আমার প্রিয় পোস্ট
- C প্রোগ্রামিং....পর্ব : ৪....."লুপের রাজ্যে
" - বিলুপ্ত বৃশ্চিক
- মাত্র ১ মিনিটেরো কম সময়ে ১ টা ইয়াহু আইডি বানান এবং 5 মিনিটে কমপখ্যে 11 টা । - নীল দরিয়ার মাঝি
- শুধুমাত্র একটি সিরিয়াল কি দিয়েই উইন্ডোজ সেভেন কে জেনুইন করাঃ - সুফিয়ান আহমেদ
-
আবার জেনুইন Windows 7 পাইরেটেড বইল্লা এই খানে কিছু নাই।
- এম. এ. খসরু নোমান
- টেকি হেল্প : উইন্ডোজ ৭ জেনুইন নোটিশ - রুবাইয়াৎ রহমান
- নেদারল্যান্ড ফেলোশীপের জন্য আবেদন করবেন কিভাবে - মিয়া মুস্তাফিজ
- ▓▓▒▒░░░
IELTS পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ১ ডজন বই + একটা ফ্রি!!!!
░░░▒▒▓▓ - রাফি মাহমুদ
- ইংলিশ গ্রামার চেক করার টুল whitesmoke writer software - টেকি মামুন
- নষ্ট হার্ডডিস্ক ফেলবেন না!! - দুনিয়ার সব ভাল মানুষ
- টিউটোরিয়ালঃ প্রফেশনাল ওয়েব ২.০ টেম্পলেট ডিজাইন করা শিখি - খুজে ফিরি অজানা কে?
- আসেন পাইথন শিখি - শুভ রহমান
- জল পানি সমাচার - রাগিব হাসান ও আবুল বাশারের আর্টিকেল - কৌশিক
- মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট অভিযান : বামনকূলের ২০ প্রপাগাণ্ডা নিয়ে একটি পোড়ামাটি অনুসন্ধান - পর্ব : ১ - ফিউশন ফাইভ
- ফ্রীতে এস এম এস পাঠাইতে কত সহজ কষ্ট গুলো একটু আলাদায় , জিপির বাশ জিপি দিয়েই - ধ্রুবনীল
- IELTS এর বইয়ের পাহাড় ০১
- বিডি গ্লাডিওটোর
- ১০ টি জেমস বন্ড মুভির ১০ টি মিসটেক!
- অসমাপ্ত কবিতা
- ওয়েব সাইট ডিজাইনিং ,ফ্রী ওয়েব টেম্পলেট ডাউনলোড, সোর্স কোড ডাউনলোড এবং ওয়ার্ড প্রেস এর থিম ডাউনলোডের লিঙ্ক লিস্ট...... - খুজে ফিরি অজানা কে?
- ১০টি ফ্রী ওয়েব এপ্লিকেশন যা আপনার ডেস্কটপ এপ্লিকেশনকেও হার মানাবে!(না দেখলে মিস করবেন) - খুজে ফিরি অজানা কে?
- উবুন্টুতে পুরাতন সফটওয়্যার ফিরে পাওয়ার সহজ উপায়!!!
- আদনান শওকত
- IELTS ফ্রি ডাউনলোড এর কারখানা (নতুন) !!!যাবতীয় মালমশলা ফ্রি ডাউনলোড : পর্ব -৪ - পরিবেশবাদী ঈগলপাখি
- অনলাইনে আয় করুন টুইটারের মাধ্যমে - হাসমত০০৯
- ইংরেজি শেখার ওযেব সাইট - নিলআকাশেরদুঃখ
- সার্চ ইঞ্জিন রেংক, SEO ও গুগল এডসেন্স বিষয়ক কিছু লিংক - সুইট
- নতুন উবুন্টুতে প্রবেশকারীদের জন্য - রিফাত হোসেন
- .htaccess ফাইলের কাজ কারবার – পর্ব-১ - আরিফ বল্গ
- ওয়েব ডেভেলপমেন্ট টিউটোরিয়াল:- পর্ব 0: সূচনা ও প্রস্তুতি
- সিউল রায়হান
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের সূচনা, বিব্রত ম্যাক্স প্লাঙ্ক (এবং কোয়ান্টামকে বোঝার চেষ্টা) - শুভ রহমান
- বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম - খলিল মাহ্মুদ
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- প্রস্তাবিত শিক্ষানীতি নিয়ে কিছু আলোচনা (২) - নাজনীন১
- টেকি হেল্পঃ উবুন্টু/লিনাক্স প্রেমিরা সাহায্য করুন

- ইসানুর
- বুকরিভিউ: ওয়ার্ডপ্রেস ২.৭ কুকবুক - 'লেনিন'
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- একসাথে একাধিক ইয়াহু মেসেন্জারে লগ ইন করুন!!

- ইসানুর
- কিছু প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার। - বেশিরভাগই নিজের ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা থেকে দেয়া। - ১ম পর্ব। - নির্ভয় নির্ঝর
- যে লেখাগুলো প্রিয়তে নেয়া হয়নি... - ভেবে ভেবে বলি
- বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গুগলের স্কলার প্রকাশন সংখ্যা - আহমেদ শামসুল আরেফীন
- মেগাআপলোড থেকে আজীবন মুভি ডাউনলোড/স্ট্রিমিং করবেন যেভাবে--(like premium user) - বিডি আইডল
- একটি চরম বাটপাড়িমূলক পোষ্ট!!! - জেনুইন করুন আপনার প্রায় সকল প্রকার উইন্ডোজ(উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিসতা এবং উইন্ডোজ সেভেন)। - নির্ভয় নির্ঝর
- বান্দরবানঃ যাবার আগে জেনে নিন দরকারী কিছু তথ্য : পর্ব ২ - জুহো.
- বান্দরবানঃ যাবার আগে জেনে নিন দরকারী কিছু তথ্যঃ পর্ব ১ - জুহো.
- কিভাবে Free Ebook/Thesis/Article/Journal Download - স্স্পরসের বাহিরে
- Deep Freeze স্যাফটওয়্যার এবং এর পরিপূর্ন ব্যবহার সম্পর্কে জানুন - দুখী মিয়া
- উবুন্টুতে আমার প্রিয় দশটি সফটওয়্যার(ইন্জিনিয়ার'স চয়েস ) - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- চা লাগবে, চা?
(আপডেটঃ আইস টী'র রেসিপি) - দি ফ্লাইং ডাচম্যান
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- উবুন্টুর মোবাইল জাদুকর!!!
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- ডাডাবাদ থেকে সুররিয়ালিজম: অবিস্মরণীয় সেই শৈল্পিক উত্তোরণ - ইমন জুবায়ের
- ইংরেজী ভালো করে শিখতে গেলে নেট থেকে কিভাবে হেল্প পেতে পারি? - শামীমস
- সামহোয়্যারে বিজ্ঞাপন প্রকাশঃ প্রতিষ্ঠানের আর্থিক নিশ্চয়তার স্বরুপ... - জাতেমাতাল
- পুরুষতান্ত্রিকতার ধ্বজভঙ্গ সমাজতত্ত্বঃ “নারীর ইজ্জতই তার প্রধান সম্বল” - মনির হাসান
- আমি লুল!
- তামিম ইরফান
- আবেগীয় শিক্ষা - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন জীবনের প্রথম পাঁচটি বছর - সীমন্ত ইসলাম
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- অপদার্থের জ্ঞান: প্রথমেই নিউক্লিয়ার রিএ্যাক্টর নিয়া নাড়াচাড়া- ১; অতএব দূরে সাবধানে থাকেন! - উদাসী স্বপ্ন
- ফেসবুকে বাংলা অক্ষর ছোট দেখার সমস্যা দূর করে নিন সহজেই.... - সুনীল সমুদ্র
- বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল - মাহবুব আলম পলাশ
- উবুন্টু : অটো মাউন্ট করুন ড্রাইভ - আমড়া কাঠের ঢেকি
শিশুকে কীভাবে বর্ণ শেখাবেন?
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫
আমরা কীভাবে বর্ণমালা শিখেছি?
আমার নিজের অভিজ্ঞতাই মনে করতে পারি। আমরা কয়েকজন বন্ধুবান্ধব মিলে গোল হয়ে চটের উপর পড়তে বসেছি। শিক্ষিকা বেত হাতে আমাদের মাঝখানে। প্লাস্টিকের বর্ণপরিচয় বই খুলে অক্ষরগুলোর উপর আঙ্গুল রেখে পড়ছি। শিক্ষক বললেন- সরুয়ু।
আমরা চিৎকার করে বললাম- সরুয়ু।
শিক্ষক বললেন- সরুয়ু তে অজগর।
আমরা বললাম- সরুয়ু তে অজগর।
শিক্ষক বললেন- অজগরটি আসছে তেড়ে।
আমরা বললাম- অজগরটি আসছে তেড়ে।
...এভাবে
শিক্ষক বললেন- আমটি আমি খাব পেড়ে।
আমরা সোৎসাহে চিৎকার দিলাম- আমটি আমি খাব পেড়ে। কারণ অজগর তেড়ে আসার বদলে আম পেড়ে খাওয়া অনেক মজার।
মোটামুটি এভাবেই আমাদের বর্ণমালা শেখা চলতো। যার গলায় যতো জোর আছে, সে ততো জোরে পড়তো। কারণ বেশি জোরে পড়লে নাকি তাড়াতাড়ি শেখা হয়। আর গলাটা সবার আগে বেহেশতে বা স্বর্গে যাবে।
পড়ার পর লেখার পালা। শিক্ষক সবার শ্লেটে অ-আ-ই-ঈ বড় করে লিখে দিতেন, আমরা সেগুলোর উপর হাত ঘুরাতাম। এভাবে ঘুরাতে ঘুরাতে বর্ণমালা লেখা শিখে যেতাম।
২.
এই যে পদ্ধতিতে আমরা ছোটবেলায় বর্ণমালা শিখেছি, এটাকে বলা হয় বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতি। এতে প্রথমে স্বরবর্ণ ও পরে ব্যঞ্জনবর্ণ ক্রমানুসারে শিখতে হতো। এখনও বিভিন্ন জায়গায় এই পদ্ধতিতে পড়ানো হয়।
আমরা যখন এভাবে বর্ণমালা শিখছিলাম, তখনই পশ্চিমে বিভিন্ন দেশে এই পদ্ধতিতে বর্ণমালা শেখানো সম্পর্কে সমালোচনা শুরু হয়। কারণ এই পদ্ধতিতে বর্ণমালা শিখতে গিয়ে শিশু মূলত বর্ণের বিমুর্ত রূপের সাথে পরিচিত হয় এবং বলা হয় এই প্রক্রিয়ায় শেখাটা শিশুদের কাছে মোটেও আনন্দজনক নয়। এ সম্পর্কিত বিভিন্ন গবেষণাও রয়েছে।
এই যে এখানে ‘অ’ বর্ণটি শেখানো হচ্ছে, এতে শিশু আসলে কী শিখছে। শিশু শিখছে একটা ‘অ’- আর কিছু না। শিশু শুধু জানে এটা তাকে শিখতে হবে; কিন্তু কেন শিখতে হবে এবং ‘অ’-এর সাথে কীসের কীসের সংযোগ ঘটবে- তা সে জানে না। বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতিতে কীসের সাথে কীসের সংযোগ ঘটানো যায়, সে বিষয়টি শিশুর কাছে অজানা থাকে। ফলে শিশুকে এখানে মোটামুটি আনন্দ ছাড়াই একটা বড়সড় ‘অ’ শিখতে হচ্ছে। শিশু মনস্তত্ব বলে, বর্ণমালা পুরোপুরি শেখার পর শিশু তখনও বুঝে উঠতে পারে না এগুলো সে কেন শিখলো। শিশু শুধু জানে, শিক্ষক শিখতে বলছেন, তাই শিখতে হবে।
৩.
বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতি সমালোচনা আসতে থাকায় শব্দানুক্রমিক পদ্ধতি আসলো। এই পদ্ধতিতে শিশুকে প্রথমে শব্দ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। পরে শব্দের কোথায় বর্ণটি আছে, সেটি দেখিয়ে বর্ণটি শেখানো হয়। যেমন শিশুকে বলা হলো-
এটি একটি আম।
এখানে ‘আম’ শব্দটিতে ‘আ’ এবং ‘ম’ দুটো বর্ণ আছে। সুতরাং এই পদ্ধতিতে একটি বস্তুগত বিষয়কে ধরে শিশু একইসাথে দুটো বর্ণ শিখে গেলো।
একটা সময় পরে দেখা গেলো, যতোটুকু ভাবা হয়েছিলো, এই পদ্ধতিতেও শিশুর শিখন ততোটা আনন্দদায়ক ও ফলপ্রসু নয়। এরই ধারাবাহিকতায় 'বাজারে আসে' বাক্যানুক্রমিক পদ্ধতি। এবং এই পদ্ধতিই এখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনুসৃত হচ্ছে। আমাদের জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বা এনসিটিবির বইগুলোও বাক্যানুক্রমিক পদ্ধতিতে সাজানো। এই পদ্ধতির মূল কথা হচ্ছে, বর্ণ বা শব্দ সম্পর্কে জানার আগেই শিশু অন্যের সাহায্যে বাক্য পড়বে প্রথমে। সেটা একটি সম্পূর্ণ বাক্য হতে পারে; কিংবা ছড়া বা গল্প পড়েও হতে পারে। অর্থাৎ অ বা অজগর শেখার আগেই শিশু পড়বে ‘অজগর সাপ অনেক বড়’ কিংবা ছোট ছোট ছড়া বা গল্পগুলো শিক্ষক বা পিতামাতার সাহায্য নিয়ে আগে পড়বে।
৪.
অন্য আলোচনা বাদ দিয়ে ধরে নিচ্ছি, শিশুকে আমরা বাক্যানুক্রমিক পদ্ধতিতে বর্ণমালা শেখাবো। সেক্ষেত্রে শিশুকে বর্ণমালা শেখানোর জন্য কিছু উপকরণ হাতে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে পড়া ও লেখার কাজটা একসাথে করতে হবে।
১. বর্ণমালার বই। বইটি কেমন হবে সেই আলোচনা আসবে একটু পরেই। এমনকি এই বই আপনি নিজেও বানিয়ে নিতে পারবেন।
২. সম্ভব হলে শ্লেট ও চকের মাধ্যমে শিশুকে লেখা শেখানো উচিত। শ্লেট না পাওয়া গেলে কাগজ ও পেনসিল। পেনসিলের অবর্তমানে কালির কলম। এবং এর কোনোটিই না পাওয়া গেলে তবে বলপয়েন্ট কলম। কারণ শিশুরা যখন লেখা শেখে তখন যথাসম্ভব খসখসে কাগজ ও কলম ব্যবহার করা উচিত। তাতে তারা সহজে বর্ণের গঠন ও আকার লিখতে পারবে। এক্ষেত্রে কাগজ ও কলম যতো অমসৃণ হয়, ততোই শিশুর জন্য মঙ্গলজনক হবে। খসখসে কাগজে শিশু যতো সহজে সোজা দাগ ও দাগের বাক ঘোরাতে পারবে, মসৃণ কাগজে সেটা ততো সহজে পারবে না। এক্ষেত্রে বর্ণের আকার বেঁকে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সুতরাং শ্লেট ও চক যোগাড় করতে পারলে খুবই ভালো।
৩. শিক্ষকের হাসিখুশি মুখ ও সাহায্যকারী মনোভাব। এটা খুবই মনে রাখা দরকার যে, এই শিক্ষক (তিনি আনুষ্ঠানিক শিক্ষকও হতে পারেন, পিতামাতাও হতে পারেন) আসলে শিশুকে পড়াতে যাচ্ছেন না; বরং তিনি ও শিশু মিলে কিছু একটা কাজ করতে যাচ্ছেন। আজকে তাদের কাজ হলো- দুজনে মিলে ‘অ’ ‘আ’ পড়বেন ও লিখবেন।
৫.
এক্ষেত্রে আরেকটা কাজ করা দরকার। আনুষ্ঠানিক পড়ায় আসার আগে শিশুকে দিয়ে কিছু দাগ ও আকৃতি প্র্যাকটিস করিয়ে নিতে হবে। যেমন-
- - - - - - - - - - - - - - - -
| | | | | | | | | | | | | | | | | | | | | | | |
/ / / / / / / / / / / / / / / / / / / / /
\ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \ \
< < < < < < < < < < < < <
> > > > > > > > > > > > >
[ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [ [
) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) ) )
( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( ( (
~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~
এই কাজগুলো করতে গিয়ে শিশু মোটামুটি বর্ণমালা শেখার প্রাথমিক রেখাগুলো আয়ত্ত করতে পারবে। আর একবার আয়ত্ত করতে পারলে শিশু সহজেই বর্ণমালা লিখতে পারবে।
৬.
এখন পড়া ও লেখার কাজটা কোথাও কোথাও একসাথে চলবে, কখনও বা পড়ার কাজটা আগে হবে, কখনও পরে। সেটা নির্ভর করবে পরিবেশ, শিশু কতোক্ষণ পড়তে চায় এবং পড়ালেখার জন্য কী উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলোর ওপর। আপনার কাছে যদি খুব ভালো বই থাকে এবং আপনি শিশুকে আনন্দসহকারে পড়াতে পারেন, তাহলে এক বসাতেই অনেককিছু শেখাতে পারবেন। মনে রাখতে হবে, শিশু যতোক্ষণ পড়তে চায়, তার বেশি পড়ানোর জন্য জোরাজুরি করা যাবে না। সেজন্য সব বই, উপকরণ ও শ্লেট-পেনসিল একসাথে নিয়ে শিশুর সাথে বসে পড়াটাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ঐতিহ্য অনুযায়ী ধরা যাক শিশুকে ‘অ’ দিয়ে পড়ানো শুরু করবেন। সেক্ষেত্রে বইয়ের বাম পাশে বা উপরে থাকবে ‘অজগর’-এর ছবি।
অজগর সাপ অনেক বড়
এবার আপনি প্রথমে ছবি দেখিয়ে পরে লেখাগুলোর ওপর আঙ্গুল বুলাতে বুলাতে জোরে পড়বেন- অজগর সাপ অনেক বড়। এখানে আপনি যখন যে শব্দটি পড়বেন, কেবল তখনই সেই শব্দের উপর আঙ্গুল রাখবেন। আগের বা পরের শব্দের উপর আঙ্গুল রাখবেন না।
আপনার পড়ার পর শিশু আঙ্গুল দিয়ে পড়বে- অজগর সাপ অনেক বড়। এখানেও শিশু যখন যে শব্দটি পড়বে, সেটির উপর আঙ্গুল রেখে পড়ানোর অভ্যাস করাতে হবে।
আপনি পড়বেন- আমটি তুমি হাতে ধর।
শিশু বলবে- আমটি তুমি হাতে ধর।
এইভাবে পুরোটা শেষ করবেন। প্রশ্ন হলো, শিশুকে এভাবে পড়িয়ে লাভ কী? উত্তর হচ্ছে- এভাবে পড়িয়ে লাভ হচ্ছে, শিশু ছন্দে ছন্দে পুরো বিষয়টি পড়বে এবং এক ধরনের আনন্দ লাভ করবে। সে বুঝবে তাকে আসলে কিছুই শেখানো হচ্ছে না, বরং দুজনে মিলে ছন্দে ছন্দে কিছু একটা পড়ছে। এটিই সবচেয়ে বড় লাভ। শিশু যদি বুঝতে পারে তাকে শেখানো হচ্ছে, তাহলে কিন্তু মহাসর্বনাশ!
৭.
এভাবে বেশ কিছুদিন পড়ানোর পর আপনি একেকটা বাক্য বলবেন এবং শিশুকে জিজ্ঞেস করবেন বাক্যটি কোথায় আছে তা বের করতে। যেমন- ‘অজগর সাপ অনেক বড়’- এটা কোন জায়গায় আছে? শিশু আপনাকে দেখিয়ে দিবে এই বাক্যটি কোন ছবির সাথে আছে। যতোক্ষণ না পর্যন্ত শিশু এভাবে সবগুলো বাক্য চিহ্নিত করতে পারে, ততোক্ষণ আপনি তার সাথে ছন্দে ছন্দে বাক্য পড়তে থাকবেন। কখনও শুধু আপনি পড়বেন, কখনও শুধু শিশুই পড়বে। তবে সুখের কথা, এগুলো চিহ্নিত করতে শিশু বেশিদিন সময় নেয় না।
পরবর্তীতে বাক্যগুলো থেকে শিশুকে টুকটাক দু’একটা শব্দ কোথায় কোথায় কোথায় আছে তা জিজ্ঞেস করবেন। যেমন- অজগর সাপ অনেক বড়- এখানে অজগর শব্দ কোনটা? অবাক বিস্ময়ে আপনি লক্ষ করবেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শিশু নির্ভুল উত্তর দিচ্ছে। তার মানে শিশু ছবির সাথে শব্দের সংযোগ ঘটাতে পারছে, যদিও সে জানে না ‘অজগর’ শব্দটি কী কী বর্ণ দিয়ে গঠিত। এভাবে মোটামুটি অনেকগুলো বলতে পারলে পরবর্তী ধাপে যেতে পারেন।
৮.
এভাবে পড়াতে গিয়ে যখন দেখলেন শিশু মোটামুটি শব্দগুলো পড়তে পারছে, তখন যাবেন বর্ণের দিকে। এক্ষেত্রেও কোনো কিছু খুঁজে বের করার নীতি অনুসরণ করতে হবে। যেমন- অজগর শব্দটি দেখিয়ে এর মধ্যে ‘এই ‘অ’ বর্ণটি কোথায় কোথায় আছে চলো বের করি’ বলে অন্যান্য বাক্যে ‘অ’ বর্ণটি বের করবেন। দেখুন, এতে শিশু প্রথমবারের মতো জানছে এটি ‘অ’ এবং এটাকে বর্ণ বলে। আপনার আর কিছু বলার দরকার নেই। শিশু যদি প্রশ্ন করে বর্ণ কী? তাহলে আপনি বলতে পারেন- এই যে ‘অ’ এটাকে বলে একটা বর্ণ। এরকম এই ‘আ’ এটা হচ্ছে আরেকটা বর্ণ।
ধরে নিচ্ছি মোট দশটি শব্দে শিশু ‘অ’ বর্ণটি খুঁজে পেলো। সেগুলো আপনারা দুজন মিলে দাগ দিয়ে রাখলেন। এখন ওই বই ছাড়াও অন্যান্য উপকরণে এমনকি বাংলা পত্রিকার বড় বড় শিরোনামে দুজনে মিলে ‘অ’ খুঁজতে পারেন। এ সময় দশটি শিরোনামে আপনারা দুজন কয়টি ‘অ’ খুঁজে পেলেন, তা গুনতে শুরু করবেন। দেখবেন, বর্ণ শেখার সাথে সাথে শিশু গুনতেও শিখে যাচ্ছে।
অ-এর পর আ, ই এভাবে এগুতে পারেন, কিংবা যখন যেটা সামনে পড়বে, সেটা নিয়েও এগুতে পারেন। এক্ষেত্রে ক্রম বজায় রাখাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়। যেমন- অজগর শব্দে প্রথমে পুরো বই থেকে ‘অ’ খুঁজে বের করলেন, পরে ‘জ’, ‘গ’ ও ‘র’ খুঁজে বের করতে পারেন। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, ‘অ’ শব্দটি শিশু শব্দের প্রথমেই পাবে। বাকি তিনটি শব্দের ভেতরেও থাকতে পারে। কারণ স্বরবর্ণ সবসময়ই শব্দের প্রথমে বসে। তা থাকুক, খুব সহজেই শিশু এগুলো বের করতে পারবে। এই পর্যায়ে আর কিছু না করানোই ভালো।
৯.
এবার লেখার পালা। আপনি আগেই শিশুকে দিয়ে বিভিন্ন ধরনের দাগ টানিয়েছেন। এখন সেগুলো আবার চর্চা করান। তারপর বর্ণ লিখতে শুরু করুন একটু অন্যভাবে।
প্রথমে সহজ ও একইরকম দেখতে বর্ণগুলো দিয়ে লেখা শুরু করান। যেমন- ব। এটি শ্লেটে লিখে শিশুকে লিখতে দিতে পারেন। যেহেতু শিশু আগেই 'ব' লেখার মতো সবগুলো দাগ আঁকার চর্চা করেছেন, সুতরাং আপনি দু’একবার দেখিয়ে দিলে খুব সহজেই সেটি লিখতে পারার কথা। প্রয়োজনে আলাদা কাগজ-কলমে আপনিও তার সাথে লিখুন। লক্ষ রাখতে হবে, লিখতে গিয়ে শিশু বর্ণের আকৃতি বদলে ফেলছে কিনা বা ভুল লিখছে কিনা। 'ব' লেখার পর ব-এর মতো দেখতে অক্ষরগুলো লেখা শিখান। এভাবে বর্ণমালার পুরো ৫০টি বর্ণই শেখাতে পারেন। আগেই বলেছি, এই পর্যায়ে ক্রমঅনুসারে শেখানোটা গুরুত্বপূর্ণ না। পড়তে ও লিখতে শেখাটাই প্রধান। কোনটির পর কোনটি শেখালে ভালো হয় তার একটি ধারাবাহিক রূপ আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি। তবে এগুলো আপনি নিজেও সাজিয়ে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে একেক শিশুর একেক অক্ষরে প্রতি ঝোঁক থাকতে পারে। শিশুর আগ্রহ দেখে এগুলো সাজিয়ে নেওয়াটাই শ্রেয়। পুরো বইয়ে শিশু যদি গরুর ছবি দেখে বেশি আনন্দ পায়, তাহলে ‘গ’ বর্ণটি দিয়েও বর্ণ লেখা শেখানো শুরু করতে পারেন। তবে স্বাভাবিক অবস্থায় নিচের ক্রমটি অনুসরণ করাই শ্রেয়। এতে সহজ থেকে কঠিন অনুযায়ী সাজানো হয়েছে।
দ
ব র ঝ ক ধ ঋ
খ ঘ হ থ ফ ম য য় ষ
ড ড় উ ঊ ভ জ ঙ
ত অ আ
ঢ ঢ় ট চ ছ
এ ঐ ঞ
গ প
ণ ন ল শ
ঠ
ই
ঈ
ও ঔ
স
ঃ ং ৎ ঁ
বর্ণগুলো শিশু লিখতে পারলে আবার ‘অজগর’ সাপটি দেখিয়ে ‘অজগর’ শব্দটি বের করতে বলেন। বের করার পর সেটি লিখতে বলুন। দেখবেন, শিশু খুব তাড়াতাড়িই বর্ণের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলবে। পাশাপাশি আরেকটি কাজও করতে পারেন- পুরোপুরি না শিখিয়ে কয়েকটি বর্ণ শেখানোর পর সেখান থেকে শব্দ বের করেও শব্দ লেখার চর্চা শুরু করতে পারেন। যেমন- ব ও ক শেখার পর আপনি অনায়াসেই বক লেখাতে পারেন বকের ছবি দেখিয়ে।
আজকে আপাতত শেষ। তবে শেষ করার আগে কিছু সতর্কবার্তা।
সতর্কবার্তা এক. শিশুকে কখনও সরুয়ু, সরায়া শেখাবেন না। সোজাসাপ্টা অ আ বলবেন। হ্রস্বই, দীর্ঘই ইত্যাদি শেখানে পুরোপুরি নিষেধ। শেখাতে হবে আ (আআ), ই (ই), ঈ (ইই), উ (উ), ঊ (উউ)। অর্থাৎ যেখানে স্বর দীর্ঘ, সেখানে দীর্ঘভাবে উচ্চারণ করাতে শিখাবেন, যেখানে স্বর হ্রস্ব সেখানে হ্রস্বভাবেই শেখাবেন।
সতর্কবার্তা দুই. বইয়ের বাক্যগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। এক্ষেত্রে যাদের সামর্থ ও সুযোগ আছে, তারা নিজেরই কম্পিউটারে বই বানিয়ে নিতে পারেন। যেমন- ব্যক্তিগতভাবে 'অ-তে অজগরটি আসছে তেড়ে' পড়ার পুরোপুরি বিপক্ষে আমি। এই বাক্য দিয়ে ছোটবেলা থেকেই শিশুর মনে সাপের ভীতি ঢুকিয়ে দেয়া হয়। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গেছে, ছোট ছোট এসব প্রপঞ্চ শিশুর মনে বিরাট প্রভাব ফেলে। সুতরাং বিতর্কিত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলুন। এক্ষেত্রে অবশ্য 'অযু করে পড়তে বস'- এই ধরনের বাক্যও গ্রহণযোগ্য নয়। বরং আপনি নিজেই 'অজগর সাপটি অনেক বড়' বা এই ধরনের বাক্য বানাতে পারেন। তাতে বিষয় বা বস্তু সম্পর্কে শিশু এক ধরনের আইডিয়া পাবে। অজগর সাপ যে বড় সাপ, সেটি আর শিশুকে নতুন করে শেখাতে হবে না।
সতর্কবার্তা তিন. নিজে নিজে বাক্য বানিয়ে শিশুকে শেখানোর ক্ষেত্রেও সাবধান থাকতে হবে। এক্ষেত্রে শিশুর রুচি-আগ্রহ ইত্যাদিকে সম্মান জানাতে হবে। আপনি হয়তো ঠিক করলেন শিশুকে শেখাবেন- আপেল খেতে ভারি মজা! কিন্তু দেখা গেল আপেল খেতে শিশুর আদৌ আগ্রহ নেই, বরং আপেলের বদলে আম খেতে তার ভালো লাগে। সেক্ষেত্রে 'আম খেতে ভারি মজা' দিয়ে বাক্যগঠনই শ্রেয়।
সতর্কবার্তা চার. শব্দের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। কখনই ভেগ বা বিমুর্ত বিষয় বা উদাহরণ দিয়ে শিশুকে বর্ণ শেখাতে যাবেন না। এতে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যেমন- 'স' দিয়ে আপনি বুঝাতে চাইলেন সুখী মানুষ। এক্ষেত্রে স-এর পাশে একটি সুখী মানুষের ছবি থাকার সম্ভাবনা বেশি যে কিনা হাসিখুশি মুখে তাকিয়ে আছি। সাবধান! শিশু কিন্তু এক্ষেত্রে ভুল বুঝতে পারে। সে মনে করতে পারে, মানুষ মাত্রই সুখী। কিংবা সে বুঝতেই পারবে না এটি দিয়ে সুখ বুঝানো হচ্ছে। বরং সে মনে করতে পারে, সুখী = মানুষের মুখ। সুতরাং যতোদূর সম্ভব বিমুর্ত শব্দ পরিহার করুন।
আপাতত এইটুকুই। মোটামুটি সহজভাবে বিষয়টা বলার চেষ্টা করলাম। এর মাঝে হয়তো অনেককিছু বলার বাকি রয়ে গেছে। মন্তব্য থেকে বা পরে মনে আসলে সেগুলো যোগ করে দিবো।
নোট: ছবি নেওয়া হয়েছে উইকিপিডিয়া থেকে।
পরবর্তী পর্ব- শিশুকে কীভাবে মাত্রা শেখাবেন?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শিক্ষা, শিশু, বর্ণ শেখা ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রশান্ত শিমুল বলেছেন:
ভাই এত পড়ার সময় নাই ..তুই আমারে ক..আমডা কই পাইলি......
লেখক বলেছেন: ...মন্তব্যেই আপনার পরিচয় পাওয়া গেল। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ??
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রয়োগ করার জন্য এখন বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে ফেলেন।
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন:
এত কথা নি দিয়ে একটা পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন বানায়ে লিংক দিলে এত বড় টেক্স্ট না পড়েও মজা পেতাম ।
লেখক বলেছেন: সামহোয়্যার যে পাওয়ার পয়েন্ট সাপোর্ট করে না!!
ঝড় বাদল০১ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ঝড় বাদল০১।
বিডি আইডল বলেছেন:
খুবই ভালো একটা পোষ্ট...এই বিষয়ে পরবর্তীতে আরো লেখা দিবেন পারলে....প্রবাসীদের প্রভূত উপকার হবে...প্রিয়তে নিলাম
লেখক বলেছেন: চেষ্টা করবো। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
তবে শিশুদের বর্ণ ও ভাষা শেখাতে গিয়ে কী কী অসুবিধায় পড়েন, সেটি জানলে লিখতে সুবিধা হয়। সমস্যাগুলো ধরে ধরে লেখা যায়।
হরিপদ দে বলেছেন:
অসাধারণ .................................প্রিয়তে রাখলাম।.............................
আমার বাচ্চাকে শিখাতে কাজে লাগবে।
++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার বাচ্চাকে শেখানোর অনুভূতিটা শেয়ার করবেন কিন্তু।
বিডি আইডল বলেছেন:
বিস্তারিত পরে কোন এক সময় দিব..এখানে রাত ৩:১৫ বাজে..ঘুমাতে যাব...মূল সমস্যাটা হয় পড়তে এবং বলতে...যেহেতু সারাদিনের চর্চাটা ইংরেজী করতে হয় তাদের...কি পদ্ধতি ধরে আগালে পড়া এবং বলার অভ্যেসটা পাকাপোক্ত করা যায় এই নিয়ে বিশদ দিতে পারেন
লেখক বলেছেন: ওকে, ঘুম থেকে উঠে জানাবেন।
এটা নিয়ে পরে একটা বিস্তারিত পোস্ট দেব বলে ভাবছি। আশা করি কিছুদিন অপেক্ষা করতে পারবেন। ধন্যবাদ।
কৌশিক বলেছেন:
অসাধারণ....আরো আরো চাই..সোজা শোকেজে
লেখক বলেছেন: শোকেসে নিয়া কি বন্ধ কইরা রাখলেন?
কৌশিক বলেছেন:
অসাধারণ....আরো আরো চাই..সোজা শোকেজে
যীশূ বলেছেন:
অসাধারণ! এইটা ধারাবাহিক ভাবে চালিয়ে যাও।
লেখক বলেছেন: চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ।
রিপঅন বলেছেন:
অসাধারণ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
প্রিয়তে
এর পরের ধাপ বা দুইটা ভাষা বাচ্চাদের একসাথে কিভাবে শিখানো যায় এই সম্পর্কে পোষ্ট চাই ~~
+++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দুইটা ভাষা শিশুদের একসাথে না শেখানোই ভালো। আমি ব্যক্তিগতভাবে এটা সাপোর্ট করি না। এটা তাদের মানসিক বিকাশের পক্ষেও সহায়ক না। একটু বড় হলে একটা একটা করে আপনি তাদের অনেক ভাষাই শেখাতে পারেন।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
লেখাটা তো ভাই দারুন। ... প্রথম প্রথম অবশ্য মনে হৈতেসিল কপিপেস্ট ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কপি পেস্ট কেন মনে হয়েছিলো?
গিল্টিমিয়া বলেছেন:
সুন্দর লিকেচেন। বাচ্চাদের জন্যে প্রয়োজোন আচে।
লেখক বলেছেন: বাচ্চাদের জন্য না। বাচ্চাদের বাপের, বাচ্চাদের মায়ের প্রয়োজন আচে।
হাল্ক বলেছেন:
শিশু যদি বুঝতে পারে তাকে শেখানো হচ্ছে, তাহলে কিন্তু মহাসর্বনাশ!আপনি যে কৌশলে ব্লগারদের শিক্ষা দিচ্ছেন-সেইটা কেউ ধরতে পারল না। যারা পারছে তারা কিন্তু না পইড়াই চইল্লা গেছে।
+
লেখক বলেছেন: এহ্হে, আপনি তো ধরে ফেললেন! এখন কী করি?
যাই হোক, আপনি যে না পড়ে চলে যান নি সেজন্য ধন্যবাদ। তবে কৌশলে ব্লগারদের যে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, সেটা কিন্তু কাউকে জানাবেন না। কেমন?
আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ভিয়েনাস বলেছেন:
শিক্ষানীয় পোস্ট । বাচচাদের যত কোমনীয় ভাবে শিখানো যায় ততই ভালো । যাকে বলে খেলতে খেলতে শেখা ।
লেখক বলেছেন: ঠিক তাই। আপনাকে ধন্যবাদ।
শত রুপা বলেছেন:
জাস্ট প্লাস।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
গিফার বলেছেন:
ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
ক্যানন কার্ণেগী বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাই। আপনার সময় ব্যয় ও পরিশ্রমের প্রশংসা করছি।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
সহীদুল হক মাণইক বলেছেন:
অসাধারণ ,ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য।
ভবঘুরে ছেলেটি বলেছেন:
অসাধারন পোস্ট...+
লেখক বলেছেন: আপনি যে ভবঘুরে, ঘুরতে ঘুরতে এখানে চলে এসেছেন, তাতেই অনেক ধন্যবাদ।
মনুমনু বলেছেন:
অনেক দেরি হইল নাকি .।তয় কমে লাগব।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ![]()
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। ![]()
আহাসান বলেছেন:
এমন কিছুই খুঁজি সবসময়...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
কাঠঠোক্রা বলেছেন:
শিক্ষানীয় পোস্ট.. শিখে রাখলুম..... যদিও প্রয়োগের ক্ষেত্র আসিতে এখনো প্রায় ৭-৮ বছর দেরি
লেখক বলেছেন: সাত-আট বছর!!!! ভাইজান তো তখন বুড়া হয়ে যাবেন!
ম.শরীফ বলেছেন:
খুবই ভাল লিখা। আমি আমার ভাতিজীকে লিখায় আগ্রহ আনার জন্য না না কৌশল অবলম্বন করি , য়েমন তাকে বলি ঘোড়ার ডম আকতো, সে খুবই আনন্দের সাথে গোল গোল বৃ্ত্ত আকে,
লেখক বলেছেন: দারুণ কৌশল। এরকম আরো কিছু কৌশল বের করে জানান। আসলে শিশুদের শিক্ষাটা নানা উপায়ে আনন্দদায়ক করা যায়। সেক্ষেত্রে একজনের প্রয়োগ করা উপায় আরেকজনের জানা থাকলে খুবই ভালো হয়।
আহাদিল বলেছেন:
খুব উপকারী পোস্ট অনেকের জন্যেই।মনে আছে ছোটবেলায় প্রথমে 'কাক' দেখলাম, 'কাক' বলা শিখলাম, তারপর জানলাম ওতে দুটো 'ক' আছে- 'ক' লেখা শিখলাম- হয় তো এর মাঝে বাবা অনেকগুলো 'ক' নিয়ে কোন ছড়া তৈরী করে তা শুনাতেন; অক্ষরজ্ঞানের যাত্রা শুরু হয়ে গেছিল মুখে বোল ফোটার সাথে সাথেই।
আর খুব দুঃখিত হতাম প্রাইমারী স্কুলে 'শিশুশ্রেণী' নামক ক্লাশে অক্ষরজ্ঞান দানের পদ্ধতি দেখে, অনেক বাসায় বাবা-মায়েরাও সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার করেন না, জানেন না বলেই। এক সময় স্বপ্ন ছিল বাচ্চাদের স্কুলের শিক্ষক হবো- খুব ছোট থেকে যেন তাদের সঠিক জ্ঞানটা দেওয়া যায়!
শিশুকে কখনও সরুয়ু, সরায়া শেখাবেন না। সোজাসাপ্টা অ আ বলবেন। হ্রস্বই, দীর্ঘই ইত্যাদি শেখানে পুরোপুরি নিষেধ। শেখাতে হবে আ (আআ), ই (ই), ঈ (ইই), উ (উ), ঊ (উউ)। অর্থাৎ যেখানে স্বর দীর্ঘ, সেখানে দীর্ঘভাবে উচ্চারণ করাতে শিখাবেন, যেখানে স্বর হ্রস্ব সেখানে হ্রস্বভাবেই শেখাবেন।
এই ব্যাপারটা একদমই ফলো করে না গ্রামের স্কুলের বেশীর ভাগ শিক্ষক।
প্লাস আপনাকে।
লেখক বলেছেন: আপনি কিছুটা হলেও ভাগ্যবান যে কাক শিখে তারপর ক শিখতে পেরেছেন। তবে আপনার স্বপ্নটার কী হলো তা তো জানালেন না!
উৎসাহদানের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ। ![]()
আব্দুল্লাহ (রাইয়ান) বলেছেন:
আগে আম দেন তারপর পড়ব।
লেখক বলেছেন: আপনার জন্য তো আমগাছকেই জাতীয় গাছ বলে ঘোষণা কর্লাম। ![]()
যাররিনের বাবা বলেছেন:
চমৎকার লেখা, প্রিয়তে রেখে দিলাম। বর্ণমালা শেখানোর বাজারে পাওয়া বইগুলো দেখে বিতশ্রদ্ধ হয়ে একসময় ভেবেছিলাম একটি বই নিজেই বানিয়ে নেবো, কম্পিউটার থেকে প্রিন্ট করে...
আপত্তিগুলো নিজের কাছেই পরিষ্কার ছিলোনা, খালি বুঝতাম যে ঠিক মানসম্মত নয়। আপনার লেখা পড়ে রহস্যটা পরিষ্কার হলো।
ধন্যবাদ আপনাকে!
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। যাররিন কী করে? কী পড়ে? ওকে আমার আদর পৌঁছে দিবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সালাহউদ্দীন আহমদ।
লেখক বলেছেন: কাজে লাগবে না কেন?
শায়েরী বলেছেন:
প্রিয় তে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ![]()
বাজেকাম বলেছেন:
চমৎকার!! খুবই উপকারী পোস্ট তো ... !!
আমার খুব কাজে লাগবে। বাচ্চার বয়স সাড়ে তিন।
অ দিয়ে অজগর ছাড়া আর কী সহজ বিশেষ্য শব্দ আছে?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ![]()
অ দিয়ে অনেক শব্দ আছে। সবচেয়ে ভালো হয় নিজে নিজে কিছু ছড়া বানিয়ে নিলে, যেগুলোর সাথে শিশুদের ভালো লাগাটা মিশে থাকবে। যেমন, শিশুর বড় বোনের নাম যদি হয় অপলা, তাহলে ছড়াটি অপলা দিয়েও শুরু করতে পারেন।
জনদরদী বলেছেন:
আপনার এই পোষ্টটি আমার খুব ভাল লেগেছে । অনেকের খুব কাজে আসবে আশা করি ।
লেখক বলেছেন: আপনারও কাজে আসুক! ![]()
লেখক বলেছেন: চমতকার! আপনার বাচ্চার শেখানোর অভিজ্ঞতাগুলো আশা করি শেয়ার করবেন!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















