'
'
"
'
সকালে ভীষণ মাতা ব্যাতা নিয়ে জাহিদ বাবাজী ঘুমেত্থে উঠল। রাইতে অফিসিয়াল পাট্টি আছিলো। লগে মনে পইড়া গেলো যে হেয় মাশাল্লা গলা তমাত মদ গিলচিলো। হেল্লিগাই মাতাব্যাতা। তার মনেও পড়তে ছিলো না যে কিছু উল্টাপুল্টা কইরা বইসা আছে কি না।
জোর করে চোখটা খুইলা পাশে তাকায়া দেখে যে দুইটা ডিসপিরিন আর এক গেলাস পানি। এট্টু অবাক হইলেও সে অষুদডি খায়া লাইলো। হের পর টলতে টলতে বাত্রুমে গিয়া আইনার সামনে দাঁড়ায়া দেখে যে কপালে বিশাল একখান আলু হইয়া রইছে। লাল টকটকা চৌখ হয়া রইছে। আর আইনার লগে একটা কাগজ লাগানি। হেতে লিখা রইছে
সোনা, তুমার নাস্তা টেবিলে রাইখা গেসি। আমি এট্টু বাজারে গেলাম। রাইতে তুমার পচন্দের খাবার বানাইতে হইবো না?লক্কি সুনা আমার। ইতি, জামিলা।
জাহিদে তো তব্ধা খায়া গেলো। টেবিলে গিয়া দেখে হের পুলা জলিল বয়া রইছে। আর টেবিলে হাচাই হের নাস্তা সুন্দর কইরা সাজানি।
পুলারে জিগায় কাইলকা কি করছিলামরে? তুই কি কিছু জানস?
পুলা কয় আব্বা তুমিতো আইছো রাইত ৩টায়। আইসাই পইলা গিয়া টভিত গুতা দিয়া ফালায়া দিসো, হেরফর ভ্যারভ্যার কইরা বমি করছো কার্পেটের উপ্রে, হেরপর ঘরে যাইতে গিয়া দরজার লগে কঠিন বাড়ি খায়া কপালে আলু ডি ফুলাইছো।
জাহিদে আরো তব্ধা খায়া জিগায় তৈলে তোর মায়ে এখন চুপচাপ রৈছে কেন? জানস কিছু?
পুলায়া কয়, তুমি যহন বিছানায় গেসো ঘুমাইতে মায়ে তুমার প্যান্ট খুলনের লিগা টানতে ছিলো। তুমি উইঠা মায়েরে একখান রাম চটকানা মাইরা কইছো দুরে যা হারা**াদী আমি বিয়াইত্তা মানুষ।
_____________________________________
টেলিভিশন=৩০০০০ টেকা
কার্পেট ওয়াশ= ৫৭৫ টেকা
সবচে বেশি খারাপ কাজ মদ খাওয়া
বউরে পিডানি
সব অফ্রাদ মাফ হয়া গেলো খালি ঠিক সুময় ঠিক কতা খান কওনে
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


