somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নাস্তিকতাবাদের একটি বড় সমস্যা

২৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেক নাস্তিক ফিলসফার বলে থাকেন,

১. ঈশ্বর আছেন এর সপক্ষে কোন প্রমান নেই।
২. ঈশ্বর নেই এর সপক্ষেও কোন প্রমান নেই।
উভয় কথাই তারা মেনে নেন।

এখন ধরুন, আপনি একটি বলের বাক্স আনলেন। বক্সটি এরকম যে এর ভিতরে কি আছে দেখা যায় না। এখন, দুই জন মানুষ পাওয়া গেল। একজন বললঃ বক্সের ভিতরে বল আছে, আমি বিশ্বাস করি। আরেকজন বলল, না এখানে বল নেই, আমি বিশ্বাস করি। ভাল করে চিন্তা করে দেখুন, বল না থাকলে এর পক্ষে প্রমান থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বল থাকার ক্ষেত্রে আন্দাজ করে বলা যায়, বল থাকলেও থাকতে পারে যেহেতু বল নেই এমন কোন প্রমান নেই। তার মানে না-থাকার চেয়ে থাকার পক্ষের যুক্তিই জোরালো। (ব্যাপারটি বুঝাতে পারলাম কি না কি জানি)

বুঝার জন্য আবার ট্রাই করি, আব্দুলের কাছে ৫ টাকা আছে কি নেই?
১. আব্দুলের কাছে ৫ টাকা থাকতে পারে।
২. আব্দুলের কাছে ৫ টাকা নাও থাকতে পারে।
(১*১) ৫ টাকা থাকার পক্ষে কোন প্রমান নেই, এর মানে তার কাছে ৫ টাকা থাকলেও থাকতে পারে।
(২*১) ৫ টাকা না থাকার পক্ষে কোন প্রমান নেই, তার মানে তার কাছে ৫ টাকা থাকলেও থাকতে পারে।
এই পয়েন্ট গুলি বিবেচনায় আনলে দেখা যায়, বিশ্বাসীদের পক্ষের যুক্তিগুলিই জোরালো।

বিশ্বাস কোন খারাপ জিনিস না। বিশ্বাস আছে বলেই আপনি ভালবাসতে পারেন আপনার বাবা-মা কে। বিশ্বাস আছে বলেই, আপনি আপনার ভাইকে লক্ষ টাকা দিতে পারেন। আর ভালবাসতে পারেন এই পৃথিবীকে আর এর মানুষ কে। আর বিশ্বাস না থাকাই অশান্তি। চরম অশান্তি। যারা তাদের ভাই কিংবা বোন অথবা ভালবাসার মানুষকে বিশ্বাস করতে পারে না, তাদের জীবন যে কত অসহ্য, তাদের দেখলেই বুঝবেন। বিশ্বাস আছে বলেই, আপনি একজন সম্মানিত শিক্ষক কে সম্মান করেন, এই বিশ্বাস না থাকলেই আপনি তা করতেন না। বিশ্বাসের উপর ভর করেই এই পৃথিবী চলে। তাই চলুন, বিশ্বের স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, আমাদের সৃষ্টি করার জন্য। যদি আপনি সাধারন বিষয় বিশ্বাস করতে পারেন, তাহলে স্রষ্ঠাকে বিশ্বাস করায় দোষ কোথায়।

কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ
১ ফরিদ আহমেদ, মুক্তমনার মডারেটর। (উনার একটি অনুবাদ আমাকে এ ব্যাপারটি বুঝতে সহায়তা করেছে)
২ নাম না জানা এক লেখক (বিশ্বাসের গুরুত্ব বুঝতে আমাকে সহায়তা করেছে)
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৯
২২টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×