কেরানীগঞ্জ-ধানমন্ডি-মিরপুর-শ্যামলী-ধানমন্ডি-জিগাতলা...
এ এক কঠিন চক্র। ঢাকা শহরে আমাদের মতো যারা, মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই তাদের এইভাবেই থাকতে হয়। আজ এখানে কাল ওখানে...। নির্দয় বাড়িঅলার অত্যাচার সহ্য করেই। আমাদের থাকা যেন অনেকটা বিড়াল শাবকের মতো, জন্মের পরপরই তাকে ঘুরে আসতে হয় অনেক ঘর, বাড়ি; তার থাকার জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থান নেই। বিড়াল না হয়েও আমরা বিড়ালের মতোই। বড় জড়সড় জীবনযাপন।
ছিন্নমূলের মতো থাকতে হয়, বাড়তি জিনিস রাখা যাবে না। তবু দুই একটা জিনিস বাড়তি হয়েই যায়। এবার যখন বাসা পাল্টাই, রিকশায় করে কয়েক বাণ্ডিল বই আনছি। রিকশাঅলা বইয়ের দিকে তাকিয়ে বললো, 'সব বই আপনের?'
'হ্যাঁ, আমার।'
'মামা কি ডাবল এমএ নাকি চারবার এমএ?!'
বইয়ের বহর দেখেই রিকশাঅলা আমাকে পণ্ডিত ভেবে বসেছে। সেই সাথে জাগিয়ে দিলো পুরোনো ব্যথাটাও।
ডাবল এমএ দূরে থাক, একটা সিঙ্গল এমএ থাকলেও আমি কোথায় চাকরির জন্য আবেদন করার যোগ্যতা অর্জন করতাম। এবার চাকরি হোক বা না হোক!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


