সংসারের ঝামেলার কারণে ব্লগিং করতে পারছি না। বিশেষ কারনে কম্পিউটার বাসায় নিয়ে এসে পড়েছি মাইনকার চিপায়্। পরিবারে একজন অতিরিক্ত বেকারের আভির্বাব। ঘন্টায় ঘন্টায় চা তার সাথে আরো কিছু সুপারিশ থাকে। সবাই এখন আমার উপর বিরক্ত। কাজ নাই কাম নাই খালি কম্প্উটারের সামনে বসে কি যেন করে। কম্পিউটার যেখানে আমার মন পড়ে থাকে সেইখানে। একতরফা প্রেম আরকি। বিনিময়ে ব্লগার সাথীদের মন্ত্যব্য। কখনো + কখনো - । যেন একই সূতায় গাঁথা।
বাঁধসাধে ক্ষুধা ,সংসার , সন্তানের আবদার।
অনেক কটুক্তি কি দেবে এই কম্পিউটার। সংসার চালাবে কে। সংসারের প্রধান ম্যানেজার মানে আমার গিন্নি । আমার উপড় বড়ই বিরক্ত। আমি বুঝি তাকে কি সমস্যাই টানা পোহাতে হয়।
ব্যাবসা বাণিজ্যে যা হয় বা যা পাই তাতে কোন মতে। কম্পিউটার খানা বাসায় নিয়ে আসার পর এখন চোখের সামনের পারিবারিক অনেক সমস্যা দেখতে পাই।
শেয়ার মার্কেটে ঢুকেছি এরপরই সূচক এর পতন। তার সাথে ব্লগিং এর সুচকের্ও পতন সাথে আবার বিশ্ব মন্দা।
অনেকে দলে দলে বিদেশ পাড়ী জমাচ্ছে। নিজের জান বাঁচাতে।
বাসা থেকে আল্টিমেটাম দেয়া হইয়াছে। যে একখান ল্যাপটপ নিয়া সাধু বাবার বট তলায় যাতে আমি বসিয়া কম্পিউটার এবং সরাসরী মানূষকে সচেতন করার কাজ শুরু করার তাগিদ এবং যাহা দক্ষিনা পাওয়া যাইবে তাহা আমার সংসারে এক উল্লেখ যোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।
আমি বললাম এই সাধুবাবার বট তলা এখন আর নাই । ১৪ রাইফেলস এর সীমানা প্রাচীর এর ভিতর ঐখানে প্রবেশ নিষেধ। যদি ঐ জায়গা পাওয়া যাইতো আমি চলিয়া যাইতাম। কারন ঐখানে একজন সাধু বাবা ছিলেন্।
আমি আবার কাঙ্গাল , যার দর্শন অধম হিসাবে পাইতেও রাজি।
আমার গিন্নি কে যখন বললাম যে এই খানে অনেক নারী ব্লগারও আছে। তারাও দেশের জন্য কিছু করতে চায়। তুমি নারী হিসাবে দেশের জন্য আমাকে একটু সুযোগ দিবে না। সবাই এখন কম্পিউটারের মাধ্যমে একটা বিপ্লব করতে চায়।
দেশ গড়ার বিপ্লব।
বড়ই কষ্টে আছি বড়ই কষ্টে । মনে হয় আমি আর ব্লগিং করতে পারবো না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



