে দ্বিতীয় ব্যক্তি। সে মুসলমানদেরকে পিছন থেকে আক্রমন করার ফন্দি করে তার প্রভূ বৃটিশ সরকারের চক্রান্তে। নিম্নে গোলাম ও তার অনুসারী কাদিয়ানী নেতাদের ভাষ্য থেকে কিছু দলীল দিয়া হলো, মুসলমানদেরকে তাদের এবং ইসলাম বিদ্বেষীদের ছড়ানো বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করাই এর মূল উদ্দেশ্য।

মাহমুদ আহমদ রচিত 'বারাকাতুল খেলাফত' নামক গ্রন্থের 65 পৃষ্ঠায় গোলাম আহমদের ছেলে, তার দ্বিতীয় খলিফা কর্তৃক ব্যক্ত স্বীকারোক্তিতে রয়েছেঃ কাদিয়ানী ধর্মসাম্রাজ্যবাদীদের ফসল ছাড়া অন্য কিছু নয়। সে আরো বলেছেঃ আমাদের উপর সাম্রাজ্যবাদীদের অনেক অবদান রয়েছে। আমরা পূর্ণ শান্তি ও আরামের সহিত আমাদের উদ্দেশ্য সাধন করছি এবং বিভিন্ন দেশে প্রচারের উদ্দেশ্যে আমরা যেতে পারছি। বৃটিশ সরকার এখানেও আমাদের সাহায্য করছে। এটা হলো আমাদের উপর তাদের পূর্ণ করুণা ও দয়া।

তৎকালীন বৃটিশ সাম্রাজ্য ভারতের সম্রাজ্ঞী রানীর সান্তনা, করুণা ও অনুগ্রহের বর্ণনা দিয়ে গোলাম আহমদ বলেনঃ আমি কাশফের মাধ্যমে ভারত সম্রাজ্ঞী মহান রাণীকে দেখতে পেলাম, তিনি আমাদের ঘরে আগমন করেছেন। তখন আমি আমার সঙ্গী-সাথীদের একজনকে বললাম যে, মহান রাণী তার পরিপূর্ণ স্নেহ-মমতা ও ভালবাসা দ্বারা আমাদেরকে সম্মানিত করেছেন। আর আমাদের ঘরে দু'দিন অবস্থান করেছেন। তাই আমাদের কর্তব্য হলো তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। (সূত্র- মঞ্জুর কাদিয়ানী লিখিত 'মুকাশিফাতে গোলাম' পৃ-17)

বৃটিশ সরকারের জন্য প্রাণ ও সম্পদ উৎসর্গ করার অঙ্গিকারে দৃঢ় প্রতীজ্ঞ গোলাম আহমদ তার গ্রন্থে লিখেনঃ আমাদের হিতাকাংখী সরকারের জন্য আমরা সকল প্রকার বিপদ সহ্য করছি এবং ভবিষ্যতেও করবো। কেননা, তার করুণা ও দয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের অবশ্য কর্তব্য। এতে কোন সন্দেহ নেই যে, বৃটিশ সরকারের জন্য আমরা আমাদের প্রাণ ও ধন-সম্পদ উৎসর্গ করবো। আর প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে উহার মর্যাদা ও উন্নতির জন্য আমরা সর্বদা প্রার্থনা করবো। (সূত্র- গোলাম আহমদের রচিত 'আরিয়া ধর্ম' পৃ- 79 ও 80)

বৃটিশ সরকারের পক্ষে কাদিয়ানী গুপ্তচরবৃত্তির সাক্ষ্য দিয়ে জনৈক কাদিয়ানী বলেনঃ আমি বৃটিশের গুপ্তচর হওয়ার অপবাদে কয়েকবার ধৃত হয়েছি। সে গর্বকরে আরো বলেঃ আমি রাশিয়াতে শুধু কাদিয়ানী ধর্ম প্রচারের জন্য গিয়েছিলাম। কিন্তু যেহেতু কাদিয়ানীদের স্বার্থ ও উদ্দেশ্য বৃটিশ সরকারের উদ্দেশ্যের সাথে জড়িত, তাই আমি বৃটিশ সরকারের সেবা করতে এবং আমার উপর তার অর্পিত কর্তব্য সম্পাদন করতে বাধ্য ছিলাম। (সূত্র- কাদিয়ানীদের মুবালি্লগ মুহাম্মদ আমীনের লিখিত এবং আল-ফজলুল কাদিয়ানী পত্রিকায় প্রচারিত, 28 শে সেপ্টেম্বর, 1923 খৃঃ)
(চলবে)

বিশেষ কৃতজ্ঞতাঃ শায়খ হাফেয এহসান এলাহী জহীর এবং মুহামমাদ রকীবুদ্দিন হোসাইন।

 

প্রকাশ করা হয়েছে:   বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬

 

১. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৪৫
রিনয় বলেছেন: অনেক কিছু জানার ও শিখার আছে..........................
২. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪২
অতিথি বলেছেন: রিনয়-
হাঁ, সেজন্যই তো লিখছি। আমাদের বিশ্বাসের, আমাদের চেতনার গোলায় এরা উইপোকা স্বরূপ। অজান্তেই নির্জীব করে দিতে পারে। তাই সতর্ক থাকা উচিত প্রতিটি মুসলমানেরই। ধন্যবাদ।
৩. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১:১৮
অতিথি বলেছেন: চমৎকার পোসট ।
তবে আরো কিছু সাম্রাজ্যবাদের দালালদের কথা বলতে পারেন ।

বলতে পারেন কিভাবে ইংরেজদের আনুকুল্যে মুসলিম লীগ গঠিত হলো, বঙ্গ ভঙ্গের সরকারী সিদ্ধান্ত সমর্থনের বিনিময়ে মুসলিমলীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব সলিমুল্লাহর লর্ডকার্জনের কাছ থেকে 14 লক্ষ টাকা ঘুষ খাওয়া , বিলেতি পণ্য বর্জন যখন চলছে তখন এই মুসলিম লীগ নেতার বিলেতী পণ্যের বাজার তৈরী করা, ইংরেজ শাসনের সপক্ষে মাওলানা মওদূদীর গলাবাজী....
এস ব নিয়েও কিছু বলুন ।

ধন্যবাদ আপনাকে ।
৪. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৫৩
অতিথি বলেছেন: হাসান মোরশেদ-
আপনার মন্তব্যে যদি কংগ্রেসের কথাও আসতো, তাহলে বুঝতাম যে, আপনি ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদী বিরোধীদের সাথে যাদের আঁতাত ছিল তাদের কথাই বলছেন। কিন্তু আপনার মন্তব্য পড়ে ভাবছি আপনার নাম টা কি যথার্থ? মুসলিমদের প্রতি এতই ঘৃণাবোধ থাকলে নামটাও পরিবর্তন করে আসল রূপেই বিরোধিতা করুন, সেটাতেই ভাল ফল দেবে।
আপনাকে ও ধন্যবাদ।
৫. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:১৫
অতিথি বলেছেন: কংগ্রেসের কথা আসবে কেনো! তারাতো নিখিল ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে।
৬. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:৫৭
অতিথি বলেছেন: [গোলাম কাদিয়ানী বিষয়ক [link|http://www.somewhereinblog.net/Fazalblog/post/18853|Av
৭. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১২:০৯
অতিথি বলেছেন: শেষ প্যারায় "80 বছর" এর স্থলে "40 বছর" হবে।

শেষে থেকে 4র্থ প্যারাটায় ইশতেহারটা মাওলানা সানাউল্লাহকে উদ্দেশ্য করে লিখেন গোলাম কাদিয়ানী।
৮. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১:০১
অতিথি বলেছেন: ভাই ফজলে এলাহী,
কংগ্রেসের বাল গঙ্গাধর তিলক একটা খচ্চর ছিল । সে চাইছিলো ভারতের বদলে হিন্দুস্থা ন ।দিলাম তারে গালি( ভাচর্ুয়াল) ।
এই বার তাইলে কংগ্রেসের বাকী নেতাগো সাথে আরো দুইজনরে দেই: একজন মওলানা আবুল কালাম আজাদ যে ব্যটা দিল্লীর ঈদের জামাতে ইমামতি করতো , আরেকজন খান আব্দুল গাফফার খান । গালি দেবার জন্য আরো খুঁজে বের করি আব্দুল রসুল চৌধুরী, আব্দুস সোভান, জালাল তায়েবজী । হারামজাদারা মুসলমান হইয়াও কংগ্রেস করতো কেমনে?

নাকি তাগোরো আমার মতো নামের সমস্যা ? তাগোরে ও মনে হয় সেই সময় আপনার মতো কেউ পরামর্শদিতেন মুসলমান নাম বদলায়ে ফেলার জন্য ।

কি করুম রে ভাই । নাম বদলাইয়া মুসলমান হইলেই কি আর রক্তের টান অস্বীকার করা যায়? দু' একশো বছর আগে ও যে পূর্বপুরুষ হিন্দু আছিল । তাও ব্রাম্মন না । নম:শুদ্্র ।
আপনাগো মতো খাঁটি আরব দেশের জিনিস যে না । তাই মাঝে মাঝে ভেজাল হইয়া যায় আর কি?
ব্যপার না । আপনাগো ইসলামী বিপ্লব আসলেই শুদ্ধিঅভিযান চলবে । তখন ঠিক হইলে ও হইতে পারি ।

৯. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:০২
অতিথি বলেছেন: আশার আলো,
পড়েছি গোলাম আহমেদ কাদিয়নীর মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা অন্য জায়গাতেও। কিন্তু আমার মনে হয়েছে, একজন বিশ্বাসী হয়তো সেটাকে আল্লাহর শাস্তি হিসেবে ধরে নিতে পারে, কিন্তু একজন অবিশ্বাসী ব্যপারটা পারবে না। সত্যি বলতে কি, তার ডিসক্রেডিট তো শুধু ওই অসুস্থতা ইনডিউসড ইমব্যালেনসড কথা না। প্রচুর তথ্য উপাত্ত আছে যেগুলো তার গুমর ফাঁকা করার জন্য যথেষ্ট। ওগুলোই সবার প্রথম সামনে আসা দরকার বলে আমার মনে হয়।
ধন্যবাদ।
১০. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:০৪
অতিথি বলেছেন: আস্তমেয়েঃ

গোলাম আহমদ কাদিয়ানি কিভাবে মৃত্যবরন করেছে সেটা আমার মন্বব্যের বিবেচ্য বিষয় ছিলো না। তার ইশতেহারটি, যেটা আমি মন্তব্যে লিখেছি সেটাই তার নবুয়তের দাবীর ভন্ডামি ফাস করে দেয় ।

১২. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:০৭
অতিথি বলেছেন: কাদিয়ানীরা জাউরা, অগো কুনু মাবোন নাই। অরা ইসলামের নামের কলঙ্ক। অগো রক্ত দিয়া গোসল করা হজ্জ্ব করার চাইতে বেশি সওয়াবের। হারামজাদারা ইসলামের বারোটা বাজাইয়া দিতাছে। লন অগো নারী-বৃদ্ধ-শিশু সব টিস্যু দিয়া ঢিসুম ঢাসুম কইরা মাইরা ফালাই।

যাজাকাল্লাহ খাইরুন।
১৩. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:১১
অতিথি বলেছেন: কইতে ভুইলা গেছি। ইহার নাম আমগো জিহাদ। বাঁচলে গাজী, মরলে শহীদ। তয় যারা এই জিহাদের লাইগা আমগোরে পাঁজি কয়, হেগো কথায় কান দিবেন না। হেরা সাম্রাজ্যবাদী।

আইসা পড়েন ভাইগণ, বোইনগণ। আমরা দলে দলে এই মহৎ কামে + না দিলে ইসলাম কিন্তুক মইরা ভূত হইয়া যাইবো। পরকালে কি কইবেন আল্লাহর কাছে?
আর এই জিহাদ কইরলে পরকালে বেহেস্ত। উহার নীচ দিয়া প্রস্রবণ প্রবাহিত হয়। যত ইচ্ছা হুরের লগে সঙ্গম করিতে পারিবেন, গেলমানেরা আপনার আদেশ পালন করিতে সদা প্রস্তুত থাকিবে। অতএব বীর, হও আগুয়ান।

যত সব বালছাল পোলাপান।
১৪. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
অতিথি বলেছেন: আহমদিয়া সম্পদ্রায়ের ওপর নির্যাতনের একটি নৃশংস ভিডিওচিত্র দেখছিলাম কয়েকদিন আগে। ভিডিওচিত্রের শুরুতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে প্রমানসহ যে কিসব মিথ্যা অপপ্রচার তাদের (আহমদিয়াদের) নামে রা হয়। আহমদিয়া বিরোধী আন্দোলনের দুই সিপাহসালার মাওলানা মমতাজী ও নুরানীর চরিত্র ও পরিস্কার হয়েছে সেখানে। টাকা পয়সার ভাগাভাগি নিয়ে ঐ দুটার কামড়াকামড়ির কাহিনীও কারো অজানা নাই। আলোচনা সেটা না। সাধারণ মুসলমানরা কিভাবে এত ফ্যানাটিক হয়ে ঝাপিয়ে পড়ে আহমদিয়া নারী-শিশুদের ওপর সেটাই ভাবতাম এতদিন। এইসব প্রতিক্রিয়াশীল কুত্তাচোদা পয়দা যদি এই ব্লগ পর্যন্ত পৌছতে পারে তাহলে কোথায় নাই এরা?

(উৎসর্গ, মাওলানা নূর আহমদ নূরানী)
১৫. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:২২
অতিথি বলেছেন: 71এ আমরাও ম্লেচ্ছগো সাথে মিশা আর একটু হইলেই কাদিয়ানি হইয়া যাইতাম। ভাগ্য ভাল রাজাকাররা আমাগো (বাঙালিগো) প্যাদানি দিয়া রক্ষা করার চেষ্টা করছিল।
১৬. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:২২
অতিথি বলেছেন: এটা কি কাদিয়ানী ভাবধারার বাচন ভঙ্গী!
১৭. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৭
অতিথি বলেছেন: আহমদিয়া রা এভাবে পারলেতো ভালই হতো। যেমন কুকুর তেমন মুগুরই হতো। পারেনা বলেই তো পড়ে পড়ে তোমাদের মার খায় রে বাইনচোৎ।
১৮. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৪১
অতিথি বলেছেন: চমৎকার ফজল ভাই... লিখে যান..
মন্তব্যগুলো পড়েও অনেক কিছু জানতে পারলাম...
ধন্যবাদ সবাইকে।
১৯. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৩৭
অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ ফজলে এলাহি
জানতাম কাদিয়ানীরা অমুসলিম এছাড়া ওদের সম্পর্কে কোন আগ্রহ ছিলনা।কিন্তু এখানে এসে আশ্চর্য্য হয়ে দেখলাম অমুসলিমদের মুসলিম (!)বানানোর কিছু ব্যর্থ প্রচেষ্টা।এখন খুবই আগ্রহ করে কাদিয়ানীদের সত্যিকারের ইতিহাস সম্বলিত একটি বই পড়ছি এবং অনেক কিছুই জানতে পারছি।আপনার লেখাও আমাকে জানতে সাহায্য করছে।
২০. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:৪৫
অতিথি বলেছেন: দারূণ পোস্ট । লিখে যান । এই হাত থেমে থাকা অনর্থক ।
২১. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৭
ষড়ভূজ বলেছেন: পরে খুব ভালো লাগল। আজকাল তো এখানকার প্রগতিশীল দের গালাগালির চোটে ব্লগে তেমন আসিইনা। লিখে যান।
২২. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:১০
অতিথি বলেছেন: ও বাবা! আপনি আবার গালাগালির চোটে ভেসে যান? যাবেন না। আসবেন নিয়মিত। ত্রিভুজ আবার রেগুলার, আপনি ষড়ভূজ, না থাকলে চলবো কেমনে?

ফজল ভাই ভালোই লিকেচেন, আর আপনি ভালোই পরেছেন।
২৩. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৭:৩০
অতিথি বলেছেন: আমি একজন ফ্লাডার

 

মোট সময় লেগেছে ০.১১৬০ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
অন্যদিগন্ত: www.bishorgo.com
ভালবাসতে চাই মানুষকে, পৃথিবীকে, ভালবাসিও, কিন্তু যখনি দেখি অপচ্ছায়া ঢেকে ফেলছে আমার ভালবাসাকে, তখনি যেন নিজেকে আর খুঁজে পাই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ