প্রথমবারের মত ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অবশ্যই আনন্দের খবর। বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনালে না উঠতে পারলেও ৬টা ম্যাচের মধ্যে ৩টাতে জয়লাভ করেছে--এটাও আনন্দের খবর। সাথে সাথে বেদনার খবরও আছে। যেমনঃ নিজেদের মাঠে ২বার ১০০ রানের নিচে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। যে ৩টা ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ তার ২টি হার অত্যন্ত লজ্জাজনক। এছাড়াও আরো আছে---
খেলা হচ্ছে এদেশে কিন্তু প্রতিটা ম্যাচই দেখতে হচ্ছে ভারতের চ্যানেলগুলোতে। গিলতে হচ্ছে ভারতীয়দের (বিশেষ করে সিধু নামের মানসিক রোগীটার) তাচ্ছিল্যভরা মন্তব্য আর জ্ঞানগর্ভ (!) বিশ্লেষণ। মরার উপর খড়ার ঘাঁ এর ব্যাপারটা হলঃ যদি ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায় তাহলে ভারতীয় চ্যানেল দেখা বন্ধ করতেই হবে। সিধুর মত লোকের অভাব হবে না!
স্টার স্পোর্টস চ্যানেল এবার হিন্দিতে ধারাভাষ্য দিচ্ছে। তাদের ধারাভাষ্য শুনে এই প্রথমবারের মত মনে হচ্ছে--আমাদের জাফরুল্লাহ শরাফতকে আমরা হয়ত বেশিই কমেডিয়ান বলেছি। কারন ভারতীয় ভাষ্যকাররাও কম যান না। কিছু কিছু শব্দ পুরাই তাব্দা খাওয়ার মত; যেমন--
ঢিমা বল== মানে স্লো বল
ভাগ্যশালী== মানে ভাগ্যবান
বড়িয়া শট== মানে চমৎকার শট
গেমবাজ, বাল্লেবাজের কথা বাদই দিলাম।
এরপর থিম সং। বিশ্বকাপের মত একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের থিম সং কিভাবে এত নিম্নমানের (আমার মতে) হয় বুঝতে পারিনা। জিও খিলাড়ি বাহে! বাহে! কিংবা দে ঘুমাকে! এইসব কথা/লিরিকের মাঝে কি এমন থিম লুকিয়ে আছে তেনারাই হয়ত ভাল বলতে পারবেন। পাড়ার একটা ক্লাবের থিম সং-ও এর চাইতে ভাল হয়। অথচ কে'নানের কন্ঠে গাওয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের থিম সং এখনও গুনগুনিয়ে গাই। গিভ মি ফ্রিডম, গিভ মি ফায়ার, গিভ মি রিজন, টেক মি হায়ার.... গানটার মাঝে জীবনের একটা আলাদা আবহ/থিম আছে। সে তুলনায় কোথায় দে ঘুমাকে!!
শেষে একটা আরেকটা আনন্দের খবর (দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো আরকি!)-- যেই জিতুক বিশ্বকাপ তো আমাদের প্রতিবেশীদের কাছেই থাকছে!!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১০:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


