আমার প্রিয় পোস্ট
- ওয়েবসাইটচন্দ্র লিংকসাগর : কিছু অতি জরুরী ওয়েবসাইট , না জানলে পস্তাবেন - জাফর সািদক রুমী
- জিমেইল একাউন্ট হ্যাক হয়েছে?
- অদ্ভুত
- আমার N73 তে একই জায়গায়,একই সময়ে আমার দোস্তের 5800 থেকে নেটের পীক স্পীড কম - কারণ কি??টেকনিক্যাল ব্যাখা.. - ধূসর মানচিত্র
- উবুন্টুতে সুপার ইউজার যেভাবে হবেন
- আমড়া কাঠের ঢেকি
- বাঙ্গালী নেটে কি করে (১৮+ পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- 'একটি দিবস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বিস্স্মৃতির গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে' - সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা
- যন্ত্র গণকের যন্তর মন্তর - ১ - রাগিব
- লিনাক্স ডিরেক্টরী স্ট্রাকচার । - গাজী সালাহউদ্দিন
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- [ভাইরাসের কারনে] আপনার পিসি ফরম্যাটের আগে একবার এটা পরখ করে দেখে নিতে পারেন - নামহীনা
- কিংবদন্তী ঢাকার মসলিন (পর্ব-১) - প্রিয়তমা
- ভাষা আন্দোলনের অগ্রদূত সৈয়দ মুজতবা আলী । - লাবণ্য প্রভা
- সবকথা কৌতুক নিয়া!
- তাজুল ইসলাম মুন্না
- ফ্রি এবং খুবি সহজ পদ্ধতি তে সাইট তৈরি করুন....... - গিফার
- দু'টি অত্যন্ত শক্তিশালি নিরাপত্তা সফটওয়্যার - NOD32 ও Malwarebytes' Anti-Malware - নাফিস ইফতেখার
- ইজরায়েল-হামাস বিরোধ : প্রতিবাদ ঢেকে যাচ্ছে বিদ্বেষের অন্ধকারে - ফিউশন ফাইভ
- চলুন php শিখি.........২ - জাহিদুল হক জিকো
- জুমলা টিউটোরিয়্যাল-১ - স্বপ্নশিকারী
- আপনি পঁচা PHP প্রোগ্রামার?
- 'লেনিন'
- ZCE হবেন? পিএইচপি শিখুন! - 'লেনিন'
- গণিতের সাধারন জ্ঞান ও নুহের প্লাবন - দস্যু বনহুর
- Rapidshare থেকে সহজে ডাউনলোড করার উপায় - ঐক্যতান
- ভাষা শিক্ষা বিষয়ক আমার ক্ষুদ্র ভাবনা - মেঘ
- ভাইরাস লাগবো ভাইরাস!!! নেট থেকে ডাউনলোড করুন ভাইরাস!!!
- নাফিস ইফতেখার
- হাজার হাজার জি পিএ ফাইভ (৫) -- একটু পর্যালোচনা। ( সাথে সকল কৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা।) - পথিক!!!!!!!
- আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি, তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং আমাদের নারী ভাবনা - রিফাত হাসান
- আমাদের চারিদিকের মিডিয়া ফেরেশতাদের তেলেসমাতি ! - নাসিমূল আহসান
- জাষ্ট ক্লিক এবং উপার্জন করুন ডলার - ৈশবাল চৌধুরী
- পাবলিক লাইব্রেরী চত্বরে মিশ্র অনুভুতির কিছু মুহুর্তগুলি - মিলটন
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- টিপস এন্ড ট্রিকস: মজিলা ফায়াফক্সে ব্রাউজিং স্পিড বাড়াতে (১) - ত্রিভুজ
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- বাক বাকুম বাক স্বাধীনতা - দিনমজুর
- উইন্ডোজ এ বিভিন্ন অপশন এনাবল/ডিজেবল এর জন্য কয়েকটি রেজিষ্ট্রি কি সেটিং - লুলুপাগলা
- পিএইচপিতে ইমেইল - মদন
- চমস্কি-র ম্যানুফ্যাকচারিং কনসেন্ট এর অনুবাদ প্রসঙ্গে/ম্যানুফ্যাকচারিং কনসেন্ট গ্রন্থের সাথে আমার বসবাস- আ-আল মামুন - সংহতি
- হার্ডডিস্ক পার্টিশন করার ঝামেলা ছাড়াই ইন্সটল করুন উবুন্টু ৭.১০ - শাহেদুর রহমান
- কম্পিউটার সতেজ (ঢিলেমি দূর) করার কিছু টিপস্....................... - লুলুপাগলা
- দিনমজুরের পোস্ট ধরে সন্ধ্যাপ্রদীপের পোস্ট ,সেখানেই আমার উপলব্ধি,উপলক্ষ সমাজতন্ত্রে মুক্তির উপায়। - বিহংগ
- পুঁজিবাদের থাবা,সমাজতন্ত্রের বাঁধা আর ভাষা দিবসে পুতুলের ধাঁধাঁ! - পুতুল
- এবার নবম ও দশম শ্রেণীর পাঠ্যবইতে আদিবাসীদের জীবনধারা নিয়ে মশকরা! - কুঙ্গ থাঙ
- এক্সপি টিপস: আপনার পিসিটি আরো সুন্দর ভাবে চলার জন্য যা প্রয়োজন (২) - ত্রিভুজ
- সোশ্যাল ট্যাবু, প্রান্তিক জনপদের ভাষা এবং ব্লগীয় গালি - মিরাজ
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- আপনার ফায়ারফক্সের স্পিড বাড়িয়ে তুলুন ১০ গুনঃ টিপস - আহমাদ মুজতবা
- অ্যাগ্রো-ফুয়েল ও বিশ্ব ক্ষুধা - দিনমজুর
- একটা ব্লগ লিখেই ফেলি সমাজ বদলের (ব্লগ লিখলেই সমাজ বদল হয় না):২ - উদাসী স্বপ্ন
- '৭১ এর বুড়ি : সাধারণ কিছু মানুষের গল্প - ফারহান দাউদ
- ‘লালন’ সংস্কৃতি : সাধু! সাধু! - অরূপ রাহী
- রাজাকারের বিচার করবোই করব এই বাংলায় - রোকন
- কার্টুন রাজনীতির নেপথ্যে - অমি রহমান পিয়াল
- দিলাম পুরা ৫ - অনিশ্চিত
ব্ল্যাক হোলের সাথে ম্যানহোলের এবং হোয়াইট হোলের সাথে সুড়ঙ্গমুখের মিল আছে- সত্যি কথা কিন্তু!
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৫
(পুরা হুশিয়ারি: এই লেখা কারো জ্ঞান না কমালেও অনিশ্চিতের পোস্টের সংখ্যা নিশ্চিত বাড়াবে)
মগবাজারের দিলু রোড দিয়ে হাঁটছেন। সাথে এমন একজন আছেন যার সঙ্গে ইতোমধ্যেই আপনার মানসিক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে, কিন্তু অধিকাংশ সময়ই আপনি বুঝতে পারেন না তার মেজাজ গরম না ঠাণ্ডা। এমন সময় আপনি হুশ্ শ্ করে ঢুকে গেলেন ম্যানহোলে। আপনি জানেন, মানুষের শরীর থেকে নির্গত সবকিছু প্লাজমা অবস্থায় থাকে এই ম্যানহোলে। সেগুলোর স্পর্শ পেয়ে আপনার কিছুটা শীত শীত করতে লাগলো। বেরুনোর কোনো উপায়ও দেখছেন না। আপনার সঙ্গীকে যে বলবেন আপনাকে টেনে তুলতে, সে উপায়ও নেই। প্রেস্টিজ তো আস্তে আস্তে পাংচার হবেই, তার চাইতে বড় কথা আপনার কোনো শব্দই হয়তো সেখান থেকে বেরিয়ে বাকি দুনিয়ার কানে পৌঁছবে না। - এই অভিজ্ঞতা যদি কখনো আপনার হয়ে থাকেন, তাহলে নিশ্চিতভাবে ধরে নেওয়া যায় ব্ল্যাকহোল সম্পর্কে আপনার প্র্যাকটিক্যাল অভিজ্ঞতা বিশেষজ্ঞপুরুষ হকিং-এর চাইতে অনেক বেশি।
ধরে নিলাম, উদ্ধার পাওয়ার আশায় আপনি হাঁটতে শুরু করলেন। হাঁটতে হাঁটতে একসময় হঠাৎ করে আবিষ্কার করলেন কী যেনো আপনাকে প্রবলবেগে টেনে নিয়ে যাচ্ছে! নিচে তাকিয়ে দেখলেন, মনুষ্যনির্গত প্লাজমাগুলো হঠাৎ করেই প্রবলবেগে আপনাকেসহ ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে এমন এক জায়গায়, যেখানে নিশ্চিত আপনার সঙ্গী আপনার জন্য অপেক্ষা করে বসে নেই এবং তার কিছুক্ষণ পরই আপনি নিজেকে আবিষ্কার করলেন বেগুনবাড়ি খালের মুখে একটি ভূপাতিত বস্তুরূপে। অবাক হওয়ার কিছু নেই, আপনি আসলে পানি নিষ্কাশন পাইপের মাধ্যমে প্লাজমামিশ্রিত অবস্থায় নিপাতিত হয়েছেন পাঁচতারকা হোটেল সোনারগাঁর পাশের ওই খালে। এই যে আপনি হঠাৎ করেই পাইপের মুখ দেখতে পেলেন এবং (আস্তাকুঁড়ে) নিক্ষিপ্ত হলেন প্রবলবেগে, সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই পৃথিবীর বাঘা বাঘা বিজ্ঞানীদের সাথে হোয়াইট হোল থেকে পদার্থ কীভাবে মহাশূন্যে নিক্ষিপ্ত হয়, সে বিষয়ে তর্ক করতে পারেন। আপনি এটাও বলতে পারেন, এই মহাশূন্যে ব্ল্যাক হোলের অবস্থান যেমন নিশ্চিত, হোয়াইট হোলের অবস্থান তেমনই নিশ্চিত। কেবল অনিশ্চিত যিনি এই লেখাটি লিখছেন, তার জ্ঞান সম্পর্কে।
*
নিউটনের সূত্র অনুযায়ী, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবকিছুই একে অপরকে টানছে। কিন্তু ক্ল্যাসিক্যাল পদার্থবিদ্যার চিরায়ত ধারণার সঙ্গে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কিছু গোলমাল আছে। মস্তিষ্ককে আপাতঃধারণাশূন্য না করে একসঙ্গে ক্ল্যাসিক্যাল পদার্থবিদ্যা ও কোয়ান্টাম মেকানিক্স নিয়ে পড়তে গেলে মস্তিষ্ক উল্টাপাল্টা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। সেটি নিয়ে অবশ্য পরেও আলাপ করা যাবে।
কথা বলছিলাম ব্ল্যাক হোল নিয়ে। সরলভাবে বলা যায়, কোনো অতিকায় নক্ষত্র যখন অবিশ্বাস্যভাবে সংকুচিত হয়ে যায় এবং জমাট বেঁধে তার অভিকর্ষণ শক্তিকে বাড়িয়ে নেয় অকল্পনীয়ভাবে- তখন বিজ্ঞানীরা তাকে ব্ল্যাক হোল নামে ডাকেন। এর আকর্ষণ শক্তি এতোটাই মারাত্মক যে, আলো পর্যন্ত একে ভেদ করে বেরিয়ে আসতে পারে না। ফলে ব্ল্যাক হোলকে দেখা যায় না কখনোই, তার রং হয় কালো কিন্তু বুঝা যায় যে, সামথিং ইজ রং ইন দ্য গোলক। যেমন, এক কেজি ওজনের কোনো বস্তু যদি ব্ল্যাক হোলের মাত্র বিশ ফুট দূরে এনে রাখা যায়, তখন সেটির ওজন হয়ে যাবে কমপক্ষে দশ লাখ টন।
বলা হচ্ছে নক্ষত্র অবিশ্বাস্যভাবে সংকুচিত হয়ে ব্ল্যাক হোলের জন্ম দেয়। কিন্তু সেই অবিশ্বাস্যভাবে সংকুচিত হওয়ার মাত্রা কতটুকু? উদাহরণস্বরূপ, সূর্যের ব্যাস প্রায় দেড় মিলিয়ন কিলোমিটার। এই বিশালাকার আয়তনকে যদি কোনোভাবে মাত্র দশ কিলোমিটারে নামিয়ে আনা যায়, তাহলে সেটি একটি ব্ল্যাক হোলে পরিণত হবে। অন্যদিকে, পৃথিবীকেই যদি চেপেচুপে মাত্র দশমিক ৮৭ সেন্টিমিটার বানানো যায়, তাহলে পৃথিবীও একটি ক্ষুদে ব্ল্যাক হোলে পরিণত হতে পারে।
ব্ল্যাক হোলে যে সব জিনিস প্রবেশ করে- বিজ্ঞানীরা অনুমান করেন- সেগুলো পাক খেতে খেতে প্রবেশ করার সময় ব্ল্যাক হোলের বিপুল অভিকর্ষ ক্ষেত্রের প্রভাবে প্রচণ্ড গতিশক্তি অর্জন করে। এই শক্তির আবার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিকিরণে রূপান্তরিত হয়, কিন্তু হয়তো তাপ উৎপন্ন হয় না। ফলে ব্ল্যাক হোলের মাঝখানে একটি শীতল পরিবেশ বিরাজ করতে পারে। সাধারণত বস্তুর মধ্যে যতোটুকু শক্তি থাকে, তার পুরোটাই নির্গত হয় এবং আমাদের কল্পসীমার বা ধারণারও বাইরে- এমন শক্তি নির্গত হয়। আমরা যখন চুলায় কাঠ, কাগজ, কয়লা কিংবা পাতা দিয়ে রান্না করি, তখন সেগুলোর এক অংশ আলো ও তা উৎপন্ন করে এবং বাকি অংশ অব্যবহৃত রয়ে যায়। যে কারণে একই কয়লা দিয়ে কয়েকবার রান্না করা সম্ভব। এই বিরাট অংশ অব্যবহৃত হয়ে যাওয়ার কারণেই এসবের উপজাত হিসেবে চুলা থেকে ছাই বা কয়লা পাওয়া যায়। যদি বস্তুর পুরো অংশটিই শক্তিতে রূপান্তরিত হতো, তাহলে সেগুলো পুড়ানোর পর আর কিছই অবশিষ্ট থাকতো না।
ব্ল্যাক হোল যেমন সবকিছুকেই ভেতরের দিকে টেনে নিচ্ছে, স্বাভাবিক গাণিতিক নিয়মানুসারে এমন কিছু থাকার কথা যেগুলো সবকিছুকেই বাইরের দিকে উগরে দিচ্ছে। এই চিন্তাভাবনা থেকেই বিজ্ঞানীরা মনে করেন, মহাশূন্যে ব্ল্যাক হোলের বিপরীতধর্মী হোয়াইট হোলের অস্তিত্ব বিরাজমান। তারা মনে করেন, ব্ল্যাক হোলে পজিটিভ গ্র্যাভিটির চাপে যতোটুকু সংকুচিত হয়ে বস্তু ভেতরে প্রবেশ করছে, ঠিক ততোটুকু নেগেটিভ গ্র্যাভিটির চাপে অন্য একটি দ্বার দিয়ে সেগুলো বেরিয়ে যাচ্ছে, যাকে হোয়াইট হোল বলা যেতে পারে। এই সূত্রানুসারে অনেক বিজ্ঞানী রহস্যময় কোয়াসারগুলোকে হোয়াইট হোল বলে মনে করেন।
গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সের বদৌলতে ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলেও হোয়াইট হোল নিয়ে বিজ্ঞানীদের চিন্তা কমছেই না। মহাশূন্যে বিশাল জায়গা নিয়ে শত শত গ্যালাক্সির ঔজ্জ্বল্য নিয়ে যে সব বস্তু ঘুরছে, সেগুলোকে কোয়াসার বা হোয়াইট হোল নাম দিলেও তাদের সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না। ব্ল্যাক হোলের চারপাশে গ্র্যাভিটন দিয়ে তৈরি গ্র্যাভিটি যেমন আলোকে নিজের দিকে টেনে নেয়, তেমনি কোনো প্রমাণ হোয়াইট হোলের সপক্ষে বিজ্ঞানীরা এখনও পান নি। ফলে বস্তু, আলো, রেডিও তরঙ্গ বা চুম্বকীয় তরঙ্গ যেমন বিলীন হয়ে যায়, তেমনিভাবে সেটা যে ফিরে আসে সেই নিশ্চয়তা দেওয়ার মতো এখনো কোনো দৃঢ় প্রমাণ পান নি বিজ্ঞানীরা।
একটু আগেই বলা হয়েছে, ব্ল্যাক হোলের ভেতরের পরিবেশ হবে শীতল। কিন্তু সেখানেও বড়সড় বিভ্রান্তি আছে ক্ল্যাসিক্যাল ফিজিক্স এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কারণে। ব্ল্যাক হোল যদি সূর্য কিংবা এরকম বড় সাইজের নক্ষত্রের থেকে উৎপত্তি হয় তাহলে তার অবস্থা হবে ভয়াবহতম শীতল। অন্যদিকে যদি সাইজ হয় প্রোটনের মতো, তাহলে তার তাপমাত্রা এতোটাই বেশি হবে যে, সেই তাপমাত্রা কথা চিন্তা করাও দূরূহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে। আমাদের সবচাইতে কাছের ব্ল্যাক হোল সিগনাস এক্স-১কে বলা হয় মহাশূন্যের শীতলতম জায়গা।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ব্ল্যাক হোল টিকে থাকে কয়দিন? স্টিফেন হকিং মনে করেন, ছোট ছোট ব্ল্যাক হোলগুলোর আয়ু কম, যেখানে বড়গুলো আমাদের সময়ের হিসেবে প্রায় অনন্তকাল টিকে থাকবে। তবে যদি এমন হয়, নক্ষত্রগুলো আস্তে আস্তে ব্ল্যাক হোলে পরিণত হয়ে গায়ে গায়ে লেগে যাচ্ছে, তাহলে একসময় পুরো মহাশূন্যই ব্ল্যাক হোলময় হয়ে যাবে। এবং এখানেই মহাশূন্যের ইতিহাসের সমাপ্তি।
যারা হোয়াইট হোল তত্ত্বে বিশ্বাস করেন, তারা কিন্তু মনে করেন এখানেই মহাশূন্যের ইতিহাসের সমাপ্তি ঘটবে না। কারণ বস্তুগুলো হোয়াইট হোলের মাধ্যেম বিচ্ছুরিত হয়ে অপরপ্রান্তে (যদিও মহাশূন্যের অপরপ্রান্ত বলে কিছু আছে কি-না, সেটি আরেক বিতর্কের ব্যাপার) গঠিত হবে নতুন নতুন নক্ষত্র। আবার সৃষ্টি হবে নতুন মহাশূন্য, নতুন পৃথিবী, নতুন প্রাণ।
প্রকাশ করা হয়েছে: বিজ্ঞান বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অনিশ্চিত বলেছেন:
ধন্যবাদ, ফারহান দাউদ। চেষ্টা করেছি সরল করার, কিন্তু তাতে বাক্য সংখ্যা বেড়ে গেছে অনেক।
ধন্যবাদ আসলে আমার অনেক আগে থেকেই এটার সম্পর্কে আগ্রহ ছিল।
এখানে তুলে দিলামঃ
-----------
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:০৮
comment by: মাথামোটা বলেছেন:
ব্রেইনিয়াক ভাই ব্ল্যাক হোল সম্বন্ধে কিছু বলবেন?
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:০৯
comment by: ডাক্তার অব সারোয়ারাইটিস বলেছেন:
না ভাই আমার বিরানী খাইয়া অভ্যাস নাই, এ পোস্টের কমেন্টর রেজাল্টে বলসিলাম আর কি? আরে সমস্যা কি আপনেরা আলোচনা করেন
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:১১
comment by: মাথামোটা বলেছেন:
আইজু ভাই ব্ল্যাক হোল সম্বন্ধে কিছু বলবেন?
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:১৩
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:
ড্রাগতার এইডার মাথা খারাপ হইয়া গেছে। লুকাসিয়ান প্রফেসর হকিং একবার বলেছিলেন, আমি চাই না পদার্থবিজ্ঞানের আলোচনা শুধুমাত্র স্কলারদের কাছে সীমাবদ্ধ থাকুক। একটা পূর্ণাঙ্গ তত্ব যদি আবিস্কার করতে পারি তাহলে সাধরণ মানুষও আলোচনায় অংশ নিতে পারবে।
মাথামোটা নেক্সট কখানো।
আসলে এখানে প্রাসঙ্গিকভাবে হকিংয়ের কথা এসেছে। শিরোণামে এই লেখার টার্গেট নির্ধারিত।
ড্রাগতার বেহেঁডম না-বুইঝা লাফায় খালি।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:১৩
comment by: হাসিব বলেছেন:
কিসের জ্ঞানচর্চা হচ্ছে এখানে ?
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:১৪
comment by: ডাক্তার অব সারোয়ারাইটিস বলেছেন:
ব্ল্যাক হোল মানে কি ডার্ক কালারড অ্যাস হোল?
অনিশ্চিত বলেছেন:
মেহরাব শাহরিয়ার, ধন্যবাদ।অচেনা বাঙালি, রেটিং সিস্টেমটা আমার ভালো লাগেনি। কারো লেখা আমার পুরোপুরি ভালো না লেগে কিছুটা ভালো লাগলে তাকে কী যে দিবো বুঝতে পারছি না। আপনি তো তাও আমাকে বলে দিলেন।
মাথামোটা, ধন্যবাদ।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
ভাইয়া, হোয়াইট হোলে কি গ্র্যাভিটি ঋণাত্বক নাকি ? এরকম হলে তো তার নিজেই নিজেকে ছড়িয়ে দিবে একসময় ।যা হোক , আপনার মত বিজ্ঞান শিক্ষক আমদের দরকার । আপনি কি পদার্থ বিজ্ঞানের ছাত্র ?
(ভালো লেগেছে ) ।
লেখক বলেছেন: হোয়াইট হোল সম্পর্কে এটি একটি ধারণামাত্র। কোয়াসার সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানা গেলে হয়তো হোয়াইট হোলের ধারণাটি পূর্ণতা পাবে। আর গ্র্যাভিটি ঋণাত্মক হলেই কি নিজেই নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার ধারণাটি কোয়ান্টাম মেকানিক্সে খাপ খায় না। সেখানে এতো অনিশ্চয়তা...
লেখক বলেছেন: ভাই, নিজ উদ্যোগে টুকটাক পড়ি। মোল্লার দৌড় যেমন মসজিদ পর্যন্ত, তেমনি আমার দৌড় ম্যানহোল পর্যন্ত... এ ব্যাপারে
খোলাচিঠি বলেছেন:
আমার ম্যানহোলে পরে যাওয়ার পর শীত শীত লাগা পর্যন্ত ভাল লাগসে। =)তারপর মনে হইলো ক্লাশ রুমের বইসা আছি। =(
লেখক বলেছেন: আমি খুবই দুঃখিত, খোলা চিঠি। আমার চেষ্টা ছিলো যাতে কারো মনে না হয় যে তিনি ক্লাশ রুমে। এটা আমার ব্যর্থতা।
শাহানা বলেছেন:
হমম ভাল ধারনা পেলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, শাহানা।
নাহিদ বলেছেন:
জটিল বিষয়।
লেখক বলেছেন: এরপরও জটিল!!
আজনবী বলেছেন:
ভালো লেখা, ব্রাকহোল, হোয়াইট হোল আর ম্যানহোল সম্পের্ক ভালোই ধারনা পেলাম। এর চাইতে জিটিল হচ্চে উইম্যানেহাল, এবার এ বিষয়ে একটু গবেষণা করে লিখুন। আর বলুনতো উইম্যানহোলে একবার পড়ে গেলে বেড়িয়ে আসার উপায় কি?
লেখক বলেছেন: আপনার মা কিংবা বোনকে জিজ্ঞেস করতে পারেন।
লেখক বলেছেন: সারওয়ারচৌদুরীকে অনুরোধ রইলো তিনি যেন এ ব্যাপারে কিছু লিখেন।
মদনবাবু বলেছেন:
দেরি করে পড়তে শুরু করলাম।
মদনবাবু বলেছেন:
আমরা এখোনো অনিশ্চিত।
লেখক বলেছেন: আপনি কী ব্যাপারে অনিশ্চিত?
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আমি আইসা গেছি। ব্যাস্ত থাকার কারনে এইটা বাঙ্গালীগো মতো ক্যাচ মিস হইয়া গেলো মনে হইলো। যাই হোউক, সুপুস্ট লেখা মাগার এই খানে কিছু যোগ করনের লিগা আমি হাত খানা বরাবরের মতো উদাসী নিশপিশ শুরু করলো! যাই হোউক শুরু করি!:"তবে যদি এমন হয়, নক্ষত্রগুলো আস্তে আস্তে ব্ল্যাক হোলে পরিণত হয়ে গায়ে গায়ে লেগে যাচ্ছে, তাহলে একসময় পুরো মহাশূন্যই ব্ল্যাক হোলময় হয়ে যাবে। এবং এখানেই মহাশূন্যের ইতিহাসের সমাপ্তি।"
এইখানে দুইটা কথা আছে। আমাদের গ্যালাক্সী গুলান নিয়ম মাইনা উদাস হইয়া ঘুরাফিরা করে অনেকটা স্পিনিং টাইপ আবার যুগপত ভাবে তারা একে অপরের কাছ থেকে দূরে সইরাও যাইতাছে (হাবল অবসারভেশন অনুসারে)। তবু দেখা যায় গ্যালাক্সি গুলানের মাঝে মাঝে গুতাগুতি লাইগা যায় অবশ্য এইটা নিজেগো দোষে মানে বেশী কাছাকাছি আইসা গেলে নিজেগো আকর্ষন এই ঠোয়া গুলান খাইয়া যায় । সেইখানে দেখা যায় ম্যাক্রো লেভেল থেকে মাইক্রো লেভেলে এই ঠোয়ার ইম্পেক্ট পড়ে। তখন দেখা যায় বেশ কিছু সময় প্রবাহিত হওনের পর তারা দুজনে মিলে একটা নতুন গ্যালাক্সি তৈরী করে এবং তার বেশ কিছু সময় পর চন্দ্রশেখরের লিমিটের মধ্যে পরা কিছু কিছু নক্ষত্রগুলান কোলাইডের পর ব্লাক হোলের মতো হইতে শুরু করে।তবে এগুলান সব হাইপো।
এখন হোয়াইট হোলের অস্তীত্ব নিয়া এখনো ধোয়াশা থাকার কারন হইলো কোয়াসার সম্পর্কে তেমন না জানা আর ব্লাক হোলের মতো বিশেষ কোনো বৈশিষ্ঠ্যের ধারনা না থাকা(যেমন রন্জ্ঞান রশ্মীর বিকিরন)। তবে কোয়াসারকে অনেকটা এসকেপিস্টের মতো সবাই মহাজাগতিক ঘড়ি বলে কারন এর এই বৈশিষ্ঠই হলো এই হাইপোর একটু বিরোধে।
তবে একটা হাইপো দাড় করানো যেতে পারে যেটা মূলত এরকম একটা কন্ট্রোলড এনভাইরোনমেন্টে অতিক্ষুদ্র ব্লাকহোল বানানো কিন্তু সেটাও আবার সম্ভব এখনো না, কারন এর একটা আকৃতিগত ক্রিটিক্যাল পয়েন্ট আছে যার ফলে এর কোন আকৃতিতে কোন রিএ্যাকশন সেটা গণিতে বের করা বেশ মুস্কিল। এছাড়া এর বাইরের পরিবেশ যে কিরকম হবে সেটা একটা বিশাল ঝামেলার ব্যাপার অনেকটা প্যরাডক্সের মতো।
তবে ম্যানহোলে যেমন অনিশ্চিত ভাই জান ঠিক ভাবেই প্লাজমার মধ্যে বাইর হইতে পারছেন সেইটা হয়তো ব্লাকহোলের ভিতর দিয়া এরকম সুখকর ভ্রমন নাও হইটে পারে। কারন ইভেন্ট হরাইজনে সে যে লাম্বা হইয়া তালগাছের সমান হইবার পারে তার গ্যারান্টি কিন্তু হকিঙ কাকায় দিয়া গেছেন!
আর ঠান্ডা ব্যাপার না, এ্যাসবেস্টসের চেম্বারে ঢুকায়া এয়ার কন্ডিশনার মাইরা দিলেই হইবো!
তবে অনিশ্চিতের এই টাতেও ছক্কা!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
তবে হ্যা এইখানে একটা কথা না বললেই নয়, যদি ওয়ার্মহোলের অস্তিত্ব প্রমান করা যায় তবে একটা পসিবিলিটি থাকে মাল্টি ইউনিভার্সের তবে এর আরেকটি পসিবিলিট হলো উপরের গল্পের মতো। তবে উপরের গল্পটা ফিকটিশাস হতে পারে যদিনা টেলিপোর্টেশন থিওরেটিক্যালি অসম্ভব। আর টেলিপোরটেশন যদি সম্ভব হয় তাহলে শক্তির নিত্যতা সূত্রের লুঙ্গি নিয়া টানাটানি। তখন বর্তমানের সমগ্র ফিজিক্স একটু ঝামেলায় পড়ে যাবে, যদি না আমরা তখন মাল্টি ডাইমেশন যেখানে ডিরেকশনাল, ননডিরেকশনাল ডাইমেশন আর তাদের প্যারামিটার নিয়া কাজ শুরু না করি! তবে হ্যা হায়ার ম্যাথে মাল্টি ডাইমেশন নিয়ে কাজ করার মতো আমাদের ম্যাথ এখন অনেক পরিপক্ক!
লেখক বলেছেন: বাপরে, ওয়ার্মহোল, টেলিপোর্টেশন, ননডিরেকশনাল, মাল্টি ডাইমেনশন - কী কঠিন কঠিন শব্দ! এইগুলো কোথায় পাওয়া যায়? আজকে রাতে ডিম ভাজি করে খেতে হবে। এই জিনিসগুলো মিশালে মনে হয় একটু টেস্টি হবে। জলদি জানান।
আর উদাসী স্বপ্নরে এই ব্লগে ব্যান করা হইল। যেদিন তিনি শুধু মন্তব্য না করে এই ব্যাপারে পোস্ট করা শুরু করবেন, সেদিন তাঁকে ব্যানমুক্ত করা হবে।
সব ঠিক হ্যায়...
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
মারছে!
অনিশ্চিত বলেছেন:
শুরু করেন...
মদনবাবু বলেছেন:
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫০লেখক বলেছেন: আপনি কী ব্যাপারে অনিশ্চিত?
আমি একটা দাওয়াত দিসিলাম আপনারে। উত্তর পাই নাই।
লেখক বলেছেন: কই, আমি তো কোনো দাওয়াত পাই নাই... দাওয়াত পাইলে কি এতোক্ষণ ... হে হে হে... আবার দেন... সত্যি পাই নাই, আপনিও খুঁজে দেখতে পারেন
দিগন্ত বলেছেন:
বাঃ ভাল লেখা পড়লাম। কিন্তু হোয়াইট হোলের ব্যাপারটা এখনো গাণিতিক জগতেই সীমাবদ্ধ আছে। আসলে, মহাকর্ষ ব্যাপারটা এখনো ঠিকঠাক বোঝা সম্ভব হয়নি। তাই, একটা গ্র্যান্ড ইউনিফায়েড থিয়োরী না পেলে অনেক কিছুরই সমাধান হবে না।
লেখক বলেছেন: ঠিক কথা। স্ট্রিং থিওরির প্রবক্তারা মনে করছেন, তাদের মতবাদ প্রমাণিত হলে সহজেই এই কাজটি করা যাবে। আবার অনেকে মনে করেন, আমাদের চিন্তাধারা প্রচলিত চার ডাইমেনশনে সীমাবদ্ধ রাখলে কখনোই এটা প্রমাণ করা সম্ভব হবে না। সেজন্য কেউ কেউ আরো দুটো ডাইমেনশনের কথা বলেন। আবার অনেকে তো এক লাফে আট ডাইমেনশনের কথাও বলতে চান। তবে ইদানিং একটি বিষয়ে অনেকে একমত হচ্ছেন যে, গ্র্যাভিটি এবং ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ডকে একসঙ্গে নিয়ে কাজকারবার করলে হয়তো দ্রুত কিছু ফলাফল বের করা সম্ভব। এমনকি এর মাধ্যমে হাইপার ডাইভের জোরালো সম্ভাবনার কথাও বলেন অনেকে।
কী জানি ভবিষ্যতে কী হয়!
- তবে মহাকর্ষ ব্যাপারটা পুরোপুরি যে ঠিকঠাক বোঝা সম্ভব হয় নি, সেটা বোধহয় ঠিক নয়। অনেক কিছু বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু সেগুলো প্রমাণ করার মতো যথেষ্ট মালমশলা আমাদের হাতে নেই।
হুমায়রা হারুন বলেছেন:
খুব সুন্দর পোস্ট। প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, হুমায়রা।
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আবদুল ওয়াহিদ।
তবে ম্যানহোল কে ব্যাকহোলের সাথে তুলনা করার জন্য মাইনাস
ব্লেক হোল আর সময় নিয়া লেখা আশা করছি +++++++
লেখক বলেছেন: তাহলে একসাথে দুইটা মাইনাস দেন। মাইনাসে মাইনাসে প্লাস হয়ে যাবে।
আমার নিক টা না নিলে ঐটাই সেকেন্ড বেষ্ট চয়েস ছিলো
লেখক বলেছেন: আমার কিন্তু আপনার প্রোফাইল পিকচারটা ভালো লেগেছে।
ইংরেজীর কচকচনীতে তেমন মজা পাইনা .. আর জ্ঞান অর্জনের জন্য উইকি ঘাটতেও আলস্য
আসলে কেতাবী লেখাই ভালো লাগে না ..
কেউ নিজের সহজবোধ্য ভাষায় লিখলে ভালো লাগে
অট: ছবিটা পছন্দ হলে লাগিয়ে ফেলেন
আমি অন্য আরেকটা ব্যবহার করবো
লেখক বলেছেন: পছন্দের ছবি তো অনেক আছে। কিন্তু সব লাগাতে গেলে আমি শেষ! তাই আপনারটাও থাকুক। ধন্যবাদ অফারের জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মুক্ত বয়ান। আপনার কাছ থেকেও এরকম লেখা চাই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















