স্বাধীনতার ছত্রিশ বছর পার হতে চলল। কিন্তু প্রিয় স্বদেশের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক আর গেলো না। বিতর্ক কতদিন চলবে বলা যাচ্ছে না। কিন্তু বিভ্রান্তির অতল গহনে রয়ে যাচ্ছে তরুন প্রজন্ম।
যাহোক স্বাধীনতাকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকাও জাতির কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। রাজাকাররা আকাম-কুকাম করছে আর উনারা চেয়ে চেয়ে দেখছেন। তেমনি একটি ঘটনার বিবরণ আজকের (২০.০৩.২০০৮) প্রথম আলো পত্রিকার একটি নিবন্ধের ( প্রতিরোধের মার্চ: আমি মুক্তিযোদ্ধা বলছি) মাধ্যমে। সেখানে একজন মুক্তিযোদ্ধার বক্তব্য আমাকে হতবাক করেছে। তার মু্ক্তিযুদ্ধ অভিজ্ঞতা আমাকে হতবাক করেছে।
যা নিম্নরূপ:
"একদিন চৌমুহনী থেকে কাঁচামাল (আলু, শিম, করলা) নিয়ে চাটখিল আসার পথে বগাদিয়ায় দেখি, রাজাকাররা দুই বাঙালি তরুণীকে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে তুলে দিচ্ছে। ওই দুই তরুণীর মা-বাবার কাকুতি-মিনতি দেখে আর স্থির থাকতে পারলাম না। রক্ত টগবগ করতে শুরু করল। বাড়ি এসে আমার দুই চাচাতো ভাই জহিরুল ইসলাম ও নূরুল হুদার কাছে বগাদিয়ার ঘটনা বর্ণনা করলাম। পণ করলাম, মা-বোনের ইজ্জত রক্ষার জন্য আমরা যুদ্ধে যাব।"
পুরো ফিচার আর পড়তে ইচ্ছে হলো না। কেননা তার যেখানে দেশে মুক্তিযুদ্ধ চলছে সেখানে তিনি দিব্যি আলু-পটল ক্রয় করছেন আর দেশের মা-বোনের ইজ্জত নিয়ে ছিনি-মিনি খেলছে রাজাকাররা। তিনি স্পটে কোন প্রতিবাদ করলেন না কিন্তু রক্ত টগ-বগ করছে!!!!!
প্রিয় পাঠক! এই হলো আমাদের মুক্তিযোদ্ধার (কতিপয়) মুক্তিযুদ্ধের সময়কালীন ভূমিকা। মুখে বড় বড় কথা বলেন। কিন্তু কাজের ব্যালায় লাপাত্তা।
একজন মুক্তিযোদ্ধাকেও পাওয়া যাবে না যে কিনা কোন বীরাঙ্গনাকে বিয়ে করেছেন।
মুখেই যত বড় কথা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


