ব্লগীয় জগতে অনেক নামী দামি লেখক, ব্লগক, কবিত্বক, বিশ্লেষক,মডারক দেখেছি, বয়স তো একেবারে কম হলো না (ব্লগিং জীবনের ২০০৭ হতে), দেশ-বিদেশ, সাম-ইন, আলো, আমার, আরও কত ব্লগই তো পড়লাম, দেখলাম। কিন্তু দেখলাম, নকলবাজ আর কপিবাজে ভরা ব্লগ জগতের বাঘা বাঘা ব্লগারা, সত্যিকার লেখক, বিশ্লেষক তো পেলাম খুবই অল্প সংখ্যক যাদের ভেতর মায়া, সাহিত্যক, চিন্তা ও বিশ্লেষন বিরাজমান (আমি এ অল্প দলে নই, আগেই বলে রাখি)। কিন্তু ভাই মনের কথা লিখবেন, তাতেও ২ নাম্বারী। টাকা কামানোর ইচ্ছা নাম ফলানোর ইচ্ছা সেরা ব্লগার হওয়ার ইচ্ছা দিয়ে কি হবে, যদি না মনের ক্ষুধা না মেটে?, জীবনের কোন এক জায়গায় দাড়িয়ে নিজেকে যদি নিজে অপরাধী ভাবলেন তবে সে জীবনের কি মানে হলো?। এত কথার ধার আমি ধারী না, কমেন্ট, তেলেমী ইত্যাদি দিয়ে হয়তো কমেন্ট কমেন্ট ভরপুর ব্লগিং হলো, কিন্তু কতকাল? এ পৃথিবীর কতটুকু উপকার হলো, জাতির মেধায় কতটুকু প্রভাব পড়ল সে খেয়ালটা বড় বেশি জরুরী আজকের ব্লগিং দুনিয়ায়। আমি কখনও ব্লগে কারো চাটুকারিতা, তোষামোদী করি নাই, ভাল লিখতে পারি না, জানি, স্বীকার করি, তাই বলে নকল করি নাই, যা লিখি অরিজিনাল, আসল, এবং জীবন থেকে নেয়া। আমি কবি না তাই হয়তো মান ভাল হয় না, কিন্তু যারা নিজেদের কবি দাবী করে তারা কিভাবে নকল, কপি পেষ্ট এর ধার ধারে (ব্যক্তি কাউকে এখানে অপমান করা হচ্ছে না, সামষ্টিক কথা বলা হচ্ছে)।
হায়রে আমার ব্লগিং। এটাও সত্য আমরা তো আর সব ব্লগ পড়ি না, গ্রুপিং, বন্ধুবিং, সমিতিং, বিএনপিং, আওয়ামিলীগিং,প্যাকিজিং এসব হিসেব করে ব্লগিং পড়ি ও করি। অনুরোধ আসল ব্লগিং করি ও পড়ি, আলোচনা ও সমালোচনার বার্তা দেই, কিছু হইলো আর সাথে সাথে "ভাল লাগল" "সহমত" তাছাড়া অনেকে তো চ্যাট বার্তা লেখা শুরু করে দেন, এগুলো দিয়ে তাদের কমেন্ট সাইজ হয়তো বাড়ে, কিন্তু মান। আবার অনেকে ফ্যাক আইডি দিয়ে নিজেই নিজের লেখাতে কমেন্ট দিয়ে ভরে দেন। জানি না, এসব করে কি লাভ? লেখার মান কিংবা তথ্যের স্বাধীনতা বিচার হওয়া বড় জরুরী।
নকল বিহীন কবিতার একটি উদহারন দিলাম : কবিতাটি অনেক বড় পূর্ণ এখানে কেবল অল্প কথায় উদহারন দেয়ার চেষ্টা করলাম।
[sb]কেউ বা কারা চাকরী খোঁজে, কোথাও কোথাও চাকরী বিক্রি হয়
জুতোর তলা ক্ষয়ে ক্ষয়ে
মাথার ঘাম নিয়ে পায়ে পায়ে
এম.এ বি.এ এবং বি.এড লাট খায় মহানগরের আকাশে
সার্টিফিকেটের বাঁধনে কেন্নির শর্তে গোত্তা খায় ঠুনকো বাতাসে
টং চা-পট্টিতে ২টাকার পাউরুটির ক্ষুধারে কোপায়, কড়া চায়ের কোপে
তারপর জন্ডিস্ আলসার পাইলস্ রোগে মেডিকেলের তড়কা খায়
চাকরীর খোজে, আরামে খোজে, রাতের পেটে নিজের দিনকে গোজে
ক্লান্ত শ্রান্ত ডাবা-চোখে তড়পা খায়, দুঃচিন্তার ঝালে ঘুমের ভর্তা খায়।
ক্ষমা প্রার্থী সত্যিকার ব্লগারদের কাছে, যারা এ লেখার আওতায় নিজেদের বিবেচনা করছেন অথচ আমি তাদেরকে আলাদা ভাবেই দেখি, তাদের কাছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



