তেইশটা বসন্ত ( সাথে শীত-গ্রীষ্ম ) পার হল, জীবনের পথে হয়তো খুব বেশি হাঁটি নি, তবে প্রাপ্তির লিস্টি মোটেও কম বলতে রাজী না আমি। তবে প্রাপ্তি বলতে যা হাসিমুখে গলাধ: করণ তাইই নয়, তাতে কঞ্চি থেকে শুরু করে গাঁটঅলা বাঁশও সগর্বে উপস্থিত।
কথা না বাড়িয়ে বলেই ফেলি, আজকে আমার জন্মদিন ছিল। আর আজই আমার মনে হল ব্লগে আমার ফেসবুকের যে আইডি আছে সেই নামে একটা অ্যাকাউন্টি খুলে ফেলি। ভাগ্য সুপ্রসন্নই বলতে হবে, বেশ সহজেই খুলতে পারলাম। ( যে কোন অ্যাকাউন্ট খোলা নিয়ে আমার এক ধরনের ভীতি আছে, প্রথমবারের চেষ্টায় এবং মনের মত নিক নিয়ে কোন অ্যাকাউন্ট খোলার সৌভাগ্য আমার খুব বেশি নেই)
জন্মদিন ব্যাপারটা আমার কাছে কখনোই খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।কারন আমাদের পরিবারে আসলে ছোটবেলা থেকে এর তেমন রেওয়াজ থাকা তো পরের কথা, কার কবে জন্মদিন সেটা স্মরণ করা হত কেবল ফর্মটর্ম পূরণ করার সময়। অবশ্য সময় এখন পাল্টে গেছে । আজকে আমার জন্মদিনের প্রথম উইশ তাই আম্মার মুখ থেকেই শুনলাম ফোন মারফত ।
হলে থাকি বিধায় জন্মদিনটা আর সাদামাটা থাকে না, ক্লাসমেট আর বন্ধুরা ফেসবুকে ব্যাপারটা টের পেয়ে ওত পেতে থাকে নাজেহাল করার জন্য। মেসেজ আর ফোন দিয়ে তো বটেই, মানিব্যাগটাও নিজের কুক্ষিগত থাকে না শেষমেষ।
থাকি সিলেট মেডিকেলের সামসুদ্দীন হোস্টেলে, সিলেটের দরগা থেকে পাঁচমিনিটের হাঁটা পথ ।তাই ছোটখাট একটা পার্টিও হয়ে যায় দরগার ওদিকে, খোলা আকাশের নীচে কোন এক খাবারের দোকানের সামনে। বৃহস্পতিবার দিনটা আবার বেশ রমরমা থাকে দরগা।
যাই হোক, জন্মদিন নিয়ে তেমন কোন আহা উহু না থাকলেও বুকের থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বেড়িয়ে যায়ই…ধুর শালা, তেইশটা দাগ পড়ে গেল বয়েসের খাতায়, আর এখনো কতকিছু করতে পারলাম না …
জানি না, ব্লগিং করতে পারবো কিনা, খুব দ্রুত যেকোন বিষয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলার ব্যাপারে আমার সুনাম আছে। তবু আইডিটা আমার জন্য একটা স্মৃতিচিহ্ন হয়ে থাকবে আশা করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

