somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্রেকিং নিউজ : পিলখানায় শীঘ্রই আমরা একটি যুদ্ধ দেখতে যাচ্ছি?

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মিরাকল কিছু না ঘটলে অথবা আগামী কয়েক ঘন্টার মধ্যে বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা যদি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ না করে, তাহলে খুব শীঘ্রই আমরা একটি যুদ্ধ দেখতে যাচ্ছি। আজ বিকেল সাড়ে চারটার দিকেই এ যুদ্ধ শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে কৌশলগত কিছু কারণে সময়টা পিছিয়েছে। তবে যুদ্ধ প্রায় অনিবার্য। এবং এ যুদ্ধে এমনকি যুদ্ধবিমানের ব্যবহার হতে পারে- সেই প্রস্তুতিও আছে।

বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা কিছু অস্ত্র ইতিমধ্যে তারা সরকারের প্রতিনিধিদের কাছে জমা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর বলা হচ্ছে, বিদ্রোহীরা তাদের সব অস্ত্রই জমা দিয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, সেই সকালে পুরো অস্ত্রাগারই লুট হয়েছিল। এ থেকে এটা নিশ্চিত যে, এখনো বিদ্রোহীদের কাছে প্রচুর অস্ত্র রয়ে গেছে। এটি একটি বড়ো বিপদ। তবে সবচেয়ে বড়ো বিপদটি হল, পুরো রাইফেলসের চেইন অফ কমাণ্ড সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। সারা দেশেই একই অবস্থা। বিদ্রোহীদের চাপে ইতিমধ্যে ক্লার্ক পর্যায় থেকে ওঠে আসা একজন ডিএডি তৌহিদকে ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক নিযুক্ত করার ঘটনায় তা কিছুটা আঁচ করা যায়।
এছাড়া দরবার হলে সকালের সেই ঘটনার পর এ পর্যন্ত ঠিক কতোজন সেনা কর্মকর্তা পিলখানার ভেতরে নিহত হয়েছেন, তা এখনই নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। বিদ্রোহের এই সময়টাতে আরো কী কী অনাচার সদর দপ্তরের ভেতরে ঘটেছে, তা জানতেও সময় লাগবে।

ইতিমধ্যে সেনাবাহিনী চেয়েছিল, সময়ক্ষেপণ করে বিদ্রোহীদের মনোবল ক্রমশ দুর্বল করে ফেলা। এ কৌশল যে সফল হয়েছে, তা বোঝা গেছে, মাত্র কিছুক্ষণ আগে পিলখানার সদর দপ্তর থেকে কিছু বিডিআর সদস্যের পলায়নের ঘটনায়। যদিও তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন।

নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছেন, যুদ্ধ প্রকাশ্যে হতে পারে। আবার লোকচক্ষুর অন্তরালেও হতে পারে। তবে তারা বলছেন, যুদ্ধ অনিবার্য। মিরাকল কিছু না ঘটলে এ থেকে পিছিয়ে আসার কোনো পথ নেই। তাই সম্ভবত খুব শীঘ্রই আমরা একটি যুদ্ধ দেখতে যাচ্ছি।

বি.দ্র. : কৌতূহল দমন করে পিলখানার আশপাশ থেকে লোকজনের সরে আসা উচিত এখনই। ব্লগারদের কেউ থাকলে বা তাদের পরিবার-পরিজন থাকলে তাদের দ্রুত সরে আসতে বলি।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৪
৫৩টি মন্তব্য ৩১টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিএনপি সবটা খেতে চাইলে সবটা হারাবে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ৭:৫৯




আপা ড. ইউনুসের চুক্তি মেনে নিলে, আমেরিকা ও ভারত এক হলে এবং সেনা আপার পক্ষে গেলে আপার আগমনে বিএনপিকে পালিয়ে যেতে হবে।তখন আপা কি করবেন সেটা আপার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ঈদ উৎসব এবং মা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ৯:১৩



ভোর বিহানে আজান হলেই মা করতেন ডাকাডাকি।
এই ঈদে আর ডাকেনিগো মা, এ দুঃখ কোথায় রাখি!

হারিয়ে গেছে মা জননী আমার, শূন্যতা অপার
এই জীবনে মায়ের সাথে দেখা কি হবে আর?... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গঁবন্ধুর আত্মত্যাগ আর শেখ হাসিনার দৃঢ়তা । (নিজেকে শেখ হাসিনার স্থানে দাঁড় করিয়ে ভাবুন)

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



বাকশাল করার জন্য বঙ্গবন্ধু তাঁর নিজ দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে পর্যন্ত বিলুপ্ত করেছেন। এরপরও যারা বাকশাল ( বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ) কে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা আখ্যা দিয়ে বিচারপতি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৭ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:২২



আগামীকাল ইদ।
কোরবানীর ইদ! শাহেদ জামালের জন্য আল্লাহর ত্রিশটা দিনই সমান। সারা বছর তার একই অবস্থা। ইদের দিনে শাহেদ জামালের কষ্ট বেশি। বিশেষ একটা দিনে একা একা পার করতে হয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহিষের নাম যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প: ভাইরাল সংস্কৃতির মারপ্যাঁচে কোরবানির ঈদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৪৮


কোরবানি ঈদ এলেই আমাদের চারপাশে কেমন যেন একটা উৎসব-উৎসব আমেজের পাশাপাশি অদ্ভুত সব কাণ্ডকারখানার ধুম পড়ে যায়। বাঙালি যে সব কিছুতেই একটু রসকষ আর মজা খুঁজতে পছন্দ করে, সেটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×