অপেক্ষায় আছি
রাত্রি মোচন হবার
জোছনার চাদরে মাখা রাত্রিকে
বিদায় বলার ।
শিষ্ট ভনিতা, অসীম দ্বিধা কাটিয়ে
উঠে দাড়াবার ।
ঘড়ির কাটায় ঠিক বারটা
সবাই তখোন ঘুমের ঘোরে,
জোনাকির আলোর মাঝে
নিস্তব্ধ রাত্রি আলোয় একাকার ।
শিরশির করে উঠে প্রতিটি স্পন্দন
কম্পনে কম্পনে সমস্ত দেহমন ।
নির্জীব হয়ে বসে থাকা
চিরন্তনকে আলিঙ্গন করার স্বাদ
চারিদিকে সুর তুলে হাহাকার ।
ঘড়ির কাটায় ঠিক তিনটা
ধীরে ধীরে পদচরনে
ঔদ্ধত মেঝে ধুলিকনা
চিৎকার করে বারন জানায়
যেও না ।
দিশেহারা কান শুনে না কিছুই ।
ঘড়ির কাটায় ঠিক চারটা
আযান দেবার তখোনও বাকি
উর্ধ্ব কম্পনে ছুটে চলে
ভাবনার জাল পিছে ফেলে
জলের মাঝে দিলাম ডুব ।
ঘড়ির কাটায় ঠিক পাঁচটা
তখোনও কেউ দেখেনি
নীরব গগন কেবলি চেয়ে দেখল ।
ঘড়ির কাটায় ঠিক ছয়টা
চারিদিকে কোলাহল
নেই কোথাও আমি
ক্রন্দনে সমীরন,
জাগাল সারা পাড়া ।
ঘড়ির কাটায় ঠিক এক মাস
কেউ রাখেনি মনে,
কত বিরহ কত যন্ত্রনায়
চলে গেছি আমি
কেউ রাখেনি সেই খবর,
কেউ রাখেনি আমায় মনে ।
আমার মৃত্যু যে অনর্থক
জানলাম অপারেতে গিয়ে ।
উৎসর্গ
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মার্চ, ২০১১ রাত ২:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



