৯০ নব্বই দশকের সুনামধন্য দূর্নিতি বাজ এরশাদ চাচার আমলে নগর পরিকল্পনাবিদেরা নগরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্যে ঢাকা মহনগরীর প্রায় প্রতিটি প্রধান সড়কের মধ্যে ডিভাইডার দেয়া হয়।
এবং বৃক্ষ রোপন সহ অনেক কাজ এগিয়ে যায়। প্রায় প্রতিটি সরকার নগর সৌন্দর্যের অংশ হিসাবে তাদের কর্মকান্ড এই রাজপথকে কেন্দ্র করে।
আর যদি সাফ ফুটবল বা আন্তর্জাতিক কোন জাতীয় অনুষ্ঠান হয় তখন নগর সৌন্দর্যের অংশ হিসাবে রাজপথের পাশে স্থাপিত হয় অনেক মুরাল। যাতে রাজনৈতিক নেতৃত্বে ছবি স্থান পায়।
সেই ১৯ বছর আগের পরিকল্পনা এখন অচল। ঢাকার রাজপথে গাড়ীর সংখ্যা এখন ভাবিয়ে তুলেছে জাতীকে।
সমাধান কেউ চায়না। তো বৃষ্টি ভেজা বিকেলে চিড়া ভাজা খেতে খেতে জাতীকে পরামর্শ দিতে মনে চাইলো। তা আর বেশী কিছু না। ঢাকা থেকে অনেক দূরের বাসিন্দা , যে কিনা কতাচিত ঢাকা যায়। ১৯ বছর হিসাব করলে হাতে গুনা যাবে আমার ঢাকা সফর।
ঢাকা মহানগরের বাহিরে এই বাকি অর্ধেক শহর হলো ডাম্পিং শহর। অপ্রয়োজনিয় নোংরা অবব্যাহুত সব গাড়ী রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়।
ঢাকার ভিতর রাস্তার দুপাশে ফুটপাত হলো মূল রাস্তার ৫ভাগের ১ভাগ। মধ্যখানে ডিভাইডার ১০ ভাগের ১ ভাগ ক্ষেত্র বিশেষে ৮ ভাগের ১ভাগ।
পরামর্শ...........
প্রয়োজনে ফুটপাত ১৮ ইঞ্চি + ১৮ ইঞ্চি করে মোট তিন ফুট কমানো যায়। প্রয়োজন মনে করলে এক ওভার ব্রিজ থেকে আরেক ওভার ব্রিজের ফুটাপাতের উপড় লম্বালম্বি ফুটাপাতের উপড় ওভার ব্রিজের মতোন ফুটপাত নির্মান করা যেতে পারে।
সমস্যার কেন্দ্রে আছে রোড ডিভাইডার।
কোথাও পাঁচ ফুট কোথাও ছয় ফুট কোথাও আরো বেশী রাস্তা যত বড় ডিভাইডার ও ততবড়।
কিন্তু কেন ???
আমরা যদি আইনের কথা বলি , হলুদ দাগ পেরুবে কেন। ওভারটেক করবে কেন। প্রয়োজন এবং সুবিধা থকলে ওভার টেক করবে। কিন্তু একটা নগরকে বানালেন সোনার পিন্জিরা। রাস্তাও সেই পিন্জিরায় বন্দি।
যানজট বাড়ার পিছনে এই ডিভাইডার অনেক দায়ি। আর আছে রাস্তার পাশে পার্কিং।
৫০হাজার বাই সাইকেল রাস্তার মোড়ে মোড়ে এক্কেবারে ফ্রি দিয়ে দেয়া হোক। প্রয়োজন মনে করলে কেউ ব্যাবহার করবে। রিক্সাশ্রমকে নিরুতসাহিত করা হোক। এই শ্রমকে উতপাদনশীল কাজে ঢাকার বাহিরে ব্যাবহার করা হোক।
ডিভাউডার সব ভেঙ্গে ফেলা হোক ,মধ্যে খানে একটা হালকা হলুদ দাগ দেয়া হোক যাহাতে প্রয়োজন মনে করলে ওভারটেক করা যাইতে পারে।
এই কাজে সাফল্য আসবে ১০০% সিউর হয়ে বলতে পারি। যে গাড়ী বা বাস এই হলুদ দাগ ক্রস করবে তাহাকে ১০০০টাকা জরিমানা করা হবে। সপ্তাহে যদি কোন গাড়ী সাতবার এই মামলা খায় তাহলে তার লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
অন্য আরেক টি উপায় আছে তা হলো ঢাকায় প্রবেশ হবে এক রাস্তায়, প্রস্থান হবে অন্য রাস্তায়। যেমন সিলেটের গাড়ী গাজীপুর টঙ্গি উত্তরা হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করবে এর বের হবে সায়েদাবাদ কাঁচপুর হয়ে।
রাস্তার মধ্যেখানে কোন ডিভাইডার রেখে জাতীর মধ্যে বিভেদ তৈরী করে রাখা চলবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

