somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

★— দেয়াল —★▀▀ এক অসামান্য ,অসাধারন ,অনবদ্য শেষ মহাকাব্যিক উপন্যাস।▀▀(মেগাপোস্ট)

১১ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ১১:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইতিহাস থেকে সব সময় শিক্ষা নিতে হয়। শাহবাগের প্রতিটা তরুণকে জানতে হবে
" কিভাবে একটা বিপ্লব সফল হয়"
"কিভাবে বিপ্লব সংঘাতের পথে যায়"
"কিভাবে বিপ্লব ভেস্তে যায়"

এসব জানতে হলে অবশ্যই আমাদের পূর্ববর্তীদের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে।আর,
★—▀▀দেয়াল হতে পারে সেই হাতিয়ার▀▀—★


দেয়াল।বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে লিখিত একটি অসামান্য বই।এ উপন্যাসের পটভূমি ১৯৭৫ সালে ঘটা বঙ্গবন্ধু হত্যা এবং তার পরবর্তী সহিংসতা।এটি, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক হুমায়ূন আহমেদের শেষ উপন্যাস।আজকের তরুন প্রজন্মরা জানে না সেদিন কি হয়েছিলো।বাংলার ইতিহাসে ঘটে যাওয়া সেই দুঃস্বপ্নের ভয়ঙ্কর দিনগুলোর কথা অনেকেই জানে না।তরুণ প্রজন্মের কাছে সেগুলো তুলে ধরা হয়েছে তাঁর অসামান্য কলমের লেখনীতে। "ইতিহাসের দায়মুক্তি" হিসেবে বইটিকে আখ্যা দেয়া হয়। এই পোস্টে তুলে ধরা হলো বইটির সংক্ষিপ্ত রিভিউ(ডাউনলোড লিঙ্ক সহ)।


উপন্যাসটি প্রায় ২০০ পাতার।দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এই বইটি পড়া অতি আবশ্যক।সেসময় যুদ্ধপরবর্তী দেশ পার করছিলো এক চরম ক্রান্তিকাল।দেশের কোন দায়িত্ববান নাগরিক সেই দুঃসহ দিনগুলোর কথা না জেনে থাকতে পারে না।তোমরাও থাকতে পা্রো না।

বিতর্কঃ
প্রথমেই বলে নিই।এটি একটি অসমাপ্ত উপন্যাস।হুমায়ূন আহমেদ এর ভূমিকাটাও লিখে যেতে পারেন নি। তাছাড়া প্রথম আলো পত্রিকায় দুই অনুচ্ছেদ প্রকাশিত হবার পর ব্যাপারটি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।এছাড়াও এটি বহু বিতর্কের জন্ম দেয়। এসব দিক বিবেচনা করে বলা যায় " এটি একটি বিতর্কিত উপন্যাস " ।
বিতর্কের জবাবে বলতে চাই > "পৃথিবীতে কেউ সাধু নয় , তবে সবাই সাধু সাজতে চায় " দেয়ালের কথা গুলো আওয়ামীলীগের বিপক্ষে গেলে আওয়ামীলীগ মামলা ঠুকবে, আর বিএনপির বিপক্ষে গেলে বিএনপি মামলা ঠুকবে।
আর একটা কথা বলি > দেয়ালে হুমায়ূন আহমেদ যেমনি প্রচ্ছন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর বাকশাল এর সমালোচনা করেছ্নি,তেমনি জিয়াউর রহমানের তাহের হত্যার কথাও বলেছেন ।
আবার বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ ব্যক্তিত্যের কথা বলে যেমন তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন,তেমনি জিয়াউর রহমানের অসাধারণ সততার কথাও উল্লেখ করেছেন।

এককথায়,আমি বলতে চাই" হুমায়ূন আহমেদ যথাসম্ভব নিরপেক্ষ থেকে চেষ্টা করে গেছেন।কিন্তু,সেটাও হয়ত পুরাপুরি সম্ভব হয়নি।তিনি খন্দকার মোস্তাককে প্রায় নির্দোষী ভাবে উপস্থাপন করেছেন। যাই হোক,সত্যের সাথেই তো মিথ্যা থাকে।অসুন্দরকে না দেখলে কখনো সুন্দরকে চেনা যায় না।

ঘটনাঃ

উপন্যাসের ঘটনা শুরু হয় শফিক আর অবন্তীকে নিয়ে।অবন্তী ঢাকায় তার দাদা সরফরাজ খানের সাথে থাকেন। খালেদ মোশাররফ ও কর্নেল তাহের তাদের পারিবারিক বন্ধু।অবন্তীর মা স্পেনে থাকেন।তিনি একজন নর্তকী।তার বাবা নিরুদ্দেশ থাকলেও শেষ দিকে এসে তার খোঁজ পাওয়া যায় । গল্পের নায়ক শফিক একজন ভবঘুরে যুবক।মানে, হিমু নীতি আর কি।ঢাকা শহরে টিওশনি করে। সে অবন্তীর বাসায় প্রাইভেট পড়ায় ।এছাড়া চরিত্র হিসেবে আসে রাধানাথ বাবু।শফিক রাধানাথ বাবুর বিশেষ স্নেহভাজন ছিল।রাধানাথ বাবু আদর্শ লিপি প্রেসের মালিক ছিলেন।তার, ইন্ডিয়ান কূটনৈতিকদের সাথে ভাল পরিচয় ছিল।মৃত্যুর পর তিনি তার সব সম্পত্তি গল্পের নায়ক শফিককে দিয়ে যান।তিনি খন্দকার মোশতাক কে একটা একটা চিঠি পাঠিয়েছিলেন যার শেষ বাক্য ছিল "সকলকে তাঁর মুদ্রায় হিসাব দিতে হয়"।আরও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল "হুমায়ূন আহমেদ তাঁর লেখায় আস্তিকতার পরিচয় রেখেছেন।"হুমায়ূন আহমেদের প্রায় প্রতিটা উপন্যাসে এমন একটা চরিত্র থাকে ,যে কিনা নাস্তিক জাতীয়।ধর্মের বিপরীতে কিছু যুক্তি দাড়া করায়।কিন্তু এই উপন্যাসে তিনি হাফেজ জাহাঙ্গীর নামে একজনকে প্রায় মহামানব পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন।এছাড়াও, তিনি ধর্ম নিয়ে একটু বেশিই লিখেছেন(অন্যান্যগুলোর তুলনায়)। উপন্যাসের একমাত্র নাস্তিক চরিত্র অবন্তীর বাবাকেও শেষমুহুর্তে দেখা যায় আস্তিক হয়ে যেতে।মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে দাড়িয়ে লিখছিলেন দেখে হয়তো তাঁর এই পরিবর্তন।
উপরের কিছু চরিত্র বাস্তব।এমনকি, অবন্তী আর শফিকও।শফিক হুমায়ূন আহমেদের পূর্ব পরিচিত।আর শফিকের হাত ধরেই হুমায়ূন আহমেদের সাথে অবন্তীর পরিচয়।রাধানাথ বাবুও বাস্তব।

তিনি তার রাজনৈতিক এই উপন্যাসে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছিলেন।যেমন বঙ্গবন্ধুর হাতে সবসময় পাইপ থাকতো।তার সবচেয়ে প্রিয় তামাক ছিল এরিন মোর।তাঁর আশ্চর্য রকমের মিশুক স্বভাব ছিল।তিনি যে কার সঙ্গে, যে কোন পরিস্থিতিতে মিশতে পারতেন।তিনি আশ্চর্য রকমের সহজ সরল ছিলেন। RAW এর কাও বারবার তাকে সতর্ক করে দিয়েছিলো যে আপনাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে ।কিন্তু , তিনি তা কোনমতেই বিশ্বাস করেননি। তিনি উল্টো বলেছিলেন, তারা আমার সন্তানসম।উল্টো তিনি তাদের উপরই বিরক্ত হয়েছিলেন।
তবে ,তিনি তাঁর আওয়ামীলীগ কর্মীদের উপর অসন্তুষ্ট ছিলেন।উপন্যাসের একটি কথোপকথনে এর প্রমাণ দেখা যায়।
বঙ্গবন্ধু তাঁর এক আওয়ামীলীগ কর্মীকে বলছেনঃ

"রিলিফের কম্বল কি পেয়েছিস?
জে-না।
কোটি কোটি রিলিফের কম্বল এসেছে, আর তুই পাস নাই! আমার চারপাশে আছে চাইট্যা খাওয়ার দল।রিলিফের সব কম্বল এরাই চেটে খেয়ে ফেলেছে।তুই আর কি পাবি?যাই হোক,আমি বলে দিচ্ছি দুটো ভাল কম্বল যেন পাস।"


আবার উপন্যাসের একটা অংশতে দেখা যায় রাধানাথ বাবুর সাথে বঙ্গবন্ধুর কথোপকথন,যেখানে তিনি বঙ্গবন্ধুকে খন্দকার মোশতাক সম্পর্কে সাবধান করছেনঃ

"খন্দকার মোশতাক বিষয়ে আপনাকে সাবধান করতে এসেছি।ইনি চেষ্টায় আছেন আপনাকে সরিয়ে পাকিস্তানের সাথে ফেডারেশন জাতীয় কিছু করার।
বঙ্গবন্ধু বিরক্ত গলায় বললেন, খন্দকার মোশতাককে আপনি চিনেন না। আমি চিনি ।আমি যদি তাকে বলি, একমাস ঘাস খেতে হবে, সে দুমাস ঘাস খাবে।"



কিন্তু ,এরাই করেছিল বিশ্বাসঘাতকতা।কি আজব মানুষ। মানুষ কিভাবে পারে এত নিষ্ঠুর হতে।বঙ্গবন্ধু আর খন্দকার মোশতাককে নিয়ে একটা গল্প আছে যেখানে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন "আল্লাহ্‌ যদি আমাকে সবচেয়ে প্রিয় জিনিস কে কুরবানি দিতে বলতো তাহলে আমি মোশতাককে কোরবানি দিতাম"। সেই খন্দকার মোশতাক ,১৫ই আগস্ট ১১.৪০ মিনিটে ক্ষমতা গ্রহণ করে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের দেশের সূর্য সন্তান হিসেবে আখ্যায়িত করেন।কি সেলুকাস!
বঙ্গবন্ধুর একটা রাজনৈতিক ভুল ছিল । সেটি হল বাকশাল।দেয়ালে হুমায়ূন আহমেদ নিজে বাকশালে যোগদান না করার কথা বলছেন।তাছাড়া ,শেখ মুজিব সেনাবাহিনী কে ব্যাক ফুটে রাখতে চাইতেন।সেজন্য গঠন করেছিলেন রক্ষীবাহিনী ।দেয়ালে হুমায়ূন আহমেদ রক্ষীবাহিনীর চরম নির্যাতনের কথাও বলেছেন। রক্ষীবাহিনীর লোকজন হুমায়ূন আহমেদের মা আয়েশা ফয়েজ এর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তাদের সপরিবারে রাতের বেলা বাড়ী থেকে বের করে দেয়ার কথা বলেছেন্।১৯৭৪ এর দুর্ভিক্ষও জনমনে ব্যাপক অসন্তোষ জন্ম দিয়েছিলো।আর,সবার উপরে বড় কথা "একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের লক্ষ সমস্যা থাকবেই"।

মুজিব হত্যা দেশের জন্য একটি অভিশাপ।১৫ই আগস্ট মেজর ফারুকের জন্মদিন ছিল তাই সেইদিনকেই তারা বেছে নিয়েছিলো।এরপর, খন্দকার মোশতাক দেশের প্রেসিডেন্ট হন।মাত্র ৮৩ দিন ক্ষমতায় ছিলেন।কিন্তু এরই মাঝে তিনি জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেন। এরপর তাকে উৎখাত করে খালেদ মোশাররফ।কিন্তু বীরউত্তম খালেদ মোশাররফও মাত্র তিনদিন ক্ষমতায় থেকে ৭ই নভেম্বর কর্নেল তাহেরের নেতৃতে সিপাহি বিপ্লব আন্দোলনে নির্মম মৃত্যুর শিকার হন। সিপাহি বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করা হয়।কর্নেল তাহের জিয়াউর রহমানের বন্ধু ছিলেন।কিন্তু সেই কর্নেল তাহেরকেই ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে জিয়া হত্যা করেন।
দেয়ালে কর্নেল তাহেরর ফাঁসির আবেগ ঘন বর্ণনা দেয়া হয়।সে জায়গায় বলা হয় এই অংশটুকু পড়লে কোনো বাংলাদেশির পক্ষে অশ্রু রোধ করা সম্ভব হবে না। সে চিঠিতে দেখা যায় ফাঁসির আগে মৌলভী তাকে তওবা পড়াতে আসলে তিনি বলেন

" তোমাদের সমাজের পাপাচার আমাকে স্পর্শ করতে পারে নি।আমি কখনো পাপকর্মের সাথে জড়িত ছিলাম না।আমি নিষ্পাপ।"


জিয়াউর রহমান কর্নেল ফারুক এর ঘটাতে চাওয়া পরবর্তী অভ্যুথান সফলভাবে প্রতিরোধ করেন।কিন্তু এরজন্য কঠোর নীতি অনুসরণ করেন।সরকারি হিসাব মতে তিনি ১১৪৩ জন সৈনিক ও অফিসারকে ফাঁসির দড়িতে ঝোলান। হায় রে হায় ...। তিনি যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমকেও দেশে ফিরিয়ে আনেন।
তবে জিয়াউর রহমানের সফলতাও অনেক ছিল।তিনি দ্রব্যমূল্যের লাগাম টেনে ধরেন।দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।বহুদলীয় রাজনীতি চালু করেছিলেন।বিখ্যাত খাল কাটা প্রকল্প হাতে নিয়ে জন মানুষের ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। তিনি ছিলেন অসম্ভব সৎ। দেয়ালে হুমায়ূন আহমেদ বলেছেনঃ

''জিয়া মানুষটা সৎ ছিলেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই। লোক দেখানো সৎ না।আসলেই সৎ।তাঁর মৃত্যুর পর দেখা গেল জিয়া পরিবারের কোনো সঞ্চয় নেই।''

জিয়াউর রহমানের অনেক সততার গল্পও তিনি দেয়ালে উল্লেখ করেছেন।বৈদেশিক সম্পর্ক উন্নয়নে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

৩০শে মে রাতে তিনি তাঁর বিশ্বস্ত জেনারেল এম এ মঞ্জুর এর পরিকল্পনায় নিহত হন।সেইসময় তিনি চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজে অবস্থান করছিলেন ।তাঁর মৃত্যুর পর দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ জানাজা পড়ানো হয়।

যাই হোক, দেয়াল দেশের ইতিহাসকে যতটা সম্ভব তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।প্রত্যেক সচেতন মানুষেরই দেশের ইতিহাস জানতে হয়।আপনারাও তার ব্যাতিক্রম হতে পারেন না।আমি যতটা সম্ভব গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।জানি না কতটুকু সফল হয়েছি।তবে এইটুকুই জানি এই পোস্টের জন্য আমাকে কঠিন পরিশ্রম করতে হয়েছে।আপনাদের পূর্ণতায়ই আমার সার্থকতা।নিচে ডাউনলোড লিঙ্ক দেয়া হল।


দেয়াল ডাউনলোড ▀▀▀ডাউনলোড▀

বিডি আইডল এর আপলোডেড মিডিয়াফায়ার ডাউনলোড লিঙ্কঃ ▀ডাউনলোড▀
সম্ভব হলে বইটি কিনে পড়ুন।


বিশেষ দ্রষ্টব্যঃউপরের সকল তথ্যই দেয়াল থেকে নেয়া হয়েছে , লেখকের ব্যক্তিগত কোন মতামত দেয়া হয় নাই।কোন তথ্যের জন্য লেখক কোনোঅবস্থাতেই দায়ী থাকবেন না।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:৩২
২১টি মন্তব্য ২১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এমপির কাজ কি মানববন্ধন করা ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা জুন, ২০২৬ রাত ২:২০


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটা সিনেমা দেখানো হবে। পারিবারিক সিনেমা। সেন্সর বোর্ড থেকে পাস করা। নাম "বনলতা এক্সপ্রেস।" ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটি ঈদের আনন্দে মানুষকে একটু সিনেমা দেখাতে চাইল। এতটুকুই ছিল ঘটনা ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ হিসেবে জন্মের সার্থকতা এবং তোমাদের ক্লাউড আমাদের নদীগুলো শুকিয়ে দিচ্ছে বিষয়ে

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০২ রা জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫


কিছুদিন আগে আমার সিটি স্ক্যানের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছিল পাশের শহরের এক হাসপাতালে। গুরুতর কোন অসুখ নয়। ভলিবল খেলতে গিয়ে হাতের জয়েন্টে ব্যথা পেয়েছিলাম স্ম্যাশ করার সময় (আমার ছেলের ভাষায় স্পাইক)। অনেকদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি যদি ভালোবাসো, মন নিয়ে ফিরে এসো

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ০২ রা জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪১

তুমি যদি ভালোবাসো
মন নিয়ে ফিরে এসো



Rhythm, beats, Musical Synergy
If you love songs, you will love it

তুমি যদি ভালোবাসো
মন নিয়ে ফিরে এসো
হৃদয়ে ফুটেছে ফুল
অভিমান ভেঙে ফেলো
মন আজ হারাতে চায়
মেঘেদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

অস্থির কম্পিউটার মেমরি চিপ বাজার সংক্রান্ত ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০২ রা জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৫৮


বেশ ক'বছর ধরেই চারিদিকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে বেশ হৈ হৈ রব চলছে। এ.আই. জেনারেটেড কন্টেন্ট নিয়ে বেশ মাতমাতি চলছে সবদিকে। কেউ ছবি তৈরী করছেন, কেউ ভিডিও আবার কেউ ক্রিয়েটিভ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পূর্বপুরুষের অপরাধের দায় বর্তমান জেনারেশনকে দেওয়া অন্যায়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৩

"দোস্ত, ওরা আমাকে এক পাকিস্তানীর সাথে বন্ধুত্ব করতে বলছে যে কিনা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে উলাটা-পাল্টা কথা বলেছে। আমি সেই বক্তব্যের প্রতিবাদ করে রুম থেকে বের হয়ে এসেছি।" রাতেরবেলা দেখা হলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×