ঈদের ছুটিতে হেলিকপ্টারে বাড়িতে যাওয়া-আসার সুযোগ হয়েছিল। চাকুরীর কারনে দেশের অভ্যন্তরে অসংখ্যবার বিমানে (বিশেষ করে হেলিকপ্টারে) যাওয়া-আসা করেছি। তবে এইবারের ভ্রমণ একটু অনরকম; কারন সাথে ছিল বউ। আকাশ ভ্রমণ কখনই আমার কাছে আহামরি মনে হয়নি (হয়ত হেলিকপ্টারে বেশি ভ্রমণ করেছি বলেই)। বরং প্রতিবারেই আকাশে ওঠার পর হেলিকপ্টারের মৃদু দুলুনিতে ৫ মিনিটের মধ্যেই আমার ঘুম এসে যায়। তবে যতটুকু সময় জেগে থাকি তার এক সেকেন্ডও আমি নিচের দিক থেকে দৃষ্টি সরাই না। কারন আকাশ ভ্রমণে আমার কাছে একটাই আকর্ষণঃ আকাশ থেকে এ ধরণীকে দেখা। যেকোন অবস্থায়, পৃথিবীর যেকোন অংশের উপর দিয়েই উড়ে যান না কেন, জানালা দিয়ে নিচের দিকে তাকালে আপনার ভাল লাগবেই। যতবারই নিচে তাকান, মনে অন্যরকম অনুভূতি অনুভব জাগবেই। হিংসা হয় সমগ্র পক্ষীকূলের প্রতি...!
যাইহোক আকাশ থেকে দেখা ধরণীর কিছু ছবি আপলোড করলাম। সবগুলোই মোবাইল ক্যামেরায় তোলা। আকাশে মোবাইল নেটওয়ার্ক থাকে না; তাই মোবাইল পকেটে রাখিনা। বউ নিজের মোবাইল দিয়ে নিজেই অসংখ্য ছবি তুলেছে। রেজুলুশন তেমন ভাল না। সেখান থেকে কিছু শেয়ার করলাম।
টেক-অফ করার পর। নিচে রানওয়ে; দূরে আইডিবি ভবন
এই হল আমাদের রাজধানী
মিরপুর-পল্লবী এলাকা...
আশুলিয়ার কাছাকাছি এলাকা। ইটের ভাটা দেখা যাচ্ছে।
আশুলিয়ায় পানির মাঝে খাম্বার মত দাঁড়িয়ে ইট ভাটার চুল্লী
ঢাকার কোলাহল থেকে বেরিয়ে এসেছি
ঢাকা-উত্তরবঙ্গের হাইওয়ের উপর দিয়ে উড়ে চলেছি
এইটা কোথায় আমি নিজেও জানিনা! কেউ বলতে পারেন?
বোঝা যাচ্ছে এ দেশকে কেন সবাই সবুজ-শ্যামল বাংলা বলে!
নিচে যমুনা ব্রিজ..
হেলিকপ্টারের ডানার পাশেই বসেছিলাম আমরা
এই সবুজের কোন তুলনা আছে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



