somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মা ও স্ত্রী দ্বন্দ (ব্লগার মোহাম্মাদ সাজ্জাদ হোসেন ভাই এর ব্লগ হয়ে)

১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এটা কোন তর্ক পোষ্ট না, বা কাউকে খাটো করার, এটা শুধুমাত্র আমার নিজের চিন্তা ও বাস্তবতার কিছু উদহারন।

এ বিশাল ব্যাপার একটা কথা বলি, আপনার আমার আমাদের সবার স্ত্রীদের উচিত মাকে মানিয়ে চলা, কারন এ সন্তান (আপনি) আপনার মায়ের নিজের হাতে গড়া, রক্ত, ঘাম, ঘুম হারাম করা, তার অধিকার আপানর উপর বেশি, কিন্তু আমি আপনি আমরা স্ত্রীর প্রতি আলগা পিরিত দেখাতে যেয়ে সে মাকে অনেক ক্ষেত্রে অপমান করি, স্ত্রী ও মাকে মুখোমুখি করে দেই, ফলে দ্বন্দ শুরু হয়ে যায়। মা খারাপ লাগতেই পারে, কারন বিয়ের আগের আপনার ভাত থেকে রাতের ঘুমে মায়ের হাত ছাড়া আপনার প্রভাত ছাড়তো না, সেই আপনি বিয়ের পর বউয়ের পিরিতে পাগল প্রায় মার সাথে দেখাই করেন না, ফলে মা আপনাকে শত্রু ভাবতে পারে না (কারন আপনি তার সন্তান, সন্তান প্রেমে মা অন্ধ থাকে) ফলে আপনি মা ও স্ত্রীকে মুখোমুখি দাড় করিয়ে দেন।

আপনার জীবনে দুটি নারী, দুজন - একজন মা অন্য জন আপনার প্রিয়তমা। কিন্তু আপনার মা ও আপনার স্ত্রীর পরস্পর কোন বাঁধনে বাধা, এটা কি কখনও ভেবে দেখেছেন? তাদের বন্ধন তারা গড়ে নিতে পারেনা বলেই আপনার আমার মত ছেলেদের এত ঝামেলা? অথবা আমরা আমাদের নির্বুদ্ধিতায় তাদের দুজনকে এমন অবস্থানে এনে দাড় করিয়ে দেই যেখানে তারা তাদের শত্রু।
যাই হোক আপনার মা, আপনার জন্ম হতে আজ অবধি বন্ধু, আপনার শুভাকাংক্ষি (এ কথায় কারও কোন দ্বিমত নেই, কোথাও থাকতে পারে না)। কিন্তু আপনার স্ত্রী সবসময় আপনার শুভাকাংক্ষি নাও হতে পারে, অনেক ক্ষেত্রে ডির্ভোস শব্দটা এটার প্রমান দেয়, কিন্তু কোন মা এর ক্ষেত্রে এরকম কথা এখনও প্রচলিত হয়নি।
আপনার স্ত্রী আপনার রক্তের না, আপনার শরীরের আপনার টাকার আপনার হৃদয়ের, আপনার ভালবাসার। কিন্তু আপনার মা আপনার আত্ব্যার, আপনার মঙ্গলের, আপনার টাকার মাঝে মাঝে যখন সে অভাবে থাকে (কিন্তু বৃদ্ধতার সময় এটা তার অধিকার, এবং এর কারন হিসেবে সে আপনার লালন পালন করার দাবী রাখে (যখন আপনি অনেক বেশি কর্মাশিয়াল, তাই বললাম)।

আপনি আজ অসুস্থ্য হোন, পঙ্গু, অসহায়, প্যারালাইজ্ড, চাকরী হারা, আপনার স্ত্রী (সব স্ত্রী নয়) কিন্তু সে আপনাকে সেভাবে সেবা দেয়ায় বদ্ধ পরিকর নয়, দেয় না (বহু দেখা আছে আধুনিক মেয়ে), কিন্তু আপনার মা, প্লিজ আপনি নিজেও তার প্রমান। কি আর বলব।

(সংক্ষেপিত) অফিসে আছি .......... ভুল লিখলে ক্ষমা করবেন, নারী ও পুরুষ সকলে।
১৬টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×