অনেক ছোট বেলায় এক সাংবাদিককে চিনতাম নামটা ভুলে গেছি। যাই হোক নামটা না জানলেও ক্ষতি নাই।লোকটি বেকার ছিলেন বলে মাঝে মাঝে পত্রিকার হয়ে কাজ করতেন। তো মাঝে মাঝে করোতোয়া পত্রিকায় তার এক কলামের ছোট ছোট নিউজ আসতো। পত্রিকাটি বগুড়া শহর হতে প্রকাশ করা হত। এখনো চলে মনে হয়, সঠিক জানি না। সে সময় আমাদের থানা লেভেলে খুব কাটতি ছিল। তিনি নিজের এরকম কোন খবর পত্রিকায় ছাপা হলেই সবাইকে সেটি বারবার করে দেখাতেন। যদিও সেই খবরে তার কোন নাম লেখা থাকতো না।লেখা থাকতো নিজস্ব প্রতিবেদক।রাজশাহী চলে আসার পর তার আর কোন খবর পড়া হয়নি আমার কোনদিন। রাজশাহীর জীবনে আমার প্রথম সাংবাদিক দর্শন মানে পরিচয়ের কথা বলছি আরকি, আমি যখন ক্লাস টেনে পড়ি তখন। সালটা ২০০৩ ছিল। আমাদের কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন হাফিজ স্যার।সাইজে অনেক ছোট হলেও নিয়ম শৃঙ্খলার ব্যাপারে অনেক কড়া ছিলেন।মনে পড়ে সে দিনের কথা যখন ছাত্রদলের ক্যাডার-রা স্যারকে ক্রমাগত চাপ দিয়েও শেষ পর্যন্ত স্কুলে একজন ছাত্রও অবৈধভাবে ভর্তি করাতে পারে নি কেবলমাত্র স্যারের দৃড়তার কারনে। আমাদের অন্য স্যাররা বলতেন ছাত্রদলের ক্যাডার-রা নাকি হেড স্যারকে তার রুমের দরজা বন্ধ করে গায়ে পর্যন্ত হাত উঠিয়েছে। আবার পিস্তল দেখিয়ে নাকি জানে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়েছিল। তবুও তিনি তাদের অন্যায় দাবির কাছে মাথা নত করেননি। আমাদের সেই স্যারের নামে রাজশাহীর সে সময়কার জনপ্রিয় দৈনিক সোনালী সংবাদ একটি মিথ্যা নিওজ করেছিল। পুরো নিউজ ভুয়া ছিল।আমরা ক্লাসের ১৫/২০ জন সেদিন সোনালি সংবাদের অফিসে গিয়েছিলাম প্রতিবাদ করার জন্য, মনে পড়ে। ক্লাস ফ্রেন্ড্ সুমন, মুন্না, পল্লব, শাওন আরো অনেকেই সেদিন ছিল। পরে আমরা লিখিত কপি দিয়ে আসলেও তারা ছাপানোর ওয়াদা করেও সেটি ছাপায়নি। সংবাদপত্রে যে মিথ্যা লেখা ছাপানো হয় তখন জেনেছিলাম। পরের অভিগ্যতাগুলো আরো খারাপ ছিল এই সাংবাদিকদের ব্যাপারে। আমি যখন কলেজে সেকেন্ড ইয়ার-এ পড়ি তখন হতেই বেশির ভাগ সময় আমার কাটতো উপশহর সাইবার ক্যাফেতে। প্রসঙ্গত বলতে হয়, সাইবার ক্যাফের মালিক ছিলেন আমাদের পাড়ার সিনিয়র মনি ভাই। মনি ভাইয়ের ছোট বোন আমার বান্ধবী ছিল বলে কোনদিন টাকা লাগতো না সাইবার ক্যাফেতে বসতে। আর পরে মনি ভাই বাজারে তার গার্মেন্টর্সের শো রুম (ব্ল্যাক সোল) দিলে আমরা কয়েক বন্ধু সাইবার ক্যাফেতে বেশী সময় কাটাতাম। পরেতো আমি সার্ভার পিসিতেই বসা শুরু করি, কখনোবা ক্যাশ কাউন্টারে। তো যাই হোক ডেইলী রাতে ৯/১০ দিক মনি ভাই তার বন্ধুদের নিয়ে ক্যাফেতে আসতেন। অন্য সময়ও আসতেন। কিন্তু রাতের আড্ডা ছিল মাস্ট। তার অনেক বন্ধুদের মাঝে একজন আবার ছিল সাংঘাতিক। তার নামটা ভুলে গেলেও তার হাতে যে ক্যামেরা ছিল সেটি কোনদিন ভুলবোনা। ক্যানন-র ১৭.৬ মেগাপিগজেল। তাও আবার সেই ২০০৫ সালের দিকে। আমাদের সে সাংঘাতিক ভাই-র ১টা বাইক-ও ছিল বেশ ভাল। যাই হোক তাকে দেখে খুব ইছ্ছা হত সাংবাদিক হবার। কলেজ পাশ করে যখন আহসানউল্লাহ রাজশাহী ক্যাম্পাসে ভর্তি হলাম বাপ মার + মেঘনাদ স্যারের চাপে। কারন প্রথম বার কোথাও ভর্তি হতে না পারায় বাবা মা আর ভরসা পাছ্ছিলেন না। তাই মেঘনাদ স্যারকে দিয়ে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল করে ভর্তি করানো আরকি।যাই হোক প্রসঙ্গ হতে দুরে সরে গিয়েছি। যা বলছিলাম, সেই সাংবাদিক ভাই সাইবার ক্যাফেতে বেশী আসতেন তার বিভিন্ন ছবিগুলো আপলোড করে ঢাকার বিভিন্ন দৈনিকে পাঠানোর জন্য। তার সাথে আরো অনেক সাংবাদদিকও আসত। আর মাঝে মাঝেই আমকে সার্ভার ছেড়ে উঠতে হত। তো আমি আহসানউল্লাহ হতে পরে ঢাকাতে চলে আসি। আহসানউল্লাহতে একটি কারনে বেশ গন্ডগল হয়,যার ফলে ছাত্ররা বেশ ভাংচুর-ও করে। সেদিন মনি ভাইয়ের সেই সাংবাদিক বন্ধু এবং অন্য সাংবাদিকরাও সে নিউজ কাভার করতে আমাদের ক্যামপাসে এসেছিল। কিন্তু ততক্ষনে আমাদের ভাংচুর শেষ। তিনি আমকে বল্লেন ভাইয়া আরেকবার একটু সবাইকে ক্ষেপায় দাও।কয়েকটা আ্যাকশানের স্ন্যাপ নিয়ে নি। বারবার বলে একপর্যায়ে আমদের দিয়ে তারা পুণরায় একবার সেই অকাম করাই নিলেন। একজন সাংবাদিকতো পোলাপানের সামনে ভার্সিটি চেয়ারম্যান সম্পর্কে এমন বক্তব্য শুরু করলেন যে পোলাপান সব নতুন করে তান্ডব শুরু করে দিল। ছাত্রদের সামনে সবাই ক্যামেরা নিয়ে লাফঝাপ শুরু করায় পোলাপান আরো উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিল সেদিন। আর কাজগুলো সব সাংবাদিকরা ইনটেনশানালি করেছে শুধু নিউজ আর ছবি পাবার আশায়। আমি তাদের কাজ দেখে সেদিন এতটাই ধাক্কা খেয়েছিলাম যে বলার মত না। কারন নিজেরা ভাঙছিলাম কারন ছিল মনে করছিলাম তাই। কিন্তু যখন কেউ আমাকে ব্যবহার করে নিতে চেয়েছে তখন মেজাজ খারাপ হয়েছে। এর কয়েক মাস পরে আমি ঢাকা শিফ্ট হয়ে আসি। ঢাকা আসার পর ভর্তি হয়ে বাবার সাথে যেদিন রাজশাহী ব্যাক করলাম সেদিন রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সে ভয়াবহ ছাত্র সেনা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরদিন হতে কারফিও দেওয়া হয়। পরের দিনই মনে হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ ঘটে।অনেক ছাত্রকে সেদিন দেখেছি ব্যাগ ঘাড়ে দিগ্বিদিক পালাতে। পুলিশ আর আর্মির নির্যাতনের ভয়ে পালিয়ে যাছ্ছিল। রাস্তায় গাড়ি নাই। আবার স্টেষনে নাকি আর্মি এমন মার দিছ্ছে যে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না।অনেককেই আহত দেখেছি সেদিন। যাই হোক সেদিন বিকেলে সাইবার ক্যাফে গিয়ে দেখি সেই সাংবাদিকদের দল। ঢাকাতে আপডেট পাঠাছ্ছে। সার্ভারে দেখলাম কয়েকশো ছবির বিশাল ফোল্ডার। আজকের সংঘর্ষের ফুল কালেকশান। সাংঘাতিক বেটা ব্যাখ্যা করে আমাদের বুঝাছ্ছিল সংঘর্ষের ব্যাপারটা। একটি পিকচার দেখিয়ে বল্লেন যে, এইযে দেখতিছো পুলিশ টিয়ার শেল মারে, এটা আমি বলে দেওয়ার পরে মারছে। ব্যাটা পুলিশ টিয়ার মারে সোজা আর সব গাছে আটকিয়ে যায়। আমি বুদ্ধি দিলাম যে একটু কোনাকোনি ভাবে গাছের উপর দিয়ে মারতে। আমার কথা শুনে যেই না মারছে, আমি ছবি উঠায় ফেলছি। আবার আরেক ছবি দেখিয়ে বলে ছাত্রদের-ও এরকম নানা বুদ্ধি দিয়ে এ্যাকশানের বিভিন্ন ছবি তুলেছে। আমি তখন ভাবলাম শেখ হাসিনা কি আর সাধে এইগুলারে বলে সাংঘাতিক।সংবাদের আশায় এরা তো নিজের বউয়ের গলায় ছুরি চালাতে দ্বিধা করবে কি না সেটা নিয়ে একটু নতুন করে চিন্তা করতে হবে। এ ঘটনার বেশ কিছুদিন পরে আমার ক্লাস শুরু হলে আমি ঢাকায় চলে আসি। তাই আর সেই সাংঘাতিকদের কর্মকান্ড সম্পর্কে জানতে পারি নি। কিন্তু একবার ট্রেনে রাজশাহী আসার সময় আবার সেই সাংঘাতিকদের চরিত্র দেখলাম।
এইগুলা সব সেই সোনালী সংবাদের সাংঘাতিক। ট্রেনে আমরা কয়েক বন্ধু ছিলাম। রাতের জার্নি ছিল। সে সময় রাতের ট্রেন অনেক ফাঁকা যেত। আমার সাথে সজীব নামে এক বন্ধু ছিল। সজীব শান্তা মারিয়ামে ফ্যাশন ডিজাইনে পড়ত। ওর বাবা রেলওয়েতে চাকরি করত বলে কোনদিন ট্রেনের টিকিট কাটতো না। তো আমাদের কামরাতে ২জন সাংঘাতিক ছিল, আমরা জানতাম না।
মধ্যরাতের পরে হটাৎ হট্টগোল। ঘুম ভেঙ্গে গেল। উঠে দেখি টিটি টিকেট চেক করছে আর দুইজন যাত্রী তাদের সাথে তর্কে লিপ্ত। মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। পরে জানলাম যে যাত্রী দুইজন সাংঘাতিক। তারা তাদের কার্ড বের করে কি যেন বলছিল। টিটি টিকেট দেখতে চাইলে তারা কার্ড দেখিয়ে পার পাইতে চাছ্ছিল। হটাৎ তারা উত্তেজিত হয়ে তাদের ক্যামেরা বের করে কয়েকটা স্ন্যাপ নিল টিটি-র। আর বলতে থাকলো পরদিন পেপারে নিউজ দিবে যে টিটি ঘুষ চেয়েছে। পরে কাহিনী কিছুই বুঝলাম না, দেখলাম টিটি ৫০০ টাকার ১টা নোট তাদের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বিদায় নিলেন। বুঝলাম না টিটি ভয়ে ঘুষ দিলেন নাকি সাংঘাতিকরা ওই টাকা টিটি-র হাতে দিয়ে ছবি তুলেছিল? যাই হোক মেজাজ আমাদের সবার গরম হয়েছিল। কারন সজীবের বাবা রেলওয়েতে চাকরী করে বলে একটা সফ্ট কর্ণার তো ছিলই, তাছাড়া সাংঘাতিকরা একটু বেশী মাস্তানি করছিল। একজনতো ফোন-এ কাকে যেন বলছিল সকালে স্টেষনে ৫০/৬০ জন পোলাপান নিয়ে আসতে। যাই হোক ঘটনার সমাপ্তি তখনো হয়নি। পরে পুলিশ এসে আরেকবার ঘটনা জেনে গেল। এরপর একটু ঘুম দিব দেখি সিগারেটের গন্ধ। ট্রেনে সাধারণত সবাই সিগারেট খেলে দরজায় দাড়িয়ে খায়। কিন্তু কামরার মাঝে কেউ খায় না। উঠে দেখি সাংঘাতিকরা বিড়ি ধরাইছে। খুব আয়েস করে টান দিছ্ছে। যেন আরাম কেদেরায় বসে সুখটান!! মাথায় রক্ত উঠে গেল। আমার এক বন্ধু এ আই ইউ বি-তে পড়ে। দরগাপাড়ার টেরর, নাফিস। নাফিস বিশাল জোরে ধমক দিল, ওই কোন --দির ভাই সিগারেট খাইরে। আরো কিছু গালি দিয়ে উঠে দাড়িয়ে বল্ল, ও তোরা??? তোদের জন্য শালা ঘুমটা নষ্ট হল আবার জমিদারি --দাও না। আমি ভাবলাম যে এইবার সংঘর্ষ অনিবার্য। কিন্তু সাংঘাতিকরা দেখি একটু গাইগুই করে আর না পেরে সিগারেট নিয়ে বাইরে গিয়ে দাড়াল।সকালে স্টেশনে তাদের ৫০/৬০ কেন ১ জন সাংঘাতিক-ও আসে নি।
এই হল আমার মোটামুটি সাংবাদিক সম্পর্কে মোটামুটি প্রত্যক্ষ EXPERIENCE ।
সব সাংবাদিকদের সাংঘাতিক বলছি না। কিন্তু একথা চরম সত্য যে, একটি গণতান্ত্রিক দেশে এই সাংঘাতিকরা কোন কোন ক্ষেত্রে সরকারের চাইতেও বেশী ক্ষমতাবান। আবার আমার বিশ্লষনে আমি বিশ্বাস করি আমাদের দেশে কোন পত্রিকাই নিরপেক্ষ না। যারা নিজেদের সবচেয়ে বেশী নিরপেক্ষ দাবী করে সবার সামনে, তারাই হলুদ সাংবাদিকতায় অধিক পারদর্শী। এ প্রসঙ্গে একটি ঘটনা মনে পড়ে গেল। ৪ দলীয় জোট ক্ষমতায় থাকাকালে প্রথম আলো একটি নিউজ ছাপে, যেখানে দেখানো হয় হরতাল/অন্য একটি আন্দলনে পুলিশের আক্রমনে এক নারী জীবন বাঁচাতে আগুনের ওপর দিয়ে লাফ দিয়ে পালাছ্ছে। ২/৩ দিন পর অন্য আরেকটি পত্রিকা সে ঘটনা নিয়ে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে। সেখানে দেখানো হয় যে, প্রথম আলোর সে ছবি ছিল সাংবাদিকদের বানানো। মেয়েটিকে রিহার্সেল দেওয়ার ছবিও তারা প্রকাশ করে। আমি এ ঘটনার কোন প্রমান আপনাদের সামনে হাজির করতে পারব না। কিন্তু আপনাদের অনেকেই হয়ত সে নিউজ পড়েছেন।আর গত কয়েকদিন আগে আমরা বিরোধী দলের চিপ হুইপের উপর পুলিশের নির্যাতনের ব্যাপারে নিপোর্ট দেখেছি প্রথম আলোতে। কি নির্লজ্জ মিথ্যাচার। আমাদের স্বভাব হল দুমুখো সাপের মত। নিজ সার্থের সাথে সংগতিপূর্ণ রিপোর্ট হলে সেটি পড়ে খুব হাততালি দেই। আর বিপরীত হলেই তখন সেটি অপপ্রচার মনে করি। নিজ বুদ্ধি বিবেক আমরা আমাদের অনুসারিত রাজনৈতিক আদর্শের কাছে দাশ্খত দিয়ে রেখেছি যেন। আমাদের ভার্সিটির এবারের ইন্ট্রা ডিপার্টমেন্ট ডিবেট চাম্পিয়নশিপ-এ একটি টপিক ছিল এরকম "গণমাধ্যম গণমানুষের কথা বলে না"। আসলেই বলে না। আপনার অন্য যুক্তি থাকতে পারে। কিন্তু আমি মনে করি গণমাধ্যম আসলে কখনই গনমানুষের সার্থে কাজ করে না। তবে আপনি যদি বলেন যে, গণমাধ্যম একেকটি গোষ্ঠি বা মতাদর্শের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করে এবং ওই মতাদর্শ বা গোষ্ঠীর অনেক সমর্থক আছে, তাহলে বলতে হয় এই জায়গাতে গণমাধ্যম কিছুটা নিষ্ঠাবান দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্র।দেখুন ভিকারুন্নিসার বিষয়টি নিয়ে প্রথম লেখাটি আমি ব্লগে পড়ি ৩ তারিখ। আমিও ভেবেছিলাম সূত্র যেহেতু নয়া দিগন্ত সো গূরুত্ব না দিলেও চলে। ওঙ্কার-র মত ব্লগার-ও হয়ত আমার মত ভেবেই মন্তব্য করেছিলেন ও!! নয়া দিগন্ত!!। কিন্তু কি আশ্চর্য দেখুন যে প্রথম আলোকে দিন বদলের কান্ডারী মনে করছেন তার অবস্থান কি? যে মুন্নী সাহা টিভি রিপোর্টিংয়ে সারা দেশের মানুষের কাছে পরিচিত একটি নাম, তাঁর অবস্থান কি? পরশু দিনের কথা। কয়েকজন ব্লগারের লেখা পড়ে আমি চিন্তা করছিলাম মুন্নী সাহার নিশ্চুপের কারন কি?এ ঘটনা যদি জোট সরকারের আমলে তাদের দলীয় কোন নেতা কর্মী ঘটাত তাহলে তার অবস্থান কেমন হত?? আসলে প্রথম আলো বা এ টি এন-র মুন্নী সাহা যার কথায় বলুন, কেউই মনের সংকীর্ণতাকে উৎরাতে পারেন নি। মুখোস খুলে গেছে আর কি! আবার মেকআপ নিয়ে হয়ত ঠিক আবির্ভুত হবে তাদের পরিচিত ভঙ্গিতে। পাবলিক বলবে ওসাম ওসাম!!
সবশেষে একটি কথা বলি সময় এখন সত্যি বদলায়ছে, বদলায়ছে মানুষ। বদলায়নি শুধু বাঙালি!! আর ব্লগারদের বলি সংবাদপত্রের/টিভি-র এক মুন্নী সাহার মত আপনিও একজন সাংঘাতিক। ফেস বুকের একটি আন্দলন একটি দেশকে দিয়েছে মুক্তি। একটি মহাদেশকে করেছে উথাল পাথাল। সৈরাচারের সুখের গদিতে জ্বালিয়েছে বিপ্লবের আগুন। সে আগুনকে যেন কেউ ছোট করে না দেখে। সামান্য বলে যে ঘটনাকে আপনারা করতে চাছ্ছেন হেলা, সেটিই হতে পারে বুমেরাং। পরিশেষে একটি সুন্দর সমাজের প্রত্যাশা। যে সমাজে প্রতিদিন ঘুম হতে জেগে খবরের কাগজে পড়তে হবে না আরেকটি ধর্ষনের জঘন্য কাহিনী। আর পয়মলের সুষ্ঠ দৃষ্টান্তমূলক বিচার সে সমাজের পথ দেখাবে এই কামনা করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


