somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

!! জোকস ১২ !!!

২৬ শে জুলাই, ২০১১ সকাল ৯:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



জোকস কমন পড়লে ও পড়তে পারে......................।



৬৪। তখন কেনো বললো না!

আরাফাতের সঙ্গে মুকিতের দেখা হতেই মুকিত জিজ্ঞেস করলো, ‘আচ্ছা, তোকে যে টিয়েটা পাঠিয়েছিলাম, সেটা কেমন লেগেছে রে?’ আরাফাত পেটে হাত বুলোতে বুলোতে বললো, ‘উফ্, খেতে যা খাসা ছিলো না! আর তা শুনে তো মুকিত একেবারে রেগে কাঁই! ও দেড় হাজার টাকা দিয়ে ওই টিয়েটা কিনেছিলো। যে সে টিয়ে নাকি সেটা! পাক্কা সাত-সাতটা ভাষায় কথা বলতে পারতো পাখিটা। আর সেটা কিনা আরাফাত কপাত করে খেয়ে ফেললো! শুনে আরাফাত গোবেচারার মতো মুখ করে বললো, ‘আরে, ওটা যদি সাতটা ভাষাই জানতো, তবে কি আর ওটা ওভেনে ঢোকানোর সময় কিছু বলতো না!’

৬৫।চিড়িয়াখানায় কী দরকার?

এক চিড়িয়াখানায় এক শিশু উট তার মাকে জিজ্ঞেস করছিলো,
‘আচ্ছা মা, আমাদের পিঠে এই কুঁজটা কি জন্যে?’
‘আমরা যখন মরুভূমিতে থাকি, তখন তো অনেক দিন আমরা পানি বা অন্য কিছু খেতে পাই না। সেই সময়ের জন্য কুঁজে পানি আর ফ্যাট জমা থাকে।’
‘আর আমাদের পায়ে যে খুর সেটা কেনো?’
‘খুর না থাকলে যে মরুভূমিতে আমাদের পা বালুতে ডুবে যেতো বাছা।’
এবারে কয়েক মুহুর্ত চিন্তা করে বাচ্চা উটটি বললো, ‘আচ্ছা, আমরা তো এখানে চিড়িয়াখানাতে আছি। এখানে তো খাবার-পানিরও অভাব নেই, বালুরও বালাই নেই। তাহলে এখানে আমাদের এই কুঁজ আর খুরের দরকারটা কী?’

৬৬।ডাঙা কোন দিকে?

মেঘনার বুকে একটা লঞ্চ যাচ্ছিলো। হঠাৎ খুব ঝড় উঠলে এক যাত্রী সারেংকে অর্থাৎ যে লঞ্চ চালায় তাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো, ‘কাছাকাছি ডাঙা কতো দূরে?’
‘এই ৪-৫ মাইল।’
‘সে কী, এতোদূর? তা ডানে না বাঁয়ে?’
সারেং হাত দিয়ে নিচের দিক দেখিয়ে দিলো।

৬৭।তুমি বাদাম খাও?

বারান্দার রকিং চেয়ারে বসে দোল খেতে খেতে খবরের কাগজ পড়ছিলেন বুড়ো দাদু। আর তার নাতি সারা বাড়িময় দৌড়ে বেড়াচ্ছিলো। হঠাৎ দাদুর কাছে এসে নাতি জিজ্ঞেস করলো, ‘দাদু, তোমার তো দাঁত নেই, তা তুমি কি বাদাম খেতে পারো?’ নাতির মাথায় হাত বুলোতে বুলোতে দাদু বললো, ‘নারে! নকল দাঁত দিয়ে কি আর বাদাম খাওয়া যায়! বাদামগুলো সব তুমিই খেয়ে নাও।’ তখন নাতি খুশি হয়ে বললো, ‘আরে না না, তা নয়। এই বাদামগুলো পকেটে নিয়ে ঠিকমতো খেলতেই পারছি না। কারো কাছে রাখলে তো সে টুকটুক করে ঠিক কয়েকটা বাদাম খেয়ে নেবে। তাই তুমি-ই রাখো। তুমি তো আর বাদামগুলো খেতে পারবে না!’

৬৮।মিথ্যে কথা বলতে নেই!

রত্না খুব শখ করে একটা টিয়ে পাখি কিনেছে। আর বাসায় আনতে না আনতেই সে পাখিটাকে কথা শেখাতে লেগে গেলো। ‘এই যে টিয়ে, আমার সঙ্গে সঙ্গে বলো তো দেখি, আমি হাঁটতে পারি।’ আর কী অবাক কাণ্ড! টিয়েও সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলো ‘আমি হাঁটতে পারি।’ শুনে তো রত্না মহাখুশি। ‘এবার বলো তো, আমি কথা বলতে পারি।’ টিয়েও বলে ‘আমি কথা বলতে পারি।’ ‘তাহলে এবার বলো, আমি উড়তে পারি।’ এবার টিয়েটা বললো কি, ‘মিথ্যে কথা বলতে নাই!’


৬৯।রাতের বেলা নাইট্রোজেন!

বিজ্ঞান ক্লাস চলছে। শিক্ষক বোঝাচ্ছেন, আমাদের জন্য অক্সিজেন কতো প্রয়োজনীয়। ‘আমরা আমাদের নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেন গ্রহণ করি। সারাটা দিন আমরা নিঃশ্বাসের সাথে অক্সিজেন গ্রহণ করি। তাহলে রাতে আমরা নিঃশ্বাসের সাথে কি গ্রহণ করি?’
সামনের বেঞ্চ থেকে এক ছাত্র দাড়িয়ে বললো, ‘নাইট্রোজেন, স্যার!’


৭০। স্বপ্নে ফুটবল খেলছিলাম তো!

রতন আজকে ক্লাসে দেরি করে এসেছে। আর যায় কোথায়, কুদ্দুস স্যার ওকে ক্যাঁক করে পাকড়াও করলেন। তার জোড়াবেতে তেল দিতে দিতে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কি হে রতন, এতো দেরি করে এলে কেন? রাস্তায় খুব জ্যাম ছিলো বুঝি?’ রতন গোবেচারার মতো মুখ করে বললো, ‘আজ্ঞে না স্যার। আমি তো ঘুমাতে ঘুমাতে স্বপ্ন দেখছিলাম। দেখছিলাম কি, আমি ফুটবল ম্যাচ খেলছি। তো ৯০ মিনিট শেষ হয়ে গেলো, কেনো দলই কোনো গোল দিতে পারলো না। খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো। তাতেও কোনো গোল হলো না। এরপরে হলো টাইব্রেকার। তাতে অবশ্য আমরাই জিতলাম। কিন্তু এই অতিরিক্ত সময়ও তো আমাকে ঘুমাতে হলো। নইলে যে খেলাটাই পণ্ড হয়ে যায়। আর তাতেই দেরি হয়ে গেলো! কি করবো স্যার, পুরো খেলা নষ্ট হতে দেয়া যায় না, তাই না স্যার?’


সবাই ভালো থাকুন, শুভ কামনা রইল...............













৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×