বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান যেমন বাকশাল, রক্ষী বাহিনী এসবের জন্য সমালোচিত হন তেমনি জিয়াউর রহমান সমালোচিত হন জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতিতে পূনর্বাসন করে এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে সামরিক শাসনের যুগ শুরু করে। দুইজনকেই এর মূল্য দিতে হয়েছে।
তবে, জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতিতে পূনর্বাসন করে জিয়াউর রহমান যে নিজের মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে এনেছিলেন এইটা অবশ্য আমরা অনেকেই জানি না।
২১ মার্চ, ১৯৮১ সালে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় কর্নেল নূরুজ্জামান তৎকালীন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে পাকিস্তানি নাগরিক গোলাম আজমের বাংলাদেশে বসবাসের বৈধতা এবং যৌক্তিকতা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছিলেন একটি লেখায়। তিনি হুংকার দিয়ে বলেছিলেন, মুক্তিযোদ্ধারা গোলাম আজমকে নাগরিকত্ব দেয়ার প্রচেষ্টা যেকোন মূল্যে প্রতিহত করবে। এ সময় তিনি এর কিছদিন আগে ন্যাপ নেতা অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদের সংগে তার একটি আলাপচরিতা তুলে ধরেন। সে আলাপচরিতায় মোজাফফর আহমদ বলেছিলেন, “এরপর দেখুন, বাংলদেশে কে টিকে থাকে। গোলাম আজম যদি টিকে যান, তবে জিয়ার বেহেশতে গমন অনিবার্য। আর জিয়া টিকলে গোলাম আজম ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ বলতে বলতে পাকিস্তান বা সৌদিতে চলে যাবেন ”।
এর ঠিক ২ মাস ৯ দিন পর ৩০মে, ১৯৮১, জিয়াউর রহমান’ নিহত হন। গোলাম আজম টিকে গেছেন, জিয়া টিকেন নাই।
খেয়াল কইরাঃ গত নির্বাচনেও বিএনপি’রে ডূবাইছে জামায়াতে ইসলামীর বন্ধুত্ব। সামু ব্লগের বিএনপি সমর্থকদের অনেকেই যেইভাবে জাত বেইমান নিকৃষ্ট জাশির ছাগুগো সাথে পেয়ারের সম্পর্ক টিকাইয়া রাখার ব্যাপারে সচেতন তাতে মনে হইতাছে ব্লগে একসময় জাশিরাই টিকিয়া থাকিবে, এবং বিএনপির বিলুপ্তি ঘটিবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মে, ২০১০ রাত ১১:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



