তারপর সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভিসি অফিসের সামনে জড়ো হয় রাজুকে বহিঃস্কার এবং সান্ধ্য আইন বাতিল এবং ছাত্রীদের নিরাপত্তার দাবীতে।
ফলাফলের আগে ছাত্রীদের প্রতি প্রক্টরিয়াল বডি:
--------------------------------------------------------------------------------
০১.
রাজুতো তোমাদের ছোটো ভাইয়ের মতো তাকে ক্ষমা করে দাও।
--প্রক্টরিয়াল বডি।
০২.
তোমরাই ছেলেদের ডেকে নিয়ে আসো। ঝুপড়িতে বসিয়ে রান্না করে এসে খাওয়াও... (খুবি নোংরাভঙ্গিতে কথাগুলি তিনি বলেন)
--খোরশেদ আলম, প্রভোস্ট, শামসুন্নাহার হল।
০৩.
তোমরা তো pair হয়ে ঘুরে বেড়াও। আর pair হয়ে ঘুরবে না। ঘুরলে তো এইরকমই হবে...
--চন্দন পোদ্দার, সহকারি প্রক্টর।
(আমরা যতোদূর জানি pair শব্দটা মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না; হয় বস্তু, যেমন জুতা, মোজা এইসব, একজোড়া জুতা... ইত্যাদি। মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় Couple. )
০৪.
তোমাদের দাবী মানতে পারি একটা শর্তে যদি তোমরা সন্ধ্যা ৫টার পর হল থেকে বের না হও।
--প্রক্টরিয়াল বডি।
০৫.
একজন ছাত্রী এইসব কথা প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে বলা হলো:
অ্যাই মেয়ে আর একটা কথা বললে তোমাকে বহিঃস্কার করা হবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
-- এনায়েত হোসেন, সহকারি প্রক্টর, হাউস টিউটর, প্রীতিলতা হল, শিক্ষক, দর্শন বিভাগ।
ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি....................
ফলাফল:
------------------------------------------------------------------
১. রাজুকে বহিঃস্কারের ঘোষণা দেয়া হয়
২. আন্দোলনকারীদের দমন করার জন্য এবং ভবিষ্যত হুমকি হিশেবে আন্দোলনকারীদের একজন জাহেদ রোকন ইতিহাস ৩য়বর্ষ কে মিথ্যে অভিযোগ এনে ( সে উচ্চস্বরে দাবী উচ্চারণ করেছিলো বলে, সবার চোখে চোখে তাকিয়ে প্রক্টরিয়াল বডি বললো, সে প্রক্টরের গায়ে হাত তুলেছে) বহিঃস্কারের ঘোষণা দেয়া হয়।
এর আগে আন্দোলনকে সহিংস রূপ দেয়ার জন্যে আন্দোলনকারীদের বাইরের একজন দয়াল চন্দ্র দেবনাথ (রাজুর দলের একনিষ্ঠ কর্মী) প্রক্টরের গায়ে জুতা ছুড়ে মারে।
৩. ভিকটিম মারজান রায়হানা রাজুর নামে মামলা করার পরও পুলিশ রাজুকে গ্রেফতার করছে না।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ১:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


