=গল্প লেখার অপচেষ্টা (এটি নাম নয়, শেষ করতে পারলে পরে এডিট করে দেব)
নায়না, অগ্রাণের ধানকাটা জমির আলে আলে চলতে গিয়ে যেদিন ঘেষো ফুল কুড়িয়েছিল দু'জনায়, সেদিন নাবিল অনুভব করেছিল তার বন্ধুত্ব। ছোট চাচার তিন মেয়ের মাঝে নায়না যেন অবয়বে ছিল নাবিলের কাছাকাছি, তাই স্বজন-প্রতিবেশীরা প্রায়শঃই দু'জনের বিয়ে ঠিক করে দিত। লাজুক নাবিল লুকোতো কপাটের পাল্লায়, আর নায়না মুখ নিচু করে থাকতো সারাটি শৈশবে। যাদের সাথে রাগ দেখানো যেত, তাদের কেউ নায়নার সাথে নাবিলের বিয়ের ঘটক সাজতে চাইলে নাবিল সাধ্যানুযায়ী মগের পানি ফেলে ঘর ভিজিয়ে, বাসন-কোসন অথবা দরজা-জানালা পিটিয়ে প্রতিবাদ করতো। সে ছিল লজ্জার কিছু বহিঃপ্রকাশ, কিন্তু মন থেকে নায়নার প্রতি নাবিলের স্নেহের প্রকাশে কোন ঘাটতি ছিল না।
বুকের ভেতর পাথরটি আবারো টগবগিয়ে উঠে, এ যন্ত্রণা যেন নাবিল নিজ থেকে যুক্ত করে নিয়েছে নিজের বুকের সাথে অথবা যোগ করে দিয়েছেন অন্তর্যামী। নাবিল আজো সিদ্ধান্তের সীমানা মাড়াতে পারেনি- কেন সে ব্যথিত হয় নায়নার জন্য, এ কি দায়িত্ববোধ না কি চেতনার অগোচরে সুপ্ত মনের ভালবাসা? এ কি স্বজনের প্রতি দরদ, না কি প্রিয় কিছু মুহূর্তের সঞ্চিত অনুরণন?
নাবিল জানে না সে উত্তর, বুকের ভেতর কেবলি নায়নার নাম লেখা কষ্ট-পাথরটি টগবগিয়ে উঠে, আঘাত করে হৃদয়ে, রক্ত ক্ষরণ হয়, সে রক্ত ক্রমশ নীল থেকে কালোয় রঙ বদলায়, হৃদয় যন্ত্রটি শুষে নিয়ে খেয়ে ফেলে সবটুকু রক্ত....কষ্ট....এবং শোধন করে ফিরিয়ে দেয় বিশুদ্ধ লোহিত কণা। এভাবেই বেদনা খেয়ে-পরে কাটছে নাবিলের আহত দিনকাল।
অথচ স্কুল-কালের শ্রেণীকক্ষের দুয়ার ধরে দাঁড়ানো নায়নাকে সে আজো দেখতে পায় সুস্পষ্ট, যদিও সহপাঠিনীদের হৃদয়ের টানই বেশী অনুভব করত নাবিল। ধমকি দিয়ে নায়নার অবয়বে এক ঝটকা কালি লেপ্টে দিত বন্ধুদের 'বউ এলো রে...' জাতীয় চোখটেপা শব্দাবলী শুনে, অথচ চলে যাবার পর নায়নার জন্য খুব মায়া হত......কখনো কখনো অশ্রু মুছতো নায়না.......নায়না........নায়না; একটা শূন্যতা দেখা দিত মননে তখন।
নাবিলেরা গ্রাম ছেড়েছিল যেদিন পৈতৃক বাড়ীতে লোকের অভাব দেখা দিল। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য যেন পুরুষেরা দূরের কোন শহরের চাকুরে হবে, মাঝে মাঝে পত্র দিবে, মাঝে মাঝে প্রিয়জনের টানে বাড়ী আসবে, আবার বৈদেশে ফিরে যাবে, আবারো দূরত্বের টানাপোড়নে ভেজা তোয়ালের মত মন থেকে নিংড়ে নিবে ভালবাসার কষ্টগুলো।
যেদিন শহুরে জীবনে পাড়ি জমাবে তার ঠিক আগের দিনের স্বল্পজমা সান্ধ্য-আঁধারে নায়নাকে নিয়ে ফিরছিল নাবিল। বায়নার কাছে হার মেনেই রাযী হতে বাধ্য হয়েছিল অমন লাজুক ছেলে, নয়ত তার লাজুক মনে সেদিন লাল আভা ছড়িয়ে পড়ার পরিবর্তে যেন রক্তই ঝরছিল এই ভেবে যে, নায়নার নানাবাড়ী থেকে ফেরার পথে যে স্কুল ঘিরে গড়ে উঠা গ্রাম্য বাজার, রাস্তার কোণের দোকান আর হাজার পরিচিত মুখের অর্থবহ হাসি.....কোন কোন মুখ থেকে ফসকে বেরিয়ে আসা দুনিয়ার সবচেয়ে লজ্জাকর শব্দটি যেন- 'হুম...বউয়ের সাথে ভাবখানা তো ঠিকই আছে, আমরা বললে দোষ....'। আহা! বেচারী নায়না সেদিন যেন দৌড়ে ফিরলো নাবিলের পিছু পিছু, নাবিল যেন পালিয়ে বেড়াচ্ছে মুক্তি পেতে আর নায়না যেন খুঁজে ফিরছে হৃদয়ের স্পর্শ দিতে.......এভাবেই পৌঁছুলো ওরা দীর্ঘ বিচ্ছেদের পূর্ব সাঁঝ।
১৩.০৪.২০০৮
(অসমাপ্ত)
ছবিটি নিলাম যেখান থেকে: Click This Link
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৃঙ্খল মুক্তি আমার
শৃঙ্খল মুক্তি আমার

ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।