somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের আপনারা প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছেন কেনো ??

২৯ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

( নিচের পোষ্ট এ সার্টিফিকেট বিক্রি করা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকে মোটেও সহানুভুতি জানানো হয় নাই, কারণ তাদের পাপের ফল বয়ে বেড়ায় অসংখ্য পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক ভালো মানের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েরা, আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইবোনেরা আপনাদের জন্যে একদম শেষের লাইনগুলো। )


গত কিছুদিন যাবৎ ব্লগ সহ বিভিন্ন জায়গায় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যাল্যের ভ্যাট থাকা উচিৎ কি উচিৎ না, তাই নিয়ে ব্যাপক আলাপ হচ্ছে। অনেক ব্লগার এবং সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গের কথা শুনে মনে হচ্ছে, এটা আলাপ করার কোনো বিষয় ই না। ক্ষত্রীয়দের নিয়ে আবার আলাপ কি ? আমি তাদের সাথে কিছুটা ভিন্নমত পোষন করছি।

প্রথমেই বলে নেয়া উচিৎ, শিক্ষা কোনো পণ্য নয়। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয়ের ওপর ভ্যাট বা কর বসানো আদৌ শুভ উদ্যোগ নয়। আজ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেবল মাত্র ধনীরাই পড়াশনা করে এই অযুহাত দেখিয়ে ভ্যাট বসানো হয়েছে, কাল সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার সরকার আর বইতে পারছেনা অযুহাতে যদি সকল ভর্তুকি বাতিল করা হয় তখন বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কি হাল হতে পারে কেউ কি একবার ভেবেছেন ?

আমি নিঃসঙ্কোচিত্ত্বে স্বীকার করে নিচ্ছি যে বাংলাদেশের বেশির ভাগ মেধাবী ছাত্র সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়াশোনা করছে। তাদের ভাগ্য খুবই ভালো যে পড়াশনা করার জন্যে অন্তত পরিবারের ওপর কোনো চাপ তাদের দিতে হচ্ছে না। ভালো।

এবার কিছু হিসাব নিকাশে আসি। এ বছরই জিপিএ ৫.০০ পেয়েছে কমকরে হলেও ২৯০০০ ছেলেমেয়ে। আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা কত ?? শুধু যে ২৯০০০ জিপিএ ৫.০০ পাওয়া ছেলেমেয়েরাই মেধাবী, তা তো নয়। ৪.৯৪ বা ৪.৮৮ পাওয়া ছেলে মেয়ের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। এদের সকলের জায়গা কি হবে সরকারী বিশ্ববিদ্যাল্য গুলোতে ??

কেনো এ হিসাব দিলাম ??

কারণ আছে। দুই দিন আগেও ন্যাশনাল ভার্সিটির অবস্থা নিয়ে একটা পোষ্ট দিয়েছি। এমতাবস্থায় অনেক অভিভাবক ই চান না তার সন্তান ন্যাশনাল ভার্সিটির অন্তর্ভুক্ত কোনো কলেজে পড়ুক। তাই জিপিএ ৫.০০ পাওয়া অনেক ছেলেমেয়ে ই বাধ্য হয় বেসরকরী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পাওয়ার কারণে কি এই ছেলেমেয়েগুলো মেধাহীন হয়ে গেলো, অথবা তারা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে বলেই তারা মেধাহীন হয়ে গেলো ???

কি জানি আপনাদের কাছে মেধার সংজ্ঞা কি ??? এস.এস.সি , এইচ.এস.সি তে জিপিএ ৫.০০ পাওয়ার পরেও কোটাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হতে পারা ছেলেমেয়েগুলো কি আপনাদের কাছে মেধাহীন ??????? হতে পারে। আবার নাও হতে পারে।

অনেকে প্রশ্ন করেছেন, ভ্যাট ত মালিকের ওপর বসান হয়েছে, ছাত্ররা ফুসছে কেনো ??? কারণ জনাব, আপনি যখন মিষ্টি কিনতে যান, মিষ্টির ওপর বসান ভ্যাটটা কিন্তু দোকানদার দেন না, আপনি মিষ্টির দামের সাথে দিয়ে আসেন। তেমনি, অনেক ধনী পরিবারের সন্তানের পাশাপাশি যে সকল গরীব ঘরের ছেলেমেয়েরা পড়ছে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ( যারা আপনাদের মত মেধাবী নয়, বা সৌভাগ্য যাদের হাতে এসে ধরা দেয় নি ) তাদের জন্যে বাড়তি এই ভ্যাটটা সত্যি ছিলো বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতই।

আপনারা বারবার দাবী করে আসছেন, আপনারা মহান, কই ?? আপনাদের মনোভাবে তার প্রকাশ তো দেখি না। ধরে নিলাম, বাংলাদেশে কেবল মাত্র সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়াশোনা করানো হয়, আর বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেবল মাত্র ছেলেমেয়েরা যাওয়া আসা করে। তা, পড়াশোনা করা মানুষরা কি তাদের চেয়ে নিচুদের ফারমের মুরগী বলে সম্বোধন করে ??

আমার মনে হয়, সরকারী আর বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বন্ধুদের একে অপরের প্রতিপক্ষ বানাচ্ছে মিডিয়াগুলো। সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৫ টাকা করা হলে ছাত্ররা যখন রাস্তায় নেমে ভাংচুর করেছে, সেটাকে মিডিয়াতে দেখানো হয়েছে ছাত্রদের ন্যায্য দাবী আদায়ের আন্দোলন হিসেবে, ( সম্প্রতি, চিটাগাং এর ঘটনা দেখেন ) অথচ ঐ একই দাবীতে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা রাস্তায় নামলে তাদেরকে ভাংচুর পরিহার করে ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহবান জানায় সরকার সহ মিডিয়ার লোকজন। এভাবে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আলাদা করা হয় ছাত্রসমাজ থেকে, যা মিডিয়ায় কাম্য নয়। এমনকি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের খবর ও প্রচার করা হয় তাচ্ছিল্য নিয়ে।

আর প্রাইভেটের ছাত্রছাত্রীরা আপনারা অভিন্ন গ্রেডের জন্যে আন্দোলন করেছেন কি ?? অথবা নিয়মিত রিসার্চ করার জন্যে আপনাদের শিক্ষকদের কে বাধ্য করছেন কি ???
অথবা অবৈধ ছাত্রভর্তি বন্ধে আপনাদেরকে মাঠে পাওয়া যাবে কি ??
( নিচের পোষ্ট এ সার্টিফিকেট বিক্রি করা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকে মোটেও সহানুভুতি জানানো হয় নাই, কারণ তাদের পাপের ফল বয়ে বেড়ায় অসংখ্য পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক ভালো মানের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েরা, আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইবোনেরা আপনাদের জন্যে একদম শেষের লাইনগুলো। )


গত কিছুদিন যাবৎ ব্লগ সহ বিভিন্ন জায়গায় বেসরকারী বিশ্ববিদ্যাল্যের ভ্যাট থাকা উচিৎ কি উচিৎ না, তাই নিয়ে ব্যাপক আলাপ হচ্ছে। অনেক ব্লগার এবং সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গের কথা শুনে মনে হচ্ছে, এটা আলাপ করার কোনো বিষয় ই না। ক্ষত্রীয়দের নিয়ে আবার আলাপ কি ? আমি তাদের সাথে কিছুটা ভিন্নমত পোষন করছি।

প্রথমেই বলে নেয়া উচিৎ, শিক্ষা কোনো পণ্য নয়। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয়ের ওপর ভ্যাট বা কর বসানো আদৌ শুভ উদ্যোগ নয়। আজ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেবল মাত্র ধনীরাই পড়াশনা করে এই অযুহাত দেখিয়ে ভ্যাট বসানো হয়েছে, কাল সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার সরকার আর বইতে পারছেনা অযুহাতে যদি সকল ভর্তুকি বাতিল করা হয় তখন বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কি হাল হতে পারে কেউ কি একবার ভেবেছেন ?

আমি নিঃসঙ্কোচিত্ত্বে স্বীকার করে নিচ্ছি যে বাংলাদেশের বেশির ভাগ মেধাবী ছাত্র সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়াশোনা করছে। তাদের ভাগ্য খুবই ভালো যে পড়াশনা করার জন্যে অন্তত পরিবারের ওপর কোনো চাপ তাদের দিতে হচ্ছে না। ভালো।

এবার কিছু হিসাব নিকাশে আসি। এ বছরই জিপিএ ৫.০০ পেয়েছে কমকরে হলেও ২৯০০০ ছেলেমেয়ে। আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা কত ?? শুধু যে ২৯০০০ জিপিএ ৫.০০ পাওয়া ছেলেমেয়েরাই মেধাবী, তা তো নয়। ৪.৯৪ বা ৪.৮৮ পাওয়া ছেলে মেয়ের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। এদের সকলের জায়গা কি হবে সরকারী বিশ্ববিদ্যাল্য গুলোতে ??

কেনো এ হিসাব দিলাম ??

কারণ আছে। দুই দিন আগেও ন্যাশনাল ভার্সিটির অবস্থা নিয়ে একটা পোষ্ট দিয়েছি। এমতাবস্থায় অনেক অভিভাবক ই চান না তার সন্তান ন্যাশনাল ভার্সিটির অন্তর্ভুক্ত কোনো কলেজে পড়ুক। তাই জিপিএ ৫.০০ পাওয়া অনেক ছেলেমেয়ে ই বাধ্য হয় বেসরকরী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পাওয়ার কারণে কি এই ছেলেমেয়েগুলো মেধাহীন হয়ে গেলো, অথবা তারা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে বলেই তারা মেধাহীন হয়ে গেলো ???

কি জানি আপনাদের কাছে মেধার সংজ্ঞা কি ??? এস.এস.সি , এইচ.এস.সি তে জিপিএ ৫.০০ পাওয়ার পরেও কোটাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হতে পারা ছেলেমেয়েগুলো কি আপনাদের কাছে মেধাহীন ??????? হতে পারে। আবার নাও হতে পারে।

অনেকে প্রশ্ন করেছেন, ভ্যাট ত মালিকের ওপর বসান হয়েছে, ছাত্ররা ফুসছে কেনো ??? কারণ জনাব, আপনি যখন মিষ্টি কিনতে যান, মিষ্টির ওপর বসান ভ্যাটটা কিন্তু দোকানদার দেন না, আপনি মিষ্টির দামের সাথে দিয়ে আসেন। তেমনি, অনেক ধনী পরিবারের সন্তানের পাশাপাশি যে সকল গরীব ঘরের ছেলেমেয়েরা পড়ছে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ( যারা আপনাদের মত মেধাবী নয়, বা সৌভাগ্য যাদের হাতে এসে ধরা দেয় নি ) তাদের জন্যে বাড়তি এই ভ্যাটটা সত্যি ছিলো বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতই।

আপনারা বারবার দাবী করে আসছেন, আপনারা মহান, কই ?? আপনাদের মনোভাবে তার প্রকাশ তো দেখি না। ধরে নিলাম, বাংলাদেশে কেবল মাত্র সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়াশোনা করানো হয়, আর বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেবল মাত্র ছেলেমেয়েরা যাওয়া আসা করে। তা, পড়াশোনা করা মানুষরা কি তাদের চেয়ে নিচুদের ফারমের মুরগী বলে সম্বোধন করে ??

আমার মনে হয়, সরকারী আর বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বন্ধুদের একে অপরের প্রতিপক্ষ বানাচ্ছে মিডিয়াগুলো। সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৫ টাকা করা হলে ছাত্ররা যখন রাস্তায় নেমে ভাংচুর করেছে, সেটাকে মিডিয়াতে দেখানো হয়েছে ছাত্রদের ন্যায্য দাবী আদায়ের আন্দোলন হিসেবে, ( সম্প্রতি, চিটাগাং এর ঘটনা দেখেন ) অথচ ঐ একই দাবীতে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা রাস্তায় নামলে তাদেরকে ভাংচুর পরিহার করে ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহবান জানায় সরকার সহ মিডিয়ার লোকজন। এভাবে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আলাদা করা হয় ছাত্রসমাজ থেকে, যা মিডিয়ায় কাম্য নয়। এমনকি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের খবর ও প্রচার করা হয় তাচ্ছিল্য নিয়ে।

আর প্রাইভেটের ছাত্রছাত্রীরা আপনারা অভিন্ন গ্রেডের জন্যে আন্দোলন করেছেন কি ?? অথবা নিয়মিত রিসার্চ করার জন্যে আপনাদের শিক্ষকদের কে বাধ্য করছেন কি ???
অথবা অবৈধ ছাত্রভর্তি বন্ধে আপনাদেরকে মাঠে পাওয়া যাবে কি ??
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৩১
১৭টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ক্রাউড ফান্ডিং-এর সুযোগ তৈরি করে সরকারী লাভজনক প্রজেক্টে জনগণের বিনিয়োগ নিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৩১

বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত, তা বুঝা যাচ্ছে। নাহলে, খোদ প্রধানমন্ত্রী দেশে বিনিয়োগ নিয়ে আসতে জনগণকে অনুরোধ করতেন না। আমার মন হয়, দেশের মানুষের কাছেই অনেক সম্পদ আছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×