: দ্যাখো, কবিতা লেখা দোষের কিছু নয়; কারণ-
বার্ড ফ্লুতে ঢাকা-চট্টগ্রামে কাক মারা গেলেও কোনো কবিকে আক্রান্ত হতে হয়নি পাখিজ্বরে, আজতক।
সো, তোমার ওজন যদি কাকের চাইতে একটুখানিও বেশি হয়, তুমি কবিতা লিখো।
: কিন্তু, তোমাকে নিয়ে কাকের খেদ থাকতেই পারে, যেহেতু সে মনে করে তুমি আর কাকের সংখ্যা সমান।
আর এ জন্যই বলি, কাকের ঘিলু নেই। না হলে কি কাক আর কবির সাংখ্যতুলনার গর্বে কাক গর্ববতী হয়!
কাকের তো অ্যাপ্রন নেই যে বার্ড ফ্লু ঠেকাবে! ডালে বসে স্পন্সর খুঁজলেই তো আর ফ্রি সিম পাওয়া যায় না! ময়ূরপুচ্ছ পড়লে যে জয় গণতন্ত্র রক্ষায় সাম্রাজ্যবাদের স্পন্সর চলে আসে, সেই অ্যাকাডেমিক কোয়ালিফিকেশন কাকের থাকলে তো তোমার দেশের রেমিটেন্স বেড়ে যেতো।
ভাগ্যিস, কেউ কেউ কবিরা ছিলো সেখানে...
: আহা, তোমার লেখা যে কাকের কবিতা লেখার চাইতে উৎকৃষ্ট হতেই হবে তা কি আমি বলেছি?
তুমি স্পন্সর যোগাড় করতে পারো, কাক পারে না- এই পার্থক্যটা ভুলে গেলেই বা কি ক্ষতি?
: একটি কাক মারা গেলে শোককবিতা পড়তে সমবেত হয় হাজার হাজার কাক।
: একটি বহুজাতিক স্পন্সর পেলে মন্ত্র-দিয়ে-গণতন্ত্র-রক্ষার জন্য সমবেত হন শত শত কবি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



