সম্প্রতি কানাডা থেকে এক বেয়াই এসেছেন। তো বহুদিন পরে তার সাথে দেখা, শেষবার দেখা হৈছিলো মনে হয় ৬ কি সাত বছর আগে। হ্যায় তখন আছিলো পুরা আড়াইমন ওজনের হাতির ছানা। এইবার বিয়া কৈরা আইছে দ্যাশে।বিয়া যে করছে, হেইডাও আরেক হাতির ছানা।
তো প্রথম সাক্ষাতেই গলাগলি, বুকাবুকির পর, হাত মিলাইতে গিয়া উইদাউট মডারেশন "কমেন্ট" কর্লাম: ইউ লুক গ্রেট, গ্রেট ফর ইচ আদার"(!!!)
এর পর থিকা সবাই আমারে খালি বিচরায় কমেন্ট করার লাইগ্যা। আমি ত হালায় ব্যস্ত থাকি সামুতে আয়া কমেন্টানির লাইগ্যা। যাউগ্যা, এই গপ্পের কোনো শিক্ষনীয় কিংবা দৃষ্টান্তমূলক দিক নাই, এমনেই দিলাম।
কিছুদিন আগে পিয়াল ভাই'র এক পোষ্ট থিকা জানতে পারি বর্তমানে ব্যান হাসিব নাকি লেখার তুলনায় কমেন্ট করতো বেশি। আমি নিজেও তার কমেন্টের একজন বিদগ্ধ পাঠক এবং অবশ্যই ভক্ত। এইটা ফানি কৈরা বলি নাই।
সত্যি বলতে কি, সে ব্যান খাওনের পর থিকা পুষ্ট সংখ্যা হয়তো বাড়ছে, কিন্তু কমেন্টের স্বাদ কিছুডা নুন চাড়া তরকারীর মতো হয়া গ্যাচে।এইডা একান্তই আমার ব্যক্তিগত অভিমত। কারো সহমত না হৈলেও কষ্ট নাই।
আরো অনেক নিকের কতাই বলা যায়, যারা কমেন্ট লিজেন্ড। নামোল্লেখ করতে চাইনা। সামু ব্লগের আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তার পেছনে আসলে মূখ্য ভূমিকা লেখকের না কমেন্টারদের এইডা রনয়া একটা বিতর্ক সভার আয়োজন করা যাইতে পারে।
সেলিব্রিটি ব্লগার ব্রাত্যদা তো লেখা ছেড়ে দিলেও কমেন্টটাকে ঠিকই আকড়ে পড়ে আছেন। সম্প্রতি মডারেশনের পাগলা হাওয়ায় অনেক ব্লগারই লেখা না দিলেও কমেন্ট দিয়ে গ্যাছেন নিয়মিত।
আলেকজান্ডার পডনড্রাইটের মতো ঐতিহাসিক ব্লগারের এক পোষ্টে যে রেকর্ড হৈছে কমেন্টের, তা ভাংবার সাধ্যি কার আছে? আর কেমেন্টর যে বিনোদন, সেটাই বা অগ্রাহ্য করে কে?
কমেন্টের খরান টের পাওয়া যায় আলু ব্লগ দেখলে
পুনশ্চ: লিখক এই লিখায় কমেন্ট গ্রহন করবেন, কোনো মডারেশন চাড়াই

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


