একটি সিদ্ধান্ত , একটি সেসমিক রিপোর্ট , বিপন্ন লাউয়াছড়া।
তেলগ্যাস অনুসন্ধানকারী দল লাউয়াছড়ায় ব্যাপক বিস্ফোরন চালালো। সেই বহুজাতিক কোম্পানীটি গ্যাস পেল কিনা তার কোন রিপোর্ট এখনো জনসম্মুখে প্রকাশ করেনি। কিন্তু এই রেইনফরেষ্টকে উজার করার ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে।এই উজার করার পিছনে সেই তেল গ্যাস কোম্পানিগুলোর কোন কারসাজি আছে কিনা । তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে। কারন গ্যাস উত্তোলন করতে হলে এই বনভূমি বিরাট একটা বাঁধা। তারা বিভিন্ন ফন্দি করে অনুদান দিয়ে অনুদানের নামে আমাদের বনভূমি ধ্বংস করার এজেন্সি হিসাবে নৈ-স্বর্গ নামের সংস্থাটি দায়িত্ব পেয়েছে। তারা এই বনভূমিকে বোটানিক্যাল গার্ডেন করতে চায়।
ইউনিএইড এর অর্থায়নে দেশী জাতের গাছ কেটে রোপন করা হচ্ছে বিষাক্ত আকাশমনি গাছ। যা কিছুকাল পূর্বে সরকারী প্রজ্ঞাপন জারী করে দেশের বনভুমিতে রোপন করার জন্য বনকর্মকর্তাদের আদেশ করা হয়েছে।
এই আকাশমনি দ্রুত বর্ধনশীল গাছ বটে। কিন্তু তা পশুপাখির জন্য কোন খাদ্য তৈরী করে না । তাতে শুধু বড় বড় পিঁপড়া দেখা যায়।
আকারে এতো বড় হয় যে, গাছ চোররা একটি গাছ একজন চোর কাধেঁ করে নিয়ে যেতে পারে।
ইউনিএইডের সহায়তায় নৈ-স্বর্গ অত্র এলাকায় সব গাছচোরদের দিয়ে পাহারা দেয়ায়।এবং এই গাছ চোররা অপর গাছ চোরদের দিয়ে অপর প্রান্তে মোবাইল যোগাযোগে গাছ চুরি করিয়ে নেয়।
তাছাড়া আছে ক্ষমতাশীন এমপি এবং আওয়ামীলীগ নেতাদের স,মিল যা বিগত ৭ বছর প্রায় বন্ধছিল। তাদের নামে চলছে চোরাকারবারী গাছ ব্যাবসা।
সেখানে বন কর্মকর্তারা বড় অসহায়।
একটি বড় গাছ রক্ষায় যদি লক্ষ টাকাও ব্যায় করা হয় তবু সেই উজার হয়ে যাওয়া বনভূমিকে পূর্বের স্থানে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
যার প্রকৃতিক মূল্য হাজার হাজার কোটি টাকার উপর।
এখন দেখতে হবে কার স্বার্থে বনভূমি উজার হচ্ছে।গাছ চোরদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান হতে পারে তার সহায়ক শক্তি। সরকারকে এই ব্যাপারে এখনি যদি হার্ড লাইনে না যায়। যখন ঘুম ভাঙ্গবে তখন কোন কিছু আর অবশিষ্ট থাকবে না।
বনকর্মকর্তাদের হুমকি ধমকি দিয়ে বিভিন্ন চুরির মামলা না হওয়ার জন্য চাপ দেয়া বন্ধ করতে হবে। সব স মিল বন্ধ করে দিতে হবে। এমপি আওয়ামীলীগ নেতাদের স,মিল আগে বন্ধ করতে হবে। তারা জানে কিনা জানিনা তাদের নামে চলছে গাছ চুরি।
গাছ চোরদের সরকারী পর্যায়ে নগদ অর্থ সাহায্য দিয়ে অন্যত্র কাজের সুবিধা করে দিতে হবে। হয়তো এই গাছ চোর আনুমানিক খুব বেশী হলে তিনশত অতিক্রম করতে পারে।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান রক্ষায় একটি গনসচেতনতামূলক আন্দোলনে রুপ দিতে হবে এবং বিদেশী জাতের বিষাক্ত গাছ রোপন বন্ধ করতে হবে। সরকারী প্রজ্ঞাপন জারী করে এই বিদেশী জাতের চারা ইউক্যালিপটাস গাছের মতো নিষিধ্য করতে হবে। বনভূমির ইকো সিষ্টেম রক্ষা করতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

