আমার প্রিয় পোস্ট
- আমার প্রথম কবিতার বই: পাখি ও পাপ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- দৃশ্যখাদকের চোখে ভাঁজ করা ঘুম - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- দৃশ্যখাদকের দল এবং স্মৃতির ভাঙা দেরাজ - হাসান মাহবুব
- কবি আব্দুল মান্নান সৈয়দ-এর ১০টি কবিতা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ই-পুস্তকে মুক্তগদ্য সংকলন: প্রিয় লেখকদের দৃষ্টি আকর্ষণ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- গদ্য: 'বাঙলা' শব্দের বানান এবং বাঙালি অথবা বাঙলাদেশী জাতীয়তাবাদ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- বাঙলাদেশে গার্মেন্টস্ শ্রমিকদের উপর বর্বর পুঁজিবাদীশোষণ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আজ কবি নির্ঝর নৈঃশব্দ্যের জন্মদিন - ব্লগার কমল
- নির্ঝর নৈঃশব্দ্য - লিটল হামা
- হুমায়ুন আজাদের একটি কবিতা... - ভিজামন
- প্রিয় সামহোয়্যারইন-কর্তৃপক্ষের কাছে সবিনয়-প্রস্তাব: ব্লগে বাঙলা-তারিখ সংযোজন করুন - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- পবিত্র রমজান নিয়ে নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২ এর কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিলাম - সাম্বাদিক
- সবুজ অঙ্গন ব্লগীয় কবিতাসংকলনে যাঁদের লেখা আসছে - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- নারী নিয়ে হুমায়ুন আজাদের পরিশ্রমসাধ্য কাজকে যারা অনুকরন বা নকল বলে তাচ্ছিল্য করছেন তাঁদের প্রতি জিজ্ঞাসা - দস্যু বনহুর
- প্রিয় হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ, সবগুলি(২০০)প্রবচন একসাথে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- শারদীয় প্রবচনগুচ্ছো: শ্রদ্ধা হুমায়ুন আজাদ - অন্যমনস্ক শরৎ
- নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২ এমন ডিজিটাল ভন্ডামীর কারনটা কি জানতে পারি? - ~অন্ধ~
- বাংলাদেশের সংবিধান কি ইতিমধ্যেই পরিবর্তিত হয়ে গেছে? - বিডি আইডল
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- প্রথমস্বর (প্রথম দশকে পরিব্যাপ্ত ও বিকশিত কবিদের নির্বাচিত কবিতা) - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- তেলরঙে আঁকা আমার নয়টি ছবির ফটোগ্রাফ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- শীর্ষ ব্লাগর না ! শ্রেষ্ঠ বেয়াদপ - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- প্রিয় বিনয় মজুমদারের আঠারোটি কবিতা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ভয়ানক নৈসঙ্গের ভিতর পাওয়া কাব্যগুলি-২ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম - খলিল মাহ্মুদ
- তিনি আরজ আলী, একজন আলো-আঁধারির পরিব্রাজক - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- কবিতাদলঃ খয়েরি পাখিদের আজ বাড়ি ফেরার তাড়া নেই - অমিত চক্রবর্তী
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- অন্ধকার কুসুম বৃন্ত - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- আসেন, কবি দীপঙ্কর সেন গুপ্ত'র একটি কবিতার ভিতরে যাই - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- সে, সে, এবং সে - হাসান মাহবুব
- ব্লগ থেকে গান - ১২ (শুন্য দুটি ঘর) - অচন্দ্রচেতন
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৬ ( যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো -শক্তি চট্টোপাধ্যায়)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- সাদা রঙের সেই রুমালটা রক্তজবা হয়ে গেল - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- ~~মৃত মেঘের ফোঁপানো কান্না~~ - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- রাখাল, আমি তোকে নিয়ে পালিয়ে যেতে চাই - কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি
- আমি শুধু রাখালের ঘুমন্ত ফুলকন্যা হয়ে থাকবো - কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি
- আমাদের ব্লগবাড়ি : ভালবাসার একটি বছর - নম্রতা
- ব্লগ থেকে গান - ১০ (একটি ঝুমকো আর একটি নীল) - অচন্দ্রচেতন
- আজ নির্ঝর নৈঃশব্দ্য'র জন্মদিন


- সবাক
- অনলাইনে পাওয়া জীবনানন্দ দাশের সব কবিতা - র হাসান
- কবিতা: সে - জীবনানন্দ দাশ - রাতফুল
- হুমায়ুন আজাদের একটি কবিতা... - ভিজামন
- মুছে দিয়ে: উৎসর্গ- নির্ঝর নৈঃশব্দ্য দাদা কে - ব্যতিক্রমী
- পাহাড়ের চূড়ায়-উৎসর্গ নির্ঝর নৈঃশব্দ্য ভাইকে - ব্যতিক্রমী
- নির্ঝর নৈঃশব্দ্য - দীপঙ্কর
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- কবি নির্ঝর নৈঃশব্দ্য :: প্রেয়সী বলেই ভালোবাসি - সবাক
- ফ্রেন্ঞ্চ খোঁপায় শ্বাসরুদ্ধ চুলের জোছনা - নম্রতা
- নির্ঝর নৈঃশব্দ্য - শত রুপা
- ব্লগের কবিতা : প্রবাহ ঝলকের নির্বাচিত সতেরো / ১ম পর্ব - ফকির ইলিয়াস
- কবি নির্ঝর নৈঃশব্দ্য আমার বিকৃত মস্তিষ্কের বাহক। - অন্তিম
- ছিন্নগ্রন্থির জলরঙে ঝুমঝুম বৃষ্টির রাত - মুক্তি মণ্ডল
- কথোপকথন সংক্রান্তিতে............হিজড়হ এবং অড়হড় শব্দমালা বিনিময়............ - নীল চাঁদ
- আমি ও আমরা - কাকশালিখচড়াইগাঙচিল
- আমার প্রিয় পোস্ট : মলয় রায়চৌধুরী'র কবিতা প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার - নৃপ অনুপ
- টিপাইমুখবাঁধ নির্মাণ প্রতিরোধে অস্তিত্বরক্ষার প্রশ্নে দেশে বিদেশে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলুন - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- শূন্যতা পর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
আসেন, কবি দীপঙ্কর সেন গুপ্ত'র একটি কবিতার ভিতরে যাই
০২ রা আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬
০১.
প্রথমে আমরা কবিতাটি পড়ি। কবিতাটির শিরোনাম:
জরিপ এবং নির্ণয় অভিলেখ
কবিতাটি নিম্নরূপ:
হাড়ের পাশে বেড়ে উঠছে লীন অনুতাপ
মুখের ছায়ায় সরে সরে যায় পতনের মালিকানা
খোঁপে নড়ে চড়ে ঘুঁটি মন্তব্যহীন
প্রাথমিক সংক্রমন গারদ বন্দিপরস্পর
ঠোঁটের কষ ততোক্ষণ ভেজা ক্রিয়াশীল আঙুলে ছোঁয়া-ছুঁয়ি পর্যবেক্ষণ
মাঝবেলার সরাসরি অন্যায় নিরাপদ ঘেরাটোপ কারিগর
বিভাগটান মিশে মিশে নির্ণয়মান ভুল হয়
০২.
আমি কখনোই বলছি না যে কবি কী বলতে চেয়েছেন তা আমি জানি। সেটা কবিও জানেন কিনা সংশয়। তবে সেটা অবশ্যই সাহিত্যের অধ্যাপক জানেন। কেউ সত্যি সত্যি কবির মনের কথা জানতে চাইলে সাহিত্যের অধ্যাপকের কাছে যান।
আমি সাধারণ পাঠক। আমি কবিতাকে নিজের মতো পাঠ করবো। এবং নিজস্ব ব্যাখ্যান প্রকাশ করবো।
০৩.
কবিতা কী? কিংবা পদ্য আর কবিতার মধ্যে পার্থক্য কী? এটা সাধারণ প্রশ্ন। এবং আমি কী মনে করি?
আমি মনে করি পদ্য হলো পদ্যকারের সৃষ্টি করে দেয়া একটি জগত। যেখানে পাঠক বিচরণ করবে। বিচরণ করা আর প্রস্তুতকৃত রস আস্বাদন করা ছাড়া পাঠকের আর কোনো কাজ নেই। যেমন, আমাদের ছোটোনদী চলে বাঁকে বাঁকে শোনার সাথে সাথেই আমরা নদীর বাঁকে চলে যাই এবং পদ্যকারকৃত দৃশ্যে ঘুরাঘুরি করি। নিজে কিছু বানাই না। অন্যেরটা খাই, অন্যেরটা পরি।
আর কবিতা হলো একটা অন্তহীন অভাবনীয় জগতের দরজা। যেটা কবি তৈরি করেন। তারপর তিনি মৃত। পাঠক সেই দরজা দিয়ে ঢুকে নিজের মতো করে জগৎটাকে তৈরি করেন এবং বিরচরণ করেন এবং নিজের সৃষ্ট গাভীর দুগ্ধ পান করেন মানে রস আস্বাদন করেন।
০৪.
মনে করেন কবিতা একটি। দরজাও একটি। কিন্তু পাঠক অনেক। তাহলে কি পাঠক একই জগৎ তৈরি করবে? না, পাঠকের অভিজ্ঞতা আর চিন্তার ভিন্নতার কারণেই পাঠক একই দরজা দিয়ে ঢুকে বিভিন্ন জগৎ তৈরি করবে। পাঠক বেরিয়ে এসে পুনর্বার প্রবেশে তার জগৎ পাল্টেও যেতে পারে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু পাঠক জানবে না, কবি কী বলতে চেয়েছেন। সোনারতরী কবিতা সম্পর্কে রবিঠাকুর কে জিজ্ঞেস করা হলে বলেছিলেন তিনি এইখানে বর্ষার চিত্র ছাড়া কিছুই বিস্তার করেন নি। অথচ সাহিত্যের অধ্যাপকরা এই কবিতা নিয়ে ইহকাল পরকাল একাকার করেছেন।
০৫.
আমি এইখানে কোনো তত্ত্ব বলবো না। কেননা আমি তত্ত্ব জানি না।
০৬.
অনেকেই কবিতাকে শব্দের খেলা মনে করেন। মনে করেন হাজার হাজার শব্দ, রূপ, অলঙ্কার, মতো মতো মতো ইত্যাদি।অনেকে আবার শব্দমোহে ডুবে থাকেন; শব্দের মায়া কাটাতে পারেন না। চমকপ্রদশব্দ(যথা: যোনি, শিশ্ন, স্তন, পোঁদ, মূত্র, ভগাঙ্কুর, রজঃ, বীর্য, সঙ্গম, শীৎকার, মাস্টারবেট) সহযোগে অসার্থক শব্দবন্ধ তৈরি করে পুরা কবিতার ভারসাম্যকে নষ্ট করে আলোচিত হতে পছন্দ করেন। দাদা, ইহাকেই স্টান্টবাজি বলে।
অনেকেই মনে করেন বাঙালি আবেগপ্রবণ জাতি হেতু তার কবিতাও আবেগে টলটলে দিঘি জলাশয় বাদামক্ষেতবহুল প্রমূখ। অনেকেই আবার ঐতিহ্যের কথা বলে আটশোবছরের ভিনদেশি শব্দ এবং তারও আগের পৌরাণিক শব্দে ফিরে যেতে চান। অনেকেই দশপাতা ভাবালুতা করে বলেন ইহা কবিতা লিখেছি, দাদা; হাহাহাহাহাহ...
কবিতায় ইতিহাস-পুরাণ যাবতীয় কিছু থাকবে। কেবল ওই সময়কে অভ্যাসে ধরবো না আমি। ভাই, ইহা আমার মত।
কবিতা হবে সমস্ত বাহুল্যবর্জিত, ধনুকের ছিলার মতো টানটান। এবং পরিচ্ছন্ন।
কবিতাকে আমি বৈশ্বিক মনে করি। যেহেতু আমাদের অবিমিশ্র সংস্কৃতির কোনো ইতিহাস নেই।
কবিতা ধরবে সময় এবং সমসাময়িক প্রকরণ। যা প্রথাকে ছিন্ন করে। নতুন প্রকরণ তৈরি করে।
০৭.
আমরা অনেকেই এখনো ন্যারেটিভই লিখি কবিতায়। কবিতাকে যদি বৈশ্বিক ধরি তবে পশ্চিমা কবিরা ন্যারেটিভ ভেঙে দিয়েছে ষাট/ সত্তরের দশকে। এবং প্রতিটি লাইনের পরে যে শূন্যস্থান তৈরি করেছে তা পাঠক পুরণ করার জন্যে।
আসেন আলোচ্য কবিতায় প্রবেশের আগে গ্লোরিয়া গার্ভিজের একটা কবিতা পড়ি:
Immoderate begger
empty-handed hostess
barren mother
the light dims
insidious
as a gadfly
I'm not permitted to understand
-----------------------------------------------------------------------------
(Gloria Gervitz was born in 1943 in Mexico City, where she still lives).
০৮.
আলোচ্য কবিতার আমি এগারোটা ভিন্ন ব্যাখ্যা একটানে লিখতে পারি। কিন্তু তা আমি করবো না। প্রিয় পাঠক, আপনাদের অবগতির জন্যে জানাচ্ছি, আমি এর একটা ব্যাখ্যাও দিবো না। আপনারা আমার সাথে আরেকবার পাঠ করবেন। এবং প্রবেশ করবেন। এবং নিজের মতো জগৎ তৈরি করবেন। এবং তারপর চাইলে হুর পরিবেষ্টিত হতে পারেন কিংবা ইনফার্নো সাজাতে পারেন।
০৯.
আলোচ্য কবিতার প্রতিটা লাইনকে আমরা অলাদা করে পাঠ করবো। যেহেতু কবি এইখানে ন্যারেটিভ ভেঙে দিয়েছেন। সবশেষে আপনারা নিজেরাই সব মিলিয়ে একএকটা ডিসকোর্স তৈরি করবেন। আমি করবো না।
প্রথম লাইন:
হাড়ের পাশে বেড়ে উঠছে লীন অনুতাপ
হাড় আর লীন অনুতাপ। বাকিটা ক্রিয়া। হাড় কেনো? কেনো রক্তমাংস নয়? লীন অনুতাপ মানে কী? কেনো অনুতাপ বিলীন। তারমানে অনুতাপ ছিলো এখন নেই? আর হাড় একদা রক্তমাংস ছিলো...
দ্বিতীয় লাইন:
মুখের ছায়ায় সরে সরে যায় পতনের মালিকানা
মুখের ছায়া আর পতনের মালিকানা। মুখের ছায়া কী? ছায়াকে যদি আমরা বাইনারি অপোজিশন (আলো-ছায়া) না ধরি। যদি ধরি সদর্থক। তাহলে পতিত তার পতনের মালিকানা কি হারায় না?
তৃতীয় লাইন:
খোঁপে নড়ে চড়ে ঘুঁটি মন্তব্যহীন
খোঁপ আর ঘুঁটি। খোঁপ হলো সময়ের গোলকধাঁধা। গোলকধাঁধা প্রথম তৈরি হয় ক্রিটে। তৈরি করেন ইকারুসের বাবা। ঘুঁটি হলেন আপনারা মানুষ। তারা ক্রমশ আত্মকেন্দ্রিক তাই মন্তব্যহীন। তারপর কী হবে...
চতুর্থ লাইন:
প্রাথমিক সংক্রমন গারদ বন্দিপরস্পর
প্রাথমিক অবস্থায় আমরা পরস্পর নিজেদের বন্দি করছি। তারপর...
পঞ্চম লাইন:
ঠোঁটের কষ ততোক্ষণ ভেজা ক্রিয়াশীল আঙুলে ছোঁয়া-ছুঁয়ি পর্যবেক্ষণ
এই লাইনের আগে কবি একটা স্পেস রেখেছেন। এটাও পাঠকের জন্যে।
মাটির মূর্তি ততোক্ষণ ভেজা থাকে যতোক্ষণ ভাস্কর সেটা গড়েন ক্রমে। শেষে শুকাতে থাকে।
ষষ্ঠ লাইন:
মাঝবেলার সরাসরি অন্যায় নিরাপদ ঘেরাটোপ কারিগর
মধ্যবয়স। অন্যায়। নিরাপদ। ঘেরাটোপ। কারিগর।
মাঝবয়েসিকে কেউ কি সন্দেহ করে নাকি?
সপ্তম লাইন:
বিভাগটান মিশে মিশে নির্ণয়মান ভুল হয়
বিভাগটান। মিশে। ভুল। নির্ণয়।
জমিনের আইল ভেঙে দেন। আপনার জমি কোনটা আর বুঝতে পারবেন না।
এইটা গেলো শেষ লাইল। আবার সমস্ত কবিতা:
হাড়ের পাশে বেড়ে উঠছে লীন অনুতাপ
মুখের ছায়ায় সরে সরে যায় পতনের মালিকানা
খোঁপে নড়ে চড়ে ঘুঁটি মন্তব্যহীন
প্রাথমিক সংক্রমন গারদ বন্দিপরস্পর
ঠোঁটের কষ ততোক্ষণ ভেজা ক্রিয়াশীল আঙুলে ছোঁয়া-ছুঁয়ি পর্যবেক্ষণ
মাঝবেলার সরাসরি অন্যায় নিরাপদ ঘেরাটোপ কারিগর
বিভাগটান মিশে মিশে নির্ণয়মান ভুল হয়
১০.
কবি দীপঙ্কর সেন গুপ্ত।
জন্ম: আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। কাকশালিখচড়াইগাঙচিল, তার ব্লগিয় নাম। তার অন্যলেখা পড়ুন এইখানে:
Click This Link
Click This Link
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কবিতালোচনা ;
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জটিল বলেছেন:
একজন প্রিয় মানুষ তিনি
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, তিনি আমারও প্রিয়।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
হুমম ...
লেখক বলেছেন: উমম...
রূপকথা
সত্যান্বেষী বলেছেন:
কাকশালিখের অধিকাংশ কবিতাই আমার মাথার একহাত ওপর দিয়া যায়।
লেখক বলেছেন: সবই আল্লার ইচ্ছা![]()
প্রশান্ত শিমুল বলেছেন:
আমার বুজে ধরেনা...
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: আইছেন এইটাই বড় কথা। আপনেরে ধইন্যা
ফিরে এসো চাকা বলেছেন:
কবিতাটি পড়ে আমি কোন ভাবেই সহজ কোন ব্যখ্যা নিজেকে দিতে পারছিলাম না।
শ্রদ্ধা রইল আপনার প্রতি।
আমার প্রতিক্রিয়ায় আমি নিজের কাছে লজ্জা পাই !
এই কবিতায় শব্দের ব্যাবহার নিয়ে কৌতুহল আছে আমার, এই বিষয়ে আপনার অভিমত আশা করছি।
লেখক বলেছেন: কী রকম শব্দের ব্যবহার? উদাহরণ দিয়ে বললে আমার জন্যে সুবিধা হয়।
পাঠ করার জন্যে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ফিরে এসো চাকা
লেখক বলেছেন: যাইতাছি যাইতাছি
লেখক বলেছেন: তুই একটা জিনিশ
না বলা কথা বলেছেন:
ইহাকে প্যাচানো স্ক্রু সাহিত্য বলে।
লেখক বলেছেন: বস্! আপনি যা বলেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পাঠ করার জন্যে
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
নির্ঝর...
নৈঃশব্দ্য...
-২...
দীপংকরের ডিলেমা??? নাকি আরো বেশি???
আবেগ, তীব্রতা, উর্ধ্বপাতনে...
লেখক বলেছেন: বস্!
![]()
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
কবিতা এবং পদ্য বিষয়ক আমার অনুভূতিটা এরকমই!আপনি তত্ত্ব জানেন না, কিন্তু ০৬ এর 'বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি কিন্তু তাত্ত্বিক। গীন্সবার্গ এর দৃষ্টিভঙ্গি-ও এরকম ছিল। তবে এই পাঠাংশে একমত নই। কবিতাকে আমি ফুলের রাজ্য হিসেবে নিতে আগ্রহী। নানা কিছিমের ফুল- কারো ঘ্রাণ আছে, কারো ঘ্রাণ নেই। তেমনি আমি রজনীগন্ধা পছন্দ করি বলে গোলাপপ্রেমীর আগ্রহে হরতাল ডাকতে উৎসুক নই। কবিতা একেক জন একেক ভাবে নেন। কেউ শব্দখেলা হিসেবে, কেউ ভাববোধ প্রকাশ হিসেবে। এসব ভিন্নতাই কবিতা মূলজীবনি শক্তি। সময়ের সাথে কবিতার রূপভেদের যেমন হয় তেমনি কবিতার সাথে সময়ের পরিবর্তন হয়। সাম্যবস্থার মতো।
পাঠকই আজলা ভরে তুলে নিবেন প্রকৃত পাথরখণ্ড।
=====================
কাকশালিকের কবিতাটি আসলেই চমৎকার।
লেখক বলেছেন:
যাক, অভি। আমি আপনার পরিচ্ছন্ন আবেগেকে আহত করে প্রতিযুক্তি উপস্থাপন করতে চাই না। হয়তো কোনোদিন আমার সাথে একমত হবেন। আবার নাও হতে পারেন।
এলেনের দৃষ্টিভঙ্গি বৈশ্বিক ছিলো। কারণ তার জানাশোনার পরিধি ব্যাপক ছিলো। কিন্তু তিনিও কবিতা নিয়ে এক অর্থে স্টান্টবাজিই করেছেন। সুতরাং তার কবিতা টিকবে না (মলয়ের ক্ষেত্রেও একই কথা আমার)। যেহেতু তিনি একটা সময় কবিতা লিখেছেন তাই নথিভূক্ততো অবশ্যই থাকবেন। কিন্তু ইয়েট্স বোদলেয়ার, নের্ভাল, জীবনানন্দ, সিলভিয়া প্লাথ, এমিলি ডিকিনসনের মতো মানুষের বুকের ভিতর তার কবিতা লেখা থাকবে না।
আর কবিতা আমার কাছে সংগ্রাম। আমার রক্তের ভিতর কথা বলে। এটা খুবি সিরিয়াস বিষয়। খেলা অবশ্যই নয়। তাই খেলা আর ভাবালুতা সমর্থন করলাম না।
আমি কখনোই হরতালের কথা বলি নি। কবিতা আমার কাছে পরম। পরম মানে নিত্য। পরমের কাছে আমি রক্তাক্ত হয়েই যাবো।
শুভ কামনা। অভি।
* অন্যত্র বস্ বলার জন্যে লজ্জিত। আমি মিন করি নি।
লেখক বলেছেন:
"পাঠকই আজলা ভরে তুলে নিবেন প্রকৃত পাথরখণ্ড"
আপনার এই কথাটার সাথে আমি পুরোপুরি একমত।
আবারও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ অম্বরে অম্বর।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
তবে এই পাঠাংশে একমত নই।-------এখানে আমি বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি বুঝাই নি। পাঠের (০৬ এর কবিতার রূপ বিষয়ক) অন্য অংশের কথা বুঝিয়েছি। তাই ফুলরাজ্যের অবতারণা।
বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি অবশ্যই প্রশংসনীয়। কারণ আমরা ক্রমশ বিশ্বায়নের ফলে একমুখী রাস্তাতে চলছি। সংস্কৃতির মিশ্রণে এখন বাঙালী-ইংরেজ-ফরাসী ইত্যাদি বাছবিচার অদূর ভবিষ্যতে আরো গাঢ় হয়ে যাবে- অর্থ্যাৎ- একটি মাত্র সংস্কৃতি; মানবসংস্কৃতি।
কিন্তু অনেক প্রকরণ, রূপ বিদ্যমান। মলয় খারাপ লিখেন নি। তার অনেক 'কবিতা' অশ্লীল লাগে আমার কাছে, তার মানে এই নয় যে তিনি কবিতা লিখেন নি; ওই যে বল্লাম পাঠকই খুঁজে নিবেন প্রকৃত এবং মৌলিক পাথরখণ্ড।
এখানে আমার সিঁড়ি বিষয়ক ধারণাটা-ও উল্লেখ করা যেতে পারে (আপনি জানেন)।
আর কবিতা আমার কাছে নিজস্ব হাড়-মাংশ। কিন্তু আমার রক্ততে অনেক নদীর জল মিশেল।
=====================
আমি কিছু মনে করি নি।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ, অভি।
আমি ওখানে "অসার্থক শব্দবন্ধ" বলেছি। সার্থক হলে কবিতা সবকিছুই হজম করতে পারে, মূত্র থেকে মধু পর্যন্ত। যেসব ছন্দমূর্খ কবিতায় শব্দের প্রয়োগ জানে না, আমি তাদের নির্দেশ করেছি। পড়তে গেলে চোখা পেরেকের মতো লাগে শব্দ-- তখন পিটাইতে মন্চায়।
আর মলয়ের ক্ষমতা আছে সন্দেহ নাই। কিন্তু মলয়ের অধিকাংশ কবিতা পাঠ করেন দেখবেন, কবিতায় নানা নিরীক্ষা করতে গিয়ে তিনি কবিতার কী দশাটা করেছেন। আপনার মনে থাকার কথা তার "প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতা" কবিতাটির আমি প্রশংসা করেছিলাম। এখনো করি। কেননা সেই কবিতার মধ্যে তিনি যে প্রচণ্ড গতির সঞ্চার করতে পেরেছিলেন-- সেই গতি তার বাক্যস্থ শব্দ ছাপিয়ে অবয়ব নিয়ে তীব্রবেগে প্রবাহিত হয়েছে।
হাংরি জেনারেশন ফাউল। শক্তি আর সুনীল বেরিয়ে গিয়েছিলেন। তাই শক্তি সার্থক। সুনীলেরও কিছু কবিতা খুবি ভালো। সুনীল যদি কেবল কবিতাই লিখতেন, তাহলে অনেক ভালো কবি হতেন। তিনি একই সাথে সবকিছু হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সবাই রবীন্দ্রনাথ হতে পারে না। জীবনানন্দও পারেন নি। তাই তার গল্প আর উপন্যাস ব্যর্থ।
হাংরি জেনারেশনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কবি উৎপলকুমার বসু।
আর মলয় এখন পোস্টমর্ডানিজমের রাসুল। কবিতা লেখেন আমেরিকান রন প্যাজেটদের অনুকরণে।
আর প্রকৃতপ্রস্তাবে যিনি কবিতার পাঠক তিনি কখনোই মাথামোটা গাভী নয়।
লেখক বলেছেন: *প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার হবে
নাজনীন খলিল বলেছেন:
এত চমৎকার করে ব্যাখ্যা করেছো এরপরে অতি নির্বোধও এই কবিতার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে।
কবিতাটি আমি আগেই পড়েছিলাম খুব ভাল লেগেছে।সব কবিতায় এমনকি আমি প্রবেশ করারও চেষ্টা করিনা।শুধু কবিতার বোধটুকুকে অনুভব করার চেষ্টা করি। যখন পারি তখনই কবিতাটি আমার কাছে একটি উপভোগ্য কবিতা হয়ে উঠে।অন্যভাবে বললে কিছু কবিতা আমাকে কোনভাবেই স্পর্শ করতে পারেনা। অন্যের কাছে যাই হোক সেসব আমার কাছে কবিতা হয়ে উঠেনা।
এটা ও ঠিক -কবিতা সবসময়ই বহুমাত্রিক।যে যেভাবে নিতে পারে।
লেখাটি প্রিয়তে যাচ্ছে। আলোচনাটি চমৎকার এবং প্রয়োজনীয়।
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা, দিদি। ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, শূন্য।
লেখক বলেছেন: তোর গল্প অসাধারণ। তুই একটা জিনিশ।
লেখক বলেছেন: ধইন্যা
হাসান মাহবুব বলেছেন:
কাখশালিকের বেশিরভাগ কবিতাই বুঝিনা। তয় পড়তে কেন যানি ভালা লাগে। আমার কাছে এই কবিতার ব্যাখ্যার চেয়ে কবিতার ব্যাপারে তমার দৃষ্টিভঙ্গিটা পড়তে ভালো লাগসে, বিশেষ করে ৩ এবং ৪ নং প্যারা।
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা, দোস্তো
আইসিস বলেছেন:
নিঝু,জটিল কথা বার্তা কইছস । এই ঘিলু তে কত টা ঢুকছে , ভগবান ই মালুম ।
লেখক বলেছেন: ভগবান, না মালুম। ভালো থাকিস।
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
কবিতা পড়তে ভালো লাগে। এ বিষয়ক প্যাঁচাল এড়িয়ে চলি। আপনার চিন্তা ভাবনা ভালো লাগছে। কিন্তু কবিতা আর পদ্য এইদুটো ক্লাসিফিকেশন কিসের উপর ডিপেন্ড করে করলেন বোঝা গেলো না। আপনি কি বলতে চাইছেন রবিঠাকুর মানে পদ্য , জীবনানন্দ মানে কবিতা বা এরকম কিছু?
লেখক বলেছেন:
সুদীপ,
কবিতা বিষয়ক প্যাঁচাল আমারও ভালো লাগে না। কিন্তু একটি কবিতা যখন অনেকের কাছে দুষ্প্রবেশ্য হয়ে উঠে তখন কষ্ট হয়। তাই নিতান্ত বাধ্য হয়ে আমার নিজস্ব পাঠ প্রক্রিয়া ব্যক্ত করলাম। কবিতার ব্যাখ্যা অবশ্যই করি নি।
আর রবিঠাকুরকে পদ্যকার বলার স্পর্ধা আমার নেই। তবে এইটা সত্য তিনি পদ্য আর কবিতা দুটোই লিখেছেন। কবিতা আর পদ্যের সংজ্ঞা দেয়ার কারণ অধিকাংশ পাঠক কবিতাকে পদ্য হিশেবে পেতে চায়। যেখানে কবি সবকিছুই বলে দেবে।
আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
কবিতাপাঠের আলোচনায় সবসময়েই আমি মনোযোগী পাঠক। কিন্তু সেই আলোচনাগুলো কেন ঘুরে ফিরে সংজ্ঞায়নের দিকে যায়? কবিতা কী। পদ্য কী। কবিতা কেমন হওয়া দরকার। কোনটি কবিতা নয়। কার কবিতা টিঁকবে না। এগুলো কথা কিন্তু মূলত আলোচ্য কবিতার থেকে আলোচনার ফোকাস সরিয়ে নেয়।আমি জানি, আপনার প্রয়াস দীপঙ্করের কবিতাটির আলোচনা। একটা কবিতাপাঠের উন্মাদনা বা পাঠ-পরবর্তী অনুভব অনেক সময়েই সাধারণ মাত্রাকে ছাড়িয়ে যায়। অভূতপূর্ব অনুভূতিকে প্রকাশের জন্য কবিতাটি আলোচনা হতেই পারে।
দীপঙ্করের রচনা আমার কাছে সবসময়েই রহস্যময় মনে হয়। এবং সে পাঠানুভূতি আমি সহসাই তাঁর সাথেও শেয়ার করি না (তাঁর ব্লগে আমার করা মন্তব্য গুটিকতক)। এর পেছনে একটি কারণ হলো আমি চাইনা কথার পিঠে কথা চড়ে কবিতার পাঠ-আনন্দ বা অনুভবটি হারিয়ে যাক। আরেকটি কারণ হলো আমি যে বোধ পেলাম তা ভাষায় উপযুক্তভাবে প্রকাশ করা সম্ভব হয় না।
[লেখার কয়েকটি বিষয়ে আপনার সাথে আমি দ্বিমত করি, তবে সে কথাগুলো তুলে আনলে কবিতাটির থেকে ফোকাস সরে যাবে বলেই বোধ করি। সে জন্য সেটা বাদ দিচ্ছি। ]
লেখক বলেছেন:
অনিক,
আপনি অবশ্যই দ্বিমত করতে পারেন। এইটা যে একান্তই আমার মত সেই কয়েক জায়গায় উল্লেখ করেছি। তাই আমার মত কারো উপর চাপিয়েও দেয়া হয় না।
ফোকাস সরে যায় কথাটিও ঠিক। কিন্তু একটি কবিতা যখন অনেকের কাছে দুষ্প্রবেশ্য হয়ে উঠে তখন কষ্ট হয়। তাই নিতান্ত বাধ্য হয়ে আমার নিজস্ব পাঠ প্রক্রিয়া ব্যক্ত করলাম। কবিতার ব্যাখ্যা অবশ্যই করি নি।
পাঠ করার জন্যে অনেক ধন্যবাদ, আপনাকে।
লেখক বলেছেন: হো হো হো
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
আপনাকেও ধন্যবাদ নির্ঝর।দুষ্প্রবেশ্য হোক না, সমস্যা তো নাই। আমার তো দেখা যায় জনপ্রিয় কবিতা ভালো লাগে না। খুঁজে খুঁজে আমি অপাংক্তেয় কোণে পড়ে থাকা কবিতাগুলোই পড়ি। তেমন পাঠক আরো আছেন নিশ্চয়ই!(কথাটা আবার সেই পিঠে তোলা কথা হয়ে গেল)
দীপঙ্করের কবিতা নিয়ে শুক্রবারে আন্দালীব একটা কথা বলছিলেন, খুব কাছ থেকে দেখলে দীপঙ্কর কবিতার মাঝে অ্যাবসার্ডিটি নিয়ে খেলা করেন। এই আচরণ তার ব্লগাচরণ, মন্তব্য থেকেও ফুটে বের হয়। আমি প্রথম দিকে এজন্য তাঁকে বুঝে উঠতে পারি নাই ঠিক মত। সেটাই স্বাভাবিক। তবে প্রাথমিক ধন্দ কেটে গেলে, দীপঙ্করের কবিতার মোচড় যে কোন মনোযোগী পাঠকের মনে অপূর্ব আনন্দ দিবে বলেই আমার ধারণা। সেটাই বা কম কী, সেটাই বা কয়জন পারেন?
লেখক বলেছেন:
আন্দালীব কবির সাথে আমিও একমত।
অনেক শুভেচ্ছা, বস্।
লেখক বলেছেন:
নম্রতাকবির কবিতা:
---------------------------------
মৃতনগরের কবি
হরিণের লালমাংস
যার পাজরে সাথে মিশে আছে..
মৃতনগরের কবি
হরিণের লালমাংস
যার পাজরে সাথে মিশে আছে...
অন্যরকম সুন্দর
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, বস্।
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
ওয়াউ!!!!!!!!! লেখাটা খুবই ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, আশু
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
নির্বাহী গুণহীন ছাঁটাই পরিধি নিয়ে চলে যাই অন্ধকারে
এসো, কিছু সাধারন কথা বলি
লেখক বলেছেন:
চলো যাই অন্ধকারে
লেখক বলেছেন: তারপর
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
কবিতা পড়া আর কবিতার ভিতরে চলে যাওয়া.......
অসম্ভব সুন্দর।
অনেকদিন পর এমন একটা লেখা পড়লাম।
সাথে নিয়ে গেলাম।
মরচে পড়া বোধগুলোকে জাগাবে কখনো।
"শুধু দেখা পাওয়া শুধু ছুঁয়ে যাওয়া
শুধু দুরে যেতে যেতে ফিরে যাওয়া"...........
কত যে আলাদা বোধের জন্ম দেয়...........
শুভেচ্ছা রইলো নৈঃশব্দ্য.......।
ও বাড়ি গেলে নৈঃশব্দ্যের নিজস্ব রচনা.........
এখানে নানাবিধ।
এ যেনো একটা বাড়ির ভিতরে এবং বাহিরে ঘুরেফেরা।
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা সাজি, শুভভোর।
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল এর কবিতাটি খুবই ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা, মুয়ীয
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন:
''কবিতা ধরবে সময় এবং সমসাময়িক প্রকরণ। যা প্রথাকে ছিন্ন করে। নতুন প্রকরণ তৈরি করে।''কবিতা বিষয়ে আপনার এই ওহীখানা আমার লেখার পাথেয় হয়ে থাকবে। চমৎকার বিশ্লেষণধর্মী কবিতাবিষয়ক লেখাটির জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সময় পেলে আমার ব্লগে এসে একটু ঘুরে যাবেন। দাদা, আমার লেখা পড়ে সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্ণিত করে এবং সমাধানের উপায় জানালে আপনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো।
লেখক বলেছেন:
কা-ক!
অবশ্যই পড়বো আপনার কবিতা। তবে সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করার মতো সীমা এখনো অতিক্রম করি নাই, দাদা। তবে একটা ছোট্ট পরামর্শ দিতে পারি, নার্সিসাস হইছেন তো মরছেন। নিজের লেখা যতোবার পড়বেন ততোবার ফাঁক পাবেন। নিজের সদ্য লেখা কবিতাটি বিরতি দিয়ে অন্তত তেইশবার পড়েন নিজেই বুঝতে পারবেন, কী সমস্যা।
অনেক ধইন্যা, ওহিপ্রাপ্ত হওয়ার লাইগা।
নীরজন বলেছেন:
দাদা...............আজ আজমিশালী তে আপনার একটা লেখা পড়লাম.....
লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ, দেখলাম। ওটা আমার গল্প। আমার ব্লগেও আছে।
Click This Link
নীরজন! ভালো আছেন?
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা
মনির হাসান বলেছেন:
চান্দু ... তুমি যতই দাবী করনা ক্যান, তুমি ক্ষ্যাত ... আমি তোমারে হিংসাই। তোমার ভিতর যে বারুদ আছে, আমার কাছে তার দুর্ভিক্ষ ।
স্যালুট ... কবিতা/পদ্যের ব্যাখ্যাটা অসাধারণ । ঈমানে কইতাছি , হেয়ালি কইরা কবিতা ছুই'না ... অথচ একটা সময় হাংরী জেন'দের কবিতা'গুলা ব্যাপক খাইতাম ।
লেখক বলেছেন:
আরে বস্! আপনে কইতাছেন? আমি কৃতার্থ।
আপনেরে ডাবলস্যালুট।
জীবননান্দুর কবিতা আমারে শান্তি দেয়। ঘোর দেয়। হাহাকার দেয়।
কিন্তু হাংরির কবিতা হাংরি কইরা দেয়। মন্চায় আকাশ কামড়াই, বাতাস কামড়াই।
মনির হাসান বলেছেন:
একটি ভুল পাওয়া গেছে .... আমি ভাবছিলাম পোস্ট'টা দোস্ত মানুষ বৃত্তবন্দী'র । তাই গাইল্লাইছিলাম ... কমেন্ট হয়া যাওয়ার পরে দেখি আপনে নি.নৈ.-২ ।
যান্ত্রিক ত্রুটি'র জন্য দুঃখিত ।
লেখক বলেছেন:
বস্! ব্যাপার না। আমারে তুই/ তুমি যা ইচ্ছা কইবার পারেন। আর রায়হাত রে আমিও ভালা পাই।
গাইল খাইয়া নাহয় আমিও দোস্তো অইয়া গেলাম।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা
গায়ত্রী সান্যাল বলেছেন:
কবিতাটি খুবি ভালো।
"অনেকে আবার শব্দমোহে ডুবে থাকেন; শব্দের মায়া কাটাতে পারেন না। চমকপ্রদশব্দ(যথা: যোনি, শিশ্ন, স্তন, পোঁদ, মূত্র, ভগাঙ্কুর, রজঃ, বীর্য, সঙ্গম, শীৎকার, মাস্টারবেট) সহযোগে অসার্থক শব্দবন্ধ তৈরি করে পুরা কবিতার ভারসাম্যকে নষ্ট করে আলোচিত হতে পছন্দ করেন।"
আর আপনার আলোচনার এই অংশটি খুব ভালো লাগলো।
প্লাস।
ভালো থাকুন।
*ভাষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক বক্তব্যে খানিকটা দ্বিমত আছে। এইখানে না করি।
আপনাকে সাধুবাদ।
লেখক বলেছেন: পাঠ করার জন্যে অনেক ধন্যবাদ, গায়ত্রী গায়ত্রী
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
আলোচনা প্রয়াস ভালো লাগলো কমরেড। কবিতা বা শিল্পে কখনোই সহমত কামনা করিনা। এক একটি কবিতা এক একটি কবিতার সংজ্ঞাকে ধারন করবে।
লেখক বলেছেন:
আপনার কথা অবশ্যই ঠিক, কমরেড।
অনেক শুভেচ্ছা।
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
আলোচনা হচ্ছে এইটাই তো আশার..কবিতা নিয়ে গদ্য ভাল লাগছে নির্ঝর।
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা, মুক্তি দা
অদৃশ্য বলেছেন:
নির্ঝর দা................. আমি গতকালকেই এই লিখাটা পড়েছি। আপনি যেভাবে এই কবিতাটিকে খুলে খুলে খেয়েছেন তা আমার বেশ ভালো লেগেছে............এবং এটা অবশ্যই ঠিক যে কবিতা একেকজন একেকভাবে গ্রহোন করবে, ভাববে..............তবে আপনার এই খুলে দেখানোই গমন পথটা সরল হলো.........
শুভকামনা.........
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন:
আপনার কথা অবশ্যই ঠিক, কমরেড।
অনেক শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: অনেক ভালো, নীরজন
লেখক বলেছেন: Thanks boss
লেখক বলেছেন: কেমন আছেন?
কৃষ্ণ তরুণ বলেছেন:
পড়েছি অনেকবার, বেশ ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা, কৃষ্ণ
লেখক বলেছেন: সবি আল্লার ইচ্ছা![]()
ভাঙ্গন বলেছেন:
কবিতার ভিতর দিয়ে শুধু হেঁটেই যাওয়া হয়নিএকই সাথে সাথে বিদ্যমান বটবৃক্ষ তলে একটু জিরিয়ে নেয়া হয়েছে। তারপর ছায়াগুলোর দিকে তাকিয়ে গাছের পাতার ফাঁকে পক্ষীদর্শন হয়েছে। নিদ্রাযাপন,স্বপ্নশিকার আর বিহ্বলতার অপূর্বসব নিরীক্ষণ হয়েছে।
পথিক কখনো চেপে যায়নি কিছূই। এমনকি হেঁটে যেতে যেতে যা বলেছে,সেটা গান হয়ে পাখির মুখে সুরে-শব্দে জেগে উঠেছে।
দীপঙ্কর কবির এমন কবিতার নীড়ে এমন পালক ঝাপটানো আরেক কবি নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-!
লেখক বলেছেন: নৈঃশব্দ্যের ভিতর বিবাগী ভাঙন
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
দুঃখ একটাই কবিতা বুঝতেও পারলাম না কোনদিন আর লিখতে পারলাম না একটাও।
ভালো লাগল আলোচনা ও মন্তব্যাদি।শুভকামনা কবিষাদ।
লেখক বলেছেন: শুভ বিকাল অমিত
সোমহেপি বলেছেন:
কবিতা হবে সমস্ত বাহুল্যবর্জিত, ধনুকের ছিলার মতো টানটান। এবং পরিচ্ছন্ন।কবিতাকে আমি বৈশ্বিক মনে করি। যেহেতু আমাদের অবিমিশ্র সংস্কৃতির কোনো ইতিহাস নেই।
কবিতা ধরবে সময় এবং সমসাময়িক প্রকরণ। যা প্রথাকে ছিন্ন করে। নতুন প্রকরণ তৈরি করে
সহমত
লেখক বলেছেন: শুভরাত্রি
তৃণ বলেছেন:
এতো ব্যাখ্যার পরও কঠিন লাগলো কবিতা!
লেখক বলেছেন: শুভরাত্রি
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















