আমার প্রিয় পোস্ট
- কম্পিউটার প্রতিদিন (কপি পেস্ট) - দ্যাখেন তো কাজে লাগে কি না ? - প্রবালাহমেদ
- যে আবিষ্কারগুলো কেড়ে নিয়েছিল আবিষ্কারকদের প্রাণ - দৈনিক কপি-পেষ্ট
- ভারতের জি নিউজে গরম খবর...বাংলাদেশে উলফা নেতা পরেশ বড়ুয়ার বিনিয়োগ ১৫০কোটি টাকা! - কাজী রিদয়
- তাশফী দাদা ধুতিটা একটু সামলান এভাবে ধুতি রক্ষা করতে গিয়ে একদম খুলে ফেলছেন যে দাদা - রঙের ফানুস
- বাংলাদেশকে দেয়া ভারতের উপহার সামগ্রী - জাগারণ
- প্রথম আলো আদিবাসী লেখে কেন ? আমরা তো জানি উপজাতি।
- হেডস্যার
- ইন্টারভিউ: অরিল্ড ক্লকারহগ, প্রতিষ্ঠাতা, সামহোয়্যার ইন লিমিটেড । - প্র।ইভেট
- ভারতীয় জনতা পার্টি নেতা সুব্রাহ্মনিয়ান স্বামীর দাবি : সিলেট থেকে খুলনা পর্যন্ত দখল করে নেয়া হোক - nazmulfeni
- বীরশ্রেষ্ঠ: মুন্সি আব্দুর রউফ(১৯৪৯-১৯৭১) - মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী
- মিছা ইব্রাহিম, নৌকাতে ছড়িয়া মর্দে সাঁতার ও কাটিল (ছবি ব্লগ) - আন্ডা মিয়া
- তাই তো বলি- জিয়া কে হেয় করার জন্যে এই শামসুদ্দিন মানিকদের এত উতসাহ কেন?? - স্বাধীনতার_অপেক্ষায়
- ভাল ব্রেকিং নিউজ : তাহেরের বিচার ছিলো অবৈধ: হাইকোর্ট - নুরুজ্জামান মানিক
- ২৯ মার্চ নিউজিল্যান্ডের কাছে সেমিফাইনালে ৪৫ রানের ব্যবধানে হেরে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের স্বপ্ন ভংগ হবে:# - (পীর বাবা তিত্লামিঞার ভবিষ্যৎ বানী) - কক
- গল্প: রূপা চাকমার গান - ইমন জুবায়ের
- আয়ের অর্ধেক বাড়ি ভাড়া দেন নগরীর ৫৭ ভাগ মানুষ - উত্তম কুমার নাথ
- গল্পকথা - রিমঝিম বর্ষা
- সিইসি,এইচটি ইমাম ও কামরুল ইসলামকেও গ্রেপ্তার করা হোক - ইবনে সালাম
- মূর্তি নিয়ে ফান!!! (+ ১৮)!!! - ঈবলিশ
- মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা বুদ্ধ আর শস্যপোড়া ছাই হতে উত্থিত হোক বিদ্রোহী মধুপূর্ণিমা। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- একনজরে দেখে নিন মহান সাহারা আপার সম্প্রতি অবদান - বাহারুল ইসলাম বাহার
বাবা দিবস: জেলখানায় বন্দি বাবার কাছে এক কিশোরী মেয়ের খোলা চিঠি (রিপোস্ট)
২০ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৩৯
জেলখানায় বন্দি সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের কাছে তাঁর কিশোরী মেয়ের খোলা চিঠি-
বাবা,জেলখানার দেয়াল, প্রিজন ভ্যান, আদালতের কাঠগড়া, পুলিশের রিমান্ড- এসব নিযে তুমি যে কেমন আছো তাতো জানিই। এই চিঠি তোমার কষ্ট আরও কয়েকগুণ বাড়াবে তাও জানি। তবুও লিখছি। কারণ, আমি আর সইতে পারছি না বাবা। ক’দিন ধরে আমার ’ও’ লেভেল পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষার হলে যাচ্ছি একাই , আসছিও একা। কারণ, মা দিনরাত ব্যস্ত শুধু তোমার মামলা-মোকদ্দমা নিয়ে। কিভাবে তুমি জেল থেকে ছাড়া পাবে সেই চেষ্টায় মা নাওয়-খাওয়া ভুলে উদভ্রান্তের মতো এদিক-ওদিক ছুটোছুটি করছে। উকিল-মোক্তার , দারোগা-পুলিশ আর জেলখানার কর্তাবাবুদের পেছনে শুধু দৌড়াচ্ছে। তোমাকে বহনকারী দুঃস্বপ্নের সেই প্রিজন ভ্যানের পিছু পিছু ঢাকা-চাঁদপুর-কুমিল্লা-রংপুর-সিলেট-ঢাকা ছুটতে ছুটতে মা ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না। এখন আমি মাকে দেখবো? নাকি মা আমাকে দেখবে? ইচ্ছে হলেই তোমার সঙ্গেও দেখা করতে পারি না। বলো বাবা আমরা এখন কি করবো?
বাবা, এই বুঝি তোমার দেশপ্রেমের প্রতিদান? দেশের জন্য কাজ করবে বলে , দেশের মানুষের সেবা করবে বলে একদিন আমেরিকার নাগরিকত্ব, নিশ্চিত বিলাসী জীবন, আর আমার উন্নত লেখাপড়ার সুযোগ-সবকিছু তুচ্ছ করে ফিরে এসেছো দেশের মাটিতে। তারপর দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থাকে নকলমুক্ত করবে বলে রাতদিন পাগলের মতো ছুটে বেড়িয়েছো দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। এসব করতে গিয়ে কতবার তুমি মারাত্মক অসুস্থও হয়ে পড়েছিলে। আর আজ তুমি কারাগারের চার দেয়ালে বন্দী হয়েছো একজন ছিনতাইকারী হিসাবে। ওরা তোমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে মোবাইল ফোন আর ভ্যানেটি ব্যাগ ছিনতাইয়ের অভিযোগে। বাবা, কোর্টের জজ সাহেবরাও কি বিশ্বাস করছেন এই অভিযোগ? তাহলে কেন তুমি ছাড়া পাচ্ছো না? কেন তোমাকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন মঞ্জুর করলেন বিচারক? দেশে কি বিচার বলতে কিছু নেই? আমি কেন তোমার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি? আমার কি অপরাধ, বলো বাবা? কি করবো, কিছুই বুঝতে পারছি না। পরীক্ষাটাও ভাল হচ্ছে না। সবকিছু কেমন যেন এলামেলো হয়ে যাচ্ছে। দিনগুলো সত্যিই বদলে গেছে আমাদের জীবনে। জানি না এই দিন বদলের শেষ কোথায়। বাবা তুমি ভাল থাকো।
ইতি
(তানজিদা)
তোমার একমাত্র সন্তান
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দুরন্ত ইসলাম বলেছেন:
এই চিঠি আপনি কই পেলেন? মিলন সাহেব আপনার কি লাগেন? অন্যের চিঠি এই ভাবে প্রকাশ করা আপনার কি উচিত হয়েছে?
লেখক বলেছেন: এই চিঠি ১৪ জুন দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছে। মিলন সাহেব আমার কেউ না। তবে আমি বিশ্বাস করি তিনি আমাদের ঘুনে ধরা শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাই আমি ব্যক্তিগত তাকে শ্রদ্ধা করি।
সুপ্ত সবুজ বলেছেন:
এখন কি জজ সাহেবরা আর জজ সাহেব আছেন। তারা হয়ে গেছেন জজ চামচা আর জজ গোলাম। বিচার ব্যবস্থা স্বাধীনের নামে চলছে বিচারের প্রহসন। দুরন্ত ইসলাম চিঠি দেখে এত ক্ষেপলেন কেন? তার কি কোথাও ঘা লেগেছে? অবশ্য তার পেটে যদি ভাল কিছু না সয় তবে তিনি উচ্ছিষ্ট খোজ করবেন এটাই স্বাভাবিক।
লেখক বলেছেন: এটাই কি দিন বদলের নমুনা?
""ফয়সল অভি "" বলেছেন:
যে লিখুক, একটা বিষয় পরিষ্কার দেখা যাইতে সকল রাজনৈতিক নেতাদের সন্ততানরা সাধারণত পাবলিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়া লেখা করে না তাই রাজনীতিবিদরা পাবলিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এর শিক্ষার্থীদের নিয়ে নানারকম খেলা । তাই ক্ষমতার পরিবর্তনে যখন রাজনীতিবিদতরা লাল বাম্বো খায় আমরা সাধারণ জনগণ এর জন্য এতটুকু ব্যাথিত নই । ববং লাল দালানে বাম্বোর সাইজ আরো বাড়ানোর বিনীত আবেদন করছি । :-)
লেখক বলেছেন: নকল মুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা যদি কারো কাছে খেলা মনে হয় তাহলে আশাকরি তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা অন্যায় হবে না ।
লেখক বলেছেন: যতটুকু জানি আপনি একজন প্রতিবাদি মানুষ। তাই আপনার মন্তব্যই আশাকরি।
রহস্য বালিকা বলেছেন:
খারাপ লাগছে মেয়েটার জন্য।
লেখক বলেছেন: অথচ ১০ টি মামলার সবকটিতে জামিন পাওয়ার পর গত চারদিন আগে মিলনের বিরুদ্ধে ১১ নম্বর মামলা দিয়ে জেলহাজতে আটকে রেখেছে।
গুনাহগার বলেছেন:
বাংলাদেশে নকল মুক্ত শিক্ষা চালু করার পিছনে মিলন ভাইর ভুমিকা আছে।ডিজিটাল দলের লুকেরাও এটা বিশ্বাস করে।
উনি নাকি একটা ভ্যানিটিব্যাগ ছিনতাই এর অভিযোগ এ জেলে আটক।
হয়রে বাংলাদেশ !
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এটাই আমাদের জন্য পরিহাসের বিষয়।
আকাশের তারাগুলি বলেছেন:
সব সন্তানের কাছে বাবাই সব কিন্ত সব বাবা কি সন্তানের বিশ্বাসের দাম দেয়। বাবারা যদি সন্তানের বিশ্বাসের দাম দিত তবে তো দেশে কোন অপকর্ম হতোনা, চুরি হতো না।
লেখক বলেছেন: বাবা হিসেবে মিলনের অপরাধটা কি ? তিনি দেশকে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমুল পাল্টে দিয়েছেন। তারপরও তার এই অবস্থা কেন?
লুৎফুরমুকুল বলেছেন:
কথাগুলো হৃদয়ছোঁয়া। আপনাদে ধন্যবাদ এটা এখানে দেয়ায়। আসলে মিলন সাহেবের দোষ কি তা কবড় কথা নসয় উনি নকলমুক্থ পরিবেশ গড়ার কারিগর। এখন আমাদের নাহিদ ভাইও অনেক কিছু করতেছেন। আসুন আমরা সাদাকে সাদা ও কালো রেক কালো বলতে শিখি।
লেখক বলেছেন: আপনার সাথ আমিও একমত।
মিজান আনোয়ার বলেছেন:
আ ন ম এহছানুল হক মিলনের জন্য মনে অনেক কষ্ট হয় দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থাকে নকলমুক্ত করেন তিনি । কচুয়া ওনি অনেক উন্নয়ন মুলক কাজ করেন।এখন তো কচূয়া তে কোন কাজ এ নেই। রাস্তা গাট স্কুল কলেজ। মসজিদ মাদ্রাসা কালবাট ব্রীজ সব কিছু আ ন ম এহছানুল হক মিলন করে দিয়েছে আর ওনার নামে ছিনতাইকারী মামলা ছিনতাইকারীর মামলা ওনি জেল খাটতেছেন আজিব বাংলাদেশ
লেখক বলেছেন: আমাদের দিন বদলের সরকার এটা না বুঝলেও আশাকরি জনগণ ভালভাবেই বুঝতেছে। তাই সময় হলে এর জবাব তারাই দিবেন।
লেখক বলেছেন: নিশ্চুপ কেন ভাই? সরব প্রতিবাদের সময় এসেছে। চট্টগ্রামের দিকে তাকান।
মিজান আনোয়ার বলেছেন:
ম ঘা আলমগির সাহেব কাজটা ঠিক করিতেছে না
লেখক বলেছেন: কিন্তু সমস্যা হলো, এটা যে ঠিক হচ্ছে না সেটা বুঝার ক্ষমতাও এই লোকটার নাই।
ফুরামন ২ বলেছেন:
সত্যিই দুঃখজনক ঘটনা।
লেখক বলেছেন: কিন্তু ডিজিটাল সরকার এটা বুঝতে পারছে না।
পরান বলেছেন:
বাংলাদেশে নকল মুক্ত শিক্ষা চালু করার পিছনে মিলন ভাইর ভুমিকা আছে।ডিজিটাল দলের লুকেরাও এটা বিশ্বাস করে।
উনি নাকি একটা ভ্যানিটিব্যাগ ছিনতাই এর অভিযোগ এ জেলে আটক।
হয়রে বাংলাদেশ !
লেখক বলেছেন: এটাই তো আক্ষেপের বিষয়।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
চিঠিটা পড়েছি। মর্মস্পর্শী। মিলনের চেয়ে অনেক অনেক বড় চোর বাটপার প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ।
লেখক বলেছেন: কিন্তু সরকার সেসব তো দেখছে না।
আবদুল্লাহ্-আল-মামুন (সোহাগ) বলেছেন:
মেয়েটির প্রতি সহমর্মী তবে এটা কিন্তু মিলইন্যার পাপের ফল। তার জন্য এখন তার পরিবার কষ্ট করছে। ছাত্র অবস্থায় মিলন প্রতিপক্ষের উপরে নির্মম হামলা করে শিক্ষাঙ্গনে যে সুবাতাস বইয়েছিলেন, সে বাতাস এখন ঝড় হয়ে তাকে আদর করছে।
লেখক বলেছেন: আপনি হয়ত ভুলে গেছেন যে মিলনের বিরুদ্ধে মামলা হয়ে ভ্যানেটি ব্যাগ ছিনতাই এর অভিযোগে।
সুখি মানুষ বলেছেন:
নকলের হিড়িকে বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে যখন সুস্থ মূল্যায়ন কল্পনারও অতীত তখন জনাব মিলন আমাদেরকে নকলমুক্ত পরীক্ষা উপহার দিলেন। দুঃসাধ্যকে আয়ত্ব করলেন। জাতি যেখানে তাকে ধন্যবাদ দেয়ার কথা, সেখানে তার কপালে জুটেছে চার দেয়ালের কারাগার। দিন দিন আমার এ বিশ্বাস ঘনীভূত হচ্ছে - এক অকৃতজ্ঞ ও বিশ্বাসঘাতি জাতি আমরা। অথবা আমাদের যারা প্রতিনিধিত্ব করছেন তারা এ গুণে ভূষিত। গুণীর মূল্যায়ন দিই না। অনুগ্রহকারীর কৃতজ্ঞতা স্বীকার করি না। বরঞ্চ চাটুকার, বিশ্বাসঘাতকরাই যাবতীয় সুযোগ সুবিধা ও নেতৃত্বের আসন দখল করে আছে।
কবে যে, জাগবে সজ্জনেরা, বিদ্রোহ করবে অনাচারের বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে।
লেখক বলেছেন: সত্যিই আমাদেরকেই আগে সচেতন হতে হবে। প্রতিরোধ গড়তে হবে ক্ষমতাসীনদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে।
লেখক বলেছেন: যথার্ত বলেছেন।
মুহিব বলেছেন:
যদি ধরেও নেই মিলন দূর্লীতিপরায়ন ছিল তবুও তাকে এত সামান্য এক্সকিউজে রিমান্ডে নেয়া বা আটক রাখা অন্যায়। বিচার তার স্বাভাবিক গতিতে চললেই ভাল। আজ যারা আইনের দোহাই দিয়ে এসব কাজ করছে কাল তাদের জণ্যই এই আইন অপেক্ষা করছে।
লেখক বলেছেন: দুঃখের বিষয় হচ্ছে যে যারা ক্ষমতায় আছেন তারা এই চির সত্যটা এখনো উপলব্দি করতে পারছে না।
সুখসাগর বলেছেন:
হ্যাঁ হৃদয়ছোঁয়া। বাবার জন্য মেয়ের ভালবাসা। আর হ্যাঁ শিক্ষাঙ্গন হতে নকল মুক্ত এটা আরো যারা শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাদের দ্বারা হয়তবা সম্ভব ছিল কিন্তু তারা তা পারেন নাই। মিলন সাহেব তা পেরেছেন। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অথচ মিলন সাহেব ধন্যবাদ পাওয়ার বদলে পেলেন জেলখানার চার দেয়ালে আবদ্ধ বন্দি জীবন।
অলস ছেলে বলেছেন:
দু:খজনক
লেখক বলেছেন: কিন্তু এই দুঃখজনক ঘটনা আর কতদিন চলতে থাকবে?
ত্রিভুজ বলেছেন:
ভ্যানিটি ব্যাগ ছিন্তাইয়ের মামলায় একজন মন্ত্রীকে আটকে রাখার নজীর পৃথিবীতে আর কোথাও নেই। এটাই আমাদের বাংলাদেশ....
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এটাই আমাদের বাংলাদেশ!
সাবাস আওয়ামী লীগ, বিএনপি তোমাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখছে, ওরা ক্ষমতায় গেলেই টের পাইবা, হা হা।
অ. ট. ঃ আমি ভাই কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থক না।
লেখক বলেছেন: ক্ষমতা বদলাতে মধ্যপন্থীরা বেশি ভূমিকা রাখে।
আর.এইচ.সুমন বলেছেন:
বাবা আসলে বাবাই .....
লেখক বলেছেন: এইটা আমাদের প্রধানমন্ত্রীও বুঝেন। তবে শুধু নিজের বেলায়।
কথা সত্য বলেছেন:
ত্রিভুজ বলেছেন: ভ্যানিটি ব্যাগ ছিন্তাইয়ের মামলায় একজন মন্ত্রীকে আটকে রাখার নজীর পৃথিবীতে আর কোথাও নেই। এটাই আমাদের বাংলাদেশ....
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এটাই আমাদের বাংলাদেশ!
মোস্তাফিক বলেছেন:
খুবই দুঃখের।
লেখক বলেছেন: এই দুঃখটাই বুঝতে পারছে না ক্ষমতাসীনরা।
সাইফিহমুেবষ্ট বলেছেন:
আবদুল্লাহ্-আল-মামুন (সোহাগ) বলেছেন: মেয়েটির প্রতি সহমর্মী তবে এটা কিন্তু মিলইন্যার পাপের ফল। তার জন্য এখন তার পরিবার কষ্ট করছে। ছাত্র অবস্থায় মিলন প্রতিপক্ষের উপরে নির্মম হামলা করে শিক্ষাঙ্গনে যে সুবাতাস বইয়েছিলেন, সে বাতাস এখন ঝড় হয়ে তাকে আদর করছে।লেখক বলেছেন: আপনি হয়ত ভুলে গেছেন যে মিলনের বিরুদ্ধে মামলা হয়ে ভ্যানেটি ব্যাগ ছিনতাই এর অভিযোগে।
ইট টি মারলে পাটকেলটি খেতে হয়। এটা সতি কথা।
লেখক বলেছেন: কিন্তু পাটকেলের পরে কি হতে পারে তা কি ভেবেছেন?
সাইফিহমুেবষ্ট বলেছেন:
ঘোড়ার আন্ডা.........................।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে আপনি সেটার জন্যই অপেক্ষা করতে পারেন।
ডান্ডা মারি ঠান্ডা করি বলেছেন:
কষ্টের ।
লেখক বলেছেন: এই কষ্টটা ক্ষমতাসীনরা বুঝবে কবে, সেটাই তো প্রশ্ন।
জোহারাজ বলেছেন:
ভাই কিছু বইলেন না । তা না হলে কয়েক দিন পর নিজেকে আবিস্কার করবেন জেল -হাজতে । শুধু দেখে জান কিছু বলা জাবে না.........
লেখক বলেছেন: আমাদের কিছু বলতেও হবে না। যা বলার সময়মত জনগণই বলবে। চট্টগ্রামে একটু আলামত ইতিমধ্যে জনগণ দেখিয়েছে।
শ্রাবণ এর বৃষ্টি বলেছেন:
বড় দু:খের, কষ্টের ........
লেখক বলেছেন: শুধু কষ্টের না অমানবিকও
মেঘবন্ধু বলেছেন:
আমি যদি মামলা করি যে সাহারা খাতুন আমার জুতা চুরি করছে তাইলে কি পুলিশ হেরে গ্রেফতার করব?
লেখক বলেছেন: মামলা রজু করতে গেলেই তো আগে আপনি গ্রেফতার হবেন। অতএব--
ব্ল্যাকমেটাল বলেছেন:
মিলন সাহেবের কোন অপরাধ থাকলে তার শাস্তি হোক কিন্তু আজগুবি মামলা কেন?শালার সরকার যুদ্ধারপরাধীর বিচার না করতে পারলেও যারা দেশের জন্য কাজ করবে তাদের জ্বালাবে?
দালাল গেস্ট ও ব্লগারদের কাছে প্রশ্ন, "আপনাদের জানা মতে মিলন আবার যুদ্ধারপরাধী নয় তো?"
লেখক বলেছেন: আজগুবি মামলা দিয়ে আসলে মামলাকারীরা নিজেদের দৈন্যতাই প্রমাণ করছে।
ব্ল্যাকমেটাল বলেছেন:
জোহারাজ বলেছেন: ভাই কিছু বইলেন না । তা না হলে কয়েক দিন পর নিজেকে আবিস্কার করবেন জেল -হাজতে । শুধু দেখে জান কিছু বলা জাবে না......... মেঘবন্ধু বলেছেন: আমি যদি মামলা করি যে সাহারা খাতুন আমার জুতা চুরি করছে তাইলে কি পুলিশ হেরে গ্রেফতার করব?
সাইফিহমুেবষ্ট বলেছেন: আবদুল্লাহ্-আল-মামুন (সোহাগ) বলেছেন: মেয়েটির প্রতি সহমর্মী তবে এটা কিন্তু মিলইন্যার পাপের ফল। তার জন্য এখন তার পরিবার কষ্ট করছে। ছাত্র অবস্থায় মিলন প্রতিপক্ষের উপরে নির্মম হামলা করে শিক্ষাঙ্গনে যে সুবাতাস বইয়েছিলেন, সে বাতাস এখন ঝড় হয়ে তাকে আদর করছে। ---- হইতেও পারে! কি জানি!
লেখক বলেছেন: সব কিছু তো আর এক সাথে হতে পারে না। মিলন মোবাইল, ভ্যানিটি ব্যাগ চুরি করছে এটাই বা বিশ্বাস করবেন কিভাবে?
জেগে আছি বলেছেন:
এই লোকটা আসলে প্রতিহিংসার শিকার।বিএনপির আমলে এই লোকের কাজকর্মই একটু ভালো লেগেছে।মেয়েটির প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: বাস্তব সম্মত মন্তব্য এবং সমবেদনার আপনাকে ধন্যবাদ।
আকাশের তারাগুলি বলেছেন:
বাবা হিসাবে মিলনের এই অবস্থা কেন? এটা কচুয়া বাসীর চেয়ে আর ভালো কে জানে? আওয়ামিলিগের কোন কর্মী সমর্থককে কচুয়ায় ঢুকতে দেয়া হয়নি। এমন কোন কর্মী সমর্থক নেই যে তার অত্যাচার থেকে রেহাই পেয়েছিল। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর উঃ সেকি বীভৎস, বিভিষিকা ময় দিন রাত যাপন করেছে।নির্যাতনের সেকি করুন চিত্র।
নকলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, তার জন্য অপকর্ম থেকে রেহাই পাওয়ার কি স্কোপ থাকে?
লেখক বলেছেন: মিলনের বিরুদ্ধে মোবাইল ফোন চুরি, ভ্যানেটি ব্যাগ ছিনতাইয়ের মামলা দিয়ে জেল খানার ভেতর রাখায় কি কচুয়াবাসী খুব খুশি হয়েছে? নাকি তারা শান্তিতে আছে? এমন অনেকেই এখনো আছেন যারা নির্বাচনের পর থেকে বাড়িতে ফিরতে পারছেন না। তাহলে ব্যাপারটা কি দাঁড়াল?
আকাশের তারাগুলি বলেছেন:
তাহলে স্বীকার করলেন এমনটা ঘটেছিল। সো চিন্তা করেন আপনারা তখন এসব চোখেই দেখলেন না। আর এখন সব আপনার কাছে দিনের মত পরিস্কার লাগলো। আহ, মানুষের বিবেক বুদ্ধির তারিফ নাকরলে হয়না।মিলনের মেয়ে নিউজ পেপারে মেয়েহিসাবে তার ব্যাক্তগত অনুভুতি প্রকাশ করলো, মেয়ে হিসাবে সে এটা করতেই পারে। সন্তান হিসাবে তার বাবার কাছে তার এক্সপেক্টেশন ভিন্ন রকম, যেমন আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা, এমন টাই ধারনা থাকে সন্তানদের। কিন্তু বাবারা সন্তানের এই বিশ্বাসের মুল্য দিলে দেশে দুর্নিতি মস্তানি থাকতো না।
লেখক বলেছেন: আমি শুধু ২০০১ সালের নির্বাচনের পরের কথা বলিনি।২০০৮ সালের নির্বাচনের পরের কথাও বলেছি। স্বাধীনতার পর থেকে যারা এদেশে ক্ষমতায় গেছে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কম-বেশি দুর্নীতি আর ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ আছে। কিন্তু জাতীয় পর্যায়ে সুস্পষ্ট এবং কল্যাণকর অবদান আছে কয়জনের?
আজকে যারা বলে এদেশে স্বাধীন দুদক থাকার দরকার নেই তাদের কাছ থেকে জাতি কি আশা করতে পারে? এমনকি কচুয়াবাসী তার কাছ থেকে কি আশা করছে, এটাও বুঝতে পারবেন সময় হলেই।
সজল৯৫ বলেছেন:
জেগে আছি বলেছেন: এই লোকটা আসলে প্রতিহিংসার শিকার।বিএনপির আমলে এই লোকের কাজকর্মই একটু ভালো লেগেছে।মেয়েটির প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: চিঠিটা পড়েছি। মর্মস্পর্শী। মিলনের চেয়ে অনেক অনেক বড় চোর বাটপার প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে
লেখক বলেছেন: সতমর্মিতার জন্য ধন্যবাদ।
ভুডুল বলেছেন:
+
লালু কসাই বলেছেন:
রজনিকান্তের শিবাজি দ্যা বস ছবিটা মেয়েটাকে দেখানো দরকার...রিয়েল লাইফে ভাল কিছুর প্রতিদান এভাবেই দিতে হয়...
কেএসআমীন বলেছেন:
বিএনপিকে নি্শ্চিহ্ন করার একটা মহাপরিকল্পনা এই সরকারের আছে বলে শুনেছি...এটা কি কোন গণতান্ত্রিক সরকারের চিন্তা হতে পারে?
মর্মস্পর্শী লেখা, ধন্যবাদ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















