somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারত-বাংলাদেশ FAQ

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

Q1> আমাদের দেশের টিভি চ্যানেল কেন কোলকাতায় দেখা যায় না ?

Click This Link

আমাদের দেশের টিভি চ্যানেল কেন কোলকাতায় দেখা যায় না/কেন দেখায় না? - এই প্রশ্নটি আমরা সবাই করে থাকি। এমনকি আমাদের দেশের সংবাদমাধ্যম গুলোও মাঝে মাঝে এই প্রশ্ন করে এবং অনেক সময় আমরা দাবি করি কোলকাতার বাংলা টিভি চ্যানেলগুলোও বাংলাদেশ এ নিষিদ্ধ করা হোক।

আমরা বাংলাদেশে যেসব বিদেশী টিভি চ্যানেল দেখি (ভারতীয় বাদে), যেমনঃ CNN, BBC, Discovery, ESPN কখনো কি ভেবে দেখেছেন কেন সব চ্যানেলগুলোর অনুষ্টান মালার সময়সূচী ভারতীয় সময়ে দেখানো হয় এবং কেন সবগুলো চ্যানেলেই ভারতীয় বিজ্ঞাপন দেখানো হয় ?

কারন ভারতে বিদেশী টিভি চ্যানেল দেখাতে হলে কিছু নিয়ম নীতি পালন করতে হয়। যে সব চ্যানেল ভারতের বাইরে থেকে আপলিংক (সম্প্রচার) করা হয়, সেগুলো ভারতে বৈধ ভাবে ডাউনলিংক (দেখাতে) করতে হলে ভারতের তথ্য মন্ত্রনালয় থেকে কিছু নিয়ম মেনে অনুমতি নিতে হয়। সেগুলো হল;

১। প্রতিটি টিভি চ্যানেল এর মালিকানাধীন কোম্পানী কে প্রথমে 'ভারতীয় কোম্পানী আইন, ১৯৫৬' অনুযায়ী রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আবেদন করতে হবে। এই রেজিষ্ট্রেশন ৫ বছর এর জন্য দেয়া হয়। ৫ বছর পরে মেয়াদ বাড়ানো হয়। রেজিষ্ট্রেশন ফি ৫ লক্ষ্য টাকা এবং প্রতি বছর বাৎসরিক ফি বাবদ ১ লক্ষ্য টাকা প্রদান করতে হবে।
২। আবেদনকারী কোম্পানীর ভারতে একটি বানিজ্যিক অফিস থাকতে হবে।
৩। আবেদনকারী কোম্পানীর আবশ্যই ১.৫ কোটি টাকার মুলধন থাকতে হবে। আবেদনকারী কোম্পানীর যদি এক এর অধীক চ্যানেল থাকে তাহলে প্রতিটি অতিরিক্ত চ্যানেলের জন্য ১ কোটি টাকার মুলধন থাকতে হবে।
৪। সেই সব টিভি চ্যানেলে অবশ্যই ভারতীয় পন্যের বিজ্ঞাপন দেখাতে হবে। বিদেশী অননুমদিত কোন পন্যের বিজ্ঞাপন দেখানো যাবে না।

এছাড়াও আরো কিছু নিয়মনীতি আছে কিন্তু এই চারটি নিয়ম অবশ্যই পালন করতে হবে। তাহলেই যেকোন বিদেশী চ্যানেল ভারতে সম্প্রচারের অনুমতি দেয়া হয়।এটাই কি স্বাভাবিক নয় ?

এখন কথা হচ্ছে আমাদের দেশ এর কয়টা টিভি চ্যানেল এই ব্যাপারটা জানে বা কয়টা টিভি চ্যানেল ভারতে কোম্পানী হিসেবে রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আবেদন করেছে ? আমাদের দেশ এ সঠিক ক্যাবল টিভি আইন নেই তাই আমাদের দেশের ক্যাবল টিভি অপারেটররা নিজেদের ইচ্ছে মত বিদেশী চ্যানেল দেখাতে পারে। কিন্তু সব দেশ তো আর আমাদের দেশ এর মত না।

আমরা আশা করব আমাদের দেশ এর টিভি চ্যানেলগুলো এই ব্যাপারে যথাযথ নিয়ম পালন করে ভারতে যেন আমাদের টিভি চ্যানেলগুলো দেখা যায় সে ব্যবস্থা নিবেন। একদিকে তারা যেমন ভারতীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করে বানিজ্যিকভাবে লাভবান হবেন সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দেশ এর বাংলা অনুষ্টান কোলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের সবাই দেখতে পাবে।

সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ও উচিত বিদেশী চ্যানেল, বিশেষ করে ভারতীয় মালিকানাধীন হিন্দি (Sony, Zeetv, Star Plus, ইত্যাদি) ও বাংলা (জি বাংলা, আকাশ বাংলা, ইটিভি বাংলা, ষ্টার জলসা, ইত্যাদি) চ্যানেল গুলোর জন্য এই নিয়ম করা। কারন এইসব চ্যানেলগুলোর বিশাল একটা বাজার (দর্শক) বাংলাদেশে রয়েছে। এই চ্যানেলগুলো বাংলাদেশের এই বড় বাজার ধরে রাখার জন্য বাধ্য হবে বাংলাদেশ এ বৈধ ভাবে রেজিষ্ট্রেশন করতে। বাৎসরিক ফি হিসেবে বাংলাদেশ কিছু রাজস্ব ও আয় করল। লাভবান হব আমরা দুই দিকেই।

আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন । Click This Link

-----------------------------------------------------------
Q2>
শেখ হাসিনা দিল্লিতে যেসব চুক্তিতে সই করে এসেছেন, তার বিবরণ এখনো গোপন রাখা হয়েছে, যদিও সংবিধান অনুযায়ী বিদেশের সাথে কোনো চুক্তি সংসদের অনুমোদন ছাড়া কার্যকর করা যায় না

Reply
সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের নিজ দেশে স্থানান্তরের বিষয়ে ভারত একই ধরনের চুক্তি যুক্তরাজ্য, মিসর, মরিশাস, কানাডা, সৌদি আরব ও ফ্রান্সসহ প্রায় ১৬টি দেশের সঙ্গে
Click This Link
Click This Link
ভারতের সঙ্গে তিন চুক্তির বিবরণ প্রকাশ

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
ভারতের সঙ্গে সই হওয়া তিন নিরাপত্তা চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ করেছে সরকার। গতকাল শনিবার পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস বলেছেন, সন্ত্রাস দমন কার্যক্রম পরিচালনায় উভয় দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে দেশ দুটির আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে। প্রয়োজনে ছয় মাসের আগাম নোটিশে চুক্তিগুলো বাতিল করা যাবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্বার্থ বিঘি্নত হওয়ার কোনো বিষয় চুক্তিতে নেই। গতকাল সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তিগুলোতে কী আছে তা তুলে ধরে লিখিত বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র সচিব। এ সময় অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব রিয়ার এডমিরাল (অব.) এম খোরশেদ আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া) মোহাম্মদ ইমরান, মহাপরিচালক (বহিঃপ্রচার অণু বিভাগ) সায়িদা মোনা তাসনীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
গত ১০ জানুয়ারি থেকে ১৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফর করেন। এ সময় নিরাপত্তা বিষয়ে তিনটি চুক্তি ও বিদ্যুৎ বণ্টন এবং সাংস্কৃতিক কর্মসূচি বিনিময় বিষয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এ সফরের পর প্রধান বিরোধী দল বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করে এসেছেন। সই হওয়া চুক্তিগুলোকে গোপন চুক্তি উল্লেখ করে খালেদা জিয়া চুক্তিগুলো প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন। বিএনপির শরিক দলগুলোও অনুরূপ বক্তব্য রেখেছে। এভাবে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিবৃতি ও পাল্টা বিবৃতির ঝড় চলছে। পক্ষে-বিপক্ষে প্রতিদিন আলোচনা ও গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে চলেছে সরকারি দল এবং বিরোধী দলের অঙ্গ সংগঠন ও সমর্থক গোষ্ঠী। ঠিক এ অবস্থায় স্পর্শকাতর তিন নিরাপত্তা চুক্তিতে কী রয়েছে তা প্রকাশ করে দিলেন পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস। চুক্তিগুলো করার পেছনের প্রেক্ষাপটও তিনি তুলে ধরলেন।
পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস বলেন, বর্তমান সময়ে সন্ত্রাসবাদ কোনো দেশের একক সমস্যা নয়, এটি বিশ্বব্যাপী বিরাজমান। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে মাদক পাচার, চোরাচালান, সংঘবদ্ধ অপরাধ ইত্যাদি। এসব সমস্যা কার্যকরভাবে মোকাবেলার জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন। বাংলাদেশ ও ভারত দ্বিপক্ষীয় ক্ষেত্রে ২০০৬ সাল থেকে নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচ্য চুক্তিগুলো সম্পাদনের কার্যক্রম শুরু করে।
তিনি বলেন, সই হওয়া সব চুক্তিই সরকার কর্তৃক অনুসমর্থনের পরে কার্যকর হবে।
চুক্তি ১. অপরাধ দমন বিষয়ক পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, অপরাধ দমন বিষয়ে ২০০৮ সালে শ্রীলংকার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত সার্ক সম্মেলনে সার্কভুক্ত দেশগুলো একটি কনভেনশন স্বাক্ষর করেছে। তবে ওই কনভেনশনের শর্ত অনুযায়ী, সার্কভুক্ত সব সদস্য দেশ কর্তৃক অনুসমর্থিত না হওয়া পর্যন্ত কনভেনশনটি কার্যকর হবে না বিধায় ভারতের সঙ্গে আলোচ্য চুক্তিটি দ্বিপক্ষীয়ভাবে করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এ চুক্তির আওতায় ফৌজদারি অপরাধ বিষয়ে সহযোগিতা ও পারস্পরিক আইনগত সহায়তার মাধ্যমে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত অপরাধগুলো অনুসন্ধান, বিচারকার্য এবং অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ ও দলিলপত্র শনাক্তকরণ, বাধাদান, জব্দকরণ বা বাজেয়াপ্তকরণের বিধান রাখা হয়েছে।
* চুক্তিভুক্ত দুটি পক্ষ এ চুক্তির আওতায় একে অপরকে ফৌজদারি অপরাধ বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবে; * এই চুক্তির আওতায় আদালত বা অপর কোনো সংশ্লিষ্ট বিভাগ কর্তৃক সহায়তা চাওয়া হলে, অনুরূপ পারস্পরিক আইনগত সহযোগিতা প্রদান করা হবে; * এ চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগে সংঘটিত কোনো ফৌজদারি অপরাধ বিষয়ক অনুরোধের ক্ষেত্রেও এরূপ পারস্পরিক আইনগত সহযোগিতা প্রদান কার্যকর হবে; * উভয় দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ হিসেবে চুক্তির আওতায় পারস্পরিক সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
চুক্তি ২. আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, সংঘটিত অপরাধ ও অবৈধ মাদক পাচার দমন বিষয়ক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চুক্তিটির খসড়া অনুমোদনের ব্যাপারে ২০০৬ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার কাজ করছে।
চুক্তিতে রয়েছে :
* আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস ও মাদক পাচার সম্পর্কিত অপরাধসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ, অনুসন্ধান, বিচারকার্য কার্যকরভাবে সম্পাদনের জন্য গোয়েন্দা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে এ চুক্তিটি সই করা হয়। * এ চুক্তির আওতায় চুক্তিভুক্ত উভয় দেশ অভ্যন্তরীণ আইন ও বিধি সাপেক্ষে, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস প্রতিরোধ, মাদকদ্রব্য এবং রাসায়নিক পদার্থসহ সাইকোট্রোপিক দ্রব্যগুলোর অবৈধ পাচার রোধে সহায়তা প্রদান করবে। অপরাধ অনুসন্ধান, বিচারকার্য ও দমনের উদ্দেশ্যে একে অপরকে পারস্পরিক আইনগত সহায়তা প্রদান করবে। * উভয় দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে দেশগুলোর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত একটি সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে সহায়তাদানের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। * তবে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার স্বার্থ বিঘি্নত হয় অথবা দেশের প্রচলিত আইন বা বিধি পরিপন্থী কোনো কার্যক্রম এই চুক্তির আওতায় করা যাবে না। * একই বিষয়ে বিমসটেকের আওতায় সদস্য দেশগুলো কর্তৃক একটি কনভেনশন ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তি ৩. সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের বিনিময় বিষয়ক চুক্তি।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চুক্তিটির খসড়ার ওপর ২০০৮ সাল থেকে কার্যক্রম চলছে।
চুক্তিতে রয়েছে :
* ফৌজদারি অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আসামিগণ যাতে নিজ দেশে সাজা ভোগ করতে পারেন তার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এ চুক্তি প্রণয়ন করা হয়। * ছয় মাসের অধিক সাজা ভোগ করা বাকি আছে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি যার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলার বিচার বা তদন্ত বাকি নেই এমন ধরনের আসামিগণ এই চুক্তির আওতায় বিবেচিত হবেন। * তবে যারা কোনো সেনা আইনে সাজাপ্রাপ্ত অথবা যারা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অথবা যাদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা বিচারাধীন আছে তাদের ক্ষেত্রে এই চুক্তির বিধান প্রযোজ্য হবে না। * সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নিজ দেশে সামাজিকভাবে স্থানান্তরের সুযোগ পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট আসামি কর্তৃক নিজে অথবা তার নিয়োজিত ব্যক্তি কর্তৃক লিখিতভাবে অনুরোধ করা ব্যতীত এ চুক্তির কোনো বিধান প্রযোজ্য হবে না। * সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের নিজ দেশে স্থানান্তরের বিষয়ে ভারত একই ধরনের চুক্তি যুক্তরাজ্য, মিসর, মরিশাস, কানাডা, সৌদি আরব ও ফ্রান্সসহ প্রায় ১৬টি দেশের সঙ্গে সম্পাদন করেছে। আরও অনেক দেশের সঙ্গে সম্পাদনের অপেক্ষায় আছে।

Q3>
৩০ বছরের গোলামী চুক্তি

Reply>

India & USSR same চুক্তি

----------------------------------------------------
Q4>
এই তিন বছরে আড়াই শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপযোগী একটা কারখানা বাংলাদেশে তৈরি করা কি সম্ভব ছিল না?

Reply>

India will paid for আড়াই শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ


----------------------------------------------------------
Q5>

অনেকেই মনে করেন, ১৯৭৫ থেকে ১৯৮১ সালের মে পর্যন্ত দিল্লিতে অবস্খানের সময় ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্খা র হাসিনার ব্রেন ওয়াশ করে দিয়েছিল।

Reply

অনেকেই মনে করেন, you are agent of Pakistani ISI [laugh]
-----------------------------------------------------------
Q6>
ভারত কখনই কোনো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি, করবেও না।

Is Pakistan give us shaer of Assest of 71.Divide the country but not assest.

Is Pakistan takes his country man from Bangladesh?

Which country is good
world?
USA?UK?INDIA/PAKISTAN

---------------------------------------------------------------
Q7>
Why there is no Anti Burma

We have problem with Burma.Muslim Killing.Border Issue.

Last week ,there is a meeting in Dhaka.

Khalada ,BNP said about this in last 10 years in Open Meeting?

Any blogger write any feature?
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪১
১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×